শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চলতে থাকা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ-

31st October, 2023
211




ভবিষ্যতের আবরণঃ

পর্যায়ক্রমে চলতে থাকা জীবনের সংক্ষিপ্ততার অনুভব তোমার চিন্তাধারা বদলে দেবে। সময়ের সাথে তোমার জীবনে হওয়া পরিবর্তনগুলো বার বার তোমাকে পরিস্থিতি পরিবর্তন করতে বাধ্য করবে। একটা সময়ের পরে সবার সর্বশেষ চাহিদার মধ্যে পড়ে শান্তিপূর্ণ জীবন। চাইলেও এই চিন্তাধারার কোনো পরিবর্তন করা যায় না। জীবনের পথ চলতে চলতে একসময় সবাইকে থামতে হয় নিজের জন্য। তখন শুরু থেকে শেষের মূহুর্তগুলো ভিতর থেকে নিজেকে নারা দিতে থাকবে জীবনের শেষ অবধি।

অনুভব, সংকোচ, প্রয়োজন ইত্যাদি চাইলেও তুমি কারোর সাথে প্রকাশ করতে পারবা না। কারণ এইগুলো নিজের একান্ত। যা প্রকাশ করলে এক না এক সময় হিতের বিপরীত হয়। যা তোমাকে কোনোকিছু বোঝার সুযোগটুকু দেবে না। সবকিছু এক মূহুর্তের জন্য নিস্তব্ধ করে দেবে। এই বিষয়টা কোনো সময় চিন্তা করলেও তোমার মাথার উপর দিয়ে যাবে। কিন্তু বিষয়টা তোমাকে ভিতর থেকে শান্ত করে রাখবে শেষ অবধি। জীবনের খারাপ সময়ের অভিজ্ঞতা সবারই একবার হয়। কারোর প্রকাশ্যে, কারোর অপ্রকাশ্যে। অপ্রকাশ্যেরটার ভিতর থেকে চাপ দিলেও সবসময় যেকোনো কিছুর অতিরিক্ততা ভেতর থেকে নিয়ন্ত্রণ করে। যা তার কাছে সবকিছুই সাধারন করে রাখে শেষ অবধি।

অনুভবের কোনো শেষ নেই। প্রত্যেকটা জিনিসের ভিন্নতায়, তোমার অনুভব পরিবর্তিত হতে থাকবে। তুমি যত বেশি পরিস্থিতির সম্মুখীন হবা। সময়ের সাথে তত দ্রুত পরিবর্তন আনতে পারবা নিজের মধ্যে। নিজের পরিবর্তন সবসময় তোমাকে এক রকম রাখবে সব জায়গায়। কিন্তু কোনো কিছুর জন্য এগোনোর আগে ভেবে নেওয়া উচিত। যাতে পরবর্তিতে তোমাকে অপ্রিতিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে না হয়। কারণ যেকোনো কিছুই আমাদেরকে সবসময় প্রভাবিত করতে থাকে। এইজন্য যেকোনো কিছু করার আগে ভালোভাবে ভেবে করা উচিত। প্রত্যেকের মধ্যেই স্পষ্টটা থাকা দরকার। কারন একজন স্পষ্টবাদী ব্যক্তির কোন কিছুর জন্য জবাবদিহিতা করতে হয় না। তার স্পষ্টতা সবসময় তার সত্যতা প্রকাশ করে সবার কাছে।

ভিন্নতা আর নতুনত্বতার মধ্যে মিল থাকলেও একটা আরেকটার থেকে সম্পূর্ণ আলদা। আবার কিছু ক্ষেত্রে একটা আরেকটার সাথে জড়িত। যেমন- কোনো কিছুর নতুনত্বের ভিন্নতা তোমাকে নতুনভাবে ভাবতে শেখাবে। আবার কোনো কিছুর উটকো নতুনত্ব তোমাকে বিরক্ত করবে। কিন্তু কিছু পরিবর্তিত জিনিসের নতুনত্বতা, তোমাকে হালকা আকৃষ্ট করাবে বিষয়টার প্রতি। পার্থক্য হলো- ভিন্নতা জড়িত আর নতুনত্ব উচ্চারিত। পৃথিবীর শুরু থেকে এই পর্যন্ত যেকোনো কিছুর নতুনত্বের ভিন্নতাই সবকিছু যেভাবে পরিবর্তন করে আসছে যে, বিষয়টা ভাবলেই গল্পের মতো মনে হয় অনেকের কাছে। কিন্তু এটাই বাস্তবতা যে, পরিবর্তনের সাথেই সবকিছুর পরিসমাপ্তি ঘটবে।

পরিবর্তনের পৃথিবীতে মেনে নিলে সবকিছু সহজ। মোহ আর মায়ার পরিবর্তন বুঝলে জীবনের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ।

