জীবনের প্রথম জিনিস কখনই পরিবর্তন হয় না-

27th November, 2023
244




অনুভবে কোনো কিছু পুরাতনেও সুন্দরঃ

মানুষ যেকোনো মূহুর্ত অনুভবের মাধ্যমে নিজের বিশেষত্ব তৈরি করতে পারে। কারণ বেশিরভাগ ব্যক্তি সবকিছুর মধ্যে নতুনত্বতা খুঁজেঊ বেড়ালেও অনুভবের জন্য তা সম্ভব না। অনুভব এমন একটা জিনিস যা কখনো পুরোনো হয় না। বরং সময়ের সাথে বাড়তে থাকে। যার জন্য মানুষ পুরোনো হয়, সময় বদলায়। কিন্তু কারোর অনুভবের গাঢ়ত্ব তাকে ভিতর থেকে সবসময় একরকম রেখে যায়। যেজন্য অনুভব অপরিবর্তনশীল কিন্তু বাড়ন্ত। যার শুরু আছে কিন্তু শেষ নাই। কারণ শেষ নিঃশ্বাসেও মানুষ অনুভব করে যায়। আর পরবর্তীর নতুন কোনো শিশুর মাধ্যমে তা আবার পুনরুজ্জীবিত হয়।

কিছু সংখ্যক মানুষের জীবনে কিছু বিশেষ বিষয় থাকে। যার অনুভব কারোর মধ্যে আত্মিকভাবে জড়িত থাকে। যখন বিষয়টার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি তেমন কোনো প্রভাব বিস্তার করে না। কারণ এমন বিষয়গুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অপূর্ণতার বাস্তবতা হওয়ায়, যা সেই প্রকৃতির ব্যক্তিদের ভেতরের অংশবিশেষ হয়ে থাকে। তখন বিষয়টা অনুভবের মাধ্যমে কারোর জীবনের অনেকটা জায়গা জুড়ে থাকে। যার জন্য তার সামনে বা পেছনের যেকোনো কিছুই স্বাভাবিক মাত্রায় তার জীবনে বিরাজ করে। একটা মানুষের দৈহিক শক্তির চেয়ে মানসিক শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করা উচিত ইতিবাচকভাবে।

রিলেটেড পোস্ট


মানুষ তার অনুভবের উপর নির্ভর করে-
পড়া হয়েছে: ৪৪৮ বার

কিছুটা সুন্দর মুহূর্ত-
পড়া হয়েছে: ২১৯ বার

ফেসবুক চালাতেও প্রতি মাসে দিতে হবে টাকা!
পড়া হয়েছে: ৮৯ বার

পরাক্রমশালী শক্তির মনোভাবে তৈরিকৃত জীবন-
পড়া হয়েছে: ১০৯২ বার

কারোর ব্যক্তিত্ব যেকোনো পরিস্থিতির প্রভাব থেকে তাকে মুক্ত রাখে-
পড়া হয়েছে: ২৯১ বার

সময়ের সাথে বদলে যাওয়া মূহুর্তের অনুভব-
পড়া হয়েছে: ২৬৯ বার

মানুষের প্রকৃত স্বচ্ছতা তার জীবনের তিক্ততায়-
পড়া হয়েছে: ২৬০ বার

সৃষ্টতার আবির্ভূত মনোভাব মানুষকে উজ্জীবিত করে তোলে-
পড়া হয়েছে: ৪৫৩ বার

স্মৃতির মাঝের বিষয়গুলো সবসময় শ্রেষ্ঠ হয়-
পড়া হয়েছে: ২৮৮ বার

কিছু বিষয়ের উৎকৃষ্টতা মানুষকে অস্বাভাবিকভাবে গড়ে তোলে-
পড়া হয়েছে: ৪১৫ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



