সময়ের সাথে বদলে যাওয়া মূহুর্তের অনুভব-

12th November, 2023
198




উপেক্ষাকৃত জীবনঃ

কিছু মানুষ শুরু থেকেই খুব সাধারণ হয়। যাদের সবকিছুর মাঝেও নিজের মধ্যে সরলতা কাজ করে। হয়তো কেউ শুরু থেকে দায় অনুভবের জন্য তার ব্যক্তিত্ব মজবুত হয়। কিন্তু সেইসব ব্যক্তির জীবনের প্রতি বিশেষ কোনো চাওয়া পাওয়া থাকে না। যার কারনে তারা সাধারণের মধ্যেও অসাধারন হয়ে থাকে। এককথায় পরিষ্কার চরিত্রের ব্যক্তি যাকে বলে। একটা সময়ের পর কেউ হয়তো কোনো কিছু উপেক্ষা করতে পারে না। কিন্তু তাদের কোনো কিছুর প্রতি পিছুটান একটু কম থাকে। যার কারনে তারা সবসময় একটু দুরত্ব বজায় রেখে চলতে পছন্দ করে। পর্যায়ক্রমে পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সাধারণ কিছু বৈশিষ্ট্য কোনো কিছুর ধারন ক্ষমতা বদলে দেয়। কিন্তু সময় সবকিছুকে নিয়ন্ত্রণ করে অতিবাহিত হতে থাকে।

প্রকাশ্যের কোনো কিছু অপ্রকাশ্যে রাখা যায়। কিন্তু অপ্রকাশ্যের যেকোন কিছু কখনো প্রকাশ করা যায় না। কারণ অপ্রকাশ্যের বিষয়গুলো দুর্বলের চেয়ে একটু বেশি হয়ে থাকে। যার কারনে কারোর মধ্যে সবসময় বিষয়টার সংবেদনশীলতা কাজ করতে থাকে। কোনো কিছু এড়িয়ে গেলে সাময়িকভাবে বিষয়টার চাপ কমানো যায়। কিন্তু পরবর্তীতে বিষয়টা থেকে অরিকল্পিত চাপ সৃষ্টি হতে থাকে সময়ের সাথে। যা কাউকে ভেতর থেকে ধীরে ধীরে সম্পূর্ণরূপে গ্রাস করতে থাকে। সময়ের সাথে কোনো কিছু থেকে সৃষ্ট মানসিক চাপের ভারসাম্য বজায় রাখা যায়। কিন্তু ফিরে আসা বিষয়ের চাপের সম্মুখীন হওয়া যায় না। মানুষ বদলাতে জানে। তবে ছেড়ে আসা জিনিসের বদলানো রূপ মেনে নিতে পারে না।

অপরিকল্পিত কোনো কিছুর ইতিবাচকতা যেমন কাউকে ভেতর থেকে আত্মবিশ্বাসী করে। তেমনি পরিকল্পিত কোনো বিষয়ের নেতিবাচকতা কাউকে ভেতর থেকে অপরিকল্পিতভাবে নির্বিশেষে বিভাজ্য করতে থাকে। যা কাউকে মেনে নেওয়া শেখালেও কোনো কিছুতে এগোনোর বিষয়ে অবিশ্বাসী করে গড়ে তোলে। যা কাউকে জীবনে এগোনোর চেয়ে বেশি পিছিয়ে রাখে। অনেকেই হয়তো সময়ের শূন্যতায় একসাথে অনেক কাজ করতে পারে। তবে কোনো কাজের মধ্যে তারা নিজের দুনিয়া তৈরি করে কাজটা সম্পাদন করে। যার কারনে সেই মূহুর্তে কাজবিহীন যেকোনো কিছুই তার বিবেচনার বাইরে থাকে। পরবর্তীতে বিষয়টার পদক্ষেপহীনতা তাকে দ্বিধাগ্রস্ত করতে থাকে। যা কাউকে কিছু মূহুর্তের জন্য অপ্রকাশ্যে রাখে। কিন্তু বিষয়টার সমাধান না হওয়া অবধি যেকোনো মূহুর্তে তার মধ্যে বিষন্নতা তৈরি হতে থাকে। যা তাকে বাজে ভাবে ধীরে ধীরে গ্রাস করে।

