অর্জিত আস্থাই মানুষের মনে বিশ্বাস তৈরি করে-

08th February, 2024
340




 আপ্লুত মনোভাবঃ

কেউ যখন নিজের একটা বিষয়ের অনেকগুলো দিকের সম্মুখীন হয়। তখন সেই ব্যক্তি না চাইতেও ওই বিষয়টার প্রতি বেশি গুরুত্ব দিয়ে ফেলে। কারন মানুষ যেমন বোধসম্পন্ন, তেমনি কৌতুহলপ্রবণ। যখন সাধারন বিষয়গুলোর কয়েকটা দিক তৈরি হতে থাকে। তখন আকষ্মিকভাবে বিষয়টার জন্য কেউ প্রতিনিয়ত নিজের সাথে লড়াই করে থাকে। যার কোনো জয় বা পরাজয় থাকে না। তবে বিষয়টার অদৃশ্যমান একটা শক্তি থাকে। যা প্রকাশ্যে কাউকে সবসময় আত্মবিশ্বাসী করে ঠিক-ভুলের পার্থক্য করা শেখায়। যেখানে সরলতায় কেউ নিজেকে গড়ে তোলে ঠিকই। তবে দুর্বলভাবে নয়। যার কারনে কঠিন বাস্তবতার মাঝেও কেউ সবসময় নিজের মাঝে খুশি থাকে।

যেকোনো বিষয় বা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মূল্যায়ন। অনেকেই কোনো কিছু করার পূর্বে যেমন বার বার ঠিক-ভুল পর্যবেক্ষণ করে থাকে। ঠিক তেমনি কোনো বিষয় বা পরিস্থিতি পরিচালনার ক্ষেত্রে তা সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেওয়া ভালো। কারন সঠিক পর্যবেক্ষণেই শতভাগ মূল্যায়ন সম্ভব। যখন আস্থার মাধ্যমে কারোর ভেতর ভরসা তৈরি হয়। যেকোনো কিছু পর্যায়ক্রমে নিয়ন্ত্রিত হলেও আস্থার মাধ্যমেই সবকিছুর ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। যা একটা মজবুত বন্ধন তৈরি করে যেকোনো পরিস্থিতিতে। কোনো কারনে যদি একবার কারোর মন থেকে ভরসা চলে যায়। তবে শত চেষ্টায়ও কোনো কিছু পূর্বের ন্যায় গড়ে তোলা সম্ভব নয়। হয়তো কোনো কিছুর ভুলেও বিকল্প সমাধান সম্ভব। কিন্তু আস্থার জায়গাটা একবার নষ্ট হলে তার বিকল্প কোনো সমাধান থাকে না। বরং সময়ের সাথে পরিস্থিতি আরো বিগড়াতে তাকে। যেজন্য কারোর আস্থার কারন হওয়ার পূর্বে দায়িত্বের মাত্রা নির্ধারন করে নাও। যদি বিষয়টা জটিল মনে হয়। শুরুতেই কাউকে আস্থা দিও না। সময়ের সাথে যদি জটিলতা দূর হয়। তবেই আস্থার মাধ্যমে কারোর ভরসার কারন হও।

এক টুকরো সোনা হয়তো মূল্যবান। তবে তা আকৃতি না পাওয়া অবধি ব্যবহারযোগ্য নয়। কারণ সোনা পুরে নিজের খাদ কমায়। আর গলে নতুন আকৃতির মাধ্যমে ব্যবহারযোগ্য মূল্যবান জিনিসে রূপান্তর হয়। একইভাবে কেউ টাকা রোজগার করার মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে সফল ব্যক্তি নয়। যদি সে বিপদে পাশে থাকা মানুষগুলো আর পরিবারের প্রতি নিজের দায়িত্বকে কখনো অস্বিকার করে ফেলে। সামনে সে সবার কাছে নিজের পরিধি বাড়াতে পারলেও। মানুষ হিসেবে সে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ। কারণ প্রকৃতি থেকে মানুষ তৈরি। আর প্রকৃতি সময়ের বিবর্তনেও পৃথিবীকে আগলাতে ভুল করে না। কিন্তু মানুষ যখনই নিজের দায়িত্ব-কর্তব্যকে অস্বিকার করবে। সৃষ্টিকর্তার থেকে সম্বোধনপ্রাপ্ত প্রকৃতি থেকে তারা সময়ের সাথে নিজেদের ফল ভোগ করবে। আর সৃষ্টির এই নিয়মকে না কেউ বদলাতে পারবে। না কেউ নিজের কর্মের ফল থেকে বাঁচতে পারবে, হোক সে খারাপ বা ভালো।

