বিবেকের স্বপ্নীল পর্যটন-

23rd October, 2023
192




সর্বোত্তম অনুভবের মুহূর্তঃ

নিজের প্রতিচ্ছবি প্রকৃতির মাঝে ফুটিয়ে তোলার ভালোলাগা তোমার ভিতরের প্রকৃত মানুষের পরিভাষা তৈরি করবে। প্রকৃতি তোমার ছোট হৃদয়ের সীমাহিন আকৃতি ধারণ করাবে, যদি নিজেকে ভালো রাখতে জানো। নিস্বার্থ প্রকৃতির বন্ধু হতে পারলে জীবনের মানে বুঝতে পারবা। যেকোনো কিছুর সঠিক পরিচর্যা অল্প সময়ে তোমাকে নতুন কিছুর অভিজ্ঞতা করাবে।

নিজের প্রতি সীমাহিন ভালোলাগা প্রত্যেককে সমানভাবে রেখে তাদের দিক থেকে নিজেকে বিবেচনা করা শেখাবে। কোনো পরিস্থিতিতে সঠিক বিবেচনার জন্য নিজের ভিতরে মনুষ্যত্ববোধ থাকা দরকার। বিষয়টা শিক্ষিত বা অশিক্ষিতর না। একটা মানুষের মনুষ্যত্ববোধ স্বচ্ছ কাঁচের মতো, যেখানে কেউ না বুঝে একটু আঘাত করলে তার অস্তিত্ব তোমার জীবনে গুড়ো কাঁচের মতো হয়ে যাবে। সেই কাঁচ হয়তো কখনো জোড়া লাগানো যাবে না। কিন্তু তার গলিত রূপ তোমাকে তার নতুন আকৃতির রূপ ধারণ করাতে সাহায্য করাবে।

মনুষ্যত্ববোধ সম্পন্ন মানুষ দেখতে সরল প্রকৃতির হলেও তারা কারোর অল্প পরিচিতিতেই তার বিশ্লেষিত রূপ বুঝতে পারে। তুমি যদি নিঃস্বার্থ মনুষ্যত্ববোধ সম্পন্ন মানুষ হও তাহলে তোমার সাধারণ প্রকৃতি একেক জনের কাছে একেক রকম। কারণ তুমি প্রত্যেকের কাছে তাদের মতো। তোমাকে সেই ব্যক্তিই বুঝবে, নিস্বার্থভাবে যে সবার কাছে নিজেকে প্রকাশ করতে জানে। কারণ তিনি জানেন, ক্ষণিকের পৃথিবীতে কর্ম ছাড়া সবকিছুই মরীচিকার মতো। মৃত্যুর পর প্রত্যেকে তার কর্ম ছাড়া কিছুই সাথে নিতে পারবে না।

প্রত্যেকের মধ্যেই আবেগ আর বিবেক থাকে। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই আবেগকে শুরুতে খুঁজে পায়। আবেগ থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতাই একটা সময় তার বিবেককে জাগায়। শুরু থেকে খুব অল্প মানুষের জীবনে বিবেক কাজ করে। যারা সময়ের আগেই জীবনের পরিপূর্ণতা অর্জন করে। সবকিছুই বলা সহজ করা কঠিন বিষয়টা এইরকম না। যেকোনো কিছুর প্রতি অনুভবকে সামলাতে জানলে সবকিছুই সাধারণ। সর্বোত্তম হওয়া সম্ভব না। কারণ প্রত্যেকেই কিছু কমতি নিয়েই পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হয়। কিন্তু নিজের সঠিক পরিচালনা তাকে পূর্ণতা দেয়।

কোনো কিছুর জন্য নিজেকে দোষ নয় সময় দাও। জীবনকে বুঝতে মোহ ত্যাগ করো মনুষ্যত্ববোধ নয়। 

রিলেটেড পোস্ট


ছোটবেলার হারানো সময়-
পড়া হয়েছে: ১৮৯ বার

মানুষ শুদ্ধতার শেষ স্তরের অনুভব করে থাকে নিজের জন্য-
পড়া হয়েছে: ৪৮৮ বার

বেলা শেষে-
পড়া হয়েছে: ১৭২ বার

শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক-
পড়া হয়েছে: ২৬২ বার

ফেসবুক চালাতেও প্রতি মাসে দিতে হবে টাকা!
পড়া হয়েছে: ৪৩ বার

নিজের প্রতি বিশ্বাসের আদ্রতা জীবনকে আলোকিত করে-
পড়া হয়েছে: ১২৫ বার

কিছু বিষয়ের দীর্ঘস্থায়ীত্ব মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে-
পড়া হয়েছে: ৩০৯ বার

