মানসিক শান্তি বজায় রাখার সর্বোত্তম প্রক্রিয়া-

05th November, 2023
234




জীবনের নির্বিঘ্নতাঃ

শুরু থেকে কোনো কিছুর নির্দিষ্টতা আসে না। সময়ের সাথে পরিবর্তিত জীবনের নতুনত্বতা আসে। চাওয়ার অপূর্ণতা যেমন কাউকে কষ্ট দেয়। তেমনি না পাওয়ার অনুভব মানুষকে মজবুত করে সামনের দিনের জন্য। সমস্যা নিয়েই প্রত্যেকটা জীবনের শুরু এবং শেষ হয়। কিন্তু সমস্যাভেদে সমাধান নিজেরই করতে হয়। চিন্তা প্রত্যেককে প্রভাবিত করতে থাকে বর্তমান পরিস্থিতির প্রতি। কিন্তু সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে পরিচালনা নিজের দায়িত্বে থাকে। পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন সঠিক বিবেচনায় সবকিছুর সমাধান সম্ভব। আর ভুল থেকেই সঠিক বিবেচনা তৈরি হয়।

কখনো যদি কারোর খুব কাছের কিছু তার মানসিক চাপের কারণ হয়। তখন সে ভিতর থেকে প্রাণহীনভাবে জীবন কাটাতে থাকে। চাইলেও তার অনুভূতিগুলো কাউকে অনুভব করাইতে পারে না। কারণ সবাই সুখের ভাগিদার। তাই জীবনের চাপগুলো তাকেই বহন করতে হয়। চাপ থেকে সৃষ্ট অনুভূতিগুলো তাকে পরবর্তী সময়ের মূল্য বোঝায়। যদি সে নিজের দিক দিয়ে পরিষ্কার থাকে। প্রত্যেকের জীবন তার কর্মের উপর নির্ভর করে। তাই কারোর জীবনের ভুলগুলোই একসময় তাকে সঠিক রাস্তা দেখায়। যা তাকে পরবর্তীতে যেকোনো চাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

কারণ ছাড়া যেকোনো কিছুই মূল্যহীন। যেকোনো কিছু থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য প্রত্যেকটা বিষয়ের কারন রেখে বিবেচনা করা উচিত। যেকোনো বিষয়ের জন্য নেওয়া সিদ্ধান্তই পরবর্তী মূহুর্তে প্রত্যেককে প্রভাবিত করে। তাই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যে কেউ তাদের সমস্যা উদ্ভব এবং নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এইজন্য প্রত্যেকটা বিষয়ের কারণ রেখে সঠিক বিবেচনায় নিজেকে পরিচালনা করা উচিত। প্রত্যেকের তার নিজের প্রতি সংবেদনশীল হওয়া উচিত। কারন একটা ব্যক্তির তার নিজের প্রতি গুরুত্বই তাকে যেকোনো কঠিন সময়ে সহ্য ক্ষমতা বাড়ায়।

প্রত্যেকেরই ব্যক্তিগত কিছু সমস্যা থাকে। যা অপ্রকাশ্যের অনুভবে তাকে নিরবে কাঁদতে শেখায়। সত্যিকারের অনুভবে কারোর জীবনের পূর্ণতা আসে। যা তাকে নিরবে সবকিছু ভাবতে শেখায়।

