Math_টিচার????????????????

31st January, 2024
15




#Math_টিচার

 

Math এর টিচারকে যখন

স্টুডেন্ট প্রশ্ন করে যে......????????

.

স্যার, Love marriage উত্তম

নাকি Arrange marriage উত্তম..?????????

.

টিচার:????

আমরা জানি বিবাহ ২ প্রকার,,,,,

যথা,,,,????

 

????Arrange marriage এবং

 

????Love marriage,

 

Love marriage এর অপর নাম Prem marriage

.

????মনে করি,,,,,

 

Arrange marriage= AM.... (1)

 

এবং Prem marriage= PM.... (2)

 

এখন,,,,

 

????AM মানে:- রাত ১২টা থেকে দুপুর ১২টা, অর্থাৎ, যার শুরু অন্ধকার, কিন্তু শেষ হয় উজ্জল আলোয়,,

 

????PM মানে:- দুপুর ১২টা থেকে রাত ১২টা, অর্থাৎ, যার শুরুতে থাকে উজ্জল আলো, কিন্তু শেষ হয় ঘুটঘুটে অন্ধকার দিয়ে

.

.

এখন (1) নং সমীকরণকে AM এবং (2) নং সমীকরণকে PM এর সাথে তুলনা করে আমরা পাই.....

 

Arrange marriage এর শুরুতে অন্ধকার থাকলেও শেষ উজ্জল আলো দিয়ে,????????

 

অন্যদিকে Prem marriage এর শুরুতে আলো থাকলেও শেষ হয় অন্ধকার দিয়ে।????????

.

.°. Love marriage অপেক্ষা Arrange marriage উত্তম।

..............(প্রমাণিত)????????

 

এতো কষ্ট করে কপি করলাম।????????

কমেন্টস করে জানাবেন প্লিজ কেমন হয়েছে ।।????????????

 

Math_টিচার????????????????


আরো নিবন্ধন পড়ুন



শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক- Saturday, 14th October, 2023

সম্পর্কের সম্মানঃ

কোনো কিছুর শুরুতে সবকিছু ঠিক থাকে। আত্মিক অনুভব নিজের চারপাশে নতুন পরিবেশ সৃষ্টি করে। আশেপাশের সবকিছু নতুন আবহাওয়ায় নিজেকে নতুন করে সৃষ্টি করে। কিছুদিন পর এই সম্পর্কের প্রকৃতিটা আমাদের মধ্যে একঘেয়েমি সৃষ্টি করতে থাকে। কারণ আমরা মানুষ নতুনত্ব আমাদেরকে পরবর্তী মূহুর্তের প্রতি আকৃষ্ট করায়। ভালোলাগা এমন একটা জিনিস যেটা প্রতিটা মানুষের মধ্যে যেমন নতুনত্ব সৃষ্টি করে তেমনি তার চেয়ে একটু ভালো কিছু আমাদেরকে সেই পরিবেশের প্রতি অনিহা সৃষ্টি করায়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে ভালোলাগার বিষয়টা Short Time Relationship এর মধ্যে পরে। কারণ ভালোলাগা শুধু আমাদের কোনো কিছুর প্রতি আকৃষ্ট করায়। কিন্তু সত্যিকারের ভালোবাসা আমাদের অপ্রকাশ্যে ত্যাগ করতে শেখায়। যারা সত্যিকার অর্থে কাউকে ভালোবাসে তাদের প্রথম পর্যায় খুব কঠিন থাকে। কারণ তারা অনুভব করে। কিন্তু কিসের জন্য অনুভব করে তার কোনো কারণ খুঁজে পায়না। যা তাদের প্রথম পর্যায়ে খুবই বিরক্ত অনুভব করায় যেকোনো কিছুর প্রতি। আস্তে আস্তে সে যখন তার আত্মিক অনুভবের মানুষটাকে খুঁজে পায়। তখন তাকে সে এতটাই সম্মানের পর্যায়ে রাখে যে, তার যেকোনো পরিস্থিতিতে তার ঢাল হয়ে থাকে। আর এর কারণেই সবসময় তাকে হারানোর ভয়ে নিরবতায় তার প্রতিরক্ষার্থী হিসেবে থেকে যায়। কিন্তু তার প্রতি অনুভবের কথা কখনো সে প্রকাশ করতে পারে না।

প্রকৃত অর্থের ভালোবাসা মানুষকে ত্যাগ করতে শেখায়, নিজেকে মানায় নিতে শেখায়। এককথায় নিস্বার্থ মানুষ যাকে বলে। ভালোবাসায় অপর ব্যক্তির সুখ আমাদের বাচঁতে শেখায়। তার ভালোর জন্য তাকে সঠিক রাস্তা দেখায়। কিন্তু কোনো কিছু পাওয়ার আশায় নয়, তাকে সুখী দেখার আশায়। আর তার এই নিষ্পাপ অনুভব তার প্রতি তার পছন্দের মানুষের কাছে, তাকে তার প্রতি আকৃষ্ট করায়। যতদিন পর্যন্ত সে তার নিস্বার্থ মনোভাব বজায় রাখতে পারে।

বিশেষ কিছু মূহুর্তে আমরা নিজেদেরকে সর্বসুখী মনে করি। কারণ আমরা যেমন অল্প কিছুতে খুশি হই, তেমনি অল্প ভুল বোঝাবুঝিতেই খুব কাছের মানুষগুলো থেকে দূরে যেতে সময় নেই না। শুধু প্রকৃত অর্থের ভালোবাসা একটা সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে পারে না। যদি তাদের এই সম্পর্কটার প্রতি সম্মান আর নিজেদের প্রতি আস্থা না থাকে। জোর করে একজনের সাথে মানায় নেওয়া সম্ভব। কিন্তু বন্ধুত্বপূর্ণ ভালোবাসার সম্পর্কগুলোতে একে অপরের পাশে থেকে প্রত্যেকটা মুহূর্ত স্বর্গানুভবের জীবনযাপন সম্ভব।

বিঃদ্রঃ একজন লেখক বা লেখিকা কখনো কারোর বা ব্যক্তিগত বিষয়ে লেখালেখি করে না। তারা নিজেদের অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে বর্তমান সমাজের পরিস্থিতি বিবেচনা করে লেখালেখি করে, ধন্যবাদ।

মনঃস্তাত্বিক বিষয়গুলো যত্নের সহিত রাখা উচিত- Sunday, 26th November, 2023

যত্নশীল অনুভবঃ

কিছু বিষয় বুঝতে অনেকসময় জটিলতার শিকার হতে হয়। কারণ অনেকেই নিজের যেকোনো বিষয়ের পরিমাপ করে থাকে। পরিমাপ মানুষের জীবনকে টুকরো করতে থাকে তার অজান্তে। পরিমাপ বিভিন্ন ক্ষেত্রের একক হলেও মানুষের জীবনের দুর্দশার কারণ। মানুষের ব্যক্তিত্বে অসীম অনুভবই তাকে জীবনের মানে শেখায়। ভিতর থেকে কাউকে গড়ে তোলে ধীর গতিতে আসা অনুভব। যার কারনে সবসময় প্রত্যেকের ব্যক্তিত্ব মজবুত রাখতে, নিজের নিয়ন্ত্রণে হালকাভাবে সবকিছুর অনুভব করে যাওয়া উচিত। এতে সবার ভেতরের সৌন্দর্য প্রকাশিত হতে থাকে তার আচরণে। যেখানে জটিল তাদের জন্য একটা শব্দ মাত্র। এজন্য যে কারোরই যত্নসহকারে নিজের অনুভবগুলোকে সয়ম নিয়ে বাড়তে দেওয়া উচিত। কারণ সময়ের সাথে বাড়তে থাকা অনুভবই একটা ব্যক্তির আত্মবিশ্বাস তৈরি করে।

বেশিরভাগ মানুষই তাদের কিছু বিষয় নিয়ে অনেক সময় দুশ্চিন্তা করে থাকে। যেখানে দুশ্চিন্তা কাউকে দুর্বল করে বিষন্নতায় ভোগায়। সবসময় যেকোনো বিষয়ে চিন্তা করার আগে একটু সময় নিয়ে হলেও নিজেকে শান্ত করা উচিত। তারপর কোনো কিছু না ভেবে আলাদাভাবে নির্জন স্থানে চোখ বুজে শুয়ে একটু বিশ্রাম নেওয়ার চেষ্টা করা উচিত। তখন ঘুমিয়ে পড়লেও কোনো সমস্যা নেই। কারণ ঘুম ভেঙে উঠলেই তার মধ্যে সতেজতা কাজ করতে থাকবে। যখন একটু ভাবনার মাধ্যমেই হয়তো কেউ বিষয়টার অসম্ভব সমাধান সাধিত করতে পারে। কারণ নিজেকে নিয়ন্ত্রণের এই মাধ্যমটা কাউকে সময়ের সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলার আত্মিক শক্তি অর্জন করায়। যখন কেউ নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়। তখন যেকোনো কিছুর জন্য কারোর দ্বিতীয়বার ভাবার প্রয়োজন হয় না।

মানুষের সাধারণ বিষয়গুলোর একটা হলো-কোনো কিছু পাবেনা জেনেও অসম্ভব ইচ্ছাশক্তি বজায় রাখা। যা কাউকে সবসময় জীবনের ঘাটতি অনুভব করায়। কোনো কিছুর প্রতি ভরসা করলে হয়তো এতোটা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় না। যতোটা ইচ্ছাশক্তি রাখার মাধ্যমে তৈরি হয়। সেই বিষয়ের প্রতি ইচ্ছাশক্তির গাঢ়ত্ব রাখা উচিত যেই বিষয়টা কারোর ভবিষ্যতের সফলতার কারণ হবে। কারণ বাড়তে থাকা জীবনকে কোনো কিছুর মাধ্যমে আটকালে হয়তো, তার চিন্তাধারাই বদলে যায়। যেখানে সবকিছুর থমকে যাওয়াই তার ভবিষ্যত হয়ে থাকে। যা প্রায়শই তাকে হতাশার মাধ্যমে গ্রাস করে থাকে। যখন চাওয়ার অপূর্ণতাগুলো তাকে ভিতর থেকে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থতা অনুভব করাতে থাকে। এইজন্য শত কষ্টেও নিজের সফলতার পূর্ণতায় জোর দেওয়া উচিত, সপ্নময় ভবিষ্যতের জন্য।

কখনো জোর করে যেমন কোনো কিছু অর্জন করা যায় না। তেমনি কোনো কিছুর জন্য প্রতিরক্ষার্থী মনোভাব কাউকে ততটাই মূল্যবান করে গড়ে তোলে। যখন তার ছোট বিষয়গুলো অনেক মূল্যায়িত হয়ে থাকে যে কারোর কাছে। তখন তার চাওয়ার কোনো অপূর্ণতা না থাকায়। যেকোনো কিছু অর্জনে ইচ্ছাশক্তি প্রকাশের পূর্বেই তা অর্জিত হয়ে থাকে। যখন কেউ নিজেকে বুঝতে পারে। তখন পৃথিবীর যেকোনো কিছু মূহুর্তেই তার কাছে সহজলভ্য হয়ে থাকে। যা তাকে সময় থেকে সময়ে সুন্দরতম জীবনের শান্তি অনুভব করায়।

 

মজবুত মূল্যবোধ তৈরি করতে চিন্তাশক্তির প্রভাব- Wednesday, 08th November, 2023

শান্তিপূর্ণ জীবনের আত্মপ্রকাশঃ

শুরু থেকে কাউকে কোনো কিছু প্রভাবিত করে না। সময়ের সাথে তৈরি হওয়া অভিজ্ঞতার উপর কারোর কর্মের ভিত্তিতে সবকিছুর প্রভাব বাস্তবায়িত হয় তার জীবনে। শুরুতে সবকিছু সহজ মনে হলেও সময়ের সাথে সবকিছু কঠিন হতে থাকে। সময়ের অভিজ্ঞতা একটা সময়ের পর হয়তো প্রত্যেকের  জীবনের পরিবর্তন আনে। কিন্তু চিন্তা-ভাবনার সাথে বাস্তবের রূপ অনেকটