ভোরের শুভ্রতা-

27th October, 2023
278




কুয়াশায় ঢাকা ভোরঃ

শীতের সকালে কুয়াশায় ঢাকা প্রকৃতি সূর্যের এক টুকরো আলোয় নিজের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে। নিস্তব্ধ প্রকৃতি শীতের ঠান্ডা হিমে তার মিষ্টি সুগন্ধ চারদিকে নতুন পরিবেশ সৃষ্টি করতে থাকে। প্রকৃতির সীমাহীন ভালোবাসা সময়ের পরিবর্তনে প্রত্যেকটা মানুষকে নতুনভাবে নিজেদের তৈরি করা শেখায়। কিন্তু যে যার ব্যক্তিত্বের মতো করে নিজেদের তৈরি করে।

কেউ কারোর উপর নির্ভর করে না। কিন্তু প্রকৃতির উপর পুরো পৃথিবীর মানুষ নির্ভর করে। প্রকৃতি এতটাই শক্তিশালী যে, পুরো মানবজাতিকে নিজের আদলে আগলে রাখে। নিঃস্বার্থ প্রকৃতির মায়া বোঝার ক্ষমতা অনেকের মধ্যে থাকে না। কিন্তু মানবজাতি হিসেবে প্রকৃতির থেকে ভোগ করে প্রত্যেকে নিজেদের অধিকার দাবি করি। কোনো কিছু বলে নিজেকে অনুপ্রাণিত রাখা যায়, অল্প সময়ের জন্য। কিন্তু কোন কিছু না বলে অনুভব করে নিজেকে সারাজীবনের জন্য অটুট রাখা যায় পবিত্র চিন্তা-ভাবনায়। ভালো কিছু করার চিন্তায় অনেক সময় সৎ অসৎ এর পার্থক্য করতে ভুলে যায় অনেকেই। এইটা সময়ের পরীক্ষা তোমার জন্য। যা বুঝে পথ চললে দেরিতে সফলতা আসলেও তোমার। কিন্তু লোভে পড়ে সাময়িকের সফলতায় ভবিষ্যতে প্রাশ্চিত্যের জীবন তোমার। যা বোঝার চেয়ে অনুভব করবা বেশি।

শীতের প্রত্যেকটা মুহুর্ত স্নীগ্ধতার। হালকাভাবে প্রত্যেকটা মুহুর্ত অনুভব করা সম্ভব। কারণ যেকোনো কিছুর প্রতি অনুভবের গাঢ়ত্ব প্রত্যেকের জীবনেই দাগ ফেলে যায়। ভালোবাসা শব্দটা সুন্দর মানে বোঝালেও এর অসৎ ব্যবহারের জন্য উচ্চারণেই প্রত্যেকটা ব্যক্তির বিস্মিত চাহনির সম্মুখীন হতে হয়। আগলে সবকিছু আপন করা যায়। সময় নিয়ে সবকিছুর সমাধান করা যায়। অতিরিক্ত চাওয়া কোন কিছুর প্রতি নিজেকে আকৃষ্ট করায়। কিন্তু প্রকৃতি বুঝে পরিবেশ পরিচালনার মাধ্যমে নিজের দায়িত্ব বোঝা সম্ভব। কোনো কিছু এড়িয়ে যাওয়া আর মুখ ফিরিয়ে নেওয়া সম্পূর্ণই আলাদা। স্বার্থে আঘাত পড়লে যে কেউ মুখ ফিরিয়ে নেয়। আর কোন কিছুর জন্য ভেতরের চাপ নিতে না পারলে সেই পরিস্থিতি থেকে যে কেউই এড়িয়ে যাবে। কারণ সেখানে চাইলেও কোন কিছু বলা যায় না।

