প্রত্যেকের জীবনে সত্যতার তাৎপর্য কতটুকু-

15th November, 2023
292




সত্য মিথ্যার পার্থক্যঃ

প্রত্যেকেই পূর্ব বিবেচনায় চলতে থাকে, প্রয়োজনীয় গন্ত্যব্যে না পৌঁছানো অবধি। কিন্তু সময় নির্ধারণ করে গন্তব্যে পৌঁছানোর পর তাকে কোন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে। আবার কেউ যদি সবসময় সবার সাথে মিলেমিশে থাকে। কিন্তু প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে মিথ্যার আশ্রয় নেয়। হয়তো সময়ের সাথে অনেকের কাছে অপ্রকাশ্যেই তার পরিচিতি আবছা হয়ে যাবে। এককথায় সবার মাঝেও থেকে অস্তিত্বহীন জীবনযাপন করা। মিথ্যা সাময়িকের সঙ্গী। কিন্তু সত্য পর্যায়ক্রমে কঠিন হলেও চিরস্থায়ী। মানুষ ক্ষণিকের সুখে আকৃষ্ট হয় বেশি। তাই সময়ের সাথে তারা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে থাকে। যার কারনে কখনো সত্য বলতে গেলেও তাদের ভেতরে জড়তা কাজ করতে থাকে।

জীবনের শুরু থেকে যেমন কেউ স্থির হতে পারে না। তেমনি কিছু সময়ের দুর্বলতা না চাইতেও কাউকে একসময় শান্ত করে দেয়। তখন যেকোনো কিছু অস্বাভাবিক লাগলেও আস্তে আস্তে সবকিছুই অভ্যসে পরিণত হয়। পৃথিবীতে অনুসরণকারী ব্যক্তির সংখ্যা বেশি। যেজন্য কারোর জীবনের বেশিরভাগ সময় অনুসরণ করতে গিয়েই চলে যায়। কিছু জিনিস যেমন চাইলেও কখনো পুরোনো হয় না। তেমনি নতুন কোন কিছু হয়তো আকৃষ্টহীনতার কারণে শুরু থেকেই পুরোনো অনুভব হয় কারোর কাছে। অনেক সময় কিছু জিনিসের মূল্য দেরিতে আসলেও সেটা চিরস্থায়ী। কারণ সময় বদলালেও বিষয়টা সবসময় এক রকম থেকে যায়। যার কারনে বিয়টার স্থায়িত্বের ওপর কোনো সন্দেহ থাকে না।

প্রত্যেকের জীবনেই সময়ের সাথে আড়ালের বিষয়গুলো বাড়তে থাকে। যার কারনে তারা সবকিছু বুঝেও দ্বিধার কারনে প্রত্যেকটা বিষয়কে গুলিয়ে ফেলে। কিন্তু একটা সময়ের পর তারাই নিজেকে সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন করে থাকে। জীবনে সত্যতার চেয়ে মিথ্যার প্রভাব বেশি। যার কারনে সময়ের সাথে তারা মিথ্যার আশ্রয় নিতে নিতে জীবনের সত্যতা হারিয়ে ফেলে। কখনো সত্যতা ফিরে পেলেও তার জীবনের মিথ্যার প্রভাবকে কখনো কাটিয়ে উঠতে পারে না। সময় মানুষকে কোন কিছু পরিবর্তনে সাহায্য করলেও বিষয়গুলোর পরিচালনা যার যার নিজের করতে হয়। মানুষের ভাবনার শেষ নেই। কিন্তু সীমাবদ্ধতা আছে। যার কারণে সমাপ্তিতেও নতুনের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়।