মানুষ হিসেবে জন্ম নিলে প্রত্যেককে নিজের দায়িত্ব-কর্তব্যকে গ্রহণ করতে হবে। তবে নিজের ইচ্ছামতো নয়। যোগ্য ব্যক্তির প্রতি দায়িত্ব আর পরিবারের প্রতি কর্তব্য পালন করতে হবে। ব্যক্তিভেদে সবার জীবন এক রকম হয়না। তাই সঠিক বিবেচনায় প্রত্যেককে নিজের করণীয় সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে।

রিলেটেড পোস্ট


সর্বোত্তম মূহুর্তের যেকোনো বিবেচনা মন থেকে আসে-
পড়া হয়েছে: ৩০১ বার

সৃষ্টতার আবির্ভূত মনোভাব মানুষকে উজ্জীবিত করে তোলে-
পড়া হয়েছে: ৪৫৩ বার

নিশ্চুপ পরিস্থিতির অবুঝ মুহুর্ত-
পড়া হয়েছে: ২৫৩ বার

শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক-
পড়া হয়েছে: ৩৫৯ বার

চার দিনের ব্যবধানে ফের কমল সোনার দাম
পড়া হয়েছে: ৭৬ বার

পরিসমাপ্তির অন্তরালে-
পড়া হয়েছে: ৩৩১ বার

শুরু থেকে শেষের অপেক্ষায় থাকা জীবন-
পড়া হয়েছে: ২০৯ বার

কারোর জীবনে না চাইতেও পাওয়া কিছু বিশেষ উপহার-
পড়া হয়েছে: ২৯৪ বার

কিছু বিষয়ের উৎকৃষ্টতা মানুষকে অস্বাভাবিকভাবে গড়ে তোলে-
পড়া হয়েছে: ৪১৫ বার

বাহ্যিক শিষ্টতার মাঝে মানুষ নিজেকে নির্দিষ্ট করে থাকে-
পড়া হয়েছে: ৪৪৪ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



অনুভবের আর্তনাদের অন্তিম পর্যায়- Friday, 13th October, 2023

অনুভবের আর্তনাদঃ

কিছু জিনিসের প্রতি আমরা অনেক সময় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেই। কিছু সময় সেই গুরুত্বটা নিজের জন্য অবশিষ্টভাবে কষ্টের ছাপ রেখে যায় জীবনে। যেটা সময়ের সাথে নিজের ভেতরের এমন একটা পরিবর্তন ঘটায় যা কারোর প্রতি নিজেকে শক্ত না করলেও, অন্যের প্রতি নিজেকে দুর্বল হতে দেয় না। জীবনের করা শত ভুল আমাদের পরবর্তী সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। 

নিজের মতো করে সঠিকভাবে নিজের ব্যক্তিত্ব তৈরি করতে পারলে কখনো কারোর অপমান, অবহেলা নিজেকে কষ্ট দেয় না। কারণ সে জানে সেই ব্যক্তিই তাকে অপমান করবে যার বিবেচনা কম অন্যের থেকে পাওয়ার আশা রাখে বেশি। যখনই তাদের তুমি দিতে ব্যর্থ হবে তখন তুমি তাদের লুকায়িত আসল ব্যক্তির সাথে পরিচিত হবা। যার হদিস তোমার কাছে আগে থেকেই ছিলো। সময় থাকতে এমন ব্যক্তিগুলোর থেকে দূরে থাকতে পারলে নিজেকে খোলা আকাশের মাঝে ছেড়ে দিতে আর কোনো বাঁধা থাকে না।

