” আপনার সেই আবেগগুলি আপনাকে কষ্ট দেয় যেগুলি একান্তই আপনার মনে হয় ।”

12th February, 2024
46




আবেগি মন স্ট্যাটাস দিয়ে এই পোস্ট টি করা হয়েছে । আমাদের এই সাইটে হাজার হাজার বাংলা স্ট্যাটাস ও এসএমএস পাবেন । তবে এখানে কিছু কষ্টের স্ট্যাটাস বা আবেগি মন স্ট্যাটাস পাবেন । অনেকেই এই ধরনের স্ট্যাটাস অনেক লাইক করে । তাই আমরা এখানে কিছু সুন্দর সুন্দর স্ট্যাটাস দিয়েছি । আশাকরি আপনাদের কাছে এগুলো অনেক ভালো লাগবে । তো চলুন দেখা যাক সেই সেরা স্ট্যাটাস গুলোঃ

আবেগি মন স্ট্যাটাস :

” আপনার সেই আবেগগুলি আপনাকে কষ্ট দেয় যেগুলি একান্তই আপনার মনে হয় ।”

” প্রেম একটি শক্তিশালী আবেগ । প্রেম অন্য সব কিছুকে গুরুত্বহীন করে দেয়, কারণ অন্যসব আবেগ এত বেশী শক্তিশালী নয় ।”

” আপনি যখন কষ্ট পাবেন, তখন সেই কস্টকে প্রেরণায় রূপান্তরিত করার চেষ্টা করুন, হাল ছাড়ার কারণ হিসাবে নয়।”

” আমার ইচ্ছে হয় আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেই, কিন্তু আমার আবেগ তা করতে দেয় না, কারণ তুমি সত্যিই অনেক বেশী কষ্ট দিয়েছো আমায় ।”

” তুমি হয়তো মরতে চাও, কিন্তু বাস্তব টা হলো তুমি নিজেকে সেভ করতে চাও ।”

” মরে যাওয়া কোন সমস্যার সমাধান নয়, বরং বেঁচে থেকে সমস্যা সমাধানের লড়াই করে যাওয়াই হলো জীবন ।”


আরো নিবন্ধন পড়ুন



জীবনের সান্নিধ্যে সবকিছুর নির্ধারিত মাত্রা বজায় রাখা উচিত- Saturday, 23rd December, 2023

অন্তহীন পর্যালোচনাঃ

কোনো মানুষ নিজেকে সবচেয়ে সৌভাগ্যবান তখন মনে করে, যখন সে তার বিশেষ কিছুর মধ্যে নিজের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পায়। আবদার সবার মধ্যেই কম বেশি থাকে। তবে ইচ্ছা প্রকাশের শক্তি কিছু ব্যক্তির মধ্যেই থাকে। যার কারনে বর্তমান সময়ের মানুষগুলো, উপর থেকে যেমনই হোক না কেন। ভিতর থেকে অনেকেই সবকিছুর মধ্যেও নিজের খুশিতে বাঁচতে শিখে গেছে। একটা সময় যেকোনো কিছুই কোনো ব্যাপার না। যখন কেউ নিজে তার ব্যক্তিত্ব তৈরি করবে প্রত্যেকটা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে। কারণ মানুষ যেমন অবুঝ নয়। তেমনি সর্বজ্ঞ নয়। যেজন্য প্রত্যেকটা মানুষের‌‌‌ মধ্যে যেকোনো কিছুর কার্যক্ষমতা থাকলেও পরিচালনক্ষমতা সীমিত ব্যক্তির মধ্যে বিস্তারিতভাবে থাকে।

মানুষের প্রত্যেকটা মূহুর্ত তার জীবনকে উপস্থাপন করে। কার মানসিকতা কেমন? কার বিবেচনা শক্তি কেমন? সবকিছুই যে কাউকে প্রভাবিত করতে পারে। কিন্তু কারণ ছাড়া কোনো কিছু অর্থহীন! কম বেশি বিবেচনা সাধারণ। কিন্তু কোনো কিছুর বিচার ছাড়া বিশ্লেষণ মূর্খতা। কোনো কিছুর জন্য যে শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষা জরুরি, বিষয়টা এমন নয়। কিছু ক্ষেত্রে মানবিক মূল্যবোধের দরকার হয়। যা কাউকে বিবেচনার মাধ্যমে যে কোনো পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে সহায়তা করে। তখন অন্যের দোষের জায়গায় নিজের ভুলগুলো চোখে পড়ে। যখন জীবনের বেশিরভাগ সমাধান অটোমেটিকভাবে হয়।

মানুষের জীবনের প্রত্যেকটা মূহুর্ত মূল্যবান। যা ক্ষণিকের হলেও একবার চলে গেলে আর ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। তাই জীবনের প্রত্যেকটা মূহুর্তকে উপভোগ করে যাওয়া উচিত। যাতে কখনো অন্যত্র দায়ে নিজের মধ্যে অনুশোচনা তৈরি না হয়। সাবলীল জীবন-যাপনে কোনো কিছুর সংক্ষিপ্ততাও বিশ্লেষিত রূপ প্রকাশ করে যায়। যেখানে সামান্য কিছু অমূল্যভাবে নিজের জায়গা নির্ধারণ করে যায়। যা কোনো পরিস্থিতির মধ্যে স্মৃতিচারণ হিসেবেও স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রাখে। তাই অনুভব করা উচিত নিজের খুশিতে। আর বাঁচা উচিত সবার শান্তির শেষ মাধ্যম হিসেবে। যা কেউ প্রকাশ না করলেও কখনো ভুলে যায় না।

সমাজের বিপরীত প্রতিক্রিয়ায় নিজেকে পরিবর্তনের সময়- Thursday, 09th November, 2023

জীবনের ইতিহাসঃ

দিনের সূর্যহীন হালকা আলোয় নিস্তব্ধ প্রকৃতি তোমার পরিভাষা তৈরি করবে। যদি তুমি শান্তিপূর্ণ মানুষ হও। সমাজ মানুষকে চলতে শেখায়। আর প্রকৃতি মানুষকে বাঁচতে শেখায়। পার্থক্য হচ্ছে সমাজ মানুষকে ঠিকিয়ে শেখায়। আর প্রকৃতি মানুষকে ভালোবেসে শেখায়। প্রত্যেকের জীবনেই কিছু বিশেষ মূহুর্ত থাকে। যা তাকে অনুভব করা শেখায়। প্রত্যেকের জীবনের ভিন্নতায় অনুভবের ধরন আলাদা হলেও বিষয়টা মন থেকে আসে। যার গভীরত্ব কাউকে সবসময় রূপান্তর করতে থাকে।

কিছু মানুষের দোষে পরিস্থিতি আর সমাজকে সবাই দোষারোপ করতে থাকে। যার কারণে ক্ষণিকেই ব্যক্তিটা তার কৃতকর্মগুলো ভুলে গিয়ে, নতুন করে ভুল করতে থাকে। পরবর্তীতে তার ভুলগুলো বিস্তারিত রূপ ধারণ করতে থাকে। যার লাগাম না টানলে সে শোধরানোর জায়গায় বেশি বিগড়াতে থাকে। এইজন্য শুরু থেকেই ভুলগুলো বোঝার গুরুত্ব অনেকটা বেশি। কেউ শুরুতে হয়তো ইচ্ছা করে ভুল করে না। কিন্তু কাউকে ভুলগুলো না বোঝালে সঠিকটা সবসময় তার অজানা থেকে যায়। বর্তমানে হয়তো কেউ কাউকে বোঝায় না। সময় সাপেক্ষে সবাইকেই সবকিছু তার নিজের মতো করে বুঝে নিতে হয়। যার কারণে সবাই কাছাকাছি থেকেও দুরত্ব অনেক বেশি।

অনেক সময় কিছু পরিস্থিতি চাইলেও নিজের মতো করে গড়া যায় না। কারণ কিছু জিনিস অনুভবেই সুন্দর, বাস্তবে জটিল। এইরকম অল্প কিছু কারনে বাস্তবে চলতে পারলেও অনুভবের কোনো কিছুর বাস্তবায়ন থমকে যায়। যার কারণে বাস্তবতা বাস্তবায়নে আর অনুভূতি অনুভবেই সুন্দর। প্রিয় মুহুর্তগুলো বর্তমানে পুরোনো দিন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যা কাউকে প্রশান্তি অনুভব করানোর জায়গায় অস্বস্তি অনুভব করায়। মানুষ স্বার্থপর না। কারণ সময়ের সাথে সবাই নিজেকে গোছাতে শিখে গেছে। যার কারণে একজন আরেকজনের জন্য নয়, প্রত্যেকে নিজের জন্য বাঁচাতে চেষ্টা করে।

তোমার ভালো-খারাপ কখনো কাউকে প্রকাশ করতে যাবা না। কারণ প্রকাশ্যের চেয়ে অপ্রকাশ্যের সুবিধা অনেক। তখন চাইলে কেউ তোমার সাহায্য নিতে পারবে। কিন্তু তোমার সুযোগ নিতে পারবে না। প্রত্যেকেই সুবিধাবাদী, যার কারণে নিজেকে আড়ালে রাখা ভালো। কেউ যখন কোলাহলের চেয়ে শান্তিপূর্ণ জীবন পছন্দ করবে। তখন তার জীবনে কোলাহলের স্থায়িত্ব তাকে একসময় অন্তর্মুখী করবে। যার কারনে কোনো কিছুর পিছুটানের জায়গায় জীবনের প্রতি স্বস্তির নিঃশ্বাস তাকে অনুভব করাবে বেশি। কোনো কিছুর ভালোর জন্য নিজের আত্মত্যাগের জায়গায় বিষয়টাকেই জীবন থেকে ত্যাগ করা ভালো। কারণ তুমি তোমার জন্য। তাই একবার নিজেকে হারিয়ে ফেললে পূর্বের ন্যায় কোনো কিছু ফিরে পেলেও ভেতর থেকে অনুভব হারিয়ে যাবে। যার কারণে বেঁচে থেকেও তুমি মৃতপ্রায় অবস্থায় নিঃশেষে বিভাজ্য হতে থাকবা।

প্রত্যেকটা বিষয়ের ভালো-খারাপ নিয়েই জীবন। ভালো থাকতে গেলে যেকোনো বিষয়ে ত্যাগ করে মানায় নেওয়া প্রয়োজন। কারণ যেকোনো বিষয় মানায় নেওয়ার মাধ্যমে নিজেকে ধৈর্য্যশীল রাখতে পারবা। আর কোনো কিছুর ত্যাগ তোমাকে পরিবর্তন করবে। যা তোমাকে সমাজের পরিবর্তিত রূপ দেখাবে।

মাথার পাশে ভুলেও মোবাইল চার্জে দিয়ে ঘুমাবেন না Monday, 28th August, 2023

গভীর রাত পর্যন্ত মোবাইল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা। আর তারপর তা চার্জে বসিয়ে ঠিক মাথার পাশে রেখে ঘুমিয়ে পড়া। এ স্বভাব অনেকেরই আছে। কিন্তু এই অভ্যাস অত্যন্ত ক্ষতিকর। ইউজারদের এবার এ নিয়েই সতর্ক করল অ্যাপেল। 

অ্যাপেলের তরফ থেকে এবার অনলাইন ইউজার গাইডে এ নিয়ে সতর্ক করা হবে। মার্কিন সংস্থাটির দাবি, বর্তমানে রাত জেগে মোবাইলে অনলাইন গেম খেলা কিংবা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম দেখার প্রবণতা বাড়ছে। যার জেরে মোবাইলের ব্যাটারিও দ্রুত কমতে থাকে। সমাধান হিসেবে তাই স্মার্টফোনটি চার্জ করতে করতেই হাতে ফোন ধরে থাকেন। আর অনেক সময় সেভাবেই মোবাইল হাতে ঘুমিয়ে পড়েন। যা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর।

অ্যাপেলের তরফ থেকে বলা হয়, মোবাইল চার্জে দিয়ে কোনো সমতল স্থানে রাখা উচিত। যেমন টেবিল কিংবা আলমারির মাথা। কম্বল, বালিশ কিংবা আপনার শরীরের ওপর রেখে চার্জ করা একেবারেই সঠিক পদ্ধতি নয়।

ইউজার গাইডে আরো বলা হয়েছে, আইফোন চার্জ হওয়ার সময়, তা থেকে তাপ নির্গত হয়। যে কারণে সঠিক পরিবেশ ও খোলা জায়গা না পেলে তাতে আগুন ধরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। একই কারণে ফোন চার্জে বসিয়ে বালিশের নিচে চাপা রেখে দেয়ার বিষয়টিও অত্যন্ত বিপজ্জনক।

এমনিতেই টেক কোম্পানিগুলি সতর্ক করে জানিয়ে দেয় যে পাওয়ার ব্যাংক, ওয়্যারলেস চার্জার কিংবা মোবাইলের মতো ডিভাইসের ওপর শুয়ে পড়বেন না। পাশাপাশি কম্বল, বালিশের নিচেও এই ধরনের ডিভাইস রাখবেন না। এতে শরীরের যেমন ক্ষতি হয় না, তেমনই ব্যাটারি পুড়ে যাওয়া কিংবা ডিভাইসে আগুন লাগার ঝুঁকিও এড়ানো যায়।