মানুষের ছোট জীবনেরও প্রভাব অনেক বেশি। যার কারনে প্রত্যেকেরই সময়ের সাথে বিবেচনা করে চলা উচিত। তাহলে হয়তো তার জীবনে আক্ষেপের অবশিষ্ট কোনো রূপ থাকে না। নদীর কিনার যেমন অসীমের সংক্ষিপ্ততা প্রকাশ করে। তেমনি কারোর জীবনের প্রতি বিবেচনা তার সংক্ষিপ্ত সময়ের অসীম প্রভাব বিস্তার করে পৃথিবীতে। যা কারোর জীবনের সমাপ্তিতেও তার অস্তিত্ব বজায় রাখে সময়ের প্রতি। সঠিক ভুলের মধ্যেই প্রত্যেকের জীবন অতিবাহিত হয়। কারোর জীবনের পার্থক্য থাকলেও সময়ের উপর সবকিছু নির্ভর করে। যেজন্য আত্মরক্ষার্থে মায়ার জালেও সবাইকে ছুটতে হয় মোহ কাটিয়ে। নিজেকে বাদ দিয়ে যেকোনো বিষয় মেনে নেওয়া ভালো জীবনের জন্য। কিন্তু কিছু সময় অতিবাহিত জীবনকেও নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। ভুলের প্রভাব কাটিয়ে ওঠার জন্য।

জীবন সংক্ষিপ্ত কিন্তু কারোর কর্মের প্রভাব তার জীবনের বিস্তারিত রূপ প্রকাশ করে। তেমনি কোনো কিছু পরিচালনা সহজ কিন্তু ব্যাবস্থাপনা সবকিছুর পূর্ণতা আনে। শেষের সীমাবদ্ধতায়ও অসীম কিছু অপেক্ষা করে। যা সময়ের সাথে কাউকে চাওয়ার অতিরিক্ত পেতে সাহায্য করে।

রিলেটেড পোস্ট


কারোর ব্যক্তিত্ব যেকোনো পরিস্থিতির প্রভাব থেকে তাকে মুক্ত রাখে-
পড়া হয়েছে: ৩৩১ বার

স্বামী–স্ত্রীর দাম্পত্য সম্পর্কে সবচেয়ে বড় শত্রু কে?
পড়া হয়েছে: ৯৪ বার

মানুষ নির্ভীক মনোভাবে যেকোনো কিছু শক্তভাবে অনুধাবন করে-
পড়া হয়েছে: ৯৩০ বার

সৃষ্টতার আবির্ভূত মনোভাব মানুষকে উজ্জীবিত করে তোলে-
পড়া হয়েছে: ৪৮৫ বার

নিজের প্রতি বিশ্বাসের আদ্রতা জীবনকে আলোকিত করে-
পড়া হয়েছে: ৩৪১ বার

মনঃস্তাত্বিক বিষয়গুলো যত্নের সহিত রাখা উচিত-
পড়া হয়েছে: ২৬৭ বার

পরাক্রমশালী মনোভাবে তৈরিকৃত জীবন-
পড়া হয়েছে: ৫৭৭ বার

মানুষ শুদ্ধতার শেষ স্তরের অনুভব করে থাকে নিজের জন্য-
পড়া হয়েছে: ৬০২ বার

পরাক্রমশালী শক্তির মনোভাবে তৈরিকৃত জীবন-
পড়া হয়েছে: ১১২১ বার

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চলতে থাকা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ-
পড়া হয়েছে: ২৪৩ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



অমর চিত্তে স্থগিত প্রয়াসের একটি নতুন সম্ভাবনা- Monday, 25th December, 2023

অপ্রকাশ্যের দৃষ্টিহীনতাঃ

অতিরিক্ত আশা প্রতিনিয়ত কাউকে নিরাশ করে। কিন্তু নিজের প্রতি একটুকরো ভরসা আর সৃষ্টিকর্তার প্রতি সমস্ত দুর্বলতা রাখলে জীবন প্রয়োজনের তুলনায় অনেকটা শান্তিপূর্ণ হয়। যা হয়তো কাউকে বোঝানোর প্রয়োজন হয় না। কিন্তু তখন প্রত্যেকের দৃষ্টিতে তোমার প্রতি একটা বিরল আকৃষ্টতা অনুভব করতে পারবা। যা তোমার জন্য কাউকে ভিতর থেকে হিংসা প্রতিস্থাপন থেকে বিরত রাখবে। কারণ সাধারণ মানুষের শত্রু একটু কম হয়। যেজন্য সবকিছুর মধ্যে না পাওয়াও একটা বিশেষ অভিজ্ঞতা। যখন না বোঝা প্রত্যেকটা জিনিস সহজ হয়ে সময় সাপেক্ষে পরিচালনা হতে থাকে। পরিবর্তন সহজ। তবে প্রত্যাবর্তন নয়। তাই সবসময় সময়ের মূল্যায়ন করা উচিত। কিন্তু জীবনকে বাদ দিয়ে নয়।