রিলেটেড পোস্ট


ছোটবেলার হারানো সময়-
পড়া হয়েছে: ২৪২ বার

স্মৃতির মাঝের বিষয়গুলো সবসময় শ্রেষ্ঠ হয়-
পড়া হয়েছে: ২৮৮ বার

চার দিনের ব্যবধানে ফের কমল সোনার দাম
পড়া হয়েছে: ৭৭ বার

সময়ের সাথে বদলে যাওয়া মূহুর্তের অনুভব-
পড়া হয়েছে: ২৬৯ বার

কারোর জীবনে না চাইতেও পাওয়া কিছু বিশেষ উপহার-
পড়া হয়েছে: ২৯৪ বার

বেলা শেষে-
পড়া হয়েছে: ২১১ বার

বাহ্যিক শিষ্টতার মাঝে মানুষ নিজেকে নির্দিষ্ট করে থাকে-
পড়া হয়েছে: ৪৪৪ বার

অমর চিত্তে স্থগিত প্রয়াসের একটি নতুন সম্ভাবনা-
পড়া হয়েছে: ৫০১ বার

মানুষ নির্ভীক মনোভাবে যেকোনো কিছু শক্তভাবে অনুধাবন করে-
পড়া হয়েছে: ৮৯৯ বার

প্রত্যেকের জীবনে সত্যতার তাৎপর্য কতটুকু-
পড়া হয়েছে: ২৫৫ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



স্মৃতির মাঝের বিষয়গুলো সবসময় শ্রেষ্ঠ হয়- Monday, 04th December, 2023

সময়ের স্মৃতিচারণঃ

কেউ যখন শৈশবের জীবন পার করে। সময় তখন তাকে নিজের সাথে পরিচয় করাতে থাকে। কিন্তু অনেকের কাছে শৈশবে প্রাপ্ত মায়ের ভালোবাসা সবসময় সোনার মূহুর্ত হয়ে তাদের জীবনের পাতায় বদ্ধ থাকে। শৈশবে যেকোনো শিশুর একমাত্র নিরাপদ স্থল মায়ের কোল। যেখানে প্রত্যেকটা শিশুই প্রকৃত শান্তি উপভোগ করে থাকে। হয়তো সময়ের সাথে অনেকে এই মূহুর্তগুলোকে আগের মতো করে অনুভব করে না। কিন্তু ব্যর্থতার কিছু মূহুর্তে এই অনুভবই কাউকে ভিতর থেকে পুনরুজ্জীবিত করে তোলে। কারোর জীবনে সবকিছু পরিবর্তন হলেও এই বিষয়টা সবসময় এক রকম থেকে যায়। শুধু অনুভবের মাধ্যমে বিয়টার অস্তিত্ব বজায় রাখা সম্ভব। যা সবার ক্ষেত্রে কিছু সময় বজায় রাখা সম্ভব হয় না। কিন্তু বিষয়টার স্মৃতিচারণই কারোর মধ্যে মনুষ্যত্ববোধ বজায় রেখে পথচলতে সহায়তা করে।

মানুষের জীবনে কোনো কিছুই যেমন সহজে পূর্ণতা পায় না। তেমনি অল্পেই কোনো কিছুর প্রাপ্তি তাকে দেরিতে সেই বিষয়ের প্রতি অনুগত করায়। কারণ সবকিছু দুর্লভ হওয়ায় যেকোনো বিষয়ের বোধশক্তি কারোর মধ্যে দেরিতে কাজ করে। কিন্তু অনুধাবন মাত্রই বিষয়টার স্থায়িত্ব নিশ্চিত হয় অনেকের জীবনে। যার কারনে শত ভুলের মাঝেও মানুষ পৃথিবীতে তার শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ করে যায়। সূর্য যেমন চাঁদের আলোর কারণ। তেমনি কোনো শিশুর জীবনের মূল্যবোধ তৈরিতে পরিবারের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, তার ভবিষ্যতের সফলতার কারণ। প্রত্যেকটা বিষয়ের সাথেই মানুষের জীবন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যার কারণে একটাকে বাদ দিয়ে আরেকটা চিন্তা করা সম্ভব নয়। তাই জীবনে সবকিছু নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে প্রত্যেকটা বিষয়ের প্রতি সমান গুরুত্ব বজায় রাখা উচিত।