নিজের ব্যক্তিত্বের সাথে অন্যের জন্য Compromise করলে আর কখনো নিজের ব্যক্তিত্ব পূর্বের মতো করে ফিরে পাওয়া সম্ভব হয় না। তুমি নিজের সাথে নিজেকে মানায় নিতে পারলে কারোর সাথে তোমার নিজেকে মানায় নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। কারণ পরিস্থিতি যেমন সময়ের উপর নির্ভর করে তেমনি তোমার জীবনটা তোমার উপর নির্ভর করে। তুমি যখনই নিজের মতো করে অন্যের কাছে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবা। তখন যেকোনো কিছুর জন্য প্রত্যেকের কাছে তুমি সবার প্রথমে থাকবা।

কোনো কিছু পাওয়ার আশায় নয়, নিস্বার্থভাবে অন্যের পাশে থাকলে তোমার পাশে পুরো প্রকৃতি থাকবে। হয়তো একসময় তুমি যাদের পাশে নিস্বার্থভাবে থাকবা তারা তোমার প্রয়োজনে নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যস্ত মানুষ হিসেবে নিজেকে তোমার সামনে উপস্থাপন করবে। কিন্তু প্রকৃতি সেই সময়ের সাক্ষী হিসেবে তোমাকে সাহায্য করে যাবে। কিন্তু তোমার সাহায্য পাওয়া সেই স্বার্থবাদী তার অজানা সীমিত সময়ের সাফল্য হারিয়ে ২য় বার তোমার সম্মুখীন হবে না। তার হেরে যাওয়া দেখেও ২য় বার তুমি তাকে সরাসরিভাবে সাহায্য করবে না। কারণ তুমি জানো প্রকৃতি থেকে যে শাস্তি পায় তার অবশিষ্টভাবে মানুষকে ব্যবহার করার মানুষিকতা কখনো বদলায় না।

প্রবর্তনের সাংক্ষেপিক রুপ কারোর জীবনকে অনেকটা বদলে দেয়- Tuesday, 16th January, 2024

কিছুটা প্রত্যাবর্তনঃ

কখনো যদি কিছু বিষয় কারোর জীবনে থমকে দাড়ায়। হয়তো বেশিরভাগ মানুষ জীবনের তাগিদে সবকিছু ত্যাগ করে সামনের দিকে এগোতে বাধ্য হবে। কারণ জীবনটা ক্ষনিকের হলেও কোনো কিছু আঁকড়ে পড়ে থাকলে সবকিছু সীমাহীন মাত্রা প্রকাশ করতে থাকে। যা সময়ের সাথে কাউকে নিঃশেষ করে দেয়। তাই বোধসম্পন্ন মানুষ কখনোই কোনো বিষয়ের জন্য নিজের জীবনের সাথে পার্থক্য করবে না। পৃথিবীতে মানুষের শেখার শ্রেষ্ঠ মাধ্যম সে নিজে। কারন কোনো মানুষ নিজের জন্য কখনোই স্বার্থবাদী হয় না। প্রত্যেকেই তার নিজের মাঝে নিঃস্বার্থ, যদি জীবনের মূল্যায়ন করতে জানে! কোনো কিছুই পরিপূর্ণ নয়। যার কারণে একটা সময়ের পর সবকিছু পূর্ণতা পায়। অনেকেই সমান্য না পাওয়ায় নিজের জীবনকে দোষারোপ করতে থাকে। কিন্তু কিছু সংখ্যক মানুষই দোষের জায়গায় নিজের কর্মের হিসাব করে। কারন কর্মেই কারোর ভাগ্য নির্ধারিত বা পরিবর্তিত হয়।

