Math_টিচার????????????????

31st January, 2024
70




#Math_টিচার

 

Math এর টিচারকে যখন

স্টুডেন্ট প্রশ্ন করে যে......????????

.

স্যার, Love marriage উত্তম

নাকি Arrange marriage উত্তম..?????????

.

টিচার:????

আমরা জানি বিবাহ ২ প্রকার,,,,,

যথা,,,,????

 

????Arrange marriage এবং

 

????Love marriage,

 

Love marriage এর অপর নাম Prem marriage

.

????মনে করি,,,,,

 

Arrange marriage= AM.... (1)

 

এবং Prem marriage= PM.... (2)

 

এখন,,,,

 

????AM মানে:- রাত ১২টা থেকে দুপুর ১২টা, অর্থাৎ, যার শুরু অন্ধকার, কিন্তু শেষ হয় উজ্জল আলোয়,,

 

????PM মানে:- দুপুর ১২টা থেকে রাত ১২টা, অর্থাৎ, যার শুরুতে থাকে উজ্জল আলো, কিন্তু শেষ হয় ঘুটঘুটে অন্ধকার দিয়ে

.

.

এখন (1) নং সমীকরণকে AM এবং (2) নং সমীকরণকে PM এর সাথে তুলনা করে আমরা পাই.....

 

Arrange marriage এর শুরুতে অন্ধকার থাকলেও শেষ উজ্জল আলো দিয়ে,????????

 

অন্যদিকে Prem marriage এর শুরুতে আলো থাকলেও শেষ হয় অন্ধকার দিয়ে।????????

.

.°. Love marriage অপেক্ষা Arrange marriage উত্তম।

..............(প্রমাণিত)????????

 

এতো কষ্ট করে কপি করলাম।????????

কমেন্টস করে জানাবেন প্লিজ কেমন হয়েছে ।।????????????

 

Math_টিচার????????????????


আরো নিবন্ধন পড়ুন



সুলায়মান (আঃ)-এর হিকমতপূর্ণ বিচার ,, Wednesday, 31st January, 2024

আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, দু'জন মহিলা ছিল, তাদের সাথে দু'টি সন্তানও ছিল। হঠাৎ একটি বাঘ এসে তাদের একজনের ছেলেকে নিয়ে গেল। সঙ্গের একজন মহিলা বললো, 'তোমার ছেলেটিকেই বাঘে নিয়ে গেছে'। অন্য মহিলাটি বললো, 'না, বরং বাঘে তোমার ছেলেটি নিয়ে গেছে'। অতঃপর উভয়ে এ বিষয়ে দাউদ (আঃ)-এর নিকট বিরোধ মীমাংসার জন্য বিচারপ্রার্থী হলো। তখন তিনি ছেলেটির বিষয়ে বয়ষ্কা মহিলাটির পক্ষে রায় দিলেন। অতঃপর তারা উভয়ে বেরিয়ে দাউদ (আঃ)-এর পুত্র সুলায়মান (আঃ)-এর নিকট দিয়ে যেতে লাগলো এবং তারা দু'জনে তাঁকে ব্যাপারটি জানালেন। তখন তিনি লোকদেরকে বললেন, তোমরা আমার নিকট একখানা ছোরা নিয়ে আসো। আমি ছেলেটিকে দু'টুকরা করে তাদের দু'জনের মধ্যে ভাগ করে দেই। এ কথা শুনে অল্প বয়ষ্কা মহিলাটি বলে উঠলো, তা করবেন না, আল্লাহ আপনার উপর রহম করুন। ছেলেটি তারই। তখন তিনি ছেলেটি সম্পর্কে অল্প বয়ষ্কা মহিলাটির অনুকূলে রায় দিলেন (বুখারী হাদীস ৩৪২৭ 'নবীদের কাহিনী' অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-৪০, মুসলিম হাদীস ১৭২০, মিশকাত হাদীস ৫৭১৯)।

শিক্ষা:

(১) সন্তানের প্রতি মায়ের ভালবাসা অপরিসীম।

(২) সুলায়মান (আঃ)-এর বিচক্ষণতা।

(৩) প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা ন্যায়বিচারের পূর্বশর্ত।

মানুষ নির্ভীক মনোভাবে যেকোনো কিছু শক্তভাবে অনুধাবন করে- Friday, 15th December, 2023

উদ্বৃত্তের সমতাঃ

মানুষের মনোভাব তার জীবনের অংশবিশেষ হিসেবে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। যেজন্য কম-বেশির মাঝেও কোনো কিছুর প্রতি সমতা কাজ করতে থাকে অনেকের মধ্যে। সব বিষয়ের সুষ্ঠ পরিচালনায় মাঝে মাঝে হালকাভাবে একান্তে কিছুটা সময় কাটানো উচিত। যাতে কেউ নিজের দুর্বলতাগুলো নিজের সাথে ভাগ করে নিতে পারে। কারণ পৃথিবীর যেকোনো কিছু বুঝতে গেলে নিজের দুর্বলতা আর সরলতার প্রতি সময় দেওয়ার মাধ্যমে জীবনের সংবেদনশীলতা বজায় রাখা সম্ভব। যখন অনেকেই তার প্রত্যেকটা বিষয়ের সুষ্ঠ সম্পাদনা করতে সক্ষম হয়। সময়ের সাথে প্রত্যেকের মাঝে হয়তো, তখন তার কঠিনত্বতা প্রকাশ হতে থাকে। কারণ কারোর বিবেচনার ভিন্নতায় তার মনোভাব তৈরি হয়। যে কারণে বেশিরভাগ মানুষ কোনো কিছু সহজভাবে নিতে পারে না। তখন অন্যান্য কিছু ব্যক্তি পরিস্থিতির চাপে ভেতরের বিষন্নতায় ভীত হতে থাকে। যেজন্য কারোর নিজের মধ্যে সরলতার অস্তিত্ব তৈরি করা উচিত। যা কাউকে যেকোনো কিছুর সমতা বজায় রাখার মাধ্যমে নির্ভয়ে সময়ের সাথে এগোতে সাহায্য করবে।

জীবনের পথচলায় অন্যকে অনুসরণের জায়গায় কারোর ভালো দিকগুলো অনুপ্রেরণা হিসেবে নেওয়া উচিত। কারণ অনুসরণে ব্যক্তিত্বহীনতার শিকার হতে হয়। যখন কেউ তার করণীয় সম্বন্ধে অবগত হতে প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত সময় নিয়ে থাকে। কিন্তু ত্যাগের মাধ্যমে যে কেউ হয়তো তার অস্তিত্ব তৈরি করতে পারে। যখন ব্যক্তিগুলো সবার মাঝে ভিন্ন। কিন্তু ত্যাগের মূহুর্ত থেকে তারা মনুষ্যত্ববোধসম্পন্ন মানুষ। তখন সেইসব ব্যক্তির রাগ, অহংকার নিঃশেষ হয়ে তাদের ভিতরে অনুতাপ তৈরি হতে থাকে। যার মাধ্যমে ব্যক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে বদলে মনুষ্যত্ববোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে জীবনের স্বার্থকতা অর্জন করে থাকে। নিঃস্বার্থ জীবন-যাপনে প্রতিনিয়ত যেমন বাঁধার সম্মুখীন হতে হয়। তেমনি সমস্ত বাঁধা পেরোনোর পর তার প্রতিষ্ঠিত জায়গা সবসময় নির্ধারিত থাকে। যখন কেউ চাইলেও তার জায়গার ছোট পরিবর্তন করতেও অসক্ষম রয়ে যায়। ব্যক্তিতভেদে মানুষ পরিবর্তনশীল। তবে নিজের সত্তা তৈরিতে অতিরিক্ত ইচ্ছাশক্তি ত্যাগের মাধ্যমে সমস্ত বাঁধা পারকৃত ব্যক্তিগুলো সবার মাঝে নিজের অস্তিত্ব স্থাপনের মাধ্যমে অমর হয়ে থাকে।

নিজের প্রতি বিশ্বাসের আদ্রতা জীবনকে আলোকিত করে- Saturday, 17th February, 2024

জীবনের পরিমিত সময়ঃ

মানুষ শৈশবে তার বিষয়গুলোর সম্মুখীন হয়ে জীবনের পূর্ণতা অর্জনের পথে থাকে। কিন্তু একটা সময়ের পর কেউ তার বিষয়গুলোকে অনুভবের মাধ্যমে অনুধাবন করে থাকে। তখন কেউ সহ্যক্ষমতার সাথে এতটাই ধৈর্য্য বাড়ায় থাকে যে, (নিজের ভেতরের অসীম ঝড়) ফুল থেকে একটা পাপড়ি ঝড়ার মতো ঠোঁটের কোনায় একটা মৃদু হাসিতে সমস্ত পরিস্থিতিতে নিজেকে তুচ্ছ করে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে আসে। কারণ এই সময়টাতে কেউ হয়তো অনেকটা মজবুত থাকে ভেতর থেকে। যেই মূহুর্তে কেউ নিজেকে না সামলেও স্বাভাবিক রাখতে সক্ষম হয়। মানুষ পরিস্থিতির সাথে দাবতে থাকে। যে কারণে কোনো কিছুর জন্য সময়ের অপেক্ষায় নিজেকে পরিস্থিতি থেকে এগিয়ে নিয়ে যায়। যাতে কোন কিছুর জন্য নিজেকে পিছিয়ে না পড়তে হয়। কারন মানুষ জীবনে হারার মাধ্যমে সফলতার পথে এগোতে থাকে। আর দ্বিধাগ্রস্ততার মাধ্যমে বিষন্নতায় কেউ জীবনের অন্ধকারে গ্রাস হয়ে থাকে। যে কারণে বোধসম্পন্ন ব্যক্তি সবসময় নিজেকে কোনো কারনের জন্য পরিস্থিতির মাঝে না আটকে সময়ের সাথে এগিয়ে যায়।

শূন্য সময়ের পূর্ণতায় নিজের প্রতি আস্থা রাখার মাধ্যমে সময়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে পারলে; অনেকটা কঠিন সময়ে নিজেকে সাবলীলভাবে ধরে রাখা সম্ভব। কারন পরিস্থিতি কেমন; বিষয় সেইটা না! কেউ তার জীবনে নিজে কেমন; বিষয় সেইটা। কারণ পরিস্থিতি সবসময় মানুষের বিপক্ষেই থাকবে। কিন্তু মানসিক সক্ষমতা বজায় রেখে নিজের জীবনে নিজেকে পরিচালনা করতে হবে। যখন কেউ হয়তো তুলনার জায়গায় নিজেকে বিবেচনার মাধ্যমে অনুধাবন করতে সক্ষম হবে। পারিপার্শ্বিক বিশৃঙ্খলা একটা মানুষকে ততটা বিরক্ত অনুভব করায় না। যতটা সম্পর্কের মান রক্ষার্থে কাউকে যখন মুখ বুজে কোনো কিছু সহ্য করতে হয়। কোনো ক্ষতের চিরস্থায়ী দাগ শুধু সেই পরিস্থিতির কথা মনে করায়। কিন্তু সম্পর্কের ঠুনকো বাঁধন কাউকে শেষ নিঃশ্বাস অবধি তাড়া করে বেড়ায়। তাই কোনো সম্পর্ক তৈরি বা পরিচালনার আগে মাথায় রাখা উচিত। কারোর জীবনে দায় গ্রহণের ক্ষমতা কতটুকু। কারণ কিছু ক্ষেত্রে পরিমাপকৃত সিদ্ধান্তই মানুষকে সঠিক রাস্তায় পরিচালনা করে।

হাট্টিমাটিম টিম ছড়ার আসল ঘটনা Friday, 26th January, 2024

আপনি জানেন কী হাট্টিমাটিম’ আসলে ৫২ লাইনের একটি ছড়া, চার লাইনের নয় l

বাঙালিমাত্রই ছোটবেলায় পড়া এই ছড়াটি কোনওদিনই ভুলবেন না কেউ। 

কিন্তু ছড়াটি মোটেই মাত্র চার লাইনের নয়।

মোটামুটি কথা ফুটলেই বাঙালি শিশুদের যে কয়েকটি ছড়া কণ্ঠস্থ করানো হয়, তার মধ্যে একটি অবশ্যই

 ‘হাট্টিমাটিম টিম’। 
তারা মাঠে পাড়ে ডিম, 
তাদের খাড়া দুটো শিং, 
তারা হাট্টিমাটিম টিম। 

এর চেয়ে বেশি তথ্য শতকরা ৮০ শতাংশ বাঙালির কাছে রয়েছে কি না সন্দেহ। 

আদতে ছড়াটি মোটেই ৪ লাইনের নয়। রোকনুজ্জামান খানের লেখা একটি ৫২ লাইনের সম্পূর্ণ ছড়া। 

রোকনুজ্জামান খান জন্মেছিলেন ১৯২৫ সালের ৯ এপ্রিল অবিভক্ত বঙ্গের ফরিদপুর জেলায়। বাংলাদেশে তিনি ‘দাদাভাই’ নামে পরিচিত ছিলেন। সেদেশের জনপ্রিয় সংবাদপত্রের শিশু-কিশোরদের বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন তিনি বহু বছর।   

তাঁর রচনার বেশিরভাগই শিশু-কিশোরদের জন্য। হাট্টিমাটিম সম্ভবত তাঁর রচনাগুলির মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়। 

১৯৬২ সালে রচিত হয় ছড়াটি। ১৯৬৮ সালে বাংলা আকাদেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয় তাঁকে। ১৯৯৯ সালে মারা যান রোকনুজ্জামান।

সেই 52 লাইনের আসল  ছড়াটা এইরকম -

টাট্টুকে আজ আনতে দিলাম 
বাজার থেকে শিম
মনের ভুলে আনল কিনে 
মস্ত একটা ডিম। 

বলল এটা ফ্রি পেয়েছে
নেয়নি কোনো দাম
ফুটলে বাঘের ছা বেরোবে
করবে ঘরের কাম।

সন্ধ্যা সকাল যখন দেখো 
দিচ্ছে ডিমে তা 
ডিম ফুটে আজ বের হয়েছে
লম্বা দুটো পা। 

উল্টে দিয়ে পানির কলস
উল্টে দিয়ে হাড়ি 
আজব দু'পা বেড়ায় ঘুরে 
গাঁয়ের যত বাড়ি। 

সপ্তা বাদে ডিমের থেকে
বের হল দুই হাত 
কুপি জ্বালায় দিনের শেষে 
যখন নামে রাত। 

উঠোন ঝাড়ে বাসন মাজে 
করে ঘরের কাম 
দেখলে সবাই রেগে মরে
বলে এবার থাম।

চোখ না থাকায় এ দুর্গতি 
ডিমের কি দোষ ভাই
উঠোন ঝেড়ে ময়লা ধুলায়
ঘর করে বোঝাই। 

বাসন মেজে সামলে রাখে 
ময়লা ফেলার ভাঁড়ে 
কাণ্ড দেখে টাট্টু বাড়ি
নিজের মাথায় মারে। 

শিঙের দেখা মিলল ডিমে 
মাস খানিকের মাঝে 
কেমনতর ডিম তা নিয়ে
বসলো বিচার সাঁঝে। 

গাঁয়ের মোড়ল পান চিবিয়ে 
বলল বিচার শেষ 
এই গাঁয়ে ডিম আর রবে না 
তবেই হবে বেশ। 

মনের দুখে ঘর ছেড়ে ডিম
চলল একা হেঁটে 
গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে
ডিম গেলো হায় ফেটে। 

গাঁয়ের মানুষ একসাথে সব; 
সবাই ভয়ে হিম 
ডিম ফেটে যা বের হল তা
হাট্টিমাটিম টিম। 

হাট্টিমাটিম টিম- 
তারা মাঠে পারে ডিম
তাদের খাড়া দুটো শিং
তারা হাট্টিমাটিম টিম