কোনো ঘরে মানুষ না থাকলে যেমন সেই বাড়ির অস্তিত্ব ফুরায়। তেমনি পরিবার ছাড়া কোনো জীবন অস্তিত্বহীনতায় নিঃশেষ হয়। তারা হয়তো সময়ের আগে সফলতা অর্জন করে থাকে। যার কারনে ক্ষমতার জোরে হয়তো পুরো পৃথিবীকে তার পাশে পায়। তবুও আবছা মূল্যবোধে জীবনের নিঃসঙ্গতা সবসময় তাকে অস্তিত্বহীনতা অনুভব করায়। যাদের পরিবার আছে তাদের হয়তো এই বিষয়টা কখনো অনুভব হয় না। যার কারণে একটা সময়ের পর সফলতা অর্জনে কিছু ব্যক্তির মূল্যবোধ আবছা হয়। যেজন্য এই ধরনের ব্যক্তিগুলো সীমিত ক্ষমতার্জনে সবসময় পাশে থাকা পরিবারের মূল্য দিতে ভুলে যায়। তেমনি পরিবার পাশে না পাওয়া ব্যক্তিগুলো প্রয়োজনাতিরিক্ত ধন-সম্পদের মালিক হওয়া স্বত্ত্বেও চিরজীবন পরিবারের নিঃসঙ্গতায় সবকিছুর মাঝেও অস্তিত্বহীন জীবন অনুভব করে। তখন হয়তো একটা পরিবার তার জীবনকে পূর্ণতা দান করে থাকে।

কারোর ব্যক্তিত্ব যেকোনো পরিস্থিতির প্রভাব থেকে তাকে মুক্ত রাখে- Tuesday, 05th December, 2023

ব্যক্তিত্ব মানুষের অস্তিত্বঃ

অনেকে ব্যক্তিত্ব একটা শব্দ মনে করে। যা কোনো কিছুর সাথে জোড়া দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু উপরিভাগে নিজেকে ব্যক্তিত্বের শব্দে আবদ্ধ করা জীবনের মূর্খতা। কারণ ব্যক্তিত্ব মানুষের অস্তিত্ব, কোনো শব্দ না। যখন সেইসব ব্যক্তি বোধশক্তির দুর্বলতায় যেকোনো মানুষের কাছে নিঃশব্দে তার মূল্যহীনতা প্রকাশ করে থাকে। যা সেই মূহুর্তে তার চিন্তাধারার বাইরে থাকে। যে কারণে সেইসব ব্যক্তির জীবন গঠনের শুরুর পর্যায়ের নির্বোধ মনোভাব পোষণে, যেকোনো মানুষের কাছে তাকে ব্যক্তিত্বহীনভাবে প্রকাশ করে। কারোর জীবনের ভুলগুলো সঠিকভাবে বুঝতে হয়তো বয়স ৩০+ হয়ে যায়। তখন ব্যক্তিগুলো নিজেই নিজের কাছে উপহাসের খোরাক হয়। কারণ যেই সময় কারোর নিজেকে নিজের জন্য সংশোধন করা প্রয়োজন হয়। তখন ব্যক্তিত্বহীনতায় তার ভিতরের নির্বোধ মনোভাব সবকিছু থেকে তাকে দূর করে থাকে। যেজন্য ভবিষ্যতে সেইসব ব্যক্তি নিজের কাছে বিদ্রুপ হয়ে থাকে।

বেশকিছু বিষয় কারোর ব্যক্তিত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। যেমন- জীবনের প্রতি আশার জায়গায় ভরসার মনোভাব পোষণ করা। ভালোলাগার জায়গায় ভালো কাজের মাঝে নিজেকে লিপ্ত রাখতে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া। যেকোনো বিষয়ে নিজেকে ইতিবাচকভাবে ভাবতে শেখানো। পরিপূরক জীবন পেতে সংক্ষিপ্ত রাস্তা পরিত্যাগ করা। প্রত্যেকটা মূহুর্তে সৃষ্টিকর্তার অনুদানের কথা মাথায় রেখে কোনো কিছুর প্রতি অতিরিক্ত গুরুত্ব ত্যাগ করা। কারণ জীবনের সাথে জড়িত অতিরিক্ত বিষয়গুলো ত্যাগেই মানুষ নিজের সাথে পরিচিত হয়ে থাকে। যখন কারোর মধ্যে মরীচিকার মোহ নিঃশেষ হওয়ায় অনেকেই জীবনের বাস্তবতায় নিজেকে উজ্জীবিত করতে সক্ষম হয়। তখন জীবনের সত্যতায় অনেকে নিজের ভিতরে ব্যক্তিত্বের অভিজ্ঞতা অনুভব করতে থাকে। কারণ যেকোনো মানুষের ব্যক্তিত্ব জীবনের সামঞ্জস্যতা বজায় প্রত্যেকটা বিষয়ের প্রতি প্রতিরক্ষার্থী মনোভাব তৈরি করে।

