সৃষ্টতার আবির্ভূত মনোভাব মানুষকে উজ্জীবিত করে তোলে-

01st February, 2024
471




জীবনের প্রয়াসঃ

সার্বক্ষণিক কোনো কিছু এড়ানোর চিন্তায় সবকিছু ভুলে যাওয়া উচিত নয়। কিছুটা সময় হয়তো বিপরীতভাবে সবকিছু পরিচালিত হয়। কিন্তু যেকোনো পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে জানলে পরবর্তির মূহুর্তটা নিজের আয়ত্বে থাকে। যখন জীবনের শ্রেষ্ঠ কিছু মূহুর্তই মানুষকে বিপদের সম্মুখীন হওয়া শেখায়। যার কারনে একান্তের মূহুর্তগুলোতে কেউ দুর্বলভাবেও সঠিক বিবেচনায় নিজেকে মূল্যায়ন করতে পারে। মানুষের জীবনের শান্তি নির্ভর করে তার চিন্ত-ভাবনার ওপর। যে ব্যক্তি যেভাবে চিন্তা-ভাবনা করবে, তার প্রত্যেকটা মূহুর্ত সেই বিবেচনার  পরিপ্রেক্ষিতে নিয়ন্ত্রিত বা পরিচালিত হবে। তবে মানবিক সতেজতা জীবনে সবসময় নতুনত্বতা তৈরি করে। যা মানুষকে হতাশামুক্ত রাখতে সহায়তা করে। তাই সবকিছুর জন্য কারোর চিন্তা-ভাবনার সামান্য পরিবর্তন তার জীবনকে সুন্দর করে গড়ে তোলে।

একটা মানুষ যখন কোনো কিছু সম্পর্কে গভীরভাবে ভাবতে থাকে। তখন তার মস্তিষ্কের সাথে শরীরের মধ্যেও কিছুটা প্রতিক্রিয়া হতে থাকে। যার কারনে কেউ মানবিক বিষয়গুলো নিয়ে প্রয়োজনের তুলনায় একটু বেশি সংবেদনশীল হয়ে থাকে। মানুষ সবসময় চায় তার অনুভবের বিষয়গুলো যত্নসহকারে নিয়ন্ত্রণ করতে। কিন্তু সেই বিষয়গুলোর হালকা প্রতিক্রিয়াও তার জীবনকে অতিরিক্ত প্রভাবিত করে। যেজন্য কেউ চাইলেও বেশি সময় পর্যন্ত আত্মিক বিষয়গুলোর প্রতি সাধারণ পর্যালোচনা বজায় রাখতে পারে না। তাই মানুষ তার জীবনে যখন নিজেকে বেশি মূল্যায়িত করবে। তখন তার সব বিষয়ের একটা নির্দিষ্ট মাত্রা বজায় থাকবে। যা কাউকে প্রত্যেকটা পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করবে। কখনো জীবনের ছোট বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করতে করতে একসময় কোনো কিছু অর্জন করতে সামান্য প্রচেষ্টাই যথেষ্ট হয়ে থাকে। কারন একটা মানুষের সৃজনশীলতা ছোট বিষয়গুলো অনুধাবনের মাধ্যমে তৈরি হয়। যার মাধ্যমে কেউ প্রত্যেকটা বিষয়ের মাঝে নিজেকে সাবলীলভাবে গড়ে তোলে।

পূর্বনির্ধারিত ভাগ্যে সবার জীবন পরিচালিত হওয়ায় চাইলেও কেউ কোনো কিছু পরিবর্তন করতে পারে না। কারন আমাদের প্রত্যেকটা কর্মের সাক্ষী হিসেবে প্রকৃতি পৃথিবীবে বিদ্যমান। যা মানুষকে সময়ের সাথে তার কর্মের উপলব্ধি করায়। অনেকেই মনে করে যে, সে যা কিছুই করুক না কেন; তাকে দেখার বা বলার মতো কেউ নাই। কারন ক্ষমতা কাউকে প্রাচুর্যের মাঝে অন্ধ করে রাখে। কিন্তু একটা সময়ের পর যখন সে তার কর্মের অনুধাবন করতে পারবে। তখন চাইলেও সে আর কোনো কিছু সংশোধন বা পরিবর্তন করতে পারবে না। কারন মানুষের ভুলের অনুধাবন শেষ সময়েই আসে। যখন কারোর মধ্যে অতিরিক্ত অনুগ্রহ প্রকাশ পায়। কিন্তু সময় তার বিপরীতে থাকে। তাই সময় আর সুযোগ থাকতে যদি কেউ তার ভুলগুলোকে অনুতাপের অনুধাবন দিয়ে বিবেচনা করতে সক্ষম হয়। তখন তাদের সরলতার কাছে সাধারন ব্যক্তিত্বের মানুষও অসামান্য মূল্যায়িত মনোভাব প্রদর্শিত করবে।

কারোর জীবনের জন্য সমাজ একটা উদাহরণস্বরূপ। আর পৃথিবী সাময়িক সময়ের কঠিন সত্য। যা বুঝলে জীবন সহজ, সময় কঠিন। কারন কঠিন সময়ের বাস্তব রূপেই মানুষের জীবন। যা সীমিত তবে নির্ধারিত।

রিলেটেড পোস্ট


কোনো কিছু উপলব্ধি করতে ইতিবাচক চিন্তার প্রভাব-
পড়া হয়েছে: ২৫২ বার

ফেসবুক চালাতেও প্রতি মাসে দিতে হবে টাকা!
পড়া হয়েছে: ১০১ বার

জীবনের পরিভাষা একান্তে পথচলা.
পড়া হয়েছে: ৪০১ বার

চলমান সময়ে নিঃস্বার্থ জীবন উপভোগের মুহুর্ত-
পড়া হয়েছে: ২১৫ বার

মন খুলে বাঁচো-
পড়া হয়েছে: ২৭৪ বার

অনুভবের আর্তনাদের অন্তিম পর্যায়-
পড়া হয়েছে: ২৯২ বার

আত্মপ্রকাশের অনুভবে স্মৃতির পাতায় গাঁথা ভেজা মুহুর্তগুলো-
পড়া হয়েছে: ৪১২ বার

কিছুটা সুন্দর মুহূর্ত-
পড়া হয়েছে: ২৩৪ বার

পূর্ণ সমীক্ষায় সময়ের সঠিক মূল্যায়ন করা উচিত-
পড়া হয়েছে: ৪১৭ বার

শান্তি মানুষকে শক্তিশালী করে জীবনভোগ শেখায়-
পড়া হয়েছে: ৬৬৩ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



অন্ধকারের মধ্যে ভেঙে যাওয়া জীবনগুলো পুনরুদ্ধার করার শক্তি আছে- Tuesday, 14th November, 2023

অন্ধকারের শক্তিঃ

কখনো যদি কেউ মনে করে তার জীবনের প্রত্যেকটা মূহুর্ত বিষন্নতায় জড়িয়ে গেছে। সেই মূহুর্ত থেকে বেড়োনোর চেষ্টা করলে জীবনে অতিরিক্ত সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তখন ভরসা হিসেবে অন্ধকারই কারোর জীবনের আলো ফিরিয়ে নিয়ে আসবে সময়ের সাথে। যা কারেরা জীবনের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে তার স্থায়িত্ব নিশ্চিত করবে। অন্ধকারের নীরবতায় কেউ নিজের অস্তিত্ব খুঁজে পায় নতুন করে। যার স্থায়ীত্ব তাকে কোন কিছুর জন্য আর পিছনে ফিরে তাকাতে দেয় না। যার কারনে সামনের পথগুলোতে হোঁচট খাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। কেউ সবসময় মাথানিচু করে চললে সে দুর্বল নয়। হয়তো সে কারোর সম্মুখীন করতে চায় না নিজেকে। তাই যারা উপর থেকে দেখতে সরল। তারা ভিতর থেকে ততটাই মজবুত হয়।

কেউ যখন চাওয়ার চেয়ে বেশি পায়। তখন বিষয়গুলো সামলানো কারোর জন্য একটু কষ্টকর হয়ে পরে। যার কারনে অতিরিক্ততাও মাঝে মাঝে কাউকে বিরক্তি অনুভব করায়, বিষয়টা ভালো হোক বা খারাপ। নিজেকে অনেক সময় ছেড়ে দেওয়া উচিত, জীবনের ভার কমাতে। নাহলে তার ভিতরের বদ্ধতা হয়তো তাকে একসময় অনুভূতিহীন করে দেয়। তাই সবকিছুর মধ্যে নিজের চাপ কমানোর চেষ্টা করা উচিত। অনেকেই তার জীবনের দায়-দায়িত্বগুলো ভুলে যায় সামনের দিনগুলোতে। যা একটা সময়ের পর পেছনের মানুষগুলোর প্রতিদানের কথা মনে করিয়ে নিজেকে অসীম দায় অনুভব করায়। যা কাউকে জীবিত  অবস্থায় মৃতপ্রায় করে রাখে। দায়-দায়িত্ব এমন একটা জিনিস যা এড়িয়ে গেলে জীবনে চূড়ান্ত পর্যায়ে হলেও এর ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

অন্ধকার মানুষকে নীরবে গভীরভাবে নিজেকে অনুভব করায়। যা তাকে সরলতার মাঝে মজবুত করে রাখে। একটা মানুষ তার ভেতরের সবচেয়ে বড় শক্তিও অনুভব করতে পারে অন্ধকারে। যা তার মধ্যে একটা নতুন পৃথিবী তৈরি করে। যেখানে সে তার ব্যক্তিত্ব আর চিন্তাধারায় পারিপার্শ্বিকতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়। মানুষ একতাবদ্ধভাবে বসবাস করে সমাজে। আবার মানুষের বিভেদও তৈরি হয় সমাজ থেকে। যা জাত তৈরির মাধ্যমে একে অপরের মধ্যে দুরত্ব বাড়ায়। একটা মানুষের জাত নির্ধারণ করে, সে সমাজে কার সাথে সম্পর্ক বজায় রাখতে পারে প্রতিবেশী হিসেবে। কিন্তু যারা একটু উপরে উঠে জাতের অজুহাতে নিজেদেরকে বড় মনে করে। তারা কখনো কি এইটা ভেবে দেখে না যে, মৃত্যুর পরে সবাই মাটির সাথে মিশে নিঃশেষে বিভাজ্য হয়ে যাবে। আর তার মৃত্যুর কিছুদিন পরে হয়তো তার অস্তিত্বও মুছে যাবে পৃথিবী থেকে।

বিভেদ শুধু সমাজে না। প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই বিভেদ বহুল ব্যবহৃত হয়। সমাজ শুধু উদাহরণস্বরূপ প্রকাশ্যের মাধ্যম মাত্র। যা কাউকে অনেক কিছু বুঝিয়ে জীবনে পথচলা শেখায়। একটা মানুষের কল্পনাশক্তি তাকে যেকোনো কিছু বিভিন্নভাবে অনুধাবন শেখায়। যা কারোর একক জীবনে তাকে অসীম জীবন অনুভব করায়। কল্পনাশক্তির ইতিবাচকতা কাউকে জীবনের জ্ঞানার্জন করায়। আর নেতিবাচকতায় কেউ আবর্জনার চেয়েও অতিরিক্ত নোংরা মানসিকতার হয়। যা তাকে উপর থেকে যেভাবেই রাখুক না কেনো। তার আচরণ আর চরিত্রেই এর আসল প্রভাব সময়ের সাথে ব্যাক্ত করে। এইজন্য সবসময় কল্পনাশক্তিকে পরিষ্কার রাখা উচিত। সুন্দর চরিত্র বজায় রাখার জন্য।

জীবনের জন্য কৃত্রিম আলোর চেয়ে প্রকৃতির অন্ধকার ভালো। যা তোমার ভিতরের ভয় দূর করে প্রত্যেকটা বিষয়ের সত্যতা প্রকাশ করবে। কোনো কিছুর জন্য নিজেকে আটকে রাখার চেয়ে মুক্ত বাতাসের অনুভব করা ভালো। যা তোমার ভিতরের দম বন্ধ হওয়ার জায়গায় প্রাণ খুলে বাঁচতে শেখাবে।

বাহ্যিক শিষ্টতার মাঝে মানুষ নিজেকে নির্দিষ্ট করে থাকে- Sunday, 07th January, 2024

আকৃষ্টতার অন্তরালেঃ

শিষ্টাচার কাউকে নিষ্ঠার সাথে শান্ত করে থাকে। যখন সাধারনভাবে চলতে কেউ দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে থাকে। সেখানে শিষ্টাচারের মাধ্যমে কেউ নিজেকে যেমন সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারে। তেমনি সমাজের মাঝে নিজের একটা আলাদা পরিচিতি তৈরি করতে পারে। যখন হয়তো সেইসব ব্যক্তির পারিবারিক পরিচিতির চেয়ে বাহ্যিক পরিচিতির মূল্যায়ন বেশি হয়ে থাকে। সময়ের সাথে এভাবেই হয়তো কম-বেশি করে কারোর জীবনের পরিবর্তন হতে থাকে। কিন্ত অনুধাবনের মাধ্যমেই কারোর মধ্যে স্বাভাবিকত্বতা আসতে শুরু করে। যখন ব্যক্তিগুলোর মধ্যে হঠাৎ করেই নীরবতা তৈরি হয়। যা কাউকে বাইরের মানুষের ভীড়ে আর শান্ত প্রকৃতিতে স্বাভাবিক রাখে। কারণ কোনো ব্যক্তি নিজের অজান্তেই এই দুইটা মূহুর্তেই তার মধ্যে পরিবর্তন করে থাকে। কিন্তু সমস্ত কিছুর স্বাভাবিক মাত্রাই কারোর জীবনকে অনেকটা সুন্দর করে গড়ে তোলে।

পরাক্রমশালী শক্তির মনোভাবে তৈরিকৃত জীবন- Tuesday, 19th December, 2023

সময়ের আত্মসমর্পণঃ

কিছুটা সময় এমনভাবে কেটে যায়। যা, কখনোই ফেরানো সম্ভব না। আর ভুলে যাওয়াও সম্ভব নয়। কিন্তু কিছুটা জমানো মূহুর্তের ঘোরেই পূর্বের মূহুর্ত নতুনভাবে উজ্জ্বীবিত হয়। যেই মুহুর্তটা কাউকে সব বাঁধা অতিক্রম করার নতুন শক্তি দান করে। যখন কেউ নিজের তাগিদে নিজেকে শুদ্ধতার সাথে তৈরি করে। হয়তো কারোর জীবনের এমন কিছু মূহুর্তই তাকে নতুন রূপে পুনরুজ্জীবিত করে। তখন সবার কাছে সে তাদের মতো হলেও নিজের কাছে সে সম্পূর্ণরূপে নতুন একজন মানুষ। যার শুদ্ধতা তার অনুভবে মিশ্রিত থাকে। হয়তো সেই মূহুর্ত থেকে কেউ নিজের পরিচয় তৈরিতে, নতুনভাবে নিজেকে তৈরি করে থাকে। যখন সে অসীম বাঁধায় প্রতিক্ষা পারকৃত, সময় অর্জনকারী ব্যক্তি।

শুরুর নিস্তব্ধতায় পারকৃত জীবনই কাউকে নিজের মধ্যে তৈরি করে। যখন কেউ হয়তো প্রয়োজনের চেয়ে বেশি অনুভব করে। তবুও সময়ের অপেক্ষায় হয়তো নিশ্চুপে তার অনুভবগুলো জমিয়ে থাকে। তখন অনেকের মধ্যে কারোর প্রতি আশা থাকার স্থানে নিজের জন্য ভরসা তৈরি হয় সময়ের সাথে। যা কাউকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সময় সাপেক্ষ নতুন করে শক্তি প্রদান করতে থাকে। কেউ হয়তো অবুঝভাবে নিজেকে সামলে যায় কিছু ক্ষেত্রে। যখন হয়তো সে মানবিক দিক থেকে অতিরিক্ত দুর্বল থাকে। কারণ কোনো ব্যক্তির মানবিকতার উপর তার স্থায়িত্বের নিশ্চয়তা বাড়তে থাকে। যখন অন্যান্য যেকোনো কিছুই তার জীবনের উপেক্ষাকৃত সাধারণ সিদ্ধান্ত মাত্র।

ছোটবেলার হারানো সময়- Sunday, 15th October, 2023

পুরোনো স্মৃতিঃ

সময়ের সাথে হারিয়ে যাওয়া মূহুর্তের কথা হঠাৎ মনে পরলে তখন সেই সময় ফিরে যেতে না পারলেও চিন্তাশক্তি আমাদের ওই সময়ে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। আসলেই ছোটবেলার সেই পুরোনো কিছু মূহুর্ত আমাদের ভেতরের শৈশবের মুহুর্তগুলোকে নতুন করে ভাবতে শেখায়। 

ছোটবেলায় বৃষ্টিতে ভেজা, শিলা বৃষ্টি হলেই জানালার সামনে এপাশ ওপাশ থেকে একটা ওড়না নিয়ে দুইজন দাড়িয়ে থাকা ছোট শিলার জন্য। ভোর হলেই সামনের বাসায় আম গাছের নিচে আম কুড়াতে যাওয়া। বিকাল হলেই খেলতে যাওয়া। রাতে বিদ্যুৎ চলে গেলে জোনাকি পোকা খুঁজতে বেরোনো। শিতকালে স্কুলে যাওয়ার জন্য  মায়ের জোর করে ঘুম থেকে তোলা। স্কুলে বেঞ্চের কোনায় বসে ছুটির ঘন্টার কথা ভাবতে থাকা।

শিতকালে রাতের বেলায় চুলার পিঠে মায়ের পাশে বসে থাকা পিঠার জন্য। কুয়াশায় ঢাকা হালকা চাঁদের আলোয় চুলার পিঠে বসে থাকা মায়ের পাশে গরম পিঠা খাওয়া। কুয়াশার ঠান্ডা হিমের সাথে পিঠার গরম ধোঁয়ার ঘ্রাণ পিঠার অতুলনীয় স্বাদ বাড়ায়।  যা এখন আফসোসের খাতায় চলে গেছে। রাতে না খেয়ে ঘুমালে মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলে মাকে খিদার জন্য জাগিয়ে, তার ভাত মেখে খাওয়ানো। রাতে জ্বর উঠলে ঔষধ খাওয়ানো, কাপড় ভিজিয়ে গা মুছিয়ে দেওয়া, ঠান্ডা লাগলে বুকে সরিষার তেল মালিশ করা, মাথা ব্যাথা করলে পানিতে Disprin গুলিয়ে খাওয়ানো, ঘুম না আসলে মাথায় হাত বুলানো। আসলেই মায়ের সাথে কারোর তুলনা হয় না।

মাঝরাতে টিনে বৃষ্টির শব্দে ঠান্ডা অনুভবে ঘুমানো। খেলার সময় পড়ে গিয়ে হাত পা কেটে গেলে ধুয়ে মুছে কাটা যায়গায় মায়ের ঔষধ লাগিয়ে কাপড় বেধেঁ দেওয়া। রাতে সবার সাথে একসাথে খাবার  খাওয়া। এই দিনগুলো চাইলেও হয়তোবা পূর্বের মতো করে ফিরে পাওয়া সম্ভব না। কিন্তু এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে পরিবারের জন্য কিছু করতে পারলে হয়তো সন্তান হিসেবে মায়ের সার্থকতার অবদান হইতে পারবা। কারণ প্রকৃতি আমাদের সময়ের সাথে নিজেকে পরিবর্তন করা শেখাবে। কিন্তু এই পরিবর্তন সমাজের জন্য রেখে ভেতরের মানুষটাকে পরিবারের জন্য রাখলে ভবিষ্যৎ তোমাকে সফলতা উপহার দিবে।