মানুষ যেমন কোথাও চাইলেও নিজের মতো স্থির হতে পারে না। তেমনি না চাইতেও কোনো কিছুর স্থায়িত্ব তাকে অল্প সময়ে জীবনের নতুন ধাপে অতিবাহিত করায়। যা তাকে সম্পূর্ণরূপে বদলে নতুন কিছুর জন্য তৈরি করে। তখন বিষয়টা ধীরে ধীরে তার জীবনের পুরো পরিচিতি বদলে দেয় সময়ের সাথে। কারোর ইচ্ছা পূরণ তাকে জীবনের শেষ অবধি স্বর্গীয় অনুভবে রাখে। কিন্তু জোর পূর্বক যেকোনো কিছু নীরবে মানায় নেওয়া শেখালেও জীবনের শেষ পর্যায়ে বিষয়টা তাকে মারাত্মকভাবে অনুশোচনা অনুভব করায়। মানুষ শিখতেও জানে শেখাতেও জানে। কিন্তু জীবনে কোনো কিছুর প্রয়োগ খুব কম মানুষ করে। যার কারণে কেউ সবকিছু বুঝেও দ্বিধার কারনে নিজেকে নির্বোধের মতো মনে করে। তখন যেকোনো কিছুই কারোর কাছে শুরুতে ধোয়াসার মতো অনুভব হয়।

কারোর ইচ্ছা পূরণে সাধের চেয়ে সাধ্যের গুরুত্ব বেশি। কাউকে বুঝতে ইতিবাচক মনোভাব সবকিছুর সহজ সমাধান দেবে। তাই কোনো কিছুর প্রতি ভাবনার জায়গায় বিবেচনার মূল্যায়ন করা উচিত।

রিলেটেড পোস্ট


চলমান সময়ে নিঃস্বার্থ জীবন উপভোগের মুহুর্ত-
পড়া হয়েছে: ১৭২ বার

প্রত্যেকের জীবনে সত্যতার তাৎপর্য কতটুকু-
পড়া হয়েছে: ১৮৯ বার

কোনো কিছু উপলব্ধি করতে ইতিবাচক চিন্তার প্রভাব-
পড়া হয়েছে: ১৯৫ বার

অর্জিত আস্থাই মানুষের মনে বিশ্বাস তৈরি করে-
পড়া হয়েছে: ২৭৬ বার

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চলতে থাকা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ-
পড়া হয়েছে: ১৫২ বার

সময়ের সাথে বদলে যাওয়া মূহুর্তের অনুভব-
পড়া হয়েছে: ১৯৯ বার

আত্মপ্রকাশের অনুভবে স্মৃতির পাতায় গাঁথা ভেজা মুহুর্তগুলো-
পড়া হয়েছে: ৩৩১ বার

অন্ধকারের মধ্যে ভেঙে যাওয়া জীবনগুলো পুনরুদ্ধার করার শক্তি আছে-
পড়া হয়েছে: ১৮২ বার

পরাক্রমশালী শক্তির মনোভাবে তৈরিকৃত জীবন-
পড়া হয়েছে: ১০৫৫ বার

চিরন্তন সত্য-
পড়া হয়েছে: ৩২১ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



Math_টিচার???????????????? Wednesday, 31st January, 2024

#Math_টিচার

 

Math এর টিচারকে যখন

স্টুডেন্ট প্রশ্ন করে যে......????????

.

স্যার, Love marriage উত্তম

নাকি Arrange marriage উত্তম..?????????

.

টিচার:????

আমরা জানি বিবাহ ২ প্রকার,,,,,

যথা,,,,????

 

????Arrange marriage এবং

 

????Love marriage,

 

Love marriage এর অপর নাম Prem marriage

.

????মনে করি,,,,,

 

Arrange marriage= AM.... (1)

 

এবং Prem marriage= PM.... (2)

 

এখন,,,,

 

????AM মানে:- রাত ১২টা থেকে দুপুর ১২টা, অর্থাৎ, যার শুরু অন্ধকার, কিন্তু শেষ হয় উজ্জল আলোয়,,

 

????PM মানে:- দুপুর ১২টা থেকে রাত ১২টা, অর্থাৎ, যার শুরুতে থাকে উজ্জল আলো, কিন্তু শেষ হয় ঘুটঘুটে অন্ধকার দিয়ে

.

