শান্তি মানুষকে শক্তিশালী করে জীবনভোগ শেখায়-

08th March, 2024
663




অনুপ্রাণিত দৃষ্টিভঙ্গিঃ

অনুপ্রাণিত বিষয়ের হালকা মনোভাবে কেউ জীবনের পরিভাষা বোঝে। হয়তো তাদের বোঝার মানুষ খুব কম পাওয়া যায়। কারণ যেসব ব্যক্তির মধ্যে সহস্র অনুভূতি জাল বুনতে থাকে। তারা নিজেকে বোঝে। আর প্রত্যেকটা পরিস্থিতির মাঝ থেকে পরিমাপকৃত শিক্ষা গ্রহণ করে। যেটা তাদের প্রত্যেকটা বিষয়ের সাথে খাপ খাওয়াতে সহায়তা করে। যখন অসংখ্য পরিস্থিতির মাঝে সেইসব ব্যক্তি সহজ হয়ে থাকে প্রত্যেকের কাছে। হয়তো তারা প্রকৃতির আদলে নিজেকে আগলে রাখে। যার কারণে সবার মাঝে তারা সীমিত হলেও তাদের প্রভাব বিস্তৃত। তাই সবকিছুর মাঝে নিজেকে প্রকৃতির আদলে আগলাতে জানলে সবকিছুর সহজ পরিভাষা প্রদর্শিত হবে। যা কাউকে মানুষ হিসেবে তার জীবন ব্যক্ত করতে সহায়তা করবে।

কেউ সবসময় ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। আবার কেউ সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত পারে না। এই দ্বিধাগ্রস্ততার কারনে মানুষের মধ্যে অগোছালো চিন্তার আবির্ভাব ঘটে। যার জন্য কোনো কাজের শুরুতে সামান্য ভুলে, নির্ধারিত সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করতে হয়। কারণ উপযোগ মানুষের জীবনে সমীক্ষার মতো। যা কাউকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সংশোধনের জায়গায় পরিবর্তন শ্রেয় অনুভব করায়। মানুষের বিবেচনার পরিপ্রেক্ষিতে তার চারপাশে একটা মিশ্রিত পরিবেশ সৃষ্টি হয়। আর এই পরিবেশের একটা ইতিবাচক দিক হলো - পরিস্থিতি যতটা কঠিন হতে থাকে। মানুষ তার জীবনের প্রতি ততটা আকষ্মিক হতে থাকে। এই মূহুর্তে সেইসব ব্যক্তিকে যেকোনো কারণে থামানো মুশকিল হয়ে পড়ে। কারণ একবার যখন মানুষ তার জীবনের পথপ্রদর্শক হয়ে যায়। তখন সেইসব ব্যক্তির ভেতরে হালকাভাবে কঠিনত্বতার প্রাদুর্ভাব পরিলক্ষিত হতে থাকে। যখন এই ধরনের ব্যক্তিগুলো নিজের সমস্ত সরলতার মাঝেও জীবনের প্রতি দৃঢ়তা বজায় রাখতে সক্ষম হয়।

এমন অনেক ব্যক্তি আছে যারা, কিছু মূহুর্তে তোমাকে অনেকটা বিরক্ত করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে। কিন্তু সেই মূহুর্তে যদি তুমি নিজের ভেতরের শান্তি বজায় রেখে ভালো কিছু অনুভব করতে সক্ষম হও। তাহলে তোমার অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ অপর ব্যক্তিকে বিব্রতার সাথে শান্ত করে যাবে। কেউ হয়তো সবসময় শান্তভাবে নরম অনুভবে থাকলে মানুষ তাকে দুর্বল মনে করে। কিন্তু কিছু শান্ত ব্যক্তি এতটাই মজবুত প্রকৃতির হয় যে, তার সামান্য কঠোর আচরণ কাউকে পুরোপুরি ভীত অনুভূতির সাথে চুপ করিয়ে দিতে পারে। পরবর্তীতে তার আবছা প্রতিচ্ছবিও অপর ব্যক্তিকে ঠান্ডা অনুভূতির সাথে কাঁপিয়ে তুলতে পারে। তাই যেই ব্যক্তি শান্ত প্রকৃতির মানুষগুলোকে দুর্বল মনে করে, তার দুর্বলতায় আঘাত করার চেষ্টা করবে। পুরো বিশ্বাসের সাথে বলা যায় যে, তারা প্রকৃতির ঝড়ের কথা ভুলে গেলেও শান্ত ব্যক্তির কঠিন আচরণ তাকে আজীবন ভীত অনুভূতির মাধ্যমে বিব্রতার সাথে দুর্বল করে দিতে পারে।

