ক্ষুদ্র প্রতাপ সাময়িক সময়ে প্রভাব বিস্তার করে-

14th February, 2024
360




মনোস্তাত্বিক ইন্দ্রজালঃ

প্রেরণা সাধনার ফল। যা সবার জীবনে থাকে না। কারণ অনেকে মনে করে, প্রেরণা হয়তো ব্যক্তি বা পরিস্থিতির মাধ্যমে সময়ের সাথে তৈরি হয়। বর্তমান সমাজে এইটাই কারোর ভুল ধারণা। কারণ বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর। তাই নিজের যোগ্যতায় অর্জিত যেকোনো কিছুই জীবনের অনুপ্রেরণা। যা কাউকে সম্মানের সাথে প্রাণ খুলে বাঁচতে শেখায়। যেজন্য শান্ত বিবেচনায় নিস্তবদ্ধতার মাধ্যমে অপর ব্যক্তিকে প্রতিঘাত করা সম্ভব। যখন কেউ উত্তেজিত মনোভাবে হার স্বীকার না করলেও; তোমার দিকে আঙুল তোলার সাহস পাবে না। যার মাধ্যমে তুমি নিজের ভেতরের প্রেরণা অনুভব করতে পারবা। আর ধীরে ধীরে যা তোমাকে নিজের জীবনের প্রতি অনুপ্রাণিত করে তুলবে।

বিচরণ মস্তিষ্কে এমন অনেক কিছুই সম্ভব, যা অনেক সময় কেউ বলে বোঝাতে পারে না। কারন কিছু ব্যক্তি সম্ভাব্য কোনো কিছু এড়ানোর চিন্তায় নিজেকে তার মস্তিষ্কে সাবলীল রাখতে পছন্দ করে। প্রতিশ্রুতি মানুষকে বদ্ধ করে। যার কারনে অনেকেই যেকোনো ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ার শুরুতে দায় অনুভব করে থাকে। তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কিছু ব্যক্তির সিদ্ধান্ত নিতে অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন পড়ে। যখন কেউ তার ভিতরের জড়তা কাটাতে সবসময় বিভিন্ন মাধ্যমের প্রয়োগ করে থাকে তার জীবনে। কিন্তু সব মাধ্যম সবাইকে তুষ্ট করতে পারে না। যে কারনে জীবনের বিষন্নতায় অনেকে অল্প সময়েই ধৈর্য হারায় ফেলে। তাই সবার প্রথমে নিজের ভিতরে শান্ত মনোভাব পোষণ করা উচিত। যার মাধ্যমে কেউ ধীরে ধীরে নিজেকে শান্ত করতে পারবে। যখন সময়ের সাথে কেউ নিজেকে অনুভব করতে পারবে। নিজের প্রয়োজনকে সঠিকভাবে অনুধাবনের মাধ্যমে ইচ্ছাশক্তি পোষণ করতে সক্ষম হবে। তখন কারোর জড়তা দূর হওয়ার মাধ্যমে তার ভেতর সচ্ছতা তৈরি হতে থাকবে। যা কারোর চিন্তাশক্তির মাধ্যমে তার প্রত্যেকটা মূহুর্তকে সুন্দর করে তুলবে।

কখনো মানুষ যখন হঠাৎ করে মোহের রাজ্যে প্রবেশ করে, তখন কোনো ব্যক্তির আচমকা উপস্থিতি বা কথা তাকে অন্যরকমভাবে প্রভাবিত করে থাকে (অবশ্যই তার জীবনে ব্যক্তিটার মূল্যায়ন অনুযায়ী)। যখন কেউ না চাইতেও নিজেকে স্বাভাবিক রাখার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ে। যেই মূহুর্তে হয়তো কারোর মধ্যে দ্বিধাগ্রস্ততা কাজ করে না। তবে সাময়িক ত্রুটিপূর্ণ সময়ের অনিচ্ছাকৃত মনোভাব কারোর মধ্যে দোটানা সৃষ্টির মাধ্যমে তাকে সবকিছু থেকে আলাদা করতে থাকে। কিন্তু পৃথিবীর সামনে তারা নিজেদেরকে কখনোই বদ্ধ রাখে না। যার কারনে না পাওয়া সময়ের অপূর্ণ কিছু ইচ্ছা জীবনে যত্নসহকারে আগলে রাখার মাধ্যমে তারা নিজেদেরকে মানবিকতার মাধ্যমে তুষ্ট করে থাকে।

রিলেটেড পোস্ট


অন্ধকারের মধ্যে ভেঙে যাওয়া জীবনগুলো পুনরুদ্ধার করার শক্তি আছে-
পড়া হয়েছে: ২৭০ বার

অর্জিত আস্থাই মানুষের মনে বিশ্বাস তৈরি করে-
পড়া হয়েছে: ৩৬২ বার

সমাপ্তির পথচলা-
পড়া হয়েছে: ২২৪ বার

মানবিক মূল্যবোধ মানুষের ভেতরের লক্ষণ নির্ধারণ করে থাকে-
পড়া হয়েছে: ৪০৮ বার

বাহ্যিক শিষ্টতার মাঝে মানুষ নিজেকে নির্দিষ্ট করে থাকে-
পড়া হয়েছে: ৪৬১ বার

চিরন্তন সত্য-
পড়া হয়েছে: ৩৬৬ বার

কোনো কিছু উপলব্ধি করতে ইতিবাচক চিন্তার প্রভাব-
পড়া হয়েছে: ২৫২ বার

বেলা শেষে-
পড়া হয়েছে: ২৩৮ বার

পরিস্থিতি কারোর প্রকৃতি নির্ধারণ করে থাকে-
পড়া হয়েছে: ২৩৩ বার

কিছু বিষয়ের দীর্ঘস্থায়ীত্ব মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে-
পড়া হয়েছে: ৩৯৭ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



পারিবারিক আদালত কী, মামলার ধরন, মামলা করার পদ্ধতি Tuesday, 29th August, 2023

পারিবারিক আদালতঃ প্রতিটি জেলায় সহকারী জজ আদালত পারিবারিক আদালত হিসেবে গণ্য হয়। যেহেতু পারিবারিক আদালতের মামলা সিভিল বা দেওয়ানী প্রকৃতির বিধায় সকল পারিবারিক সমস্যার সমাধান এখানে পাওয়া যাবে এমনটা ভাবা সঠিক নয়। পারিবারিক আদালতে মূলত পাঁচটি পারিবারিক সমস্যার নিষ্পত্তি করা হয়।

  1. বিবাহ বিচ্ছেদ
  2. দাম্পত্য সর্ম্পক পুনরুদ্ধার
  3. মোহরানা
  4. ভরণপোষণ
  5. সন্তানের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান

বিবাহবিচ্ছেদঃ বিবাহবিচ্ছেদের জন্য সব সময় আদালতে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কাবিননামার ১৮ নম্বর ঘরে স্ত্রীকে তালাক দেয়ার ক্ষমতা না থাকলে কেবল স্ত্রী আদালতে যেতে পারেন। এছাড়া স্ত্রী যদি স্বামীকে ‘খোলা’ বা ‘মোবারাত’ বিচ্ছেদে সম্মত করাতে পারেন, সে ক্ষেত্রেও আদালতে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। কাবিননামায় স্ত্রীর তালাক দেয়ার ক্ষমতা না থাকলেই কেবল আদালতে যেতে হবে। ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ আইন অনুযায়ী ৯টি কারণের মধ্যে যেকোনো একটি কারণে স্ত্রী তালাক প্রার্থনা করতে পারেন।

  •  স্বামী চার বছরের বেশি সময় নিরুদ্দেশ থাকলে।
  • স্বামী দুই বছর খোরপোশ দিতে ব্যর্থ হলে।
  • বিনা অনুমতিতে অতিরিক্ত স্ত্রী গ্রহণ করলে।
  • স্বামী সাত বছর বা এর বেশি কারাদণ্ড ভোগ করলে।
  • বিনা কারণে স্বামী তিন বছর দায়িত্ব পালনে ব্যার্থ হলে।
  • স্বামী পুরুষত্বহীন হলে।
  • স্বামী কুষ্ঠব্যাধি বা মারাত্মক যৌনব্যাধিতে ভুগলে।
  • স্ত্রীর নাবালিকা অবস্থায় বিবাহ হলে এবং যৌন সম্পর্ক স্থাপন না হলে সাবালিকা হওয়ার পর স্ত্রী তা অস্বীকার করলে।

দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারঃ কোনো কারণে দাম্পত্য জীবন ব্যাহত হলে এবং সংসারে ফেরত না আসতে পারলে স্বামী বা স্ত্রী যে কেউ পারিবারিক আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন। মোহরানা/দেনমোহর : স্বামীর পরিশোধ না করা দেনমোহরের জন্য স্ত্রী মামলা করতে পারেন। তাৎক্ষণিক মোহরানার জন্য যে তারিখে তা দাবি করা হয় এবং অগ্রাহ্য করা হয়, সে তারিখ থেকে তিন বছরের মধ্যে এবং বিলম্বে মোহরানার জন্য বিচ্ছেদ ঘটার তারিখ থেকে তিন বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে। ভরণপোষণ : স্বামী যদি স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ইচ্ছাকৃত অপারগ থাকেন, তাহলে স্ত্রী যেদিন থেকে ভরণপোষণের টাকা দাবি করবেন, সেদিন থেকে তিন বছরের মধ্যে পারিবারিক আদালতে মামলা করতে হবে। সন্তানের অভিভাবকত্ব : সন্তানের অভিভাবকত্ব এবং হেফাজত নিয়ে কোনো বিরোধ হলে পারিবারিক আদালতে যাওয়া যেতে পারে। আইনগত বিবাহবিচ্ছেদের পর ছেলের সাত বছর বয়স এবং মেয়ের বয়োসন্ধি পর্যন্ত মা-ই সন্তানকে পালন করতে পারেন। উপযুক্ত বয়সসীমার নিচে যদি সন্তানের বয়স হয় এবং বাবা যদি মায়ের কাছে সন্তানকে না রাখতে দেন, তবে মা পারিবারিক আদালতে মামলা করতে পারেন। এ পাঁচটি বিষয়ে পারিবারিক বিরোধ দেখা দিলে আপনি পারিবারিক আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন। পারিবারিক এসকল বিরোধ নিষ্পত্তির জন্যই দেশে পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

আদালতের আশ্রয় নেয়ার পদ্ধতিঃ উভয় পক্ষ যেখানে বসবাস করে বা সর্বশেষ বসবাস করেছে এবং যে পারিবারিক আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে সমস্যা উদ্বৃত্ত হয়েছে, সেই আদালতে মামলা করতে হবে। তবে বিবাহবিচ্ছেদ, মোহরানা ও ভরণপোষণের ক্ষেত্রে যেখানে স্ত্রী বসবাস করেন, সেই এলাকায় বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে পারবেন। দেনমোহর বা ভরণপোষণের পরিমাণ যতই হোক, মামলা করা যাবে। পারিবারিক মামলার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য প্রয়োজনীয় যে কাগজ-পত্র দরকার -

  1. কাবিন নামা
  2. তালাক নামা (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে)
  3. ভোটার আইডি কার্ড/ জন্ম নিবন্ধন সনদ
  4. বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন কার্ড (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে)
  5. ২য় বিবাহের কাবিন নামা

(প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে) মামলার ধাপসমূহঃ 

  1. মামলা দায়ের
  2. সমন ফেরত
  3. জবাব দাখিল
  4. আপোষ মিমাংসা/বিচার্য বিষয় গঠন
  5. শুনানির তারিখ নির্ধারণ/প্রাথমিক শুনানি
  6. চূড়ান্ত শুনানি
  7. যুক্তি-তর্ক
  8. রায় ও ডিগ্রী মামলার ধাপগুলো দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

অন্য সকল মামলার তুলনায় পারিবারিক আদালতের মামলার কার্যক্রম অগ্রাধিকার দিয়ে খুব কম সময়ের মধ্যে সমাধান করার চেষ্টা করা হয়ে থাকে।