পরিবর্তনশীল সবকিছুর মধ্যে মানুষের ভিতরের কিছু বিষয় সবসময় অপরিবর্তিত থাকে। যেমন - পরিস্থিতির চাপে তুমি যদি কাউকে তার ভালোর জন্য তাকে বুঝিয়ে থাকো। তবে তুমিই জানো, তাকে বোঝানো আর তোমার বোধের মধ্যকার পার্থক্য কতটুকু? কারণ যে কাউকে বোঝায়, সেই জানে যে, প্রত্যেকটা পরিস্থিতি সামলানোর জন্য নিজেকে কতটা কষ্টের মধ্যে দিয়ে পার হতে হয়। যার কারনে সে নিজের মতো করে কাউকে বোঝানোর জায়গায়, প্রত্যেকের বোধশক্তির নির্ধারিত মাত্রায় তাঁকে বুঝিয়ে থাকে। মানুষকে বোঝাতে বোঝাতে হয়তো তারা কখনোই বিরক্ত হয় না। কারণ তারা ভিতর থেকে অনেকেটা সংবেদনশীল এবং একান্ত হয়ে থাকে। যেজন্য তারা কঠিন নয়। আবার দুর্বল নয়। আর এইরকম ছোট্ট কিছু বিষয়ের কারণেই তারা নির্বিঘ্নে জীবনের দৃষ্টান্ততা অর্জন করে থাকে।

কোনো কিছু উপলব্ধি করতে ইতিবাচক চিন্তার প্রভাব- Saturday, 25th November, 2023

মানুষের উপলব্ধিঃ

কিছু ক্ষেত্রে সাধারণ জিনিসের ভিন্নতা প্রকাশ পায় মনোভাবের ভিত্তিতে। কারোর যেকোনো বিষয়ের প্রতি প্রকাশ্যে বা অপ্রকাশ্যে সংবেদনশীলতা একটু বেশি থাকে। যার কারণে একই বিষয়ের প্রতি সময়ের সাথে চিন্তার পরিবর্তন হতে থাকে। প্রত্যেকটা মানুষের আচরনের ২টা দিক থাকে। প্রথমত, ধীর চিন্তার মাধ্যমে বিবেচনা করা। দ্বিতীয়ত, কোনো সময় না নিয়েই সাথে সাথে যেকোনো সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া। দুইটা বিষয়েই সিদ্ধান্তের প্রভাব আছে। এখন পার্থক্য হচ্ছে, প্রথম বিষয়টার মধ্যে ব্যক্তির পরিচালন ক্ষমতা তার নিজের মধ্যে। আর দ্বিতীয়টায় ব্যক্তি বিভিন্ন চিন্তার মিশ্রিত অনুভবে সবকিছুর নিয়ন্ত্রণের জন্য অচিরেই নিজের পরিচালন ক্ষমতার দুর্বলতা অনুভব করলেও বুঝতে অসক্ষম রয়ে যায়। যা দ্রুত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যেমন তার সময় বাঁচায়। তেমনি সামান্য ভুলে প্রয়োজনাতিরিক্তি সময় নিয়ে বিষয়টার সিদ্ধান্তে উপনীত হলেও দ্বিধার প্রভাব তার মধ্যে অটল রাখে।