সর্বোত্তম মূহুর্তের যেকোনো বিবেচনা মন থেকে আসে- Thursday, 30th November, 2023

বিবেচনার প্রেক্ষিতেঃ

কিছু শব্দ যখন ভাবনায় আটকে থাকে। তখন পর্যায়ক্রমে মানুষের চিন্তার খুব দ্রুত পরিবর্তন হয়। কিন্তু আবেগ থমকে থাকে। যার কারনে মানুষ অনুভব করা ভুলে যায়। এখন বিষয়টা হলো যে, এমনটা কখন হয়? সত্যিকার অর্থে যেই ব্যক্তিগুলো কোনো কিছুর প্রতি নিজের চেয়েও বেশি মূল্য দিয়ে থাকে। সেই বিষয়টার সামান্য আঘাতও ওই ব্যক্তিকে ভেতর দিয়ে অনুভব করায়। যার কারণে সেই বিষয়ের সাথে কেউ মানায় নিতে গেলে, মনঃস্তাত্বিক কষ্ট তাকে বিষয়টার প্রতি অভিমানের অনীহা তৈরি করায়। যার কারনে সবকিছুর পরিবর্তনের মাত্রা বাড়লেও সেই বিষয়ের নিস্তব্ধতা ওই মূহুর্তেই সবকিছুর পরিসমাপ্তি ঘটায়। নতুন করে বিষয়টা পুনরুজ্জীবিত হলেও হয়তো পূর্বের মতো কোনো কিছুই থাকে না। যার কারনে সেই বিষয় সম্পর্কিত যেকোনো কিছুই তার জীবনের প্রতি মূল্যহীনতা প্রকাশ করতে থাকে।

মানুষ তার জীবনের কিছু সময়ে সবকিছুর চিন্তা ভুলে একটু শান্তির নিঃশ্বাস নিতে চায়। কিন্তু পরবর্তীর বাস্তবতার কথা চিন্তা করলেই তখন বিষয়টাকে স্বপ্নে বেঁধে ক্লান্তির নিঃশ্বাসে নতুন সময়ের পথচলা শুরু করে। যেখানে কোনো কিছুর মানে না থাকলেও প্রত্যেকটা জিনিসের কারন খুঁজে জীবন পরিচালনা করতে হয়। কিন্তু আত্মিক বিবেচনাগুলো সবসময় ভেতরে স্বপ্নের বাসা বেঁধে পূর্ণতার অপেক্ষায় থাকে। যা কাউকে অনুভবে ভালো থাকতে সহায়তা করে। তার স্বপ্নগুলো পূরণ হোক বা না হোক। তাই প্রত্যেকের উচিত সবার সাফল্যের অনুপ্রেরণা নিয়ে নিঃস্বার্থভাবে পরিশ্রমের সাথে সৎভাবে এগোতে চেষ্টা করা। তাহলে তার জন্য কোনো না কোনো সময় ভালো কিছু অবশ্যই থাকবে। যা কল্পনার বিষয়গুলো থেকে অতিরিক্ত সুন্দর হবে। তখন হয়তো তার জীবনের সরলতার জন্য বিষয়গুলোর অপব্যবহার করার চিন্তা-ভাবনা আসবে না জীবনে। যার কারনে কষ্ট হলেও আস্তে আস্তে নিজেকে বদলানোর চেষ্টা করা উচিত। যা পরিবর্তন করার ক্ষমতা একমাত্র সৃষ্টিকর্তার কাছে থাকবে।

প্রশ্ন মানুষ তখনই করে যখন কোনো বিষয়ের প্রতি সে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত না হচ্ছে। কিন্তু প্রত্যেকেটা মানুষের জানার ধরণ আর ইচ্ছাশক্তি হয়তো একরকম হয় না। অনেকে আছে, দ্বিধাবোধের মাধ্যমে প্রশ্ন করে থাকে। আবার অনেকে সবাইকে দেখে প্রশ্ন করে। আর কিছু প্রকৃতি আছে, যারা অন্যকে প্রশ্ন করার জায়গায় নিজেকে ভেতর দিয়ে সবসময় প্রশ্ন করে। আর নিজেই নিজের প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করে। প্রশ্ন/কৌতুহলের এমন অনেক ধরন আছে যা হয়তো লেখা বা বলায় সীমাবদ্ধ নয়। কিন্তু উল্লেখিত প্রশ্নের ধরনের মধ্যে বিভিন্ন পার্থক্য সময়ের সাথে ব্যক্তিগুলোকে পরিবর্তিত বা অপরিবর্তিত রাখে। যে ব্যক্তিগুলো দ্বিধাবোধে কোনো প্রশ্ন করে, সেই ব্যক্তিগুলো তার অজান্তে পরিস্থিতি আর সময়কে খুব ভয় করে। তখন তার পরিবর্তনের জন্য সময়ের সাথে নিজের দ্বিধাবোধের পরিসমাপ্তি ঘটানো শ্রেয়। আর যে ব্যক্তিগুলো সবাইকে দেখে প্রশ্ন করে, তারা অন্যের বিচার-বিশ্লেষণেও অপরিবর্তিত থাকে। যার জন্য সময়ের সাথে তাদের পরিবর্তন হলেও ব্যক্তিত্বের দুর্বলতায় বিবেচনা, চিন্তা-ভাবনা, বোধশক্তির কোনো প্রভাব থাকে না জীবনের প্রতি। আর যে প্রকৃতির ব্যক্তিগুলো নিজেই নিজেদের প্রশ্নের সমাধান করে থাকে, তারা সবসময় পরিস্থিতির চেয়ে অন্যের বিচার-বিশ্লষণকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে। কারণ বাস্তবেও তাদের ভেতরে একটা আলাদা জায়গা থাকে নিজের জন্য। যেখানে দোষ ধরে অপমান করার মতো কেউ না থাকায় সঠিকভাবে যেকোনো কিছু বিবেচনা করতে সক্ষম হয়। সেখানে ভুল হলেও সংশোধনে কোনো বিষয়ের জন্য দ্বিধাগ্রস্ততার স্বীকার হতে হয় না।