জীবনের সান্নিধ্যে সবকিছুর নির্ধারিত মাত্রা বজায় রাখা উচিত-
পড়া হয়েছে: ৭৪২ বার

চলমান সময়ে নিঃস্বার্থ জীবন উপভোগের মুহুর্ত-
পড়া হয়েছে: ১৭২ বার

অর্জিত আস্থাই মানুষের মনে বিশ্বাস তৈরি করে-
পড়া হয়েছে: ২৭৬ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



কাছের মানুষ পাশে থাকলে সাধারণ জিনিসও অসাধারণ হতে থাকে- Friday, 03rd November, 2023

মানুষ অটল থাকে চিন্তাশক্তিতে পুরনো হয় শরীরেঃ

কিছুটা পাওয়ার আকাঙ্খায় যখন পিছনের হারিয়ে যাওয়া অনুভব হয়, তখন নিজেকে সামলাতে জানলেও সবকিছু শেষের পথে চলতে থাকে। সামান্য কিছুও তখন অনেকটা ভালোলাগার কারণ হয়। যেকোনো সময়ই একটা মানুষের বোধশক্তি জীবনের আকৃতি ধারণ করাতে পারে। তার পরিস্থিতি আর চিন্তার ধরনের উপর নির্ভর করে তার পরিবর্তন। অনেক সময় সবকিছুর পরিসমাপ্তিতেও কিছু জিনিসের পূর্ণতা আটকে থাকে। তখন কাছের মানুষকে কিছু অর্পণের মাধ্যমেও তার অনেকটা দায়ভার কমানো যায়। যখন সময় বোঝাবে আর জীবন শেখাবে।

জীবনে হয়তো বাঁধার সীমা থাকবে না। কিন্তু বাড়তে থাকা সময়ই তোমাকে গড়তে থাকবে। সবারই কিছু দুর্বল চিহ্ন থাকে জীবনের প্রতি, যা কোমল প্রকৃতির হলেও তোমাকে পথ চলা শেখাবে কোনো সঙ্গ ছাড়া। সামনে অনেকের কাছেই এমন কিছু জিনিস থাকে যার কোনো মূল্য তার ভিতরে থাকে না। তার মানে সে স্বার্থপর, বিষয়টা সেরকম না। প্রত্যেকটা ব্যক্তিরই নিজস্ব কিছু ভালোলাগা থাকে। ব্যক্তিভেদে তা আলাদা হলেও প্রকাশের ক্ষমতা সবার মধ্যে থাকে না। যার কারণে কোনো কিছুর অপ্রকাশ্যের ভিন্নতাও সেগুলোর সরলতা প্রকাশ করে। যা দেখা না গেলেও কিছু সময় অনুধাবন করা যায়। সময়ের সাথে মানুষভেদে কিছু অপূর্ণতা থেকে যায় জীবনের প্রতি। যা অপ্রকাশ্যে অনেক কিছুর ইচ্ছাশক্তি প্রকাশ করে কিছু মূহুর্তে।

প্রত্যেকটা জিনিসেরই পার্থক্য হয় প্রয়োজন অনুসারে। কিন্তু সব চাওয়ারই পূর্ণতা আসে কিছু জিনিসে। সময়ের পরিবর্তনে সবকিছু বদলাতে থাকে। আর জীবনের শেষ মূহুর্তে হিসাব-নিকাশ হতে থাকে সবকিছুর। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, পাওয়ার থেকে না পাওয়ার হিসাব বেশি। এর সবচেয়ে বড় কারণ- ভালো থাকতে বিভ্রান্তিতে ছুটতে গিয়ে অজান্তেই নিজেকে ভুলে যাওয়া। অন্য কিছুর মাধ্যমে নিজের প্রকাশ্যের পরিচয় তৈরি করা যায়। যা সমাজে চলার জন্য যোগ্য। কিন্তু ব্যক্তিত্বের পরিচয় হয় ভিতর থেকে নিজের মাধ্যমে। যা নিজেকে ভুলে গিয়ে কখনোই গড়া সম্ভব না। ব্যক্তিত্ব ছাড়া জীবন ভুলের মধ্যে পড়ে থাকে। সার্টিফিকেটের মূল্য কাগজে কলমে। কিন্তু প্রত্যেকের জীবনের মূল্য তার ব্যক্তিত্বে।

কারোর যেকোনো কিছুর শুরু হয় ছোট বিষয় থেকে। বিষয়টা সময়ের সাথে নিজের পরিধি বৃদ্ধি করতে থাকে। কখনো বিষয়টা গুরুত্বহীন হয়ে গেলেও এর বাড়তে থাকা পরিধি সময়ের সাথে তার জীবনে নিজের প্রভাবের জায়গা বিস্তার করে। যার প্রেক্ষিতে সময়ের গতি জীবনকে আটকে রাখে কিছু সময়। জীবন গতি ফিরে পাওয়া মাত্রই তার নতুন রূপ প্রকাশ করতে থাকে সময়ের সাথে। এই পরিবর্তন সময়ের সাথে তাকে প্রতি মূহুর্তে নতুন করে তাকে পরিবর্তন করতে থাকে। যা সবার কাছে তার সীমিত প্রকাশে তাকে সীমাবদ্ধ রাখে। কারণ সে সবসময় পরিবর্তনশীল। আর একজন পরিবর্তনশীল মানুষ, কিছু সময়ই নিজেকে সবকিছুতে খাপ খাওয়াতে পারে। কারণ অতিরিক্ততা তার অপ্রকাশ্যের তিক্ততা।

