প্রত্যেকের জীবনে সত্যতার তাৎপর্য কতটুকু-

15th November, 2023
189




সত্য মিথ্যার পার্থক্যঃ

প্রত্যেকেই পূর্ব বিবেচনায় চলতে থাকে, প্রয়োজনীয় গন্ত্যব্যে না পৌঁছানো অবধি। কিন্তু সময় নির্ধারণ করে গন্তব্যে পৌঁছানোর পর তাকে কোন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে। আবার কেউ যদি সবসময় সবার সাথে মিলেমিশে থাকে। কিন্তু প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে মিথ্যার আশ্রয় নেয়। হয়তো সময়ের সাথে অনেকের কাছে অপ্রকাশ্যেই তার পরিচিতি আবছা হয়ে যাবে। এককথায় সবার মাঝেও থেকে অস্তিত্বহীন জীবনযাপন করা। মিথ্যা সাময়িকের সঙ্গী। কিন্তু সত্য পর্যায়ক্রমে কঠিন হলেও চিরস্থায়ী। মানুষ ক্ষণিকের সুখে আকৃষ্ট হয় বেশি। তাই সময়ের সাথে তারা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে থাকে। যার কারনে কখনো সত্য বলতে গেলেও তাদের ভেতরে জড়তা কাজ করতে থাকে।

জীবনের শুরু থেকে যেমন কেউ স্থির হতে পারে না। তেমনি কিছু সময়ের দুর্বলতা না চাইতেও কাউকে একসময় শান্ত করে দেয়। তখন যেকোনো কিছু অস্বাভাবিক লাগলেও আস্তে আস্তে সবকিছুই অভ্যসে পরিণত হয়। পৃথিবীতে অনুসরণকারী ব্যক্তির সংখ্যা বেশি। যেজন্য কারোর জীবনের বেশিরভাগ সময় অনুসরণ করতে গিয়েই চলে যায়। কিছু জিনিস যেমন চাইলেও কখনো পুরোনো হয় না। তেমনি নতুন কোন কিছু হয়তো আকৃষ্টহীনতার কারণে শুরু থেকেই পুরোনো অনুভব হয় কারোর কাছে। অনেক সময় কিছু জিনিসের মূল্য দেরিতে আসলেও সেটা চিরস্থায়ী। কারণ সময় বদলালেও বিষয়টা সবসময় এক রকম থেকে যায়। যার কারনে বিয়টার স্থায়িত্বের ওপর কোনো সন্দেহ থাকে না।

প্রত্যেকের জীবনেই সময়ের সাথে আড়ালের বিষয়গুলো বাড়তে থাকে। যার কারনে তারা সবকিছু বুঝেও দ্বিধার কারনে প্রত্যেকটা বিষয়কে গুলিয়ে ফেলে। কিন্তু একটা সময়ের পর তারাই নিজেকে সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন করে থাকে। জীবনে সত্যতার চেয়ে মিথ্যার প্রভাব বেশি। যার কারনে সময়ের সাথে তারা মিথ্যার আশ্রয় নিতে নিতে জীবনের সত্যতা হারিয়ে ফেলে। কখনো সত্যতা ফিরে পেলেও তার জীবনের মিথ্যার প্রভাবকে কখনো কাটিয়ে উঠতে পারে না। সময় মানুষকে কোন কিছু পরিবর্তনে সাহায্য করলেও বিষয়গুলোর পরিচালনা যার যার নিজের করতে হয়। মানুষের ভাবনার শেষ নেই। কিন্তু সীমাবদ্ধতা আছে। যার কারণে সমাপ্তিতেও নতুনের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়।

