মানুষের অনুভবের ভিত্তিতে তার বিবেচনার গাঢ়ত্ব বাড়ে-

17th November, 2023
283




সময়ের প্রভাবঃ

কিছু সময় আবছা বিষয়ের প্রতি অনুভবের গাঢ়ত্ব পরিলক্ষিত হয় অনেকের মধ্যে। যা কাউকে সরাসরি অনুভব প্রকাশ না করালেও বিষয়টার প্রভাব তাদের চোখে জলজল করতে থাকে। প্রকাশ্যে যেকোনো কিছুর প্রভাব লুকানো গেলেও অনুভবে অসম্ভব। আবার মানুষের কল্পনায় এমন অনেক কিছুই সম্ভব যা বাস্তবে অসম্ভব। সময় মানুষকে জীবনের সীমান্তে অভিজ্ঞতার চূড়ায় পৌঁছে দেয়। যা কাউকে সমর্পণের মাধ্যমে মানুষ তার জীবনের পূর্ণতা অর্জন করে। কিন্তু কোনো কিছু পেয়েও যদি তার ব্যবহার অনিশ্চিত থেকে যায় কারোর জীবনের প্রতি। তাহলে সময়ের সাথে জীবনের অনুভব কঠিন হতে থাকে সেই ব্যক্তিগুলোর কাছে। কারণ সে বিশেষ কিছু পেয়েও সঠিক মূল্যায়ন করতে পারেনি। তাই কোনো কিছু পেয়ে সময়ের সাথে তার গুরুত্ব বজায় রাখলে সবকিছু্ই সহজ।

কারোর জীবনের অনুভব তাকে সফল বা অসফল করে থাকে। তাই অনুভবেও বিবেচনার গুরুত্ব অপরিসীম। মানুষ যেমন বদলাতে জানে। তেমনি কোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে ধরে রাখতেও জানে, যদি ব্যক্তিত্ব মজবুত আর বিবেচনা শক্তি প্রখর হয়। তাই কেউ জানে না যে, সময় কখন কাকে কোন পরিস্থিতিতে রাখবে। যেজন্য সময়ের সাথে সবাইকে বিবেচনার সাথে মানবিকতা বজায় রেখে চলা উচিত। যা তাকে সহজেই সামনের দিনের সমস্যার সমাধান দিবে। অনেকেই যেকোনো কিছু সময়ের সাথে তুলনা করতে থাকে। কিন্তু তারা জানে না যে, তুলনা কাউকে সবসময় একরকম রাখে। যার কারণে তার প্রতি পরিস্থিতিও একঘেয়েমি প্রকাশ করে। তাই যে কারোরই তুলনার জায়গায় মানায় নেওয়ার চেষ্টা করা উচিত। তাহলে একসময় হয়তো জীবনে জটিলের সরলতা খুঁজে পাবে।

প্রত্যেকে মানুষ হয়ে জন্মালেও অনেকের মধ্যে মনুষ্যত্ববোধ থাকে না। যার কারনে সেসব ব্যক্তি মানুষ হিসেবে জীবন-যাপন করলেও তাদের যেকোনো কিছুই অর্থহীন। যা কাউকে সমাপ্তিতেও অসম্পূর্ণ রাখে। অনেকের কোনো কিছুর প্রতি আকৃষ্টতা কাজ করলেও সময়ের প্রতি দুর্বলতা কাজ করতে থাকে। যা কারোর জীবন অতিবাহিত করলেও তাকে ভেতর থেকে কিছু বিষয়ে জড়তা অনুভব করায়। সময়ের সাথে বিষয়টা তাকে যেকোনো কিছুর থেকে দূরে রাখে, অনুভূতি হারানোর ভয়ে। অনেকের ভেতরে বোধ কম মানবিকতা বেশি। যেজন্য তারা না বুঝলেও সময়ের অনুভব করতে জানে। যা কারোর অবুঝ জীবনকেও সম্পূর্ণতা দান করে। সময়ের সাথে নিজের মধ্যে শান্তি তৈরি করা উচিত। কোনো কিছুর সীমাবদ্ধতা বজায় রাখার জন্য। যা কাউকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেখায়।

অনেকের জীবনে শুরুর নিঃশেষে সবকিছু লুকিয়ে থাকে। যা কাউকে একবার পেতে শুরু করালে কোনো কিছুর অপূর্ণতা রাখে না। স্বার্থের জীবনের নিঃস্বার্থ কিছু না খুঁজে নিজের গতি তৈরি করা উচিত। যা কাউকে যেকোনো পরিবেশে মানানসই করে তোলে। তখন কোনো কিছুর মাঝেও নিজের মূল্য বজায় রাখতে সক্ষম হবে। সীমাবদ্ধতা কাউকে আটকায় না। প্রত্যেকের ভারসাম্য বজায় রাখে। যা অসীম কষ্টেও কাউকে নিস্তব্ধভাবে চলতে শেখায়। কেউ যখন নিজের দিক দিয়ে বিবেচনা করে, তখন মানুষ সুবিধাবাদী। আর যখন কেউ অন্যের দিক দিয়ে বিবেচনা করে, তখন মানুষ সুবিধাবাদী। বিষয়টা এক হলেও পার্থক্য ব্যক্তিভেদে চিন্তাধারার।

সময় মানুষকে ভাবনার মাঝেও শেখায়। কিন্তু নিজের পরিচালনা বিবেচনা দিয়েই করতে হয়। কষ্ট কাউকে মজবুত জীবন-যাপন করায়। কিন্তু মানবিকতা বজায় রাখলে জীবন প্রয়োজনের চেয়ে তুলনায় সুন্দর হয়।

রিলেটেড পোস্ট


জীবনের সান্নিধ্যে সবকিছুর নির্ধারিত মাত্রা বজায় রাখা উচিত-
পড়া হয়েছে: ৮৩৩ বার

বিবেকের স্বপ্নীল পর্যটন-
পড়া হয়েছে: ৩২২ বার

নিখুঁত চিন্তার চেয়ে নিজেকে নির্ভুল রাখা উত্তম-
পড়া হয়েছে: ২৬৬ বার

মানুষের প্রকৃত স্বচ্ছতা তার জীবনের তিক্ততায়-
পড়া হয়েছে: ২৯৬ বার

বিব্রতকর পরিস্থিতির অনাকাঙ্খিত চিন্তার প্রভাব-
পড়া হয়েছে: ২৮৩ বার

মানুষ বাকহীন মূহুর্তে তার ভেতরের কষ্টগুলো কাউকে বোঝাতে পারে না-
পড়া হয়েছে: ৩১৭ বার

মানুষের অনুভবের ভিত্তিতে তার বিবেচনার গাঢ়ত্ব বাড়ে-
পড়া হয়েছে: ২৮৪ বার

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চলতে থাকা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ-
পড়া হয়েছে: ২৪৩ বার

মানবিক মূল্যবোধ মানুষের ভেতরের লক্ষণ নির্ধারণ করে থাকে-
পড়া হয়েছে: ৪৩৩ বার

নিস্বার্থ প্রকৃতির মায়াবী রূপ-
পড়া হয়েছে: ২৬৭ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



বিশ্বকাপের দলে না থাকা নিয়ে মুখ খুলেছেন তামিম ইকবাল Wednesday, 27th September, 2023

মানুষের অপেক্ষা ফুরিয়েছে। বিশ্বকাপের দলে না থাকা নিয়ে মুখ খুলেছেন তামিম ইকবাল। এবং ১২ মিনিটের ভিডিওতে যা বলেছেন, তা যদি সত্যি হয়ে থাকে বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা চিরতরে বদলে যাবে। 

তামিম দাবি করেছেন, তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে এমন পরিস্থিতিতে ফেলা হয়েছে, যেন তিনি বিশ্বকাপের দলে না থাকেন। মিডিয়াতে বিভিন্ন খবর ছড়ানো হয়েছে, যেন সবাই তাঁকে ভুল বোঝে।

আজ ভিডিও বার্তায় তামিম বলেছেন, তাঁকে বিশ্বকাপে না নেওয়ার পক্ষে যে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, তা ভুল, ‘মিডিয়াতে যে জিনিসটা এসেছে, চোট, পাঁচ ম্যাচ খেলা- আমার বিশ্বকাপে না যাওয়ার পেছনে এর বড় অবদান ছিল। আমার কাছে মনে হয় না, আমি বিশ্বকাপে না যাওয়ার পেছনে এর বড় অবদান ছিল। কারণ, আমি তো এখনো চোটে পড়ি নাই এখনো। ব্যথা থাকতে পারে, কিন্তু চোটে তো পড়ি নাই।’

তামিম নিজেই বিশ্বকাপে যেতে চাননি, দাবি মাশরাফিরতামিম নিজেই বিশ্বকাপে যেতে চাননি, দাবি মাশরাফির
তাহলে তামিম কেন বিশ্বকাপে যাচ্ছেন না? তাঁর সতীর্থরা সবাই যেখানে গোয়াহাটির উদ্দেশে উড়াল দিচ্ছন, তখন তিনি কেন ফেসবুকে ভিডিও বার্তা দিচ্ছেন? তামিম সে ব্যাখ্যায় বলেছেন, ‘তার এক দুইদিন পর বোর্ডের শীর্ষ পর্যায় থেকে আমাকে ফোন করলেন। তিনি আমাদের ক্রিকেটের সাথে বেশ জড়িত। উনি আমাকে ফোন করে হঠাৎ করে বললেন, “তুমি তো বিশ্বকাপে যাবা, তোমাকে তো ম্যানেজ করে খেলাতে হবে। তুমি এক কাজ কর, প্রথম ম্যাচ খেলিও না। আফগানিস্তানের সাথে।” আমি বললাম, “ভাই, এটা তো এখনো ১২-১৩ দিনের কথা।  ১২-১৩ দিনের মধ্যে তো আমি ভালো কন্ডিশনে থাকব। আমি কী কারণে খেলব না।” তখন বলল যে, “আচ্ছা তুমি যদি খেল, আমরা এরকম একটা প্ল্যান করছি বা আলোচনা করছি, যদি খেল, তোমাকে আমরা নিচে ব্যাটিং করাব।”’

বিশ্বকাপ দল নিয়ে নির্বাচকদের যা বলেছিলেন তামিমবিশ্বকাপ দল নিয়ে নির্বাচকদের যা বলেছিলেন তামিম
এমন প্রস্তাবে চমকে গিয়েছিলেন তামিম, ‘স্বাভাবিকভাবে আপনাদের মনে রাখতে হবে, কোন মানসিকতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। একটা ভালো ইনিংস খেলেছি, খুশি ছিলাম। হঠাৎ করে এসব কথা আমার পক্ষে নেওয়া সম্ভব না। আমি ১৭ বছর ধরে এক পজিশনে ব্যাটিং করেছি, জীবনে কোনোদিন তিন-চারে ব্যাটিংই করিনি। এমন যদি হতো আমি তিনে ব্যাটিং করি, চারে ব্যাটিং করি, তারপর যদি উপরে-নিচে করা হয়, তখন সেটা মানা যায়। আমার তিন-চার-পাঁচে ব্যাট করার কোনো অভিজ্ঞতা নেই। আমি তাই কথাটা ভালোভাবে নেইনি।’

বড় জিনিস ঢাকার জন্য মিডিয়াকে অনেক খবর খাওয়ানো হয়: তামিমবড় জিনিস ঢাকার জন্য মিডিয়াকে অনেক খবর খাওয়ানো হয়: তামিম
এরপরই তামিম বলেন তাঁকে ছাড়াই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করতে, ‘উত্তেজিত হয়ে গিয়েছিলাম। কারণ, আমার মনে হচ্ছিল, আমাকে জোর করে অনেক জায়গায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। ইচ্ছা করে। এটা ঠিক হয়ে গেছে, আচ্ছা এখন নতুন আরেকটা জিনিস করি। আমার তাই মনে হয়েছে। তখন আমি বললাম, “দেখেন, আপনারা একটা কাজ করেন, আপনাদের যদি এমন চিন্তা ভাবনা থাকে, তাহলে আমাকে আপনারা পাঠাইয়েন না। আমি এই নোংরামির মধ্যে থাকতে চাই না। প্রতিদিন আমাকে এক একটা নতুন জিনিস ফেস করাবেন। এর মধ্যে আমি থাকতে চাই না।”’

বিশ্বকাপ নিয়ে বিস্ফোরক তামিম, বললেন বাদ দেওয়া 'ইনটেনশনাল' বিশ্বকাপ নিয়ে বিস্ফোরক তামিম, বললেন বাদ দেওয়া 'ইনটেনশনাল' 
তামিমের মনে হয়েছে বিশ্বকাপে খেলার জন্য দলের মধ্যে এমন অস্বস্তিকর পরিবেশে থাকার কোনো মানে হয় না, ‘তারপরও ফোনে অনেক কথাবার্তা হয়েছে। যা এই প্ল্যাটফর্মে আমার বলা উচিত বলে মনে হয় না। আমার আর ওনার মধ্যেই থাক।” এরপর আমি এটাই শক্তভাবে বলেছি, এই নোংরামির মধ্যে থাকতে চাই না। আপনারা চাইলে আমাকে দলে নির্বাচন করিয়েন না। এসব আমি মানতে পারব না।’