যেকোনো কিছুর শুরু থেকে শেষ হলেও বিশিষ্ট কিছু থেকে যায় অনেকের জীবনে। যার উপলব্ধি সময়ের চাপ কমালেও ভেতরের চাপ বাড়ায়। শেষের অবশিষ্ট কাউকে অর্পণই তাকে ভেতর থেকে মুক্ত করে।

মন খুলে বাঁচো- Monday, 16th October, 2023

অনুভবের আত্মপ্রকাশঃ

হেরে যাওয়া কখনো আমাদের হারায় না। আমরা নিজেদেরকে নিজেরা হারিয়ে দেই। ভুল আমাদেরকে কেউ বোঝায় না, আমরা সবসময় ভুল বুঝে নিজেদের মতো সরে যাই। বর্তমান মানুষের সবথেকে বড় সমস্যা হলো- সবকিছু যাচাই না করে কারোর মুখের কথা আর চোখের দেখাকে নিজের মতো সাজিয়ে বিশ্বাস করা, যেকোনো কিছুর জন্য সময় না দেওয়া। এমন আরো অনেক বিষয় আছে যা পরিবর্তন করলে জীবনের ৭০ ভাগ সমাধান এমনিতেই হয়ে যেতো।

এর সবথেকে বড় সমাধান হচ্ছে, কোন কিছুর জন্য কাউকে নিজের সবকিছু মনে না করে নিজের সাথে ছোট থেকে এই পর্যন্ত পাশে থাকা পরিবারের কথা চিন্তা করে আত্মত্যাগ করা। কারণ তুমি যখন কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নিতে যাবা তখন পরিবারের কথা চিন্তা করলেই সঠিক সিদ্ধান্ত তোমার সামনে চলে আসবে। পরিবারের সবাই হয়তো এক রকম হয় না। তাই সবাই যেমনই হোক না কেন তুমি তোমার ব্যক্তিত্ব বজায় রেখে নিঃস্বার্থভাবে এগোতে চেষ্টা করো। হয়তো সুখের সময় কাউকে পাশে না পেলেও তোমার বিপদের সময় তুমি তাদের পাশে পাবা।

কিছু সময় তোমার নিজেকে খুব একা মনে হবে। সবকিছু থেকে দূরে গিয়ে নিজের মতো করে বাঁচতে ইচ্ছে হবে। কারণ এই জীবনে বোঝার চেয়ে ভুল বোঝার মানুষ বেশি পাবা। জীবনে এগিয়ে যাওয়ার সময় কাউকে পাশে না পেলেও একটা ছোট ভুল নিয়ে দোষ ধরার জন্য হিসাব ছাড়া মানুষ পাবা। নিজের পাওয়া কষ্টগুলোকে বুঝে অন্যের যায়গায় নিজেকে রেখে বিবেচনা করলে জীবন একটু একটু করে সহজ হতে থাকবে। কারোর ভুল দেখলেও এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবা। কারণ তুমি জানো কারো ভুল ধরার অনুভূতিটা কেমন! দরকার হলে আলাদাভাবে তাকে সঠিক বিষয়ের পরামর্শ দিবা। যাতে তার সম্মান আর তোমার মান দুটোই বাঁচে।

মনকে পরিষ্কার রেখে বাঁচো নিজের মতো করে। সবার শেষ ভরসার কারণ হও, শূণ্য জীবনের পূর্ণতা পেতে। 