মানুষের ছোট জীবনেরও প্রভাব অনেক বেশি। যার কারনে প্রত্যেকেরই সময়ের সাথে বিবেচনা করে চলা উচিত। তাহলে হয়তো তার জীবনে আক্ষেপের অবশিষ্ট কোনো রূপ থাকে না। নদীর কিনার যেমন অসীমের সংক্ষিপ্ততা প্রকাশ করে। তেমনি কারোর জীবনের প্রতি বিবেচনা তার সংক্ষিপ্ত সময়ের অসীম প্রভাব বিস্তার করে পৃথিবীতে। যা কারোর জীবনের সমাপ্তিতেও তার অস্তিত্ব বজায় রাখে সময়ের প্রতি। সঠিক ভুলের মধ্যেই প্রত্যেকের জীবন অতিবাহিত হয়। কারোর জীবনের পার্থক্য থাকলেও সময়ের উপর সবকিছু নির্ভর করে। যেজন্য আত্মরক্ষার্থে মায়ার জালেও সবাইকে ছুটতে হয় মোহ কাটিয়ে। নিজেকে বাদ দিয়ে যেকোনো বিষয় মেনে নেওয়া ভালো জীবনের জন্য। কিন্তু কিছু সময় অতিবাহিত জীবনকেও নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। ভুলের প্রভাব কাটিয়ে ওঠার জন্য।

জীবন সংক্ষিপ্ত কিন্তু কারোর কর্মের প্রভাব তার জীবনের বিস্তারিত রূপ প্রকাশ করে। তেমনি কোনো কিছু পরিচালনা সহজ কিন্তু ব্যাবস্থাপনা সবকিছুর পূর্ণতা আনে। শেষের সীমাবদ্ধতায়ও অসীম কিছু অপেক্ষা করে। যা সময়ের সাথে কাউকে চাওয়ার অতিরিক্ত পেতে সাহায্য করে।

রিলেটেড পোস্ট


ছোটবেলার হারানো সময়-
পড়া হয়েছে: ১৮৮ বার

প্রদত্ত সংবিধান নিয়ন্ত্রণে সামান্য পরিবর্তন শ্রেয়-
পড়া হয়েছে: ২৫৪ বার

প্রবর্তনের সাংক্ষেপিক রুপ কারোর জীবনকে অনেকটা বদলে দেয়-
পড়া হয়েছে: ৩৭৬ বার

বেলা শেষে-
পড়া হয়েছে: ১৭২ বার

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চলতে থাকা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ-
পড়া হয়েছে: ১৫২ বার

প্রত্যেকটা নারীর প্রকৃতির সাথে আলাদা একটা সম্পর্ক থাকে-
পড়া হয়েছে: ১৯৮ বার

আবছা বিষয়গুলোর প্রতি মানুষের প্রয়োজন বেশি-
পড়া হয়েছে: ২৮৯ বার

চার দিনের ব্যবধানে ফের কমল সোনার দাম
পড়া হয়েছে: ৫৫ বার

কিছু বিষয়ের দীর্ঘস্থায়ীত্ব মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে-
পড়া হয়েছে: ৩০৯ বার

সমাপ্তির পথচলা-
পড়া হয়েছে: ১৭১ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



প্রত্যেকের জীবনে সত্যতার তাৎপর্য কতটুকু- Wednesday, 15th November, 2023

সত্য মিথ্যার পার্থক্যঃ

প্রত্যেকেই পূর্ব বিবেচনায় চলতে থাকে, প্রয়োজনীয় গন্ত্যব্যে না পৌঁছানো অবধি। কিন্তু সময় নির্ধারণ করে গন্তব্যে পৌঁছানোর পর তাকে কোন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে। আবার কেউ যদি সবসময় সবার সাথে মিলেমিশে থাকে। কিন্তু প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে মিথ্যার আশ্রয় নেয়। হয়তো সময়ের সাথে অনেকের কাছে অপ্রকাশ্যেই তার পরিচিতি আবছা হয়ে যাবে। এককথায় সবার মাঝেও থেকে অস্তিত্বহীন জীবনযাপন করা। মিথ্যা সাময়িকের সঙ্গী। কিন্তু সত্য পর্যায়ক্রমে কঠিন হলেও চিরস্থায়ী। মানুষ ক্ষণিকের সুখে আকৃষ্ট হয় বেশি। তাই সময়ের সাথে তারা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে থাকে। যার কারনে কখনো সত্য বলতে গেলেও তাদের ভেতরে জড়তা কাজ করতে থাকে।