শীতের সময়টা মানুষকে যেমন অনুভব করায় বেশি। তেমনি ভোরের কুয়াশায় প্রকৃতির রূপ প্রকাশে সূর্যের আলোর প্রাদূর্ভাব মানুষের জীবনকে এককথায় প্রকাশ করে যায়। যেমন- তুমি যদি মনে যদি মনে করো তোমার জীবনটা শূণ্যতায় পূর্ণ, সেটা ভুল। কারণ শূন্য থেকেই বিষাক্ত অনুভবের মাধ্যমেই একসময় জীবনের অর্জন শুরু হতে থাকে। যার অবদান মৃত্যুর পরেও তোমার ছাপ রেখে যায় পৃথিবীর বুকে। কিছু সময় এই পাওয়াটা শেষ সময়ের সফলতার কারণ হওয়ায় হালকা বিষন্নতায় পরিণত হয়। কারণ সবাই সফলতা চায় ভোগের জন্য। এইজন্য শেষ সময়ের পাওয়াটায় হালকা বিষন্নতা স্বাভাবিক। কিন্তু উপভোগ করতে জানলে অল্প সময়েও পুরো জীবনের ভোগ করে নেওয়া সম্ভব।

প্রত্যেকটা মুহুর্তের মূল্য বুঝলে জীবনে সাধারণ কিছুরও অসাধারণ পরিচর্যা সম্ভব। পরিবারের জন্য আত্মত্যাগ করলে সহজে জীবনের পরিবর্তন আনা সম্ভব।

রিলেটেড পোস্ট


বাহ্যিক শিষ্টতার মাঝে মানুষ নিজেকে নির্দিষ্ট করে থাকে-
পড়া হয়েছে: ৪৬১ বার

সৃষ্টতার আবির্ভূত মনোভাব মানুষকে উজ্জীবিত করে তোলে-
পড়া হয়েছে: ৪৭২ বার

সর্বোত্তম মূহুর্তের যেকোনো বিবেচনা মন থেকে আসে-
পড়া হয়েছে: ৩২৩ বার

প্রত্যেকটা নারীর প্রকৃতির সাথে আলাদা একটা সম্পর্ক থাকে-
পড়া হয়েছে: ২৯০ বার

অনুভবের আর্তনাদের অন্তিম পর্যায়-
পড়া হয়েছে: ২৯২ বার

নিশ্চুপ পরিস্থিতির অবুঝ মুহুর্ত-
পড়া হয়েছে: ২৭৭ বার

মানুষ বাকহীন মূহুর্তে তার ভেতরের কষ্টগুলো কাউকে বোঝাতে পারে না-
পড়া হয়েছে: ২৯০ বার

ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ ব্যক্তি ছিঁড়ছে সম্পর্কের পাতা-
পড়া হয়েছে: ৩৮০ বার

সুন্দর মন সবকিছু পরিবর্তন করতে পারে-
পড়া হয়েছে: ৬১ বার

অমর চিত্তে স্থগিত প্রয়াসের একটি নতুন সম্ভাবনা-
পড়া হয়েছে: ৫১১ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



শুরু থেকে শেষের অপেক্ষায় থাকা জীবন- Saturday, 04th November, 2023

উদ্বৃত্তের জীবনঃ

হালকা আলোয় জ্বলতে থাকা বাতিটাও একসময় ফুরিয়ে আসে সময়ের সাথে। দিনের উজ্জ্বল সূর্যটাও নিজেকে পরিবর্তন করে সময়ের সাথে। প্রকৃতিও ঋতু অনুযায়ী পরিবর্তিত হয় সময়ের সাথে। শুধুমাত্র মানুষই আটকে যায় ভালো থাকার কারণ খুঁজে না পেলে। পৃথিবীর সবকিছুই মানুষের জন্য। যার কারণে মানুষ হালকা না পাওয়ায়ও নিজেদের হার খুঁজে পায়। প্রত্যেকটা মানুষের শুরুর পথচলায় ধারাবাহিকতা থাকলেও একটা সময় এর ব্যাঘাত ঘটে। যখন কেউ তার নিজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতে পারে। কারোর জীবনে কিছুর অতিরিক্ততা যখন তাকে আটকে রাখে। তখন নিজের প্রতি এই বিষয়টার চাপ তাকে দূরে সরিয়ে নেয় সেই পরিস্থিতি থেকে।