রিলেটেড পোস্ট


প্রত্যেকটা নারীর প্রকৃতির সাথে আলাদা একটা সম্পর্ক থাকে-
পড়া হয়েছে: ২৯০ বার

ভোরের শুভ্রতা-
পড়া হয়েছে: ২৭৮ বার

ক্ষুদ্র প্রতাপ সাময়িক সময়ে প্রভাব বিস্তার করে-
পড়া হয়েছে: ৩৬১ বার

কারোর ব্যক্তিত্ব যেকোনো পরিস্থিতির প্রভাব থেকে তাকে মুক্ত রাখে-
পড়া হয়েছে: ৩১২ বার

ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ ব্যক্তি ছিঁড়ছে সম্পর্কের পাতা-
পড়া হয়েছে: ৩৮০ বার

মজবুত মূল্যবোধ তৈরি করতে চিন্তাশক্তির প্রভাব-
পড়া হয়েছে: ২৪৫ বার

সৃষ্টতার আবির্ভূত মনোভাব মানুষকে উজ্জীবিত করে তোলে-
পড়া হয়েছে: ৪৭২ বার

শুরু থেকে শেষের অপেক্ষায় থাকা জীবন-
পড়া হয়েছে: ২১৮ বার

মনঃস্তাত্বিক বিষয়গুলো যত্নের সহিত রাখা উচিত-
পড়া হয়েছে: ২৪৯ বার

প্রবর্তনের সাংক্ষেপিক রুপ কারোর জীবনকে অনেকটা বদলে দেয়-
পড়া হয়েছে: ৪৪৮ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



পরাক্রমশালী মনোভাবে তৈরিকৃত জীবন- Thursday, 04th January, 2024

জীবনের প্রয়াসঃ

কোনো মানুষের কাছে সবকিছু ততক্ষণ পর্যন্ত স্বাভাবিক। যতক্ষণ পর্যন্ত কেউ সাধারণ চিন্তায় সবকিছু মূল্যায়ন করবে। কারণ যেকোনো কিছুর প্রতি অতিরিক্ত মূল্যায়নের বিশিষ্টতা কোনো ব্যক্তির মধ্যে অস্বাভাবিক চিন্তাভাবনা তৈরি করে। যা কাউকে নিজ অনুভবের জায়গায় মোহের ঘোরে আবদ্ধ করে থাকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। অতিরিক্ততার চেয়ে সামান্য দুর্বলতার শক্তি বেশি। কারণ দুর্বলতা কঠিন স্বভাবের মানুষকেও হারিয়ে দেয়। জীবনে একটা সময় হয়তো কোনো কিছুই তোমার জীবনকে প্রভাবিত করবে না। যখন তুমি ভেতর থেকে নিজের হেরে যাওয়া বিষয়গুলো টুকরো অনুভবেও যত্নের সহিত মেনে নিতে পারবা। মানুষ হিসেবে তখনই কেউ নিজের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে পারবে। যখন কারোর দৈনিক কার্যক্রমে মেনে নেওয়া আর মানায় নেওয়া সাধারণ অভ্যাসে পরিণত হবে।

জীবনে যখন কিছু বাড়তে শুরু করে- হতে পারে ইচ্ছা, চিন্তা, কষ্ট, আগ্রহ, মূল্যবোধ, আত্মবিশ্বাস ইত্যাদি। সেই সময় থেকে কেউ তার জীবনের এমন একটা পর্যায়ের মধ্যে প্রবেশ করে। যেখানে প্রশ্নের পরিমাণ বেশি থাকায়, উত্তরগুলো নিজেকে খুঁজে বের করতে হয়। সময় অতিবাহিত হতে থাকে নিজের মতো করে। কিন্তু জীবনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে গিয়ে যেকোনো কিছুর প্রতিক্ষা বাদ দিয়ে নিজেকে সময়ের সাথে তাল মেলাতে হয়। কারণ নিজের প্রতিরক্ষার্থে সর্বদা সময়ের মূল্যায়নে ফেলে আসা বিফলতাগুলো সেই মূহুর্তে সফলতায় পূর্ণতা পায়। যখন অভিজ্ঞতার পূর্ণতায় কেউ ফেলে আসা ভুলগুলোকে সময়ের পর্যালোচনায় আবদ্ধ করে রাখে। মানুষ হয়তো কোনো কিছু সহজে ভুলতে পারে না। কিন্তু শত চেষ্টার পর ভুলে যাওয়া বিষয়ের প্রতি কখনোই আর আকষ্মিক হতে পারে না। কারণ নিজ পর্যালোচনায় পরিবর্তিত বিষয়গুলো সময়ের সাথে অস্তিত্বহীন হয়ে যায়।