জীবনের শুরু থেকে যেমন কেউ স্থির হতে পারে না। তেমনি কিছু সময়ের দুর্বলতা না চাইতেও কাউকে একসময় শান্ত করে দেয়। তখন যেকোনো কিছু অস্বাভাবিক লাগলেও আস্তে আস্তে সবকিছুই অভ্যসে পরিণত হয়। পৃথিবীতে অনুসরণকারী ব্যক্তির সংখ্যা বেশি। যেজন্য কারোর জীবনের বেশিরভাগ সময় অনুসরণ করতে গিয়েই চলে যায়। কিছু জিনিস যেমন চাইলেও কখনো পুরোনো হয় না। তেমনি নতুন কোন কিছু হয়তো আকৃষ্টহীনতার কারণে শুরু থেকেই পুরোনো অনুভব হয় কারোর কাছে। অনেক সময় কিছু জিনিসের মূল্য দেরিতে আসলেও সেটা চিরস্থায়ী। কারণ সময় বদলালেও বিষয়টা সবসময় এক রকম থেকে যায়। যার কারনে বিয়টার স্থায়িত্বের ওপর কোনো সন্দেহ থাকে না।

প্রত্যেকের জীবনেই সময়ের সাথে আড়ালের বিষয়গুলো বাড়তে থাকে। যার কারনে তারা সবকিছু বুঝেও দ্বিধার কারনে প্রত্যেকটা বিষয়কে গুলিয়ে ফেলে। কিন্তু একটা সময়ের পর তারাই নিজেকে সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন করে থাকে। জীবনে সত্যতার চেয়ে মিথ্যার প্রভাব বেশি। যার কারনে সময়ের সাথে তারা মিথ্যার আশ্রয় নিতে নিতে জীবনের সত্যতা হারিয়ে ফেলে। কখনো সত্যতা ফিরে পেলেও তার জীবনের মিথ্যার প্রভাবকে কখনো কাটিয়ে উঠতে পারে না। সময় মানুষকে কোন কিছু পরিবর্তনে সাহায্য করলেও বিষয়গুলোর পরিচালনা যার যার নিজের করতে হয়। মানুষের ভাবনার শেষ নেই। কিন্তু সীমাবদ্ধতা আছে। যার কারণে সমাপ্তিতেও নতুনের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়।

মানুষের ছোট জীবনেরও প্রভাব অনেক বেশি। যার কারনে প্রত্যেকেরই সময়ের সাথে বিবেচনা করে চলা উচিত। তাহলে হয়তো তার জীবনে আক্ষেপের অবশিষ্ট কোনো রূপ থাকে না। নদীর কিনার যেমন অসীমের সংক্ষিপ্ততা প্রকাশ করে। তেমনি কারোর জীবনের প্রতি বিবেচনা তার সংক্ষিপ্ত সময়ের অসীম প্রভাব বিস্তার করে পৃথিবীতে। যা কারোর জীবনের সমাপ্তিতেও তার অস্তিত্ব বজায় রাখে সময়ের প্রতি। সঠিক ভুলের মধ্যেই প্রত্যেকের জীবন অতিবাহিত হয়। কারোর জীবনের পার্থক্য থাকলেও সময়ের উপর সবকিছু নির্ভর করে। যেজন্য আত্মরক্ষার্থে মায়ার জালেও সবাইকে ছুটতে হয় মোহ কাটিয়ে। নিজেকে বাদ দিয়ে যেকোনো বিষয় মেনে নেওয়া ভালো জীবনের জন্য। কিন্তু কিছু সময় অতিবাহিত জীবনকেও নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। ভুলের প্রভাব কাটিয়ে ওঠার জন্য।

জীবন সংক্ষিপ্ত কিন্তু কারোর কর্মের প্রভাব তার জীবনের বিস্তারিত রূপ প্রকাশ করে। তেমনি কোনো কিছু পরিচালনা সহজ কিন্তু ব্যাবস্থাপনা সবকিছুর পূর্ণতা আনে। শেষের সীমাবদ্ধতায়ও অসীম কিছু অপেক্ষা করে। যা সময়ের সাথে কাউকে চাওয়ার অতিরিক্ত পেতে সাহায্য করে।

Asad ali Monday, 08th January, 2024
Asad Ali 
     30

শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক-

 