.

এখন (1) নং সমীকরণকে AM এবং (2) নং সমীকরণকে PM এর সাথে তুলনা করে আমরা পাই.....

 

Arrange marriage এর শুরুতে অন্ধকার থাকলেও শেষ উজ্জল আলো দিয়ে,????????

 

অন্যদিকে Prem marriage এর শুরুতে আলো থাকলেও শেষ হয় অন্ধকার দিয়ে।????????

.

.°. Love marriage অপেক্ষা Arrange marriage উত্তম।

..............(প্রমাণিত)????????

 

এতো কষ্ট করে কপি করলাম।????????

কমেন্টস করে জানাবেন প্লিজ কেমন হয়েছে ।।????????????

 

Math_টিচার????????????????

সমাজের বিপরীত প্রতিক্রিয়ায় নিজেকে পরিবর্তনের সময়- Thursday, 09th November, 2023

জীবনের ইতিহাসঃ

দিনের সূর্যহীন হালকা আলোয় নিস্তব্ধ প্রকৃতি তোমার পরিভাষা তৈরি করবে। যদি তুমি শান্তিপূর্ণ মানুষ হও। সমাজ মানুষকে চলতে শেখায়। আর প্রকৃতি মানুষকে বাঁচতে শেখায়। পার্থক্য হচ্ছে সমাজ মানুষকে ঠিকিয়ে শেখায়। আর প্রকৃতি মানুষকে ভালোবেসে শেখায়। প্রত্যেকের জীবনেই কিছু বিশেষ মূহুর্ত থাকে। যা তাকে অনুভব করা শেখায়। প্রত্যেকের জীবনের ভিন্নতায় অনুভবের ধরন আলাদা হলেও বিষয়টা মন থেকে আসে। যার গভীরত্ব কাউকে সবসময় রূপান্তর করতে থাকে।

কিছু মানুষের দোষে পরিস্থিতি আর সমাজকে সবাই দোষারোপ করতে থাকে। যার কারণে ক্ষণিকেই ব্যক্তিটা তার কৃতকর্মগুলো ভুলে গিয়ে, নতুন করে ভুল করতে থাকে। পরবর্তীতে তার ভুলগুলো বিস্তারিত রূপ ধারণ করতে থাকে। যার লাগাম না টানলে সে শোধরানোর জায়গায় বেশি বিগড়াতে থাকে। এইজন্য শুরু থেকেই ভুলগুলো বোঝার গুরুত্ব অনেকটা বেশি। কেউ শুরুতে হয়তো ইচ্ছা করে ভুল করে না। কিন্তু কাউকে ভুলগুলো না বোঝালে সঠিকটা সবসময় তার অজানা থেকে যায়। বর্তমানে হয়তো কেউ কাউকে বোঝায় না। সময় সাপেক্ষে সবাইকেই সবকিছু তার নিজের মতো করে বুঝে নিতে হয়। যার কারণে সবাই কাছাকাছি থেকেও দুরত্ব অনেক বেশি।

অনেক সময় কিছু পরিস্থিতি চাইলেও নিজের মতো করে গড়া যায় না। কারণ কিছু জিনিস অনুভবেই সুন্দর, বাস্তবে জটিল। এইরকম অল্প কিছু কারনে বাস্তবে চলতে পারলেও অনুভবের কোনো কিছুর বাস্তবায়ন থমকে যায়। যার কারণে বাস্তবতা বাস্তবায়নে আর অনুভূতি অনুভবেই সুন্দর। প্রিয় মুহুর্তগুলো বর্তমানে পুরোনো দিন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যা কাউকে প্রশান্তি অনুভব করানোর জায়গায় অস্বস্তি অনুভব করায়। মানুষ স্বার্থপর না। কারণ সময়ের সাথে সবাই নিজেকে গোছাতে শিখে গেছে। যার কারণে একজন আরেকজনের জন্য নয়, প্রত্যেকে নিজের জন্য বাঁচাতে চেষ্টা করে।