রিলেটেড পোস্ট


কারোর জীবনে না চাইতেও পাওয়া কিছু বিশেষ উপহার-
পড়া হয়েছে: ২৯৪ বার

সর্বোত্তম মূহুর্তের যেকোনো বিবেচনা মন থেকে আসে-
পড়া হয়েছে: ৩০১ বার

সমাজের বিপরীত প্রতিক্রিয়ায় নিজেকে পরিবর্তনের সময়-
পড়া হয়েছে: ২৩৮ বার

কিছুটা সুন্দর মুহূর্ত-
পড়া হয়েছে: ২১৯ বার

মানুষ নির্ভীক মনোভাবে যেকোনো কিছু শক্তভাবে অনুধাবন করে-
পড়া হয়েছে: ৮৯৯ বার

বিবেকের স্বপ্নীল পর্যটন-
পড়া হয়েছে: ২৬৮ বার

সমাপ্তির পথচলা-
পড়া হয়েছে: ২১৩ বার

পরিস্থিতি কারোর প্রকৃতি নির্ধারণ করে থাকে-
পড়া হয়েছে: ২২২ বার

উপেক্ষাকৃত চিন্তার পরিপ্রেক্ষিতে সাময়িক মূল্যায়ন পর্যালোচনা-
পড়া হয়েছে: ৭৬৫ বার

শুরু থেকে শেষের অপেক্ষায় থাকা জীবন-
পড়া হয়েছে: ২০৯ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



ফিলিস্তিনে জরুরি ওষুধ পাঠানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Wednesday, 18th October, 2023
ফিলিস্তিনের হাসপাতালে বোমা হামলায় হতাহতদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে জরুরি ওষুধ পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার বিকেলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেককে এই নির্দেশনা দেন সরকার প্রধান। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শেখ রাসেল দিবস-২০২৩ উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জরুরি ওষুধ পাঠানো নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিলিস্তিনের জনগণের কষ্ট বোঝেন, ইসরায়েলের হামলায় হতাহত নারী-শিশুদের বেদনা অনুভব করছেন তাঁর নিজের জীবনের হতাহতের ক্ষত থেকে। শিশু রাসেলের হত্যায় কী বেদনা হয়েছে, সেটি প্রধানমন্ত্রী বুঝতে পেরেছেন। এজন্যই বিশ্ব পরাশক্তিদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেও প্রধানমন্ত্রী ফিলিস্তিনের নিরীহ অসহায় মানুষের জন্য কথা বলছেন, তাদের চিকিৎসা সহায়তায় হাত বাড়িয়ে দিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সভায় উপস্থিত স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব জাহাঙ্গীর আলমকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আমরা অতি দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ফিলিস্তিনের আহত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসাসেবা দিতে চাই। এক্ষেত্রে দ্রুততম সময়ে ওষুধসামগ্রী পাঠাতে আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে সম্ভব সব চেষ্টাই করতে হবে।’ স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্যশিক্ষা বিভাগের সচিব আজিজুর রহমান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ও শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং যুগ্মসচিবেরা।
মানসিক শান্তি বজায় রাখার সর্বোত্তম প্রক্রিয়া- Sunday, 05th November, 2023

জীবনের নির্বিঘ্নতাঃ

শুরু থেকে কোনো কিছুর নির্দিষ্টতা আসে না। সময়ের সাথে পরিবর্তিত জীবনের নতুনত্বতা আসে। চাওয়ার অপূর্ণতা যেমন কাউকে কষ্ট দেয়। তেমনি না পাওয়ার অনুভব মানুষকে মজবুত করে সামনের দিনের জন্য। সমস্যা নিয়েই প্রত্যেকটা জীবনের শুরু এবং শেষ হয়। কিন্তু সমস্যাভেদে সমাধান নিজেরই করতে হয়। চিন্তা প্রত্যেককে প্রভাবিত করতে থাকে বর্তমান পরিস্থিতির প্রতি। কিন্তু সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে পরিচালনা নিজের দায়িত্বে থাকে। পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন সঠিক বিবেচনায় সবকিছুর সমাধান সম্ভব। আর ভুল থেকেই সঠিক বিবেচনা তৈরি হয়।

কখনো যদি কারোর খুব কাছের কিছু তার মানসিক চাপের কারণ হয়। তখন সে ভিতর থেকে প্রাণহীনভাবে জীবন কাটাতে থাকে। চাইলেও তার অনুভূতিগুলো কাউকে অনুভব করাইতে পারে না। কারণ সবাই সুখের ভাগিদার। তাই জীবনের চাপগুলো তাকেই বহন করতে হয়। চাপ থেকে সৃষ্ট অনুভূতিগুলো তাকে পরবর্তী সময়ের মূল্য বোঝায়। যদি সে নিজের দিক দিয়ে পরিষ্কার থাকে। প্রত্যেকের জীবন তার কর্মের উপর নির্ভর করে। তাই কারোর জীবনের ভুলগুলোই একসময় তাকে সঠিক রাস্তা দেখায়। যা তাকে পরবর্তীতে যেকোনো চাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

