।। সকল সিমের টাকা কম কাটার অপশন।।

02nd April, 2024
482




০১। গ্রামীণফোন:

গ্রামীণফোন বা জিপি সিমে টাকা কাটা সকল সার্ভিস বন্ধ করার কোড ২০২৩
জিপি ফোনে বিভিন্ন রকম সার্ভিসের কারণে টাকা কেটে নেয়। সার্ভিসগুলো  যেমন: ওয়েলকাম টুন, কল ব্লক সহ সকল সার্ভিস একসাথে বন্ধ করতে ডায়াল করুনঃ *121*6*1# ডায়াল করা মাত্রই একটু পরে একটি ফিরতি ম্যাসেজ আসবে এবং আপনাকে জানিয়ে দিবে আপনার গ্রামীন সিমে টাকা কাটার সকল সার্ভিস বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

০২। বাংলালিংক:

বাংলালিংক সিমে টাকা কাটা সকল সার্ভিস বন্ধ করার কোড ২০২৩
বাংলালিংক সিমে চালু থাকা সকল সার্ভিস বা অজান্তে চালু করা সকল সার্ভিস একসাথে বন্ধ করতে ডায়াল করুনঃ *121*7*1*2*1# ডায়াল করা মাত্রই একটু পরে একটি ফিরতি ম্যাসেজ আসবে এবং আপনাকে জানিয়ে দিবে আপনার বাংলালিংক সিমে টাকা কাটার সকল সার্ভিস বন্ধ হয়ে গিয়েছে ।

০৩। রবি:

রবি সিমে টাকা কাটা সকল সার্ভিস বন্ধ করার কোড ২০২৩
রবি সিমে চালু থাকা বা অজান্তে চালু করা সকল সার্ভিস একসাথে বন্ধ করতে ডায়াল করুনঃ *9# রবি সিমে আলাদা আলাদা করে নির্দিষ্ট কোন সার্ভিস বন্ধ করতে ডায়াল করুনঃ *5# ডায়াল করা মাত্রই একটু পরে একটি ফিরতি ম্যাসেজ আসবে এবং আপনাকে জানিয়ে দিবে আপনার রবি সিমে টাকা কাটার সকল সার্ভিস বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

০৪। এয়ারটেল:

এয়ারটেল সিমে টাকা কাটা সকল সার্ভিস বন্ধ করার কোড ২০২৩
 এয়ারটেল সিমে চালু থাকা বা অজান্তে চালু করা সকল সার্ভিস একসাথে বন্ধ করতে ডায়াল করুনঃ *9# এয়ারটেল সিমে আলাদা আলাদা করে নির্দিষ্ট কোন সার্ভিস বন্ধ করতে ডায়াল করুনঃ *5# ডায়াল করা মাত্রই একটু পরে একটি ফিরতি ম্যাসেজ আসবে এবং আপনাকে জানিয়ে দিবে আপনার এয়ারটেল সিমে টাকা কাটার সকল সার্ভিস বন্ধ হয়ে গিয়েছে ।

০৫। টেলিটক:

টেলিটক সিমে টাকা কাটা সকল সার্ভিস বন্ধ করার কোড ২০২৩
টেলিটক সিমে চালু থাকা বা অজান্তে চালু করা সকল সার্ভিস একসাথে বন্ধ করতে ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ ” STOP ALL ” আর পাঠিয়ে দিন 335 নাম্বারে। ম্যাসেজ করা মাত্রই একটু পরে একটি ফিরতি ম্যাসেজ আসবে এবং আপনাকে জানিয়ে দিবে আপনার টেলিটক সিমে টাকা কাটার সকল সার্ভিস বন্ধ হয়ে গিয়েছে।।


আরো নিবন্ধন পড়ুন



বাহ্যিক শিষ্টতার মাঝে মানুষ নিজেকে নির্দিষ্ট করে থাকে- Sunday, 07th January, 2024