তোমার ভালো-খারাপ কখনো কাউকে প্রকাশ করতে যাবা না। কারণ প্রকাশ্যের চেয়ে অপ্রকাশ্যের সুবিধা অনেক। তখন চাইলে কেউ তোমার সাহায্য নিতে পারবে। কিন্তু তোমার সুযোগ নিতে পারবে না। প্রত্যেকেই সুবিধাবাদী, যার কারণে নিজেকে আড়ালে রাখা ভালো। কেউ যখন কোলাহলের চেয়ে শান্তিপূর্ণ জীবন পছন্দ করবে। তখন তার জীবনে কোলাহলের স্থায়িত্ব তাকে একসময় অন্তর্মুখী করবে। যার কারনে কোনো কিছুর পিছুটানের জায়গায় জীবনের প্রতি স্বস্তির নিঃশ্বাস তাকে অনুভব করাবে বেশি। কোনো কিছুর ভালোর জন্য নিজের আত্মত্যাগের জায়গায় বিষয়টাকেই জীবন থেকে ত্যাগ করা ভালো। কারণ তুমি তোমার জন্য। তাই একবার নিজেকে হারিয়ে ফেললে পূর্বের ন্যায় কোনো কিছু ফিরে পেলেও ভেতর থেকে অনুভব হারিয়ে যাবে। যার কারণে বেঁচে থেকেও তুমি মৃতপ্রায় অবস্থায় নিঃশেষে বিভাজ্য হতে থাকবা।

প্রত্যেকটা বিষয়ের ভালো-খারাপ নিয়েই জীবন। ভালো থাকতে গেলে যেকোনো বিষয়ে ত্যাগ করে মানায় নেওয়া প্রয়োজন। কারণ যেকোনো বিষয় মানায় নেওয়ার মাধ্যমে নিজেকে ধৈর্য্যশীল রাখতে পারবা। আর কোনো কিছুর ত্যাগ তোমাকে পরিবর্তন করবে। যা তোমাকে সমাজের পরিবর্তিত রূপ দেখাবে।

আমাদের অজানা Friday, 05th January, 2024

হিন্দু মা ও ছেলের কিছু কথোপকথন।

????ছেলে = মা তাজমহল এতো সুন্দর তাজমহল আমরা বানিয়েছি তাই না ???

 ???? মা = জ্বী না , যিনি বানিয়েছিলেন উনার নাম শাজাহান বাদশা , উনি মুসলিম ছিলেন ।

ছেলে = ওহ । আচ্ছা তাহলে কুতুবমিনার নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ???????

মা= জ্বী না । উনিও মুসলিম ছিলেন । উনার নাম কুতুবুদ্দিন আইবক ।????

ছেলে = । তাহলে লালকেল্লা নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ??????

মা = না । ওটাও মুসলিম শাসকরা বানিয়েছে ।????

ছেলে = তাহলে পুরাতন কেল্লা আমরা বানিয়েছি ??????

মা= না। পুরাতন কেল্লা মুসলিমরা বানিয়েছে ।????

ছেলে =তাহলে চারমিনার নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি????

মা= না। চারমিনার মুসলিম শাসকরা বানিয়েছে।????

ছেলে = মা আমি শুনেছি ভারত প্রথম মিসাইল তৈরি করেছিল , মিসাইল হিন্দু শাষকরা বানিয়েছে তাই না????

মা= না । ভারতে প্রথম মিসাইল আবিষ্কার করেছিলেন টিপু সুলতান । উনিও মুসলিম।????

ছেলে= মা আমি শুনেছি ভারতের সবচেয়ে বড় ও পুরাতন রোড গ্ৰান্ড ট্রাঙ্ক রোড ।

প্রায় ৩০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত ।

আচ্ছা মা সেটা তো আমরা বানিয়েছি ??????

মা=না । গ্ৰান্ড ট্রাঙ্ক রোড আমরা বানায়নি ।

গ্ৰান্ড ট্রাঙ্ক রোড একজন মুসলিম শাসক বানিয়েছি , উনার নাম শের শাহ ????

ছেলে = তাহলে মোঙ্গলদের সাথে যুদ্ধ আমরা করেছি , তাই না ?? ????

মা = না । আলাউদ্দিন খলজি মোঙ্গলদের সাথে যুদ্ধ করেছেন । সেই যুদ্ধে আলাউদ্দিন খলজি যদি পরাজিত হতো , তাহলে আজ ভারত ধ্বংস হয়ে যেতো ।????