আত্মপ্রকাশের অনুভবে স্মৃতির পাতায় গাঁথা ভেজা মুহুর্তগুলো- Wednesday, 13th December, 2023

নির্বিশেষের অনুভবকৃত বিষয়ের আত্মপ্রকাশঃ

মানুষ সেইসব বিষয় কখনোই ভুলতে পারে না। যেই বিষয়গুলো কেউ নিজে থেকে অনুভব করে। কারণ একটা মানুষ পরিস্থিতির মায়া কাটাতে পারে। কিন্তু কিছু বিষয়ের ক্ষণস্থায়িত্ব জেনেও যদি কেউ অনুভব করতে থাকে। তখন হয়তো সেইসব ব্যক্তি তার অনুভবগুলোকে কখনোই ছাড়তে পারে না। কারণ বিষয়টাকে কেউ নিজের আরেকটা অংশ হিসেবে জীবনে জায়গা করে দেয়। যখন বিষয়টার প্রতি কারোর চাওয়া-পাওয়া থাকে না। কিন্তু বিষয়টার একটু অনুভবও তাকে শান্ত করে দেয় যেকোনো পরিস্থিতিতে। এইজন্য নিজ অনুভবকৃত বিষয়গুলো কাউকে এমনভাবে জড়িয়ে রাখে। যখন কেউ বিষয়টাকে মনে না রাখলেও সেই সম্পর্কিত যেকোনো কিছু কারোর মধ্যে পুরোনো অনুভব নতুন করে জাগায়। তখন হয়তো কেউ দায় থেকে মুক্ত থাকে। কিন্তু ভেতরের অনুভবগুলোর স্থায়িত্বে সবসময় কিছু ব্যক্তি জীবনের চাপে নিজের মধ্যে আবদ্ধ থাকে।

মানুষ বিভোর হয়ে থাকে সেইসব মূহুর্তে। যেই মূহুর্তগুলোকে ভেতরের জড়তার কারণে বদলাতে অসক্ষম রয়ে যায়। কারণ একটা ব্যক্তি তখনই থমকে যায়, যখন সবকিছু বুঝেও পরিস্থিতির দায়ভারে নিজেকে নির্বোধভাবে পরিচালনা করতে হয়। মানুষ সবকিছু পারলেও তার ভেতরের অনুভবগুলো কাউকে নিজের মতো অনুভব করাতে পারে না। যার কারনে অপ্রকাশ্যের অনুভবে কেউ নিজেকে ভাঙা গড়ার মাঝে আবদ্ধ করে রাখে। যখন সময়ের সাথে প্রত্যেকটা বিষয়ের স্পষ্টতা বাড়তে থাকে সেইসব ব্যক্তির মধ্যে। বর্তমানে মানুষ কাউকে শেখায় না। কারণ সময়ের অভাবে বেশিরভাগ মানুষ ভালো থাকার তাগিদে নিজের থেকে শিখতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। যখন কাজের মাঝেও অনেকে নিজের ভেতরকার বিষয়গুলো অপরিবর্তিতভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়। কারণ কারোর জীবনের মূল উদ্দেশ্য হয়ে থাকে সবকিছুর মাঝেও নিজেকে ভালো রাখা।