আকৃষ্টতার অন্তরালেঃ

শিষ্টাচার কাউকে নিষ্ঠার সাথে শান্ত করে থাকে। যখন সাধারনভাবে চলতে কেউ দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে থাকে। সেখানে শিষ্টাচারের মাধ্যমে কেউ নিজেকে যেমন সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারে। তেমনি সমাজের মাঝে নিজের একটা আলাদা পরিচিতি তৈরি করতে পারে। যখন হয়তো সেইসব ব্যক্তির পারিবারিক পরিচিতির চেয়ে বাহ্যিক পরিচিতির মূল্যায়ন বেশি হয়ে থাকে। সময়ের সাথে এভাবেই হয়তো কম-বেশি করে কারোর জীবনের পরিবর্তন হতে থাকে। কিন্ত অনুধাবনের মাধ্যমেই কারোর মধ্যে স্বাভাবিকত্বতা আসতে শুরু করে। যখন ব্যক্তিগুলোর মধ্যে হঠাৎ করেই নীরবতা তৈরি হয়। যা কাউকে বাইরের মানুষের ভীড়ে আর শান্ত প্রকৃতিতে স্বাভাবিক রাখে। কারণ কোনো ব্যক্তি নিজের অজান্তেই এই দুইটা মূহুর্তেই তার মধ্যে পরিবর্তন করে থাকে। কিন্তু সমস্ত কিছুর স্বাভাবিক মাত্রাই কারোর জীবনকে অনেকটা সুন্দর করে গড়ে তোলে।

অনুভবের আর্তনাদের অন্তিম পর্যায়- Friday, 13th October, 2023

অনুভবের আর্তনাদঃ

কিছু জিনিসের প্রতি আমরা অনেক সময় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেই। কিছু সময় সেই গুরুত্বটা নিজের জন্য অবশিষ্টভাবে কষ্টের ছাপ রেখে যায় জীবনে। যেটা সময়ের সাথে নিজের ভেতরের এমন একটা পরিবর্তন ঘটায় যা কারোর প্রতি নিজেকে শক্ত না করলেও, অন্যের প্রতি নিজেকে দুর্বল হতে দেয় না। জীবনের করা শত ভুল আমাদের পরবর্তী সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। 

নিজের মতো করে সঠিকভাবে নিজের ব্যক্তিত্ব তৈরি করতে পারলে কখনো কারোর অপমান, অবহেলা নিজেকে কষ্ট দেয় না। কারণ সে জানে সেই ব্যক্তিই তাকে অপমান করবে যার বিবেচনা কম অন্যের থেকে পাওয়ার আশা রাখে বেশি। যখনই তাদের তুমি দিতে ব্যর্থ হবে তখন তুমি তাদের লুকায়িত আসল ব্যক্তির সাথে পরিচিত হবা। যার হদিস তোমার কাছে আগে থেকেই ছিলো। সময় থাকতে এমন ব্যক্তিগুলোর থেকে দূরে থাকতে পারলে নিজেকে খোলা আকাশের মাঝে ছেড়ে দিতে আর কোনো বাঁধা থাকে না।

নিজের ব্যক্তিত্বের সাথে অন্যের জন্য Compromise করলে আর কখনো নিজের ব্যক্তিত্ব পূর্বের মতো করে ফিরে পাওয়া সম্ভব হয় না। তুমি নিজের সাথে নিজেকে মানায় নিতে পারলে কারোর সাথে তোমার নিজেকে মানায় নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। কারণ পরিস্থিতি যেমন সময়ের উপর নির্ভর করে তেমনি তোমার জীবনটা তোমার উপর নির্ভর করে। তুমি যখনই নিজের মতো করে অন্যের কাছে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবা। তখন যেকোনো কিছুর জন্য প্রত্যেকের কাছে তুমি সবার প্রথমে থাকবা।

কোনো কিছু পাওয়ার আশায় নয়, নিস্বার্থভাবে অন্যের পাশে থাকলে তোমার পাশে পুরো প্রকৃতি থাকবে। হয়তো একসময় তুমি যাদের পাশে নিস্বার্থভাবে থাকবা তারা তোমার প্রয়োজনে নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যস্ত মানুষ হিসেবে নিজেকে তোমার সামনে উপস্থাপন করবে। কিন্তু প্রকৃতি সেই সময়ের সাক্ষী হিসেবে তোমাকে সাহায্য করে যাবে। কিন্তু তোমার সাহায্য পাওয়া সেই স্বার্থবাদী তার অজানা সীমিত সময়ের সাফল্য হারিয়ে ২য় বার তোমার সম্মুখীন হবে না। তার হেরে যাওয়া দেখেও ২য় বার তুমি তাকে সরাসরিভাবে সাহায্য করবে না। কারণ তুমি জানো প্রকৃতি থেকে যে শাস্তি পায় তার অবশিষ্টভাবে মানুষকে ব্যবহার করার মানুষিকতা কখনো বদলায় না।