ছেলে = আচ্ছা তাহলে হাজারদোয়ারি পেশেস নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ??????

মা = না বেটা । ওটাও মুসলিম শাসকরা বানিয়েছে।????

ছেলে = আচ্ছা তাহলে মুঘল সাম্রাজ্য আমাদের ছিল, তাই না ???????

মা = না । মুঘল সাম্রাজ্য মুসলিমদের সাম্রাজ্য ছিল ।????

ছেলে = আচ্ছা জয় হিন্দ , এই শব্দটি আমরা প্রথম তৈরি করেছিলাম , তাই না ??????

মা = না । ওটাও একজন মুসলিম প্রথম বলেছিল ।????

ছেলে = আচ্ছা মা , সারে জাহাসে আচ্ছা হিন্দুস্তান হামারা , এই শব্দটি আমরা প্রথম বলেছিলাম , তাই না ??? ????

মা = না , ওটা একজন মুসলিম কবি লিখেছিলেন । উনার নাম ইকবাল ।????

ছেলে = আচ্ছা তাহলে ভারতের পতাকা আমরা বানিয়েছি, তাই না ???????

মা = হ্যাঁ , তবে বলতে গেলে না । ভারতের পতাকা পিঙ্গলি ভেনকায়া তৈরি করলেও , তো

উনার তৈরি করা পতাকাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি ।

ভারতের পতাকার Latest Update করেছিলেন একজন মুসলিম মেয়ে । উনার নাম সুরিয়া তৌওবজি , উনার বাড়ি হায়দ্রাবাদে ।????

ছেলে = তাহলে প্রথম Satellite launch করেছিলাম আমরাই,তাই না মা ???????

মা = জ্বী না । ভারত অনেক বার Satellite launch করেছিল , কিন্তু প্রতিবারই Failed হয়েছে ।

তারপর APJ. Abdul Kalam Azad প্রথম Successful ভাবে Satellite launch করেছিল ।????????

উনি না থাকলে আজ ভারত Satellite launch করতে পারতো না । ????

ছেলে = তাহলে Nuclear weapons নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ???????

মা = না । Nuclear weapons একজন মুসলিম আবিষ্কার করেছে । 

উনার নাম APJ Abdul Kalam Azad । ????

উনি Nuclear weapons তৈরি না করলে আজকে চীন ও পাকিস্তান মিলে আমাদের আদর করতো ।????

ছেলে = ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ভারত ছোড়ো আন্দোলন প্রথম আমরা করেছিলাম তাই না ??????

মা = না । ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে প্রথম আন্দোলন শুরু করেছিল টিপু সুলতান ।????

 

তাইলে আমরা কি করছি?? ????

 

আর ভারতের জন্য মুসলিমরা কিছুই করেনি এইসব মিথ্যা রটিয়ে বেড়িয়েছি।???? এইবার থাম,

 

 ???? অন্ধকারাচ্ছন্ন ইতিহাসের দুনিয়া থেকে বের হয়ে সত্যেকে জানুন ????

প্রত্যেকের জীবনে সত্যতার তাৎপর্য কতটুকু- Wednesday, 15th November, 2023

সত্য মিথ্যার পার্থক্যঃ

প্রত্যেকেই পূর্ব বিবেচনায় চলতে থাকে, প্রয়োজনীয় গন্ত্যব্যে না পৌঁছানো অবধি। কিন্তু সময় নির্ধারণ করে গন্তব্যে পৌঁছানোর পর তাকে কোন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে। আবার কেউ যদি সবসময় সবার সাথে মিলেমিশে থাকে। কিন্তু প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে মিথ্যার আশ্রয় নেয়। হয়তো সময়ের সাথে অনেকের কাছে অপ্রকাশ্যেই তার পরিচিতি আবছা হয়ে যাবে। এককথায় সবার মাঝেও থেকে অস্তিত্বহীন জীবনযাপন করা। মিথ্যা সাময়িকের সঙ্গী। কিন্তু সত্য পর্যায়ক্রমে কঠিন হলেও চিরস্থায়ী। মানুষ ক্ষণিকের সুখে আকৃষ্ট হয় বেশি। তাই সময়ের সাথে তারা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে থাকে। যার কারনে কখনো সত্য বলতে গেলেও তাদের ভেতরে জড়তা কাজ করতে থাকে।

