চার দিনের ব্যবধানে ফের কমল সোনার দাম

05th October, 2023
76




চার দিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে ফের কমেছে সোনার দাম। সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনার দাম ভরিপ্রতি ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৭ হাজার ৪৫ টাকা।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ বুধবার এই তথ্য জানিয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম কমায় এ দাম সমন্বয় করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হবে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম হবে ৯৭ হাজার ৪৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯২ হাজার ৬১২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৭৯ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ৬৬ হাজার ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সবচেয়ে ভালো মানের সোনার দাম ভরিপ্রতি ১ হাজার ৭৪৯ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ৯৮ হাজার ২১১ টাকা।

রিলেটেড পোস্ট


বিবেকের স্বপ্নীল পর্যটন-
পড়া হয়েছে: ২৬৮ বার

বেলা শেষে-
পড়া হয়েছে: ২১১ বার

বাহ্যিক শিষ্টতার মাঝে মানুষ নিজেকে নির্দিষ্ট করে থাকে-
পড়া হয়েছে: ৪৪৪ বার

জীবনের প্রথম জিনিস কখনই পরিবর্তন হয় না-
পড়া হয়েছে: ২৪৪ বার

অপ্রকাশ্যের কিছু অনুভূতি পৃথিবীর সর্বস্ব অনুভব করায়-
পড়া হয়েছে: ২১৩ বার

নিজের প্রতি বিশ্বাসের আদ্রতা জীবনকে আলোকিত করে-
পড়া হয়েছে: ৩১১ বার

সৃষ্টতার আবির্ভূত মনোভাব মানুষকে উজ্জীবিত করে তোলে-
পড়া হয়েছে: ৪৫৩ বার

কোনো কিছু উপলব্ধি করতে ইতিবাচক চিন্তার প্রভাব-
পড়া হয়েছে: ২৪২ বার

কিছু বিষয়ের উৎকৃষ্টতা মানুষকে অস্বাভাবিকভাবে গড়ে তোলে-
পড়া হয়েছে: ৪১৫ বার

ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ ব্যক্তি ছিঁড়ছে সম্পর্কের পাতা-
পড়া হয়েছে: ৩৬৫ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



প্রকৃতির স্বচ্ছতা বর্ষায় আর মানুষের স্বচ্ছতা তার চরিত্রে- Monday, 20th November, 2023

বর্ষার আবির্ভাবঃ

বর্ষার ছোঁয়া যেকোনো কিছুর নতুন রূপ ধারণ করায়। হোক সে মানুষ বা প্রকৃতি। তৈরি করার ক্ষমতা দুইটা বিষয়েই বিদ্যমান। যা সময়ের সাথে সবকিছু আগলাতে সহায়তা করে। প্রকৃতি নিজের মায়ায় সবকিছুর পরিবর্তন আনে সময়ের সাথে। আর মানুষের বিবেচনায় বোধশক্তি উদ্ভবের সাথে, তাদের সবকিছুতে পরিবর্তন হয় অভিজ্ঞতা অর্জনের মাধ্যমে। ধারণক্ষমতা যেকোনো কিছুতেই আছে। কিন্তু সময়ের সাথে তা বজায় রাখা কিছুটা কঠিন হয় অনেকের ক্ষেত্রে। মানুষ হয়ে জন্মালেই শ্রেষ্ঠত্ব অর্জিত হয় না। আশেপাশের প্রত্যেকটা বিষয়, পরিস্থিতির বিবেচনায় নিজের বা কারোর ভালোর জন্য কিছুটা ত্যাগ করা। নিজের সীমা বজায় রেখে কারোর শেষ ভরসার কারণ হওয়া নিঃস্বার্থভাবে। কাউকে কোনো কিছুর জন্য দোষ না দিয়ে নিশ্চুপে প্রত্যেকটা বিষয়ের কারণ খোঁজা। কারণ কোনো বিষয়ের সত্যতা তখনই প্রকাশ করে। যখন তা কেউ নিজের সত্যতায় বিবেচনা করতে সক্ষম হয়। যার সাহায্যে পরিত্যাক্ততায়ও নতুন কিছু সৃষ্টি করা যায়।

যেকোনো কিছুতেই কারন থাকা যেমন সাধারণ বিষয়। তেমনি কারণ ছাড়া যেকোনো কিছুই অন্তিমে সেই বিষয় সংক্রান্ত সবকিছুর অস্বাভাবিকতা প্রকাশ করে। কোনো কিছুর সীমাবদ্ধতা কারোর জড়তা তৈরি করে না। মানে ছাড়া কোনো কিছুর নেতিবাচক প্রভাব জেনেও জীবনের সীমিত জায়গায় দেওয়াটা কাউকে ভেতর থেকে জড় করে রাখে। যার কারণে প্রভাব জেনে কোনো বিষয়ের আলগা নির্দিষ্টতা তাকে মন খুলে বাঁচতে শেখাবে। যা পরবর্তীর অনির্দষ্টতায়ও আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে যেকোনো কিছুর প্রতি কারোর পরিপাট্যতা ধরে রাখতে সহায়তা করে। যেকোনো মৌসুমে প্রত্যেকের পরিবর্তিত রূপ দেখা যায়। কিন্তু বর্ষার একটু ছোঁয়া কাউকে তা থেমে যাওয়ার পর মূহুর্তের আবছা আলোয় হিমেল পরিবেশকে গভীর থেকে অনুভব করায়। যা কারোর ভিতরে নতুন অনুভব সৃষ্টি করে। যেই অনুভব থেকে কেউ নিজেকে বেশিরভাগ পরিস্থিতিতে শান্ত রাখতে পারে।

