পরিসমাপ্তির অন্তরালে-

19th October, 2023
330




শেষের অগ্রিম সিদ্ধান্তঃ

একটা মানুষের চিন্তাশক্তি তাকে সময় থেকে সময়ে বিস্তারিত রূপ দিতে থাকে। তোমার চিন্তা-ভবনা তোমাকে প্রভাবিত করে তৈরি করে পরবর্তী মুহূর্তের জন্য। পরিস্থিতির জন্য অনেক সময় এর পরিবর্তনও হতে পারে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, আমাদের জীবনে চিন্তাশক্তির প্রভাব।

তোমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো সিদ্ধান্ত। বেশি চিন্তা করে কখনো সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নিজেকে সময় দেওয়া উচিত। তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় নিজেকে স্বাভাবিক রেখে বিবেক পর্যালোচনা করা উচিত। সিদ্ধান্ত এমন একটা জিনিস যা একবার নিয়ে নিলে পরবর্তীতে শত চেষ্টায়ও এর পরিবর্তন  অসম্ভব। কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে গেলে ওই পরিস্থিতি ঠিক হওয়ার জায়গায় নতুন সমস্যার উদ্ভব হতে থাকবে।

একটা মানুষের ভিতরের অনুভব থেকে তার পরিবর্তন হতে থাকে। অনুভব এমন একটা জিনিস যা মানুষকে যেমন ভালোলাগা অনুভব করায় তেমনি না পাওয়া বা হার থেকে অতিরিক্ত কষ্ট অনুভব করায়। যা আমাদের জীবনের ভাঙা গড়ার গল্প তৈরি করে। কোনো কিছুর পরিসমাপ্তির জন্য নিজেকে যত শক্ত করবা তত বেশি কষ্ট পাবা সময় থেকে। এইজন্য কোনো বিষয়ের জন্য নিজের দিক থেকে পরিসমাপ্তি টানতে হয় না। নিজেকে নিজের জন্য পরিবর্তন করে বিষয়টাকে সময়ের উপর ছেড়ে দিলে সবকিছু নিজের গতিতে এগিয়ে যায়।

কোনো কিছুর জন্য যখন তুমি নিজেকে সামলাতে ব্যর্থ হবা, সেই মুহূর্তে ওই পরিস্থিতি থেকে সামনে এগোনোর জন্য কোনো মাধ্যমের আশ্রয় নেওয়া উচিত না। ওই মাধ্যমের কারণে নিজের অজান্তেই একসময় তুমি তোমার অস্তিত্ব হারায় ফেলবা। তখন তোমার জীবনে, নিজেকে আর কোথাও খুঁজে পাবা না। এইজন্য যেকোনো পরিস্থিতিতে কোনো মাধ্যম ছাড়া নিজেকে নিজের মতো করে সামলাতে পারলে, তোমার জীবনে নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখতে পারবা।

হারানোর ভয়ে পিছিয়ে গেলে আজীবন পিছনেই পড়ে থাকতে হয়। ফাঁকা মাঠে গোল দেওয়ার চিন্তা করলে জীবন থেকে প্রতিযোগিতা হারায় যায়। সবকিছুতেই হার-জিত থাকে, হারার ভয়ে যদি সবকিছু থেকে পেছোতে থাকো, তাহলে তুমি নিজের কাছে হেরে যাবা। যেকোনো পরিস্থিতিতে হারলে সেখানের অভিজ্ঞতা তোমাকে নতুন কিছুর জন্য তৈরি করবে, যার ফল ভবিষ্যতে পাবা। কিন্তু কোনো কিছুর জন্য নিজের কাছে হেরে গেলে বর্তমানকেই হারায় ফেলবা ভবিষ্যত তো দূরের কথা।

চিন্তা মানুষকে নতুন কিছু ভাবায়, মানবিকতা মানুষকে ভালোবেসে সম্মান করতে শেখায়। জীবনযুদ্ধে বিবেক পর্যালোচনা, মানুষকে পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া শেখায়।