মনঃস্তাত্বিক বিষয়গুলো যত্নের সহিত রাখা উচিত- Sunday, 26th November, 2023

যত্নশীল অনুভবঃ

কিছু বিষয় বুঝতে অনেকসময় জটিলতার শিকার হতে হয়। কারণ অনেকেই নিজের যেকোনো বিষয়ের পরিমাপ করে থাকে। পরিমাপ মানুষের জীবনকে টুকরো করতে থাকে তার অজান্তে। পরিমাপ বিভিন্ন ক্ষেত্রের একক হলেও মানুষের জীবনের দুর্দশার কারণ। মানুষের ব্যক্তিত্বে অসীম অনুভবই তাকে জীবনের মানে শেখায়। ভিতর থেকে কাউকে গড়ে তোলে ধীর গতিতে আসা অনুভব। যার কারনে সবসময় প্রত্যেকের ব্যক্তিত্ব মজবুত রাখতে, নিজের নিয়ন্ত্রণে হালকাভাবে সবকিছুর অনুভব করে যাওয়া উচিত। এতে সবার ভেতরের সৌন্দর্য প্রকাশিত হতে থাকে তার আচরণে। যেখানে জটিল তাদের জন্য একটা শব্দ মাত্র। এজন্য যে কারোরই যত্নসহকারে নিজের অনুভবগুলোকে সয়ম নিয়ে বাড়তে দেওয়া উচিত। কারণ সময়ের সাথে বাড়তে থাকা অনুভবই একটা ব্যক্তির আত্মবিশ্বাস তৈরি করে।

বেশিরভাগ মানুষই তাদের কিছু বিষয় নিয়ে অনেক সময় দুশ্চিন্তা করে থাকে। যেখানে দুশ্চিন্তা কাউকে দুর্বল করে বিষন্নতায় ভোগায়। সবসময় যেকোনো বিষয়ে চিন্তা করার আগে একটু সময় নিয়ে হলেও নিজেকে শান্ত করা উচিত। তারপর কোনো কিছু না ভেবে আলাদাভাবে নির্জন স্থানে চোখ বুজে শুয়ে একটু বিশ্রাম নেওয়ার চেষ্টা করা উচিত। তখন ঘুমিয়ে পড়লেও কোনো সমস্যা নেই। কারণ ঘুম ভেঙে উঠলেই তার মধ্যে সতেজতা কাজ করতে থাকবে। যখন একটু ভাবনার মাধ্যমেই হয়তো কেউ বিষয়টার অসম্ভব সমাধান সাধিত করতে পারে। কারণ নিজেকে নিয়ন্ত্রণের এই মাধ্যমটা কাউকে সময়ের সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলার আত্মিক শক্তি অর্জন করায়। যখন কেউ নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়। তখন যেকোনো কিছুর জন্য কারোর দ্বিতীয়বার ভাবার প্রয়োজন হয় না।

মানুষের সাধারণ বিষয়গুলোর একটা হলো-কোনো কিছু পাবেনা জেনেও অসম্ভব ইচ্ছাশক্তি বজায় রাখা। যা কাউকে সবসময় জীবনের ঘাটতি অনুভব করায়। কোনো কিছুর প্রতি ভরসা করলে হয়তো এতোটা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় না। যতোটা ইচ্ছাশক্তি রাখার মাধ্যমে তৈরি হয়। সেই বিষয়ের প্রতি ইচ্ছাশক্তির গাঢ়ত্ব রাখা উচিত যেই বিষয়টা কারোর ভবিষ্যতের সফলতার কারণ হবে। কারণ বাড়তে থাকা জীবনকে কোনো কিছুর মাধ্যমে আটকালে হয়তো, তার চিন্তাধারাই বদলে যায়। যেখানে সবকিছুর থমকে যাওয়াই তার ভবিষ্যত হয়ে থাকে। যা প্রায়শই তাকে হতাশার মাধ্যমে গ্রাস করে থাকে। যখন চাওয়ার অপূর্ণতাগুলো তাকে ভিতর থেকে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থতা অনুভব করাতে থাকে। এইজন্য শত কষ্টেও নিজের সফলতার পূর্ণতায় জোর দেওয়া উচিত, সপ্নময় ভবিষ্যতের জন্য।

কখনো জোর করে যেমন কোনো কিছু অর্জন করা যায় না। তেমনি কোনো কিছুর জন্য প্রতিরক্ষার্থী মনোভাব কাউকে ততটাই মূল্যবান করে গড়ে তোলে। যখন তার ছোট বিষয়গুলো অনেক মূল্যায়িত হয়ে থাকে যে কারোর কাছে। তখন তার চাওয়ার কোনো অপূর্ণতা না থাকায়। যেকোনো কিছু অর্জনে ইচ্ছাশক্তি প্রকাশের পূর্বেই তা অর্জিত হয়ে থাকে। যখন কেউ নিজেকে বুঝতে পারে। তখন পৃথিবীর যেকোনো কিছু মূহুর্তেই তার কাছে সহজলভ্য হয়ে থাকে। যা তাকে সময় থেকে সময়ে সুন্দরতম জীবনের শান্তি অনুভব করায়।