ক্ষুদ্র প্রতাপ সাময়িক সময়ে প্রভাব বিস্তার করে- Wednesday, 14th February, 2024

মনোস্তাত্বিক ইন্দ্রজালঃ

প্রেরণা সাধনার ফল। যা সবার জীবনে থাকে না। কারণ অনেকে মনে করে, প্রেরণা হয়তো ব্যক্তি বা পরিস্থিতির মাধ্যমে সময়ের সাথে তৈরি হয়। বর্তমান সমাজে এইটাই কারোর ভুল ধারণা। কারণ বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর। তাই নিজের যোগ্যতায় অর্জিত যেকোনো কিছুই জীবনের অনুপ্রেরণা। যা কাউকে সম্মানের সাথে প্রাণ খুলে বাঁচতে শেখায়। যেজন্য শান্ত বিবেচনায় নিস্তবদ্ধতার মাধ্যমে অপর ব্যক্তিকে প্রতিঘাত করা সম্ভব। যখন কেউ উত্তেজিত মনোভাবে হার স্বীকার না করলেও; তোমার দিকে আঙুল তোলার সাহস পাবে না। যার মাধ্যমে তুমি নিজের ভেতরের প্রেরণা অনুভব করতে পারবা। আর ধীরে ধীরে যা তোমাকে নিজের জীবনের প্রতি অনুপ্রাণিত করে তুলবে।

বিচরণ মস্তিষ্কে এমন অনেক কিছুই সম্ভব, যা অনেক সময় কেউ বলে বোঝাতে পারে না। কারন কিছু ব্যক্তি সম্ভাব্য কোনো কিছু এড়ানোর চিন্তায় নিজেকে তার মস্তিষ্কে সাবলীল রাখতে পছন্দ করে। প্রতিশ্রুতি মানুষকে বদ্ধ করে। যার কারনে অনেকেই যেকোনো ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ার শুরুতে দায় অনুভব করে থাকে। তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কিছু ব্যক্তির সিদ্ধান্ত নিতে অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন পড়ে। যখন কেউ তার ভিতরের জড়তা কাটাতে সবসময় বিভিন্ন মাধ্যমের প্রয়োগ করে থাকে তার জীবনে। কিন্তু সব মাধ্যম সবাইকে তুষ্ট করতে পারে না। যে কারনে জীবনের বিষন্নতায় অনেকে অল্প সময়েই ধৈর্য হারায় ফেলে। তাই সবার প্রথমে নিজের ভিতরে শান্ত মনোভাব পোষণ করা উচিত। যার মাধ্যমে কেউ ধীরে ধীরে নিজেকে শান্ত করতে পারবে। যখন সময়ের সাথে কেউ নিজেকে অনুভব করতে পারবে। নিজের প্রয়োজনকে সঠিকভাবে অনুধাবনের মাধ্যমে ইচ্ছাশক্তি পোষণ করতে সক্ষম হবে। তখন কারোর জড়তা দূর হওয়ার মাধ্যমে তার ভেতর সচ্ছতা তৈরি হতে থাকবে। যা কারোর চিন্তাশক্তির মাধ্যমে তার প্রত্যেকটা মূহুর্তকে সুন্দর করে তুলবে।

কখনো মানুষ যখন হঠাৎ করে মোহের রাজ্যে প্রবেশ করে, তখন কোনো ব্যক্তির আচমকা উপস্থিতি বা কথা তাকে অন্যরকমভাবে প্রভাবিত করে থাকে (অবশ্যই তার জীবনে ব্যক্তিটার মূল্যায়ন অনুযায়ী)। যখন কেউ না চাইতেও নিজেকে স্বাভাবিক রাখার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ে। যেই মূহুর্তে হয়তো কারোর মধ্যে দ্বিধাগ্রস্ততা কাজ করে না। তবে সাময়িক ত্রুটিপূর্ণ সময়ের অনিচ্ছাকৃত মনোভাব কারোর মধ্যে দোটানা সৃষ্টির মাধ্যমে তাকে সবকিছু থেকে আলাদা করতে থাকে। কিন্তু পৃথিবীর সামনে তারা নিজেদেরকে কখনোই বদ্ধ রাখে না। যার কারনে না পাওয়া সময়ের অপূর্ণ কিছু ইচ্ছা জীবনে যত্নসহকারে আগলে রাখার মাধ্যমে তারা নিজেদেরকে মানবিকতার মাধ্যমে তুষ্ট করে থাকে।