মানুষ তার যেকোনো বিষয়ের বিবেচনার সাথে জীবনের উপলব্ধি করতে শেখে। প্রত্যেকের উপলব্ধি যার যার ব্যক্তিত্ব আর চিন্তাধারার মাধ্যমে অপ্রকাশ্যের রূপ ধারণ করে তার জীবনকে পূর্ণতা অর্জন করাতে থাকে। সময় মানুষের পরিবর্তন করে। আর উপলব্ধি মানুষকে বুঝতে শেখায়। দুইটা বিষয়ই চলমান। কিন্তু সময় নিজের গতিতে অতিবাহিত হয়। আর উপলব্ধি অনুভবের মাধ্যমে যেকোনো বিষয়ের উপর প্রভাব বিস্তার করে থাকে সময়ের সাথে। মানুষ কখনোই একভাবে পরিচালিত হয় না। সময়ের সাথে যে কারোর পরিচালনের ধরণ পরিবর্তিত হতে থাকে। কারোর মধ্যে যেকোনো কিছুর চেয়ে কোনো বিষয় তাকে বেশি প্রভাবিত করে থাকে। যা কারোর অনুভবে প্রকাশ না পেলেও তাকে কিছু ক্ষেত্রে প্রভাবিত করে থাকে সাময়িকের জন্য। পরবর্তিতে এর উদ্ভব না হলেও হালকা প্রতিচ্ছবি রেখে যায় জীবনে। যা বসন্তে ঝরে যাওয়া শুকনো পাতার মতো হয়ে থাকে। কিছুটা শিখিয়ে যায় অবাস্তবে, নিঃশেষে বিভাজ্য হওয়ার পর।

শুরু থেকেই কারোর সমস্তটা তার মধ্যেই থাকে। কিন্তু পারিপার্শ্বিকতার প্রভাবে তার চিন্তাধারা গঠিত এবং পরিবর্তিত হয়। যার কারনে জীবনের বাড়ন্ত সময়ে অস্বস্তিতা, দ্বিধাবোধ ইত্যাদি তৈরি হতে থাকে। কিন্তু জীবনের ক্ষেত্রে এই দুইটা বিষয়ের প্রভাব অনেক বেশি। যেজন্য কারোর অপ্রকাশ্যে সবকিছুর প্রকাশিত রূপ বিদ্যমান। কারণ বিষয়টার বাস্তবায়িত রূপ স্বপ্নেই মানানসই। মানুষের কাছে কোনো কিছুই অসম্ভব না। কিন্তু কিছু বিষয়ের জড়তা তা অসম্পূর্ণ রেখে যায়। যা কারোর সহ্যক্ষমতা বাড়ায়। কোনো কিছুর প্রতি অতিরিক্ত চাপ বা দুর্বলতা কারোর ভিতরে বিরক্তি তৈরি করতে থাকে। যা কারোর মধ্যে যেকোনো কিছুর জন্য বিষন্নতা তৈরি করে। তখন সে নিজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিলেও অপ্রস্তুতিতে যেকোনো কিছু সম্পাদন করে থাকে। যা অনেকের কাছে তার আবছা ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে অচিরেই নিজের জীবনের মূল্য কমাতে থাকে। তখন সেই ব্যক্তির পাশে কারোর সমর্থন তাকে হয়তো সেই পরিস্থিতি থেকে উঠে আসতে সহায়তা করবে। কিন্তু সেই মূহুর্তে সে যদি নিজের বিবেচনাকে কাজে লাগাতে পারে। তাহলে পরবর্তীর কঠিন পরিস্থিতিগুলো তাকে জীবনের সহজলভ্যতা অর্জন করাবে।

মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে কোনো কিছুর প্রতি ইতিবাচক উপলব্ধি করা। কারণ বিষয়টা একটা ব্যক্তিকে সাধারণভাবে যেকোনো কিছুর মূল্য বোঝালেও সবসময় তার কাছে যেকোনো কিছুর গুরুত্ব বজায় রাখে। যা তার ভিতরে মূল্যবোধ তৈরি করে, তাকে ইতিবাচকভাবে যেকোনো কিছু উপলব্ধি করতে শেখায়। যেজন্য কেউ তার সাধারণ জীবনের বিশেষত্বতা অনুভব করে থাকে সময়ের সাথে। যা তার ব্যক্তিত্ব মজবুত করে সামনে এগোতে সহায়তা করে।