রিলেটেড পোস্ট


প্রদত্ত সংবিধান নিয়ন্ত্রণে সামান্য পরিবর্তন শ্রেয়-
পড়া হয়েছে: ৩২১ বার

স্বামী–স্ত্রীর দাম্পত্য সম্পর্কে সবচেয়ে বড় শত্রু কে?
পড়া হয়েছে: ৬৯ বার

কাছের মানুষ পাশে থাকলে সাধারণ জিনিসও অসাধারণ হতে থাকে-
পড়া হয়েছে: ২৪৫ বার

প্রকৃতির স্বচ্ছতা বর্ষায় আর মানুষের স্বচ্ছতা তার চরিত্রে-
পড়া হয়েছে: ২৩৫ বার

অমর চিত্তে স্থগিত প্রয়াসের একটি নতুন সম্ভাবনা-
পড়া হয়েছে: ৫০১ বার

মানুষের প্রকৃত স্বচ্ছতা তার জীবনের তিক্ততায়-
পড়া হয়েছে: ২৬০ বার

প্রত্যেকের জীবনে সত্যতার তাৎপর্য কতটুকু-
পড়া হয়েছে: ২৫৫ বার

অবেলার সামান্য ইচ্ছা প্রকাশের আবদার-
পড়া হয়েছে: ২৫৫ বার

কোনো কিছু উপলব্ধি করতে ইতিবাচক চিন্তার প্রভাব-
পড়া হয়েছে: ২৪২ বার

ক্ষুদ্র প্রতাপ সাময়িক সময়ে প্রভাব বিস্তার করে-
পড়া হয়েছে: ৩৪৫ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



নিস্বার্থ প্রকৃতির মায়াবী রূপ- Tuesday, 17th October, 2023

নিস্বার্থ প্রকৃতিঃ

জন্মের পর তোমার মায়ের আর প্রকৃতির সাথে এমন একটা সম্পর্ক থাকবে যা তোমাকে নিস্বার্থভাবে পথ চলতে শেখাবে। প্রত্যকেই প্রকৃতি আর মায়ের সাথে আত্মিকভাবে জড়িত। যারা এই সম্পর্কটাকে বোঝে তারাই জানে নিজেকে কোথায় স্থাপন করলে জীবনের সফলতা আর শান্তি বজায় থাকে। কখনো তোমার কিছু চাইতে হবে না, যদি তুমি নিজেকে ভেতর থেকে সচ্ছ প্রকৃতির মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারো।

যখন তুমি সবকিছু থেকে হারতে থাকবে তখন ভেতর থেকে নিজেকে শক্ত রাখবা। কারন তোমার জীবনের সবকিছুই ক্ষণিকের। হয়তো এই হেরে যাওয়া তোমাকে অসম্ভব কষ্ট দেবে। কিন্তু এইটাই সেই সময় যখন নিজেকে শক্ত রাখতে পারলে জীবন সুন্দর। তোমার সবচেয়ে দুর্বল মূহূর্তগুলোতে নিজেকে নিরব প্রকৃতির মাঝে ছেড়ে দিবা। দেখবা প্রকৃতি তোমাকে ভালোবেসে আপন করে নেবে। মানুষ তোমাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য বেশি সময় নিবে না। কিন্তু প্রকৃতির মাঝে একবার নিজের ভালোবাসা বিলীন করলে, তোমাকে জীবনের শেষ অবধি প্রকৃতি নিজের মায়ায় জরিয়ে রাখবে।

মানুষ তার এক চেহারায় হাজার রূপ দেখায় যায়। কিন্তু প্রকৃতি তার হাজার রূপের মধ্যেও তোমাকে একভাবে আপন করে যাবে। যদি তুমি প্রকৃতিকে বুঝতে পারো, তাহলে কোনো কিছুর জন্য তোমার নিজেকে থামিয়ে রাখার প্রয়োজন হবে না। মানুষ তোমাকে পেঁছোতে বাধ্য করবে আর প্রকৃতি তোমাকে চলতে শেখাবে। এখন সিদ্ধান্ত তোমার। অল্প সময়ের জীবনে চাওয়ার পরিমান বেশি হওয়ায় সামান্য জিনিসটা পেতেও প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত সময় লেগে যায়। এইজন্য জীবনে নিজেকে জেতাতে নয় অর্জন করতে শেখাও। তাহলে না পাওয়া জিনিসটাও একসময় তোমার হয়ে যাবে।

তুমি তোমার জন্য নিজেকে রাখো, পুরো পৃথিবী তখন তোমার। যেকোনো মোহকে একবার ত্যাগ করে দেখো বাস্তবতা তোমার। অল্প সময়ের পৃথিবীতে একবার সৎ হয়ে দেখো পুরো পরিস্থিতি তোমার। নিজে নিজের ভরসা হও, হেরে গেলেও উঠে দাঁড়ানোর শক্তি পাবা। না পাওয়ার শব্দটা জীবন থেকে মুছে দেখো, তখন পাওয়ার অভাব হবে না। পেতে শুরু করলে নিজেকে স্বাভাবিক রেখো কোনো কিছু হারিয়ে যাবে না।

হাট্টিমাটিম টিম ছড়ার আসল ঘটনা Friday, 26th January, 2024

আপনি জানেন কী হাট্টিমাটিম’ আসলে ৫২ লাইনের একটি ছড়া, চার লাইনের নয় l

বাঙালিমাত্রই ছোটবেলায় পড়া এই ছড়াটি কোনওদিনই ভুলবেন না কেউ। 

কিন্তু ছড়াটি মোটেই মাত্র চার লাইনের নয়।

মোটামুটি কথা ফুটলেই বাঙালি শিশুদের যে কয়েকটি ছড়া কণ্ঠস্থ করানো হয়, তার মধ্যে একটি অবশ্যই