কোনোকিছু বলেও যখন বোঝানো সম্ভব হয় না। তখন সেই বিষয়টা নিজের গতিতে ছেড়ে দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। কারণ যখনই যেকোনো বিষয়ের ক্ষেত্রে বিকল্প ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়। তখন তা ঠিক হওয়ার জায়গায় বেশি বিগড়াতে থাকে। এইজন্য যেকোনো কিছুর জন্য সবচেয়ে বড় সমাধান হচ্ছে সময় দেওয়া। কারণ সময়, একসময়ের করা ভুল থেকে কাউকে ভিতর থেকে অনুতাপ অনুভব করার। যা তাকে অল্পতে শান্ত করে নিজের ভুল বুঝতে শেখায়। জীবনে কিছুর কমতি যেমন না পাওয়া অনুভব করা শেখায়। তেমনি জীবনে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পাওয়া, কাউকে নিজের মূল্যবোধ হারিয়ে সবকিছু প্রতি গুরুত্বহীনতা অনুভব করা শেখায়। যা তাকে প্রাচুর্যের মধ্যে রাখলেও কখনোই আত্মিক শান্তি দেয়না।

ভালো খারাপের পার্থক্য করলে জটিলতার সম্মুখীন হতে হয় কিছু সময়। কারণ পার্থক্য মানুষকে বিবেকহীনভাবে ভাবায়। যা সবকিছু থেকে তার দুরত্ব বাড়াতে বাড়াতে একসময় তাকে একা করে দেয়। একান্তে সর্বজয় সম্ভব। আর একাকিত্বে অন্ধকার জীবনের শিকার হতে হয়। ভুল বোঝার চেয়ে ভুল জিনিসগুলো ত্যাগ করা ভালো। হাজার সমস্যায় নিজেকে একা রাখা ভালো। কোনো কিছুর অতিরিক্ত আশা করার চেয়ে নিজের প্রতি ভরসা রাখা ভালো। ভয়ে সবকিছু থেকে পালানোর চেয়ে যেকোনো কিছুতে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া ভালো। কারণ মানুষ সময়ের অপেক্ষা করে। আর সময় সবকিছুর পর্যায়ক্রমে পরিচালনা করতে সহায়তা করে। এইজন্য শেষের মাঝেও সময়ের গুরুত্ব অপরিসীম।

কোনো কিছুই সময়ের উপর নির্ভর করে না। তোমার সবকিছুই তোমার উপর নির্ভর করে। সময় শুধু যেকোনো কিছু পরিচালনায় ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।

বেলা শেষে- Saturday, 28th October, 2023

সৃষ্টির নতুন রূপঃ

যেকোনো কিছুর শুরু হয় অনুতাপ থেকে। তুমি যদি কোনো কিছু বুঝতে চাও, বিষয়টার সমাপ্তিতে নিজের ভুল থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতাই তোমাকে শেখাবে। যেকোনো কিছুর পরিসমাপ্তি থেকে তোমার জীবনে নিজের পথচলা শুরু হবে। যেকোনো কিছুর প্রতি করা ছোট ছোট ভুল, অনুতাপ তোমাকে অনুভব করাবে বাস্তবতা। তোমার অনুভবের অভিজ্ঞতা জীবনভর তোমাকে মজবুত করে যাবে। যা কোনো কিছুর আকৃষ্টতা থেকে তোমাকে মুক্ত রাখবে।

শুরুর সময় থেকে সবকিছুই সাধারণ থাকে। আস্তে আস্তে যেকোনো কিছুর প্রতি অনুতাপের অনুভবই তোমার জীবনের নতুন রূপ ধারণ করাবে। নিজেকে বিশ্বাস করে ভরসা করতে শিখো। জগতের মায়া ত্যাগ করতে পারবা। নিজেকে নিঃস্বার্থ রেখে পথ চললে জটিল জীবনের সরলতা খুঁজে পাবা। কোনো কিছুই মায়া নয়, সবকিছুই মোহ যা আমাদের সীমিত সময়ের ভালোলাগার অনুভব থেকে নিজেকে সারাজীবনের একাকিত্বের অনুভব করায়। একান্তে নিজের মতো করে জীবন পরিচালনা করা যায়। কিন্তু একাকিত্বতা জীবনকে নিঃশেষে বিভাজ্য করে দেয়।