আবছা বিষয়গুলোর প্রতি মানুষের প্রয়োজন বেশি- Saturday, 02nd December, 2023

স্থিতিশীলতাঃ

গুরুত্ব কাউকে আবছা বিষয়ের প্রতি সহজে অনুভব করায়। যা কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেও নির্মূল করতে পারে না। ভালোলাগা ভোলা যায়। কারণ জন্ম থেকেই মানুষের মধ্যে ভালোলাগা খারাপ লাগার অনুভূতি কাজ করতে থাকে। কিন্তু যোগ্যতা আর মানবিকতার ওপরে মানুষের গুরুত্ব নির্ভর করে। যেজন্য একজনের প্রতি কারোর হালকা গুরুত্বও তাকে আত্মবিশ্বাসী অনুভব করায়। যখন পর্যায়ক্রমে তার জীবনের দ্রুত পরিবর্তন হয়। কিন্তু সময়ের সাথে বিষয়টা নিঃসৃত হয়ে গেলেও সেই বিষয়ের অনুভূতির মনোভাব কখনো বদলায় না। কারণ অনুপ্রেরণায় মানুষ তার জীবনের প্রতি উদগ্রীব হয়।

কোনো কিছুতে ভুল হলে সহজে বিষয়টাকে বাদ দিয়ে নতুন কিছু তৈরি করা সম্ভব হয় না। তবে সময় নিয়ে অল্প পরিবর্তনে বিষয়টা সংশোধন করা সম্ভব। কোনো কিছু বাদ দেওয়ার আগে মূল্যায়ন করা উচিত। কারন ভালো কিছু শুরুতে সমস্যা নিয়ে আসে। কিন্তু পরবর্তীতে বিষয়টা প্রয়োজন অনুপাতে ফল দিতে থাকে। স্থিতিশীলতা অনেকের রাগের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। যা কাউকে শান্ত মস্তিষ্কে ভাবতে শেখায়। তখন কেউ তার কথা আর কাজের মাধ্যমে সমাজে মূল্যায়িত হয়ে থাকে। স্থিতিশীলতায় কোনো ব্যক্তি নিজেকে পরিবর্তনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে। যেকোনো কিছুর স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রেখে। তাই ব্যক্তিভেদে নিজের জীবনের স্থিতিশীলতা বজায় রেখে চলার চেষ্টা করা উচিত।

বেশিরভাগ মানুষের জীবনে এমন সময় সফলতা আসে। যখন সেই সফলতা হয়তো জীবনের প্রতি অর্থহীনতা প্রকাশ করে। ব্যক্তিগুলো জীবনের একটা সময়ে প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত পরিশ্রম করে থাকে। যার কারনে পরবর্তীর অর্জনে সেইসব ব্যক্তি ব্যর্থতা অনুভব করে। কিন্তু তখন প্রত্যেকেই একজন সফল ব্যক্তি। হয়তো জীবনের ব্যর্থতায় কারোর সফলতা লুকিয়ে থাকে। কিন্তু তা অর্জনের পরও জীবনের স্বল্পতায় অনেকে ব্যর্থতার অনুভবে আবদ্ধ থাকে। যার কারনে মানুষ কোনো কিছুর অভাবে যেমন আফসোস করে। তেমনি শেষ মূহুর্তের অর্জিত সফলতায় তার থেকেও বেশি অনুশোচনা অনুভব করে। যেজন্য সময় থাকতে অল্পের মধ্যে নিজেকে সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করা উচিত। যা কাউকে হয়তো যেকোনো সময়ের অর্জিত সফলতায় আর অনুশোচনা অনুভব করায় না।​​​​​