সময়ের একটা ইতিবাচক দিক হলো- কোনো কিছু বুঝতে সহায়তা করে। আর নেতিবাচক দিক হলো- ফেলে আসা কোনো কিছুর সমতা প্রকাশ করতে পারে না। অতিরিক্ত কিছুর পরও সেই বিষয়ের আক্ষেপ জীবনভর রয়ে যায়। যা নির্ভীক অনুভবেও কাউকে প্রতিনিয়ত দুর্বল অনুভব করায়। কিন্তু জীবনের প্রয়াসে সবকিছু বদলানো বা কিছু জিনিস ভুলে যাওয়া জীবনের জন্য শ্রেয়। মানুষ কিছু ক্ষেত্রে হয়তো নির্ভীক। তবে সম্পূর্ণরূপে নির্ভীত নয়। কারণ চিন্তা-চেতনা কাউকে সরল ও বিরল করে থাকে। যেজন্য অসম্পূর্ণভাবেও জীবনের পূর্ণতা আনা যায়। কিন্তু নিঃস্বার্থ মনোভাবের মাধ্যমে সবকিছুর সামঞ্জস্যতা বজায় রাখা সম্ভব হয়। তাই প্রত্যেকটা বিষয়ের সঠিক পর্যালোচনার জন্য যেকোনো কিছুর চিন্তায় নিঃস্বার্থ মনোভাব পোষণ করা উচিত।

Asad ali Monday, 08th January, 2024
Asad Ali 
     30

শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক-

 

সম্পর্কের সম্মানঃ

কোনো কিছুর শুরুতে সবকিছু ঠিক থাকে। আত্মিক অনুভব নিজের চারপাশে নতুন পরিবেশ সৃষ্টি করে। আশেপাশের সবকিছু নতুন আবহাওয়ায় নিজেকে নতুন করে সৃষ্টি করে। কিছুদিন পর এই সম্পর্কের প্রকৃতিটা আমাদের মধ্যে একঘেয়েমি সৃষ্টি করতে থাকে। কারণ আমরা মানুষ নতুনত্ব আমাদেরকে পরবর্তী মূহুর্তের প্রতি আকৃষ্ট করায়। ভালোলাগা এমন একটা জিনিস যেটা প্রতিটা মানুষের মধ্যে যেমন নতুনত্ব সৃষ্টি করে তেমনি তার চেয়ে একটু ভালো কিছু আমাদেরকে সেই পরিবেশের প্রতি অনিহা সৃষ্টি করায়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে ভালোলাগার বিষয়টা Short Time Relationship এর মধ্যে পরে। কারণ ভালোলাগা শুধু আমাদের কোনো কিছুর প্রতি আকৃষ্ট করায়। কিন্তু সত্যিকারের ভালোবাসা আমাদের অপ্রকাশ্যে ত্যাগ করতে শেখায়। যারা সত্যিকার অর্থে কাউকে ভালোবাসে তাদের প্রথম পর্যায় খুব কঠিন থাকে। কারণ তারা অনুভব করে। কিন্তু কিসের জন্য অনুভব করে তার কোনো কারণ খুঁজে পায়না। যা তাদের প্রথম পর্যায়ে খুবই বিরক্ত অনুভব করায় যেকোনো কিছুর প্রতি। আস্তে আস্তে সে যখন তার আত্মিক অনুভবের মানুষটাকে খুঁজে পায়। তখন তাকে সে এতটাই সম্মানের পর্যায়ে রাখে যে, তার যেকোনো পরিস্থিতিতে তার ঢাল হয়ে থাকে। আর এর কারণেই সবসময় তাকে হারানোর ভয়ে নিরবতায় তার প্রতিরক্ষার্থী 