সম্পর্কের সম্মানঃ

কোনো কিছুর শুরুতে সবকিছু ঠিক থাকে। আত্মিক অনুভব নিজের চারপাশে নতুন পরিবেশ সৃষ্টি করে। আশেপাশের সবকিছু নতুন আবহাওয়ায় নিজেকে নতুন করে সৃষ্টি করে। কিছুদিন পর এই সম্পর্কের প্রকৃতিটা আমাদের মধ্যে একঘেয়েমি সৃষ্টি করতে থাকে। কারণ আমরা মানুষ নতুনত্ব আমাদেরকে পরবর্তী মূহুর্তের প্রতি আকৃষ্ট করায়। ভালোলাগা এমন একটা জিনিস যেটা প্রতিটা মানুষের মধ্যে যেমন নতুনত্ব সৃষ্টি করে তেমনি তার চেয়ে একটু ভালো কিছু আমাদেরকে সেই পরিবেশের প্রতি অনিহা সৃষ্টি করায়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে ভালোলাগার বিষয়টা Short Time Relationship এর মধ্যে পরে। কারণ ভালোলাগা শুধু আমাদের কোনো কিছুর প্রতি আকৃষ্ট করায়। কিন্তু সত্যিকারের ভালোবাসা আমাদের অপ্রকাশ্যে ত্যাগ করতে শেখায়। যারা সত্যিকার অর্থে কাউকে ভালোবাসে তাদের প্রথম পর্যায় খুব কঠিন থাকে। কারণ তারা অনুভব করে। কিন্তু কিসের জন্য অনুভব করে তার কোনো কারণ খুঁজে পায়না। যা তাদের প্রথম পর্যায়ে খুবই বিরক্ত অনুভব করায় যেকোনো কিছুর প্রতি। আস্তে আস্তে সে যখন তার আত্মিক অনুভবের মানুষটাকে খুঁজে পায়। তখন তাকে সে এতটাই সম্মানের পর্যায়ে রাখে যে, তার যেকোনো পরিস্থিতিতে তার ঢাল হয়ে থাকে। আর এর কারণেই সবসময় তাকে হারানোর ভয়ে নিরবতায় তার প্রতিরক্ষার্থী 

জীবনের প্রথম জিনিস কখনই পরিবর্তন হয় না- Monday, 27th November, 2023

অনুভবে কোনো কিছু পুরাতনেও সুন্দরঃ

মানুষ যেকোনো মূহুর্ত অনুভবের মাধ্যমে নিজের বিশেষত্ব তৈরি করতে পারে। কারণ বেশিরভাগ ব্যক্তি সবকিছুর মধ্যে নতুনত্বতা খুঁজেঊ বেড়ালেও অনুভবের জন্য তা সম্ভব না। অনুভব এমন একটা জিনিস যা কখনো পুরোনো হয় না। বরং সময়ের সাথে বাড়তে থাকে। যার জন্য মানুষ পুরোনো হয়, সময় বদলায়। কিন্তু কারোর অনুভবের গাঢ়ত্ব তাকে ভিতর থেকে সবসময় একরকম রেখে যায়। যেজন্য অনুভব অপরিবর্তনশীল কিন্তু বাড়ন্ত। যার শুরু আছে কিন্তু শেষ নাই। কারণ শেষ নিঃশ্বাসেও মানুষ অনুভব করে যায়। আর পরবর্তীর নতুন কোনো শিশুর মাধ্যমে তা আবার পুনরুজ্জীবিত হয়।

কিছু সংখ্যক মানুষের জীবনে কিছু বিশেষ বিষয় থাকে। যার অনুভব কারোর মধ্যে আত্মিকভাবে জড়িত থাকে। যখন বিষয়টার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি তেমন কোনো প্রভাব বিস্তার করে না। কারণ এমন বিষয়গুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অপূর্ণতার বাস্তবতা হওয়ায়, যা সেই প্রকৃতির ব্যক্তিদের ভেতরের অংশবিশেষ হয়ে থাকে। তখন বিষয়টা অনুভবের মাধ্যমে কারোর জীবনের অনেকটা জায়গা জুড়ে থাকে। যার জন্য তার সামনে বা পেছনের যেকোনো কিছুই স্বাভাবিক মাত্রায় তার জীবনে বিরাজ করে। একটা মানুষের দৈহিক শক্তির চেয়ে মানসিক শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করা উচিত ইতিবাচকভাবে।