জীবনের সান্নিধ্যে কেউ বিশেষ কিছু বিষয় আবদ্ধ করে রাখে। যা তাকে শেষ নিঃশ্বাস অবধি কোনো কিছুর কমতি অনুভব হতে দেয় না। যেজন্য কোনো কিছু খোঁজার জায়গায় অনুধাবন করতে পারলে সবকিছু সহজ। অনেকেই শূন্য জীবনে নিজের সৃজনশীলতায় পুরো পৃথিবীতে বিরাজ করে। যেখানে ত্যাগ করা, মানায় নেওয়া, একান্তে সবকিছু পর্যালোচনা করা সেইসব ব্যক্তির সাধারণ বৈশিষ্ট্য হয়ে থাকে। বিষয়গুলো লেখায় সাধারণ। কিন্তু এইগুলো পর্যালোচনার মাধ্যমে কারোর জীবন একবার বদলে গেলে সবসময় তা পরিবর্তিত হতে থাকে। যখন কোনো কিছুর মোহ সেইসব ব্যক্তিকে আটকাতে পারে না। কারণ ভালো মানুষ দেখতে সরল হয়। কিন্তু তাদের ব্যক্তিত্বের কারণ খুঁজলে চিন্তাশক্তির নিঃশেষেও তার পরিসমাপ্তি পাওয়া সম্ভব না।

অর্থ মানুষের সাময়িক শান্তি যা কারোর অস্তিত্ব তৈরি করে। কিন্তু চরিত্র প্রত্যেকের পরিচিতি যা কারোর মূল্যবোধ তৈরি করে। সীমিত অর্থেও জীবন পরিচালনা করা যায়। কিন্তু হালকা চরিত্রে সবকিছুর অতিরিক্ততায়ও জীবন মূল্যহীন হয়ে যায়। যা হয়তো কেউ বুঝতে পারে না। কিন্তু সেইসব ব্যক্তি কখনোই জীবনের পবিত্রতা উপভোগ করতে না। কিন্তু জীবনের পবিত্রতাই কাউকে পৃথিবীর অশেষ কষ্টের মাঝেও স্বর্গানুভব করায়। যখন কোনো কিছুর জন্য আত্মবিশ্বাস সেইসব ব্যক্তির সবচেয়ে বড় শক্তি। যা কাউকে তার জীবনে অটুট বন্ধনে আবদ্ধ করে রাখে। তাই জীবনে পাওয়ার আশায় কোনো কিছুর জন্য নিজের সাথে তুলনা করা উচিত নয়।

হামাসের হামলায় ৯ আমেরিকান নিহত Thursday, 12th October, 2023

গত শনিবার ফিলিস্তিনি সশ্বস্ত্র গোষ্ঠি হামাসের রকেট হামলায় ইসরায়েলে নিহত ৮০০ ছাড়িয়েছে। নিহতের মধ্যে অন্তত ৯ জন আমেরিকার নাগরিক আছেন বলে জানিয়েছে  মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নিহতের এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে দেশটি। 

সোমবার আমেরিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেন, ‘ওই অঞ্চলে হামাসের হামলায় আমাদের দেশের ৯ জন মারা গেছেন। এই তথ্য আমরা পেয়েছি। কোনো আমেরিকানকে জিম্মি করা হয়েছে কিনা, সেটিও দেখা হচ্ছে।’

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলছে, হামাসের হামলায় ইসরায়েলে নিহতের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়েছে। পাল্টা হামলায় নিহত হয়েছে ৫১০ ফিলিস্তিনি। দুই দেশের মোট ৫ হাজার মানুষ আহত হয়েছে। আল জাজিরা বলছে, গাজা থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার বাসিন্দা। এখনো সংঘাত চলছে।

হামাসের হামলায় ৯ জন আমেরিকান ছাড়াও নেপালের ১০ জন ও থাইল্যান্ডের ১২ জন মারা গেছেন।  

আল জাজিরা বলছে, হামাসের হামলার জবাবে এবার রিফিউজি ক্যাম্পেও হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। বিমান হামলা থেকে রক্ষা পেতে এদিক–সেদিক ছুটছে সবাই। তবে তাদের যাওয়ার কোনো জায়গা নেই।

ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতে তৃতীয় পক্ষে যে কোনো সময় ঢুকে পড়তে পারে, এমন 'ঝুঁকি’ রয়েছে বলে জানিয়েছে রাশিয়া।