সমাপ্তির পথচলা- Wednesday, 18th October, 2023

অসমাপ্ত আত্মকথাঃ

ভুল থেকে শুরুর পথচলা অস্বাভাবিক নয়। তোমার জীবনে পূর্ণতা আনে পিছনের করা ভুলগুলো। কারোর কাছ থেকে সবসময় পরামর্শ নিয়ে পথচলা একরকম। আর তুমি নিজের মতো করে পথ চললে সেইটা আরেক রকম। তোমার কিছু না থাকতে একা পথচলা একরকম আর সবকিছু থেকেও সেখান থেকে সাহায্য না নেওয়া অস্বাভাবিক। না পাওয়া থেকে শেখা যায়। কিন্তু সবকিছু থাকা সত্ত্বেও সেগুলোর সঠিক ব্যবহার না করলে সেটা তোমার ভুল। মানুষ যেকোনোভাবে নিজের জীবনের পর্যালোচনা করতে পারে। তার কিছু থাকুক আর না থাকুক। সেখানে শুধু শেখার মাধ্যমটা আলাদা হবে।

কখনো কারোর জীবন থেকে নিজের জীবন পর্যালোচনা করার চেষ্টা করবে না। প্রত্যেকের জীবন তার নিজের মতো। সময়ের সাথে একেক জন একেকভাবে বদলায়। কারণ প্রত্যেকের পরিবার ভিন্ন হয়। প্রত্যেকেরই তার পরিবারের মতো করে সঠিক বিবেচনায় নিজের ব্যক্তিত্ব তৈরি করে জীবনের পর্যালোচনা করা উচিত। কারণ ব্যক্তিত্বের নকল করা যায় না। কারোর ভালো দিক থেকে শেখা যায়। কিন্তু ব্যক্তিত্ব নিজের মতো করে তৈরি করতে হয়। পরিবার তোমাকে সঠিক পথে চলতে শেখাবে। পরিস্থিতি বুঝে তোমার নিজেকে  পরিচালনা করতে হবে।

নিজের কাছে নিজেকে সহজ করলে কোনো কিছুই কঠিন নয়। জীবনের পদক্ষেপগুলো সয়য়ের সাথে ধরন বদলাবে। কিন্তু নিজেকে নিজের মতো রেখে সময়ের সাথে এগোতে হবে। সবকিছু তখনই অনেক কঠিন যখন তুমি নিজের চেয়ে অন্য কিছুর বেশি গুরুত্ব দিবা। তখন চাইলেই সবকিছু ছেড়ে দেওয়া যায়। কিন্তু নিজেকে সহজে বদলানো যায় না। নিজেকে সঠিকভাবে তৈরি করতে পারলে, নতুনত্ব আমাদের মধ্যে কিছুসময় থাকবে। কিন্তু মনুষ্যত্ববোধ আমাদের মধ্যে আজীবন  থাকবে। কেউ কারোর কথায় কষ্ট পায় না। প্রত্যেকেই বিপরীত ব্যক্তির আচরণে কষ্ট পায়।

কাউকে কষ্ট দেওয়া সহজ। কিন্তু তাকে বুঝে তার যেকোনো পরিস্থিতিতে তার পাশে থাকা কঠিন। কারণ এটা সীমিত সময়ের পথচলা নয়, একটা দায়িত্ব। যা সবসময় থেকে যায় জীবনের একটা অংশবিশেষ হিসেবে। সমস্যার অভাব নাই, কিন্তু সমাধান প্রত্যেকটা বিষয়েরই আছে। শুধু বিষয়টাকে বুঝে সমাধান নিজের করে নিতে হবে। কঠিন একটা শব্দ। কিন্তু এটাকে আকার ধারণ করাই আমরা। জীবনের কোনো কিছুই বোঝার না, সবকিছুই প্রয়োগের বিষয়। মাঝে মাঝে আমরা নিজেদের জীবনের ক্ষেত্রে ছোট কঠিন শব্দের বড় প্রয়োগ করে ফেলি। যার কারনে সহজ কাজ করতে গেলেও ভুল হতেই থাকে। ভুলগুলোকে পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তীতে যেকোনো কাজ প্রয়োজনের তুলনায় নিখুঁতভাবে করা সম্ভব।

জীবন সীমিত সময়ের হলেও অনেক বিবেচনা করে প্রত্যেকটা মুহূর্তের সম্মুখীন হতে হয়। সহজ সবকিছুই যখন তুমি প্রত্যেকটা বিষয়ের সাথে নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারবা।

উপেক্ষাকৃত চিন্তার পরিপ্রেক্ষিতে সাময়িক মূল্যায়ন পর্যালোচনা- Thursday, 28th December, 2023

বিশিষ্টতার সাময়িকীকরণঃ

একবারে হয়তো কোনো কিছু সম্ভব না। কিন্তু ধীরে ধীরে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। প্রত্যেকবার করা যেকোনো কর্মের উপরই ঠিক ভুলের পার্থক্য বোঝা যায়। যার কারণে ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দিক দিয়ে যেকোনো কিছু যাচাই করা উচিত; সঠিক টা খুঁজে বের করার জন্য। যখনই কেউ অল্প করে সবকিছুর পার্থক্য করতে শিখবে। তার পরবর্তী মূহুর্তের শুরু থেকেই, যেকোনো কিছুর স্পষ্টতা সেইসব ব্যক্তির মধ্যে দৃষ্টান্ততা তৈরি করবে। যখন অটুট মস্তিষ্ক আর দৃঢ় মনোভাব তাকে প্রতিনিয়ত নতুনভাবে যেকোনো কিছুর মধ্যে মানানসই করে তুলবে। মানুষ নিজ থেকে সহজে ভুল করে না। পরিস্থিতির জড়তা কারোর মধ্যে চাপ সৃষ্টি করে তাকে বিভ্রান্ত অনুভবে যেকোনো কিছু গুলিয়ে ফেলায়। কিন্তু প্রত্যেকটা মূহুর্তে নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করা উচিত। যার সবচেয়ে সুন্দর সমাধান মেডিটেশন। কেউ যেকোনোভাবে মেডিটেশন করতে পারে। তবে তার জন্য সঠিক স্থান নির্বাচন নিজের দায়িত্ব। সঠিকভাবে মেডিটেশনের মাধ্যমে কেউ ধীরে ধীরে তার মধ্যে আবদ্ধ হতে থাকে। তখন যেকোনো মুহুর্তে সে ইচ্ছামতো নিজের মধ্যে পরিবর্তন আনতে পারে।

যেসব ব্যক্তি প্রচুর মানসিক চাপ নিয়ে থাকে কাজের জন্য। তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে একটু হিমসিম খেয়ে যায়। যা নিয়ন্ত্রণ করার সহজ কিছু পর্যায় আছে। যেমন- কখনো যদি এমন হয় যে, কাজের খুব চাপ সাথে পরিবারের। কিন্তু সময় নির্ধারণ করেও কাজের কারণে পরিবারের জন্য সময় বের করা অনেকটা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তখন তোমার নিজেকে নির্ধারণ করা উচিত পরিস্থিতিভেদে। কারণ কিছু মূহুর্তের সময়ের পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়ে যায় ভেতরের অনীহার কারণে। তাই সর্বপ্রথম নিজের সাথে নিজেকে মানায় নেওয়ার চেষ্টা করা উচিত। কারণ তুলনামূলকভাবে যেকোনো পরিস্থিতির সবচেয়ে বড় সমাধান তুমি নিজে। তাই কোনো মাধ্যম ছাড়া নিজের ভালোলাগা-খারাপলাগা নির্ধারণ করার চেষ্টা কর। সবসময় সুন্দর চিন্তা করো। নিজের অনুভূতিগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করো নিশ্চুপে। কিন্তু সবকিছু মধ্যের পবিত্রতা তোমার মধ্যে স্বচ্ছতা তৈরি করবে। যা তোমার বিভ্রান্তি নির্মূল করবে। যখন তুমি এই বিষয়গুলো নিজের অভ্যাসে পরিণত করতে পারবা। তখন তোমার কাছে কোনো কিছুই আর ছোট বড় মনে হবে না। যেকোনো কিছুই মানবিক অনুভবে সুন্দরভাবে মূল্যায়ন করতে পারবা নিজের স্বচ্ছতায়।

মানুষ নিজের পবিত্রতায় সবকিছুর চেয়ে বেশি মূল্যবান। কিন্তু সঠিক পর্যালোচনা ছাড়া যেকোনো কিছুই মরীচিকার মতো। জীবনে সময়ের আগে আসবে আবার চলে যাবে। তাই ব্যক্তিগত সব বিষয়ের সাথে ব্যক্তিত্ব জড়িয়ে রাখা উচিত। কিন্তু ব্যক্তিগত বিষয়গুলোর মধ্যে কাউকে না জড়ানোই ভালো। কারণ মানুষের আশা সবক্ষেত্রে তাকে নিরাশ করবে। কিন্তু একমাত্র কোনো মানুষই নিজের জন্য নিজের সাফল্যের সর্বোত্তম পর্যায় হয়ে থাকবে ক্ষণস্থায়ি এবং চিরস্থায়ীভাবে। জীবনের ভুলগুলো শোধরানো সম্ভব। যদি কেউ প্রত্যেকটা মানুষকে ভেতর থেকে সম্মান করে। আর নিজের জন্য নিজের বাঁধিত করতে পারে।