প্রত্যেকের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান জিনিসের প্রভাব- Thursday, 16th November, 2023

অনুতাপের অনুভবঃ

জীবনের একটা সময়ে যখন কেউ কোনো কিছু অনুভব করতে পারে। তখন সে বুঝতে শুরু করে। হঠাৎ করে কোনো কিছুই হয় না। সময়ের সাথে সবকিছু নিজের গতিতে পরিবর্তিত হয়। মানুষ চাইলেও যেমন জীবনের দায় কমাতে পারে না। তেমনি কারোর অনুভবে তৈরি বিবেচনা হেরে যাওয়া মূহুর্তের মাধ্যমে কাউকে সবসময় মজবুত করতে থাকে। যা ভবিষ্যতে কাজে আসে। প্রত্যেকে চাইলেও যেমন সম্পূর্ণভাবে নিজের অনুভবের ভিত্তিতে চলতে পারে না। তেমনি কিছু বিষয় কাউকে তার চাওয়ার অতিরিক্ত অনুভব করায়। যা তার অপ্রকাশ্যে ভালো থাকার কারন হয়। কিছু সময় এমন কিছু বিষয়ই কাউকে সময়ের সাথে বিশেষ পরিবর্তন করে থাকে। যার কারনে তাদের আলাদা একটা বিশেষত্ব তৈরি হয়। যা সময়ের সাথে বেশিরভাগ মানুষের কাছে তাকে আকৃষ্ট করায়।

কারোর অতিরিক্ত অনুভবের মূহুর্তে বৃষ্টি যখন সঙ্গী হয়। তখন কারোর অনুভবের পরিবর্তন তাকে নতুন অনুভবের অভিজ্ঞতা করায়। যা কাউকে ভিতর থেকে মানবিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। পৃথিবীতে অনেকের মধ্যেই মানবিকতার অভাবের কারণে তারা জীবনের অনুভব করতে ভুলে গেছে। যার কারণে সময়ের সাথে যে যার কথা স্বার্থবাদীর মতো করে ভাবতে থাকে। যা কাউকে প্রকাশ্যের সফলতায়ও জীবনকে মূল্য হীন করে দেয়। যা কাউকে সবকিছুর মধ্যেও অসন্তুষ্ট রাখে। কিন্তু তার না পাওয়ার বিষয়গুলো কখনোই অনুধাবন করতে পারে না। তাই সবকিছুর শুরুতে জীবনের পর্যবেক্ষণ করতে পারলে, সময়ের সাথে যেকোনো বিষয়ই সবসময় তাকে সুখ অনুভব করায়। যা কারোর জীবনের মূল্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

কোনো বিষয়ের পরিবর্তন যেমন নিজে থেকে আসে না। তেমনি কোনো কিছুর জন্য ভেতর থেকে নিজেকে প্রভাবিত করা উচিত না। কারণ সঠিক সিদ্ধান্তে কখনো নিজেকে প্রভাবিত করতে হয় না। সবকিছুই নিজের গতিতে চলতে থাকে। শুধু মূল্যায়ন নিজের করতে হয়। যা পুরোনো যেকোনো কিছুতেও কাউকে নতুনত্বতা আনতে সক্ষম করে। আর এভাবেই কেউ সময়ের সাথে জীবনের মূল্যায়নে সফল হয়। কেউ প্রভাবিত তখনই হয়, যখন কেউ না চাইতেও কিছু বিষয়ের পর্যবেক্ষণের চেষ্টায় থাকে। তাই কোনো কিছুর প্রভাবের চেয়ে মানুষের প্রভাব কারোর জীবনেকে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত পরিবর্তন করে থাকে। সময় থেকে শেখা ভালো। কিন্তু কারোর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নয়।