।। সকল সিমের টাকা কম কাটার অপশন।। Tuesday, 02nd April, 2024

০১। গ্রামীণফোন:

গ্রামীণফোন বা জিপি সিমে টাকা কাটা সকল সার্ভিস বন্ধ করার কোড ২০২৩
জিপি ফোনে বিভিন্ন রকম সার্ভিসের কারণে টাকা কেটে নেয়। সার্ভিসগুলো  যেমন: ওয়েলকাম টুন, কল ব্লক সহ সকল সার্ভিস একসাথে বন্ধ করতে ডায়াল করুনঃ *121*6*1# ডায়াল করা মাত্রই একটু পরে একটি ফিরতি ম্যাসেজ আসবে এবং আপনাকে জানিয়ে দিবে আপনার গ্রামীন সিমে টাকা কাটার সকল সার্ভিস বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

০২। বাংলালিংক:

বাংলালিংক সিমে টাকা কাটা সকল সার্ভিস বন্ধ করার কোড ২০২৩
বাংলালিংক সিমে চালু থাকা সকল সার্ভিস বা অজান্তে চালু করা সকল সার্ভিস একসাথে বন্ধ করতে ডায়াল করুনঃ *121*7*1*2*1# ডায়াল করা মাত্রই একটু পরে একটি ফিরতি ম্যাসেজ আসবে এবং আপনাকে জানিয়ে দিবে আপনার বাংলালিংক সিমে টাকা কাটার সকল সার্ভিস বন্ধ হয়ে গিয়েছে ।

০৩। রবি:

রবি সিমে টাকা কাটা সকল সার্ভিস বন্ধ করার কোড ২০২৩
রবি সিমে চালু থাকা বা অজান্তে চালু করা সকল সার্ভিস একসাথে বন্ধ করতে ডায়াল করুনঃ *9# রবি সিমে আলাদা আলাদা করে নির্দিষ্ট কোন সার্ভিস বন্ধ করতে ডায়াল করুনঃ *5# ডায়াল করা মাত্রই একটু পরে একটি ফিরতি ম্যাসেজ আসবে এবং আপনাকে জানিয়ে দিবে আপনার রবি সিমে টাকা কাটার সকল সার্ভিস বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

০৪। এয়ারটেল:

এয়ারটেল সিমে টাকা কাটা সকল সার্ভিস বন্ধ করার কোড ২০২৩
 এয়ারটেল সিমে চালু থাকা বা অজান্তে চালু করা সকল সার্ভিস একসাথে বন্ধ করতে ডায়াল করুনঃ *9# এয়ারটেল সিমে আলাদা আলাদা করে নির্দিষ্ট কোন সার্ভিস বন্ধ করতে ডায়াল করুনঃ *5# ডায়াল করা মাত্রই একটু পরে একটি ফিরতি ম্যাসেজ আসবে এবং আপনাকে জানিয়ে দিবে আপনার এয়ারটেল সিমে টাকা কাটার সকল সার্ভিস বন্ধ হয়ে গিয়েছে ।

০৫। টেলিটক:

টেলিটক সিমে টাকা কাটা সকল সার্ভিস বন্ধ করার কোড ২০২৩
টেলিটক সিমে চালু থাকা বা অজান্তে চালু করা সকল সার্ভিস একসাথে বন্ধ করতে ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ ” STOP ALL ” আর পাঠিয়ে দিন 335 নাম্বারে। ম্যাসেজ করা মাত্রই একটু পরে একটি ফিরতি ম্যাসেজ আসবে এবং আপনাকে জানিয়ে দিবে আপনার টেলিটক সিমে টাকা কাটার সকল সার্ভিস বন্ধ হয়ে গিয়েছে।।

স্বাভাবিক মাত্রায় যেকোনো কিছুর তারতম্য বজায় রাখা সম্ভব- Thursday, 18th January, 2024