 ‘হাট্টিমাটিম টিম’। 
তারা মাঠে পাড়ে ডিম, 
তাদের খাড়া দুটো শিং, 
তারা হাট্টিমাটিম টিম। 

এর চেয়ে বেশি তথ্য শতকরা ৮০ শতাংশ বাঙালির কাছে রয়েছে কি না সন্দেহ। 

আদতে ছড়াটি মোটেই ৪ লাইনের নয়। রোকনুজ্জামান খানের লেখা একটি ৫২ লাইনের সম্পূর্ণ ছড়া। 

রোকনুজ্জামান খান জন্মেছিলেন ১৯২৫ সালের ৯ এপ্রিল অবিভক্ত বঙ্গের ফরিদপুর জেলায়। বাংলাদেশে তিনি ‘দাদাভাই’ নামে পরিচিত ছিলেন। সেদেশের জনপ্রিয় সংবাদপত্রের শিশু-কিশোরদের বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন তিনি বহু বছর।   

তাঁর রচনার বেশিরভাগই শিশু-কিশোরদের জন্য। হাট্টিমাটিম সম্ভবত তাঁর রচনাগুলির মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়। 

১৯৬২ সালে রচিত হয় ছড়াটি। ১৯৬৮ সালে বাংলা আকাদেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয় তাঁকে। ১৯৯৯ সালে মারা যান রোকনুজ্জামান।

সেই 52 লাইনের আসল  ছড়াটা এইরকম -

টাট্টুকে আজ আনতে দিলাম 
বাজার থেকে শিম
মনের ভুলে আনল কিনে 
মস্ত একটা ডিম। 

বলল এটা ফ্রি পেয়েছে
নেয়নি কোনো দাম
ফুটলে বাঘের ছা বেরোবে
করবে ঘরের কাম।

সন্ধ্যা সকাল যখন দেখো 
দিচ্ছে ডিমে তা 
ডিম ফুটে আজ বের হয়েছে
লম্বা দুটো পা। 

উল্টে দিয়ে পানির কলস
উল্টে দিয়ে হাড়ি 
আজব দু'পা বেড়ায় ঘুরে 
গাঁয়ের যত বাড়ি। 

সপ্তা বাদে ডিমের থেকে
বের হল দুই হাত 
কুপি জ্বালায় দিনের শেষে 
যখন নামে রাত। 

উঠোন ঝাড়ে বাসন মাজে 
করে ঘরের কাম 
দেখলে সবাই রেগে মরে
বলে এবার থাম।

চোখ না থাকায় এ দুর্গতি 
ডিমের কি দোষ ভাই
উঠোন ঝেড়ে ময়লা ধুলায়
ঘর করে বোঝাই। 

বাসন মেজে সামলে রাখে 
ময়লা ফেলার ভাঁড়ে 
কাণ্ড দেখে টাট্টু বাড়ি
নিজের মাথায় মারে। 

শিঙের দেখা মিলল ডিমে 
মাস খানিকের মাঝে 
কেমনতর ডিম তা নিয়ে
বসলো বিচার সাঁঝে। 

গাঁয়ের মোড়ল পান চিবিয়ে 
বলল বিচার শেষ 
এই গাঁয়ে ডিম আর রবে না 
তবেই হবে বেশ। 

মনের দুখে ঘর ছেড়ে ডিম
চলল একা হেঁটে 
গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে
ডিম গেলো হায় ফেটে। 

গাঁয়ের মানুষ একসাথে সব; 
সবাই ভয়ে হিম 
ডিম ফেটে যা বের হল তা
হাট্টিমাটিম টিম। 

হাট্টিমাটিম টিম- 
তারা মাঠে পারে ডিম
তাদের খাড়া দুটো শিং
তারা হাট্টিমাটিম টিম

আমাদের অজানা Friday, 05th January, 2024

হিন্দু মা ও ছেলের কিছু কথোপকথন।

????ছেলে = মা তাজমহল এতো সুন্দর তাজমহল আমরা বানিয়েছি তাই না ???

 ???? মা = জ্বী না , যিনি বানিয়েছিলেন উনার নাম শাজাহান বাদশা , উনি মুসলিম ছিলেন ।

ছেলে = ওহ । আচ্ছা তাহলে কুতুবমিনার নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ???????

মা= জ্বী না । উনিও মুসলিম ছিলেন । উনার নাম কুতুবুদ্দিন আইবক ।????

ছেলে = । তাহলে লালকেল্লা নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ??????

মা = না । ওটাও মুসলিম শাসকরা বানিয়েছে ।????

ছেলে = তাহলে পুরাতন কেল্লা আমরা বানিয়েছি ??????

মা= না। পুরাতন কেল্লা মুসলিমরা বানিয়েছে ।????

ছেলে =তাহলে চারমিনার নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি????

মা= না। চারমিনার মুসলিম শাসকরা বানিয়েছে।????

ছেলে = মা আমি শুনেছি ভারত প্রথম মিসাইল তৈরি করেছিল , মিসাইল হিন্দু শাষকরা বানিয়েছে তাই না????

মা= না । ভারতে প্রথম মিসাইল আবিষ্কার করেছিলেন টিপু সুলতান । উনিও মুসলিম।????

ছেলে= মা আমি শুনেছি ভারতের সবচেয়ে বড় ও পুরাতন রোড গ্ৰান্ড ট্রাঙ্ক রোড ।

প্রায় ৩০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত ।

আচ্ছা মা সেটা তো আমরা বানিয়েছি ??????

মা=না । গ্ৰান্ড ট্রাঙ্ক রোড আমরা বানায়নি ।

গ্ৰান্ড ট্রাঙ্ক রোড একজন মুসলিম শাসক বানিয়েছি , উনার নাম শের শাহ ????

ছেলে = তাহলে মোঙ্গলদের সাথে যুদ্ধ আমরা করেছি , তাই না ?? ????

মা = না । আলাউদ্দিন খলজি মোঙ্গলদের সাথে যুদ্ধ করেছেন । সেই যুদ্ধে আলাউদ্দিন খলজি যদি পরাজিত হতো , তাহলে আজ ভারত ধ্বংস হয়ে যেতো ।????

ছেলে = আচ্ছা তাহলে হাজারদোয়ারি পেশেস নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ??????

মা = না বেটা । ওটাও মুসলিম শাসকরা বানিয়েছে।????

ছেলে = আচ্ছা তাহলে মুঘল সাম্রাজ্য আমাদের ছিল, তাই না ???????

মা = না । মুঘল সাম্রাজ্য মুসলিমদের সাম্রাজ্য ছিল ।????

ছেলে = আচ্ছা জয় হিন্দ , এই শব্দটি আমরা প্রথম তৈরি করেছিলাম , তাই না ??????

মা = না । ওটাও একজন মুসলিম প্রথম বলেছিল ।????

ছেলে = আচ্ছা মা , সারে জাহাসে আচ্ছা হিন্দুস্তান হামারা , এই শব্দটি আমরা প্রথম বলেছিলাম , তাই না ??? ????

মা = না , ওটা একজন মুসলিম কবি লিখেছিলেন । উনার নাম ইকবাল ।????

ছেলে = আচ্ছা তাহলে ভারতের পতাকা আমরা বানিয়েছি, তাই না ???????

মা = হ্যাঁ , তবে বলতে গেলে না । ভারতের পতাকা পিঙ্গলি ভেনকায়া তৈরি করলেও , তো

উনার তৈরি করা পতাকাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি ।

ভারতের পতাকার Latest Update করেছিলেন একজন মুসলিম মেয়ে । উনার নাম সুরিয়া তৌওবজি , উনার বাড়ি হায়দ্রাবাদে ।????

ছেলে = তাহলে প্রথম Satellite launch করেছিলাম আমরাই,তাই না মা ???????

মা = জ্বী না । ভারত অনেক বার Satellite launch করেছিল , কিন্তু প্রতিবারই Failed হয়েছে ।

তারপর APJ. Abdul Kalam Azad প্রথম Successful ভাবে Satellite launch করেছিল ।????????

উনি না থাকলে আজ ভারত Satellite launch করতে পারতো না । ????

ছেলে = তাহলে Nuclear weapons নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ???????

মা = না । Nuclear weapons একজন মুসলিম আবিষ্কার করেছে । 

উনার নাম APJ Abdul Kalam Azad । ????

উনি Nuclear weapons তৈরি না করলে আজকে চীন ও পাকিস্তান মিলে আমাদের আদর করতো ।????

ছেলে = ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ভারত ছোড়ো আন্দোলন প্রথম আমরা করেছিলাম তাই না ??????

মা = না । ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে প্রথম আন্দোলন শুরু করেছিল টিপু সুলতান ।????

 

তাইলে আমরা কি করছি?? ????

 

আর ভারতের জন্য মুসলিমরা কিছুই করেনি এইসব মিথ্যা রটিয়ে বেড়িয়েছি।???? এইবার থাম,

 

 ???? অন্ধকারাচ্ছন্ন ইতিহাসের দুনিয়া থেকে বের হয়ে সত্যেকে জানুন ????