মানুষের জীবনে যেকোনো কিছু চিন্তাধারার মাধ্যমে অর্জন করতে হয়। তাই জীবনে আগাছার মতো বিষয়গুলোকে পরিত্যাগ করে কেউ যখন পরিবারের প্রতি অনুগত হতে শেখে। তখন জীবনের কোমলতায় তার বিশেষত্ব তৈরি হতে থাকে। যা প্রত্যেকের কাছে তার বিভিন্ন দিকদর্শনেও পরিবারের কর্তব্যে সবসময় তাকে নির্ধারিত রাখে। যখন কেউ পথভ্রষ্ট ব্যক্তিকে জীবনের পর্যালোচনা শেখানোর মাধ্যমে নিজের অস্তিত্বের পরিধি বৃদ্ধি করে থাকে। একটা মানুষ কখনোই কোনো কিছুর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কারণ জীবন অল্প সময়ের হলেও তার পরিধি বিশাল। তাই কেউ যদি মনে করে যে, সমাজের প্রতি তার অবদানের পরিবর্তে অপ্রকাশ্যে প্রত্যেকটা বিষয়ে মনুষ্যত্ববোধ প্রতিষ্ঠা করে যাবে। তখন পৃথিবীর শেষ অবধি মানুষ হিসেবে কিছুটা হলেও জীবনের দায়ভার কমাতে পারে। 

Asad ali Monday, 08th January, 2024
Asad Ali 
     30

শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক-

 

সম্পর্কের সম্মানঃ

কোনো কিছুর শুরুতে সবকিছু ঠিক থাকে। আত্মিক অনুভব নিজের চারপাশে নতুন পরিবেশ সৃষ্টি করে। আশেপাশের সবকিছু নতুন আবহাওয়ায় নিজেকে নতুন করে সৃষ্টি করে। কিছুদিন পর এই সম্পর্কের প্রকৃতিটা আমাদের মধ্যে একঘেয়েমি সৃষ্টি করতে থাকে। কারণ আমরা মানুষ নতুনত্ব আমাদেরকে পরবর্তী মূহুর্তের প্রতি আকৃষ্ট করায়। ভালোলাগা এমন একটা জিনিস যেটা প্রতিটা মানুষের মধ্যে যেমন নতুনত্ব সৃষ্টি করে তেমনি তার চেয়ে একটু ভালো কিছু আমাদেরকে সেই পরিবেশের প্রতি অনিহা সৃষ্টি করায়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে ভালোলাগার বিষয়টা Short Time Relationship এর মধ্যে পরে। কারণ ভালোলাগা শুধু আমাদের কোনো কিছুর প্রতি আকৃষ্ট করায়। কিন্তু সত্যিকারের ভালোবাসা আমাদের অপ্রকাশ্যে ত্যাগ করতে শেখায়। যারা সত্যিকার অর্থে কাউকে ভালোবাসে তাদের প্রথম পর্যায় খুব কঠিন থাকে। কারণ তারা অনুভব করে। কিন্তু কিসের জন্য অনুভব করে তার কোনো কারণ খুঁজে পায়না। যা তাদের প্রথম পর্যায়ে খুবই বিরক্ত অনুভব করায় যেকোনো কিছুর প্রতি। আস্তে আস্তে সে যখন তার আত্মিক অনুভবের মানুষটাকে খুঁজে পায়। তখন তাকে সে এতটাই সম্মানের পর্যায়ে রাখে যে, তার যেকোনো পরিস্থিতিতে তার ঢাল হয়ে থাকে। আর এর কারণেই সবসময় তাকে হারানোর ভয়ে নিরবতায় তার প্রতিরক্ষার্থী 