প্রবর্তনের সাংক্ষেপিক রুপ কারোর জীবনকে অনেকটা বদলে দেয়- Tuesday, 16th January, 2024

কিছুটা প্রত্যাবর্তনঃ

কখনো যদি কিছু বিষয় কারোর জীবনে থমকে দাড়ায়। হয়তো বেশিরভাগ মানুষ জীবনের তাগিদে সবকিছু ত্যাগ করে সামনের দিকে এগোতে বাধ্য হবে। কারণ জীবনটা ক্ষনিকের হলেও কোনো কিছু আঁকড়ে পড়ে থাকলে সবকিছু সীমাহীন মাত্রা প্রকাশ করতে থাকে। যা সময়ের সাথে কাউকে নিঃশেষ করে দেয়। তাই বোধসম্পন্ন মানুষ কখনোই কোনো বিষয়ের জন্য নিজের জীবনের সাথে পার্থক্য করবে না। পৃথিবীতে মানুষের শেখার শ্রেষ্ঠ মাধ্যম সে নিজে। কারন কোনো মানুষ নিজের জন্য কখনোই স্বার্থবাদী হয় না। প্রত্যেকেই তার নিজের মাঝে নিঃস্বার্থ, যদি জীবনের মূল্যায়ন করতে জানে! কোনো কিছুই পরিপূর্ণ নয়। যার কারণে একটা সময়ের পর সবকিছু পূর্ণতা পায়। অনেকেই সমান্য না পাওয়ায় নিজের জীবনকে দোষারোপ করতে থাকে। কিন্তু কিছু সংখ্যক মানুষই দোষের জায়গায় নিজের কর্মের হিসাব করে। কারন কর্মেই কারোর ভাগ্য নির্ধারিত বা পরিবর্তিত হয়।

জীবনের সান্নিধ্যে কেউ বিশেষ কিছু বিষয় আবদ্ধ করে রাখে। যা তাকে শেষ নিঃশ্বাস অবধি কোনো কিছুর কমতি অনুভব হতে দেয় না। যেজন্য কোনো কিছু খোঁজার জায়গায় অনুধাবন করতে পারলে সবকিছু সহজ। অনেকেই শূন্য জীবনে নিজের সৃজনশীলতায় পুরো পৃথিবীতে বিরাজ করে। যেখানে ত্যাগ করা, মানায় নেওয়া, একান্তে সবকিছু পর্যালোচনা করা সেইসব ব্যক্তির সাধারণ বৈশিষ্ট্য হয়ে থাকে। বিষয়গুলো লেখায় সাধারণ। কিন্তু এইগুলো পর্যালোচনার মাধ্যমে কারোর জীবন একবার বদলে গেলে সবসময় তা পরিবর্তিত হতে থাকে। যখন কোনো কিছুর মোহ সেইসব ব্যক্তিকে আটকাতে পারে না। কারণ ভালো মানুষ দেখতে সরল হয়। কিন্তু তাদের ব্যক্তিত্বের কারণ খুঁজলে চিন্তাশক্তির নিঃশেষেও তার পরিসমাপ্তি পাওয়া সম্ভব না।

অর্থ মানুষের সাময়িক শান্তি যা কারোর অস্তিত্ব তৈরি করে। কিন্তু চরিত্র প্রত্যেকের পরিচিতি যা কারোর মূল্যবোধ তৈরি করে। সীমিত অর্থেও জীবন পরিচালনা করা যায়। কিন্তু হালকা চরিত্রে সবকিছুর অতিরিক্ততায়ও জীবন মূল্যহীন হয়ে যায়। যা হয়তো কেউ বুঝতে পারে না। কিন্তু সেইসব ব্যক্তি কখনোই জীবনের পবিত্রতা উপভোগ করতে না। কিন্তু জীবনের পবিত্রতাই কাউকে পৃথিবীর অশেষ কষ্টের মাঝেও স্বর্গানুভব করায়। যখন কোনো কিছুর জন্য আত্মবিশ্বাস সেইসব ব্যক্তির সবচেয়ে বড় শক্তি। যা কাউকে তার জীবনে অটুট বন্ধনে আবদ্ধ করে রাখে। তাই জীবনে পাওয়ার আশায় কোনো কিছুর জন্য নিজের সাথে তুলনা করা উচিত নয়।