মজবুত মূল্যবোধ তৈরি করতে চিন্তাশক্তির প্রভাব- Wednesday, 08th November, 2023

শান্তিপূর্ণ জীবনের আত্মপ্রকাশঃ

শুরু থেকে কাউকে কোনো কিছু প্রভাবিত করে না। সময়ের সাথে তৈরি হওয়া অভিজ্ঞতার উপর কারোর কর্মের ভিত্তিতে সবকিছুর প্রভাব বাস্তবায়িত হয় তার জীবনে। শুরুতে সবকিছু সহজ মনে হলেও সময়ের সাথে সবকিছু কঠিন হতে থাকে। সময়ের অভিজ্ঞতা একটা সময়ের পর হয়তো প্রত্যেকের  জীবনের পরিবর্তন আনে। কিন্তু চিন্তা-ভাবনার সাথে বাস্তবের রূপ অনেকটাই আলাদা হয়। কেউই চায় না তার পরিকল্পিত সিদ্ধান্তের পরিবর্তন করতে। কিছু সময় পরিস্থিতির চাপে সিদ্ধান্তের বদল হলেও অপূর্ণতা কাউকে পুরনের মধ্যে নতুনত্বতা আনায়। কেউ হয়তো কারোর মতো করে তাকে অনুভব করতে পারে না। কিন্তু কারোর মানবিকতা তার আন্তরিকতায় তাকে গভীরভাবে অনুভব করার শক্তি দেয়। যা তাকে কারোর প্রতি তার থেকেও বেশি অনুভব করায়।

কারোর চিন্তা-ভাবনা সবার মতো না হলেও অনুভব একটা মানুষের বিশেষ পরিবর্তন করতে পারে। যা তাকে যেকোনো কিছু নীরবে বুঝতে শেখায়। নিরবতায় মানুষ আত্মিক অনুভব করতে পারে। যা তাকে মায়ায় নয়, বাস্তবতা মানতে শেখায়। সরল হওয়ার চেয়ে সরাসরি হওয়া ভালো যদি সফল হতে চাও। কারণ দূরে থেকে সরলতা বজায় রাখার চেয়ে সরাসরি সবকিছুর সমাপ্তিও শ্রেয়। কোনো কিছুর প্রতি আলাদা করে আর কোন কিছুর জন্য ভোগান্তি পোহাতে হয় না। মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি সবকিছু জেনেও না জানার মতো আচরণ করা। এইটা তার সবকিছুর চেয়ে তাকে প্রত্যেকের কাছে অপ্রকাশ্যে রাখে বেশি। যা তার সামনের দিনগুলোকে বেশি প্রভাবিত করতে থাকে।

মানুষ যেমন এক জায়গায় তার স্থায়িত্ব বজায় রাখতে পারে না। তেমনি কোন কিছুতে প্রভাবিত হলেও সহজে সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না। কেউই চায় না স্বার্থবাদী হতে। পরিস্থতি আর পরিবেশ একটা ব্যক্তিকে বাধ্য করে স্বার্থবাদী হতে। যা তাকে সবার কাছে অপ্রকাশ্যে উটকো বোঝার মতো মনে করায়। কেউ কারোর বুদ্ধিতে চলে না। সবাই নিজের বিবেচনায় নিজেকে পরিচালনা করে। কিছু সময় কারোর বিফলতা তাকে এতটাই দুর্বল করে যে, তখন সে না চাইলেও নিজের চেয়ে অন্যের সিদ্ধান্তের উপর বেশি ভরসা করতে বাধ্য হয়। কারণ সময়টাই এমন যে, নিজের চেয়ে অন্যের প্রতি তাকে বেশি ভাবতে শেখায়। এইজন্য পরাজয়ে দুর্বল না হয়ে শান্ত হতে শেখো। বিষন্নতায় নেওয়া ভুল সিদ্ধান্ত থেকে মুক্তি পেতে।

অনুপ্রেরণার চেয়ে অনুভব মানুষকে বেশি পরিবর্তন করে। কারণ অনুভব আত্মিক। যা ঘুমের ঘোরেও তাকে প্রভাবিত করে। কোনো কিছুর আভাস কাউকে বোঝার চেয়ে তাকে দ্বিধাগ্রস্ত করে বেশি। কারণ আভাস হচ্ছে বাতাসের মতো যা সময়ের পরিবর্তনে কাউকে বিভিন্নভাবে অনুভব করায়। সময়ের পরিবর্তনে যেমন সবকিছুর পরিবর্তন হয়। তেমনি কোন কিছুর প্রতি অতীতের দায়যুক্ত মুহুর্ত তাকে একরকম ভাবেই সবসময় অনুভব করায়। যা তাকে মানসিকভাবে ক্লান্ত করতে থাকে। প্রয়োজন আর প্রিয়জনের একটা ছোট পার্থক্য থাকে সবসময়। প্রয়োজন মানুষকে তার অভাব অনুভব করায়, পরিপূর্ণ জীবনের অধিকারী করাতে। আর প্রিয়জন ততক্ষনই তার পাশে থাকবে, যতক্ষণ তার প্রয়োজন সে পূরণ করতে পারবে।

অনুভবের জীবনে অনেকেই ছোট পৃথিবীর বড় রূপের পরিচিতি লাভ করে। যা তাকে দেখানোর চেয়ে বোঝায় বেশি। কেউ যখন তার সংক্ষিপ্ত জীবনের বিস্তারিত রূপ দিতে যাবে। তখন তার অপ্রকাশ্যে সময়ের আগেই তার জীবনের সংক্ষিপ্ত রূপ প্রকাশ হবে।