কারণ ছাড়া যেকোনো কিছুই মূল্যহীন। যেকোনো কিছু থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য প্রত্যেকটা বিষয়ের কারন রেখে বিবেচনা করা উচিত। যেকোনো বিষয়ের জন্য নেওয়া সিদ্ধান্তই পরবর্তী মূহুর্তে প্রত্যেককে প্রভাবিত করে। তাই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যে কেউ তাদের সমস্যা উদ্ভব এবং নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এইজন্য প্রত্যেকটা বিষয়ের কারণ রেখে সঠিক বিবেচনায় নিজেকে পরিচালনা করা উচিত। প্রত্যেকের তার নিজের প্রতি সংবেদনশীল হওয়া উচিত। কারন একটা ব্যক্তির তার নিজের প্রতি গুরুত্বই তাকে যেকোনো কঠিন সময়ে সহ্য ক্ষমতা বাড়ায়।

প্রত্যেকেরই ব্যক্তিগত কিছু সমস্যা থাকে। যা অপ্রকাশ্যের অনুভবে তাকে নিরবে কাঁদতে শেখায়। সত্যিকারের অনুভবে কারোর জীবনের পূর্ণতা আসে। যা তাকে নিরবে সবকিছু ভাবতে শেখায়।

আবছা বিষয়গুলোর প্রতি মানুষের প্রয়োজন বেশি- Saturday, 02nd December, 2023

স্থিতিশীলতাঃ

গুরুত্ব কাউকে আবছা বিষয়ের প্রতি সহজে অনুভব করায়। যা কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেও নির্মূল করতে পারে না। ভালোলাগা ভোলা যায়। কারণ জন্ম থেকেই মানুষের মধ্যে ভালোলাগা খারাপ লাগার অনুভূতি কাজ করতে থাকে। কিন্তু যোগ্যতা আর মানবিকতার ওপরে মানুষের গুরুত্ব নির্ভর করে। যেজন্য একজনের প্রতি কারোর হালকা গুরুত্বও তাকে আত্মবিশ্বাসী অনুভব করায়। যখন পর্যায়ক্রমে তার জীবনের দ্রুত পরিবর্তন হয়। কিন্তু সময়ের সাথে বিষয়টা নিঃসৃত হয়ে গেলেও সেই বিষয়ের অনুভূতির মনোভাব কখনো বদলায় না। কারণ অনুপ্রেরণায় মানুষ তার জীবনের প্রতি উদগ্রীব হয়।

কোনো কিছুতে ভুল হলে সহজে বিষয়টাকে বাদ দিয়ে নতুন কিছু তৈরি করা সম্ভব হয় না। তবে সময় নিয়ে অল্প পরিবর্তনে বিষয়টা সংশোধন করা সম্ভব। কোনো কিছু বাদ দেওয়ার আগে মূল্যায়ন করা উচিত। কারন ভালো কিছু শুরুতে সমস্যা নিয়ে আসে। কিন্তু পরবর্তীতে বিষয়টা প্রয়োজন অনুপাতে ফল দিতে থাকে। স্থিতিশীলতা অনেকের রাগের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। যা কাউকে শান্ত মস্তিষ্কে ভাবতে শেখায়। তখন কেউ তার কথা আর কাজের মাধ্যমে সমাজে মূল্যায়িত হয়ে থাকে। স্থিতিশীলতায় কোনো ব্যক্তি নিজেকে পরিবর্তনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে। যেকোনো কিছুর স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রেখে। তাই ব্যক্তিভেদে নিজের জীবনের স্থিতিশীলতা বজায় রেখে চলার চেষ্টা করা উচিত।

বেশিরভাগ মানুষের জীবনে এমন সময় সফলতা আসে। যখন সেই সফলতা হয়তো জীবনের প্রতি অর্থহীনতা প্রকাশ করে। ব্যক্তিগুলো জীবনের একটা সময়ে প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত পরিশ্রম করে থাকে। যার কারনে পরবর্তীর অর্জনে সেইসব ব্যক্তি ব্যর্থতা অনুভব করে। কিন্তু তখন প্রত্যেকেই একজন সফল ব্যক্তি। হয়তো জীবনের ব্যর্থতায় কারোর সফলতা লুকিয়ে থাকে। কিন্তু তা অর্জনের পরও জীবনের স্বল্পতায় অনেকে ব্যর্থতার অনুভবে আবদ্ধ থাকে। যার কারনে মানুষ কোনো কিছুর অভাবে যেমন আফসোস করে। তেমনি শেষ মূহুর্তের অর্জিত সফলতায় তার থেকেও বেশি অনুশোচনা অনুভব করে। যেজন্য সময় থাকতে অল্পের মধ্যে নিজেকে সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করা উচিত। যা কাউকে হয়তো যেকোনো সময়ের অর্জিত সফলতায় আর অনুশোচনা অনুভব করায় না।​​​​​