জীবনের শুরু থেকে যেমন কেউ স্থির হতে পারে না। তেমনি কিছু সময়ের দুর্বলতা না চাইতেও কাউকে একসময় শান্ত করে দেয়। তখন যেকোনো কিছু অস্বাভাবিক লাগলেও আস্তে আস্তে সবকিছুই অভ্যসে পরিণত হয়। পৃথিবীতে অনুসরণকারী ব্যক্তির সংখ্যা বেশি। যেজন্য কারোর জীবনের বেশিরভাগ সময় অনুসরণ করতে গিয়েই চলে যায়। কিছু জিনিস যেমন চাইলেও কখনো পুরোনো হয় না। তেমনি নতুন কোন কিছু হয়তো আকৃষ্টহীনতার কারণে শুরু থেকেই পুরোনো অনুভব হয় কারোর কাছে। অনেক সময় কিছু জিনিসের মূল্য দেরিতে আসলেও সেটা চিরস্থায়ী। কারণ সময় বদলালেও বিষয়টা সবসময় এক রকম থেকে যায়। যার কারনে বিয়টার স্থায়িত্বের ওপর কোনো সন্দেহ থাকে না।

প্রত্যেকের জীবনেই সময়ের সাথে আড়ালের বিষয়গুলো বাড়তে থাকে। যার কারনে তারা সবকিছু বুঝেও দ্বিধার কারনে প্রত্যেকটা বিষয়কে গুলিয়ে ফেলে। কিন্তু একটা সময়ের পর তারাই নিজেকে সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন করে থাকে। জীবনে সত্যতার চেয়ে মিথ্যার প্রভাব বেশি। যার কারনে সময়ের সাথে তারা মিথ্যার আশ্রয় নিতে নিতে জীবনের সত্যতা হারিয়ে ফেলে। কখনো সত্যতা ফিরে পেলেও তার জীবনের মিথ্যার প্রভাবকে কখনো কাটিয়ে উঠতে পারে না। সময় মানুষকে কোন কিছু পরিবর্তনে সাহায্য করলেও বিষয়গুলোর পরিচালনা যার যার নিজের করতে হয়। মানুষের ভাবনার শেষ নেই। কিন্তু সীমাবদ্ধতা আছে। যার কারণে সমাপ্তিতেও নতুনের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়।

মানুষের ছোট জীবনেরও প্রভাব অনেক বেশি। যার কারনে প্রত্যেকেরই সময়ের সাথে বিবেচনা করে চলা উচিত। তাহলে হয়তো তার জীবনে আক্ষেপের অবশিষ্ট কোনো রূপ থাকে না। নদীর কিনার যেমন অসীমের সংক্ষিপ্ততা প্রকাশ করে। তেমনি কারোর জীবনের প্রতি বিবেচনা তার সংক্ষিপ্ত সময়ের অসীম প্রভাব বিস্তার করে পৃথিবীতে। যা কারোর জীবনের সমাপ্তিতেও তার অস্তিত্ব বজায় রাখে সময়ের প্রতি। সঠিক ভুলের মধ্যেই প্রত্যেকের জীবন অতিবাহিত হয়। কারোর জীবনের পার্থক্য থাকলেও সময়ের উপর সবকিছু নির্ভর করে। যেজন্য আত্মরক্ষার্থে মায়ার জালেও সবাইকে ছুটতে হয় মোহ কাটিয়ে। নিজেকে বাদ দিয়ে যেকোনো বিষয় মেনে নেওয়া ভালো জীবনের জন্য। কিন্তু কিছু সময় অতিবাহিত জীবনকেও নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। ভুলের প্রভাব কাটিয়ে ওঠার জন্য।

জীবন সংক্ষিপ্ত কিন্তু কারোর কর্মের প্রভাব তার জীবনের বিস্তারিত রূপ প্রকাশ করে। তেমনি কোনো কিছু পরিচালনা সহজ কিন্তু ব্যাবস্থাপনা সবকিছুর পূর্ণতা আনে। শেষের সীমাবদ্ধতায়ও অসীম কিছু অপেক্ষা করে। যা সময়ের সাথে কাউকে চাওয়ার অতিরিক্ত পেতে সাহায্য করে।