আরো নিবন্ধন পড়ুন



ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ ব্যক্তি ছিঁড়ছে সম্পর্কের পাতা- Friday, 08th December, 2023

সম্প্রদায়ের শক্তিঃ

​​​​​​মানুষের তাগিদের অতিরিক্ততায় কেউ অনেক সময় রক্তের সম্পর্ককে অস্বীকার করে ফেলে। যখন কেউ সেই ব্যক্তির পরিস্থিতি বোঝার জায়গায় সবসময় তাকে দোষারোপ করে থাকে। মানুষ নিজের তাগিদে করতে পারে না, এমন কিছু নাই। কিন্তু যখন মানুষ পরিবারের তাগিদে কোনো কিছু অস্বিকার করে। তখন সেই ব্যক্তিকে তার পরিবারের সদস্যরাই অতিরিক্ত ভুল বোঝে। যখন তার পাশে সবথেকে বেশি দরকার ছিল তার পরিবারের। কিন্তু মাঝে মাঝে পরিবারের জন্য পরিবারের কিছু ত্যাগই তাকে সবথেকে বেশি দুর্বল করে থাকে। যার কারনে এই ধরনের ব্যক্তিগুলো কখনোই নিজের দায় কমাতে পারে না। কিন্তু সামনে থেকে সবার সামনে সে স্বার্থবাদী ব্যক্তি হিসেবে উপস্থিত হয়। কিন্তু তার জীবনে মানুষের ভালোর জন্য ত্যাগের পরিমাণ বেশি হয়ে থাকে। হয়তো এই কারণে সমাজে তার মূল্য থাকলেও পরিবারের কাছে থেকেও সম্পর্কের দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হয়।

সমাজে যে তোমাকে বেশি আপন মনে করাবে। বুঝে নিও সেই ব্যক্তি না চাইতেও তোমার হালকা কষ্টের কারণ হবে। কারণ বেশি মূল্যায়িত ব্যক্তিগুলোর সামান্য কিছু বিষয়ও অতিরিক্ত অনুভবের কারণ হয়। যখন সেই বিষয়ে কিছু প্রকাশ না করতে পারার পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগুলোর কষ্ট একটু বেশি হয়। তখন বিষয়টার প্রতি অপ্রকাশ্যে হয়তো কেউ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জড়িত থাকে। যার কারনে অপ্রকাশ্যে অনুভবকৃত মানুষগুলো সাধারনের মাঝেও নিজেদের ব্যক্ত করে যায়। কিন্তু বাস্তবতা সবসময় মানুষকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ শেখায়। যার কারণে মানুষ ত্যাগেও তাদের শান্তি খুঁজে নেয়। তাই কোনো কিছু হয়তো মানুষকে দুর্বল করে। কিন্তু সেই মূহুর্তের দুর্বলতাগুলোই একসময়ে কারোর ভিতরের চিরস্থায়ী শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। যখন ব্যর্থাতায়ও কেউ নিজেকে মানসিকভাবে শক্ত রাখতে পারে।

মন খুলে বাঁচো- Monday, 16th October, 2023

অনুভবের আত্মপ্রকাশঃ

হেরে যাওয়া কখনো আমাদের হারায় না। আমরা নিজেদেরকে নিজেরা হারিয়ে দেই। ভুল আমাদেরকে কেউ বোঝায় না, আমরা সবসময় ভুল বুঝে নিজেদের মতো সরে যাই। বর্তমান মানুষের সবথেকে বড় সমস্যা হলো- সবকিছু যাচাই না করে কারোর মুখের কথা আর চোখের দেখাকে নিজের মতো সাজিয়ে বিশ্বাস করা, যেকোনো কিছুর জন্য সময় না দেওয়া। এমন আরো অনেক বিষয় আছে যা পরিবর্তন করলে জীবনের ৭০ ভাগ সমাধান এমনিতেই হয়ে যেতো।

এর সবথেকে বড় সমাধান হচ্ছে, কোন কিছুর জন্য কাউকে নিজের সবকিছু মনে না করে নিজের সাথে ছোট থেকে এই পর্যন্ত পাশে থাকা পরিবারের কথা চিন্তা করে আত্মত্যাগ করা। কারণ তুমি যখন কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নিতে যাবা তখন পরিবারের কথা চিন্তা করলেই সঠিক সিদ্ধান্ত তোমার সামনে চলে আসবে। পরিবারের সবাই হয়তো এক রকম হয় না। তাই সবাই যেমনই হোক না কেন তুমি তোমার ব্যক্তিত্ব বজায় রেখে নিঃস্বার্থভাবে এগোতে চেষ্টা করো। হয়তো সুখের সময় কাউকে পাশে না পেলেও তোমার বিপদের সময় তুমি তাদের পাশে পাবা।