পরিসমাপ্তির অন্তরালে- Thursday, 19th October, 2023

শেষের অগ্রিম সিদ্ধান্তঃ

একটা মানুষের চিন্তাশক্তি তাকে সময় থেকে সময়ে বিস্তারিত রূপ দিতে থাকে। তোমার চিন্তা-ভবনা তোমাকে প্রভাবিত করে তৈরি করে পরবর্তী মুহূর্তের জন্য। পরিস্থিতির জন্য অনেক সময় এর পরিবর্তনও হতে পারে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, আমাদের জীবনে চিন্তাশক্তির প্রভাব।

তোমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো সিদ্ধান্ত। বেশি চিন্তা করে কখনো সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নিজেকে সময় দেওয়া উচিত। তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় নিজেকে স্বাভাবিক রেখে বিবেক পর্যালোচনা করা উচিত। সিদ্ধান্ত এমন একটা জিনিস যা একবার নিয়ে নিলে পরবর্তীতে শত চেষ্টায়ও এর পরিবর্তন  অসম্ভব। কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে গেলে ওই পরিস্থিতি ঠিক হওয়ার জায়গায় নতুন সমস্যার উদ্ভব হতে থাকবে।

একটা মানুষের ভিতরের অনুভব থেকে তার পরিবর্তন হতে থাকে। অনুভব এমন একটা জিনিস যা মানুষকে যেমন ভালোলাগা অনুভব করায় তেমনি না পাওয়া বা হার থেকে অতিরিক্ত কষ্ট অনুভব করায়। যা আমাদের জীবনের ভাঙা গড়ার গল্প তৈরি করে। কোনো কিছুর পরিসমাপ্তির জন্য নিজেকে যত শক্ত করবা তত বেশি কষ্ট পাবা সময় থেকে। এইজন্য কোনো বিষয়ের জন্য নিজের দিক থেকে পরিসমাপ্তি টানতে হয় না। নিজেকে নিজের জন্য পরিবর্তন করে বিষয়টাকে সময়ের উপর ছেড়ে দিলে সবকিছু নিজের গতিতে এগিয়ে যায়।

কোনো কিছুর জন্য যখন তুমি নিজেকে সামলাতে ব্যর্থ হবা, সেই মুহূর্তে ওই পরিস্থিতি থেকে সামনে এগোনোর জন্য কোনো মাধ্যমের আশ্রয় নেওয়া উচিত না। ওই মাধ্যমের কারণে নিজের অজান্তেই একসময় তুমি তোমার অস্তিত্ব হারায় ফেলবা। তখন তোমার জীবনে, নিজেকে আর কোথাও খুঁজে পাবা না। এইজন্য যেকোনো পরিস্থিতিতে কোনো মাধ্যম ছাড়া নিজেকে নিজের মতো করে সামলাতে পারলে, তোমার জীবনে নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখতে পারবা।

হারানোর ভয়ে পিছিয়ে গেলে আজীবন পিছনেই পড়ে থাকতে হয়। ফাঁকা মাঠে গোল দেওয়ার চিন্তা করলে জীবন থেকে প্রতিযোগিতা হারায় যায়। সবকিছুতেই হার-জিত থাকে, হারার ভয়ে যদি সবকিছু থেকে পেছোতে থাকো, তাহলে তুমি নিজের কাছে হেরে যাবা। যেকোনো পরিস্থিতিতে হারলে সেখানের অভিজ্ঞতা তোমাকে নতুন কিছুর জন্য তৈরি করবে, যার ফল ভবিষ্যতে পাবা। কিন্তু কোনো কিছুর জন্য নিজের কাছে হেরে গেলে বর্তমানকেই হারায় ফেলবা ভবিষ্যত তো দূরের কথা।

চিন্তা মানুষকে নতুন কিছু ভাবায়, মানবিকতা মানুষকে ভালোবেসে সম্মান করতে শেখায়। জীবনযুদ্ধে বিবেক পর্যালোচনা, মানুষকে পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া শেখায়।