প্রিয়জনের থেকে প্রয়োজন তোমাকে উপরে উঠতে সাহায্য করবে। কারণ প্রিয়জন তোমার থেকে আশা রাখে, যা পূরণ করতে না পারলে তুমি তার সাথে চলার যোগ্যতা রাখো না। কিন্তু তুমি নিজের প্রয়োজনে অসম্ভবকেও সম্ভব করতে পারবা নিজের জন্য, যা তোমাকে স্বাধীন ভবিষ্যত গড়তে সাহায্য করবে। যেখানে কোন স্বার্থবাদী ব্যক্তির তোমার জীবনে হস্তক্ষেপ করার কোন অধিকার থাকবে না। হয়তো নিজের একান্তের পথচলায়ও অনেকের সাথে পরিচিতি রাখতে হবে সমাজে চলার জন্য। কিন্তু দিনশেষে তুমি শান্তিপূর্ণ সফল জীবনের অধিকারী।

জীবনের জন্য যখন তুমি আশা না রেখে পরিবারের ভরসায় নিজেকে তৈরি করবা। তখন তোমার জীবনে সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্তগুলো নিজের বিবেচনায় নিতে শিখে যাবা। কোনো কিছুর পথ চেয়ে থাকার চাইতে, সামনের সময়ের সাথে নিজেকে এগোনো ভালো। কেননা জীবন একটা বাঁধাযুক্ত ফাঁকা রাস্তার মতো। যেখানে বাঁধা পেরোনোর অলসতায় বসে থাকার চাইতে, যেকোনো কিছুর সম্মুখীন হয়ে মোকাবেলা করে এগিয়ে যাওয়া ভালো। হেরে গেলেও সবকিছু সামলে নতুন রাস্তায় নিজেকে পরিচালনা করতে পারবা বাঁধার অভিজ্ঞতা থেকে। তাই অলসতায় বসে থেকে নয়, নিজ পায়ে দাঁড়িয়ে চলতে শেখো।

তাড়াহুড়ার মূহুর্তে নিজেকে সামলাতে শেখো, অল্প সময়ে সবকিছুর সমাপ্তি পাবা। প্রকৃতির মায়ায় জীবনের মোহ ত্যাগ করলে শেষের পূর্ণতা পাবা।

বিব্রতকর পরিস্থিতির অনাকাঙ্খিত চিন্তার প্রভাব- Monday, 06th November, 2023

হালকা ঘাবড়ানোঃ

অনেকেই কিছু পরিস্থিতির চিন্তা করতে না চাইলেও ঘুরে ফিরে একসময় তা তাদের সামনে চলে আসে। অতিরিক্ত চিন্তা যেকোনো কিছুর গভীরত্ব থেকে পুরোনো কিছুর নতুন রূপ দেয়। যা অনেকের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। যা যেকোনো কিছু থেকে তাকে দূরে ঠেলে দেয়। আতঙ্ক মানুষকে অনুপস্থিত থাকা জিনিসের উপস্থিতি অনুভব করায়। ভয় মানুষের সাময়িক অনুভবের মধ্যে পড়ে। কিন্তু আতঙ্ক কাউকে সবসময় মানসিকভাবে বিব্রত করতে থাকে। একটা মানুষের চিন্তাশক্তিকে গ্রাস করে একসময় তাকে অমানুষে রূপান্তর করে এই আতঙ্ক। আতঙ্কের প্রভাবে একটা মানুষের জীবন দুর্বিসহ হতে থাকে। তখন সে আশেপাশের পরিস্থিতির চেয়ে নিজের সম্মুখীন হয় বেশি।

কারোর জন্য কখনো আতঙ্কের তৈরি হয় না। আতঙ্ক জমে থাকা কষ্টের গভীর অনুভব থেকে তৈরি হয়। যা কাউকে স্বাভাবিক কিছুতেও চাপ অনুভব করায়। একটা মানুষ কঠিন পরিস্থিতি থেকেও একসময় বেরিয়ে আসতে পারে। কিন্তু কেউ একবার আতঙ্কের শিকার হলে, নিজের মনুষ্যত্বের অস্তিত্ব হারিয়ে নির্বিশেষে বিভাজ্য হতে থাকে। যা তার অস্তিত্ব একসময় সমাজ থেকে মুছে দেয়। এর কারণে সমাজে একসময় আতঙ্কের সৃষ্টি হতে থাকে। এইজন্য কারোর আতঙ্ক দেখলে তাকে ছোট করে ভয় না দেখিয়ে, তার পাশে থেকে সবসময় তাকে একটা বাচ্চার মত করে মানসিকভাবে শক্তি যোগানো। কারণ এইসময় কাউকে মানসিক সাপোর্টই তাকে এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করে। কারোর ভালোর জন্য সীমা বজায় রেখে তাকে সাপোর্ট করা উচিত। না হলে এই সাপোর্ট একসময় তোমার চাপের কারণ হবে।