প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রয়োগ সর্বোত্তমঃ

যেকোনো মানুষ শুরুতে তার প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোর মূল্যায়ন করতে পারে না। কারন মানুষের জীবনে অনুভবের পরেই অনুধাবন আসে। যেকোনো মানুষ অনুভবে আবদ্ধ থাকে। কিন্তু অনুধাবন মানুষকে শ্রেষ্ঠ করে। কেউ যখন কাউকে সাহায্য করে। তখন অপর ব্যক্তি তার মূল্যায়ন করবে। কারন লোক দেখানো সাহায্য অন্যের কাছে তার ছোট মানসিকতা প্রকাশ করবে। কিন্তু সাধারনভাবে সাহায্যের মাধ্যমে কেউ তার আন্তরিকতায় প্রত্যেকের মনে বিরাজ করে। যখন অপ্রকাশ্যে প্রত্যেকেই সেই ব্যক্তির মূল্যায়ন করবে। তাই যোকোনো কিছুর মাঝে নিজের স্বচ্ছ মানসিকতা তৈরি করা উচিত। কারোর উদগ্রীব আকাঙ্খায় নিজেকে সাবলীল রাখার জন্য।

সমর্পনের ইচ্ছাশক্তি কাউকে দায়মুক্ত প্রশান্তি প্রদান করে। মানুষ যখন তার স্বামর্থ্য অনুযায়ী বিপদগ্রস্থ ব্যক্তিদের নিঃস্বার্থভাবে সাহায্য করবে। তখন মানুষ হিসেবে সেই ব্যক্তি তার কর্তব্য মূল্যায়ন করতে পারবে। আর অপর ব্যক্তির স্বস্তির নিঃশ্বাস সেই ব্যক্তির জন্য নতুন অনুভব তৈরি করবে। যা তাদের মনকে সময়ের সাথে বৃহৎ করতে থাকবে। মানুষ হয়ে জন্ম নিলে কারোর কর্তব্য তার পরিবারে বিরাজ করলেও দায়িত্ব থাকে বিপদগ্রস্থ ব্যক্তিদের জন্য। কারন মানুষ হিসেবে কারোর মনুষ্যত্ববোধ তার কর্মের মাধ্যমে তৈরি হয়। কিন্তু কেউ যদি মনে করে, নিজের নির্বাচিত ব্যক্তিদের সহযোগিতা করার মাধ্যমে সে সফলতা অর্জন করবে। তাহলে সেইসব ব্যক্তি সময়ের সাথে পৃথিবীর কাছে হেরে যাবে। হয়তো কেউ একটা সময় বুঝবে। আবার কেউ বুঝতে পারবে না। কিন্তু সময় প্রত্যেক ব্যক্তির কর্মের ফল তাকে প্রদান করবে। তাই দায়বদ্ধতায় কোনো কিছু পার করার জায়গায় মূল্যায়ন করা উচিত। যখন কেউ সাধারনভাবেই সবকিছু থেকে দায়মুক্ত থাকে। যেজন্য নিঃস্বার্থ ব্যক্তিদের নিজের জীবনের প্রতি আশা রাখার কোনো প্রয়োজন হয় না। কারন তারা সময়ের পথযাত্রী।

মানুষ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে তুচ্ছ জিনিসের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারে। যা কারোর পূর্ববর্তী ভুলের নতুন সমাধান তৈরি করবে। যখন কেউ বলার জায়গায় শুনবে। আর রাগ দেখানোর জায়গায় শান্ত থাকবে। মানুষ যখন কোনো কিছুর প্রতি আকৃষ্ট হয়। তখন সবসময় সে কিছু না কিছু খুঁজতে থাকবে ভেতর থেকে। কারন বেশিরভাগ মানুষ তার অনুভব প্রকাশ করতে পারে না। কিছু ক্ষেত্রে আকৃষ্টতা ভালো। তবে তা চিন্তায়, প্রকাশ্যে না। কারন চিন্তার মিশ্রিত অনুভবে সবকিছু সুন্দরভাবে পরিচালনা করা যায়। যেজন্য চিন্তার মাধ্যমেও প্রত্যাহিক জীবনে নতুনত্বতা আনা যায়।

সৃষ্টির সবকিছুই পরিবর্তিত হতে থাকে। কিন্তু কেউ তার চিন্তায় অটুট থাকে। মানুষ মানুষের জন্য। তবে প্রকৃতি সবার জন্য। কারন প্রকৃতি শুধু দেওয়ার জন্য। আর মানুষ দেওয়া-নেওয়া দুইটার জন্যই। কিন্তু কিছু মানুষ দিতে জানে। আর কিছু মানুষ নিতে জানে। তাই শেষ মূহুর্তে প্রকৃতিকেই দানশীল মানা হয়।