কিছু সময় তোমার নিজেকে খুব একা মনে হবে। সবকিছু থেকে দূরে গিয়ে নিজের মতো করে বাঁচতে ইচ্ছে হবে। কারণ এই জীবনে বোঝার চেয়ে ভুল বোঝার মানুষ বেশি পাবা। জীবনে এগিয়ে যাওয়ার সময় কাউকে পাশে না পেলেও একটা ছোট ভুল নিয়ে দোষ ধরার জন্য হিসাব ছাড়া মানুষ পাবা। নিজের পাওয়া কষ্টগুলোকে বুঝে অন্যের যায়গায় নিজেকে রেখে বিবেচনা করলে জীবন একটু একটু করে সহজ হতে থাকবে। কারোর ভুল দেখলেও এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবা। কারণ তুমি জানো কারো ভুল ধরার অনুভূতিটা কেমন! দরকার হলে আলাদাভাবে তাকে সঠিক বিষয়ের পরামর্শ দিবা। যাতে তার সম্মান আর তোমার মান দুটোই বাঁচে।

মনকে পরিষ্কার রেখে বাঁচো নিজের মতো করে। সবার শেষ ভরসার কারণ হও, শূণ্য জীবনের পূর্ণতা পেতে। 

‌শিশুর যত্ন প্রায়ই দেখি, Thursday, 23rd November, 2023
প্রায়ই দেখি, কারো ছোট্ট বাচ্চাকে কেউ কোলে নিয়ে চুমাচুমি শুরু করে দেয়, যেটা এক ধরনের বিশ্রী রকমের অভদ্রতা। হতে পারে, চুমু দেয়া মানুষটি মুখের হাইজিন ঠিকমত মেইনটেইন করেন না, অথবা বাইরে থেকে এসে মুখটুখ না পরিষ্কার করেননি অথবা পান বিড়ি সিগারেট খান। যা থে কে বাচ্চার জন্য হতে পারে নিদারুণ ক্ষতি। আবার চুমু দিতে না দিলেও মনে হয় না জানি কি পাপ করে ফেললেন। শিশুর এমনিতেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে, এর মধ্যে এইসব হলে তার দায়ভার কি তিনি নিবেন?? না বাবা/মা পারবে তাকে ব্লেম করতে, না তিনি নিজে ব্লেম নিবেন। ভালো হয়, এইসকল চুম্মাওয়ালা মানুষের কোলেই বাচ্চাকে না দেয়া। কোলে দেয়া পর্যন্ত মেনে নেয়া গেলেও, বাকিটা নয়। সেটা বাচ্চাকে কোলে দেয়ার সময়ই তাকে বলে দেয়াটাও বাবা/মা এর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। শিশুদের যত্ন নিন ভালো থাকুন.
‌শিশুর যত্ন Thursday, 23rd November, 2023
প্রায়ই দেখি, কারো ছোট্ট বাচ্চাকে কেউ কোলে নিয়ে চুমাচুমি শুরু করে দেয়, যেটা এক ধরনের বিশ্রী রকমের অভদ্রতা। হতে পারে, চুমু দেয়া মানুষটি মুখের হাইজিন ঠিকমত মেইনটেইন করেন না, অথবা বাইরে থেকে এসে মুখটুখ না পরিষ্কার করেননি অথবা পান বিড়ি সিগারেট খান। যা থেকে বাচ্চার জন্য হতে পারে নিদারুণ ক্ষতি। আবার চুমু দিতে না দিলেও মনে হয় না জানি কি পাপ করে ফেললেন। শিশুর এমনিতেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে, এর মধ্যে এইসব হলে তার দায়ভার কি তিনি নিবেন?? না বাবা/মা পারবে তাকে ব্লেম করতে, না তিনি নিজে ব্লেম নিবেন। ভালো হয়, এইসকল চুম্মাওয়ালা মানুষের কোলেই বাচ্চাকে না দেয়া। কোলে দেয়া পর্যন্ত মেনে নেয়া গেলেও, বাকিটা নয়। সেটা বাচ্চাকে কোলে দেয়ার সময়ই তাকে বলে দেয়াটাও বাবা/মা এর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। শিশুদের যত্ন নিন ভালো থাকুন..