কাউকে না বুঝে কষ্ট দেওয়া সহজ। কিন্তু কারোর অনুভূতি বুঝে তার পাশে থাকা ততটাই কঠিন। কারণ কষ্ট যেমন চোখে দেখা যায় না। তেমনি কেউ নিজের কষ্ট প্রকাশ করে না। যার কারণে সবকিছুই জটিল হতে থাকে। প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে যেকোনো কিছুর সমাধান সম্ভব। কিন্তু পার্থক্য বুঝে সমাধান নিজের করতে হয়। প্রয়োজনের তাড়ায় সবাই মরীচিকার পিছনে ছুটে বেড়ায়। যার কারণে শেষ মুহুর্তের অনুতাপ কাউকে অপ্রকাশ্যের দায় বহন করায়। যা তাকে শেষ মুহুর্তেও জীবনের ভার অনুভব করায়।

কেউ যেমন কারোর জন্য অপেক্ষা করে না। সময়ও তেমনি কারোর জন্য অপেক্ষা করে না। সময় অপেক্ষা না করলেও সামনের জন্য বড় কিছু তৈরি করে রাখে। যা নির্ভর করে তোমার কর্মের উপর। এইজন্য সবসময় ভেতর থেকে নিজের মধ্যে একটু হলেও সরলতা রাখা উচিত। যাতে যেকোনো কিছুর মানবিকতা বজায় রেখে চলতে পারো। দুর্বলতা আর মানবিকতা একটা আরেকটার সাথে জড়িত। দুর্বলতাই কাউকে মানবিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু এর সুযোগ সন্ধানী সবসময় নিজের অস্তিত্ব হারায় অসীম পাওয়ার চাওয়ায়। লোভ মানুষকে অন্ধ করে রাখে। কিন্তু ত্যাগ ‌কারোর বিশেষত্ব তৈরি করে।

মানুষ যেই জিনিসটা বেশি এড়াতে চেষ্টা করবে। সেই বিষয়টা তাকে ততটাই আঁকড়ে রাখবে। কিন্তু যখন এই আঁকড়ে রাখার প্রতি অনুভব হতে শুরু করবে, তখন বিষয়টা তোমাকে এড়িয়ে যাবে। কারণ সময় থাকতে মূল্য না দেওয়া ভবিষ্যতের ভোগান্তির কারণ। এইটাই সময়ের নীতি। জীবন মানে ভুল থেকে শুরু করে, সময়ের সাথে পথচলা। কিন্তু ভুল থেকে নেওয়া শিক্ষাই তোমাকে জীবনের পূর্ণতা দেবে। অসীম চাওয়ার মাঝে ছোট না পাওয়াগুলো গুছিয়ে একসময় জীবনের সঠিক মূল্যায়ন করা যায়। না পাওয়া মানুষের অনুভবের সাথে জড়িত। যা সবসময় তাকে সঠিক রাস্তা দেখায়।

কাউকে কোনো কিছু দিয়ে কখনো তা নিয়ে তাকে ছোট করা উচিত নয়। কিছু দেওয়ার আগে তুমি শতবার ভেবে নাও। কিন্তু ভুলেও কাউকে ছোট করলে তার দুর্বলতার আঘাত তোমার প্রতি তাকে ক্ষোভ সৃষ্টি করাবে। যা আজীবন ভুল বুঝে তোমাকে তার থেকে দূরে রাখবে। এইজন্য কাউকে এড়িয়ে যাওয়ার চাইতে তাকে অসম্মান করা ছেড়ে দিলে সবকিছু সহজ হয় বেশি। যদি কেউ তোমাকে সবসময় বিদ্রুপ করতে থাকে। তাহলে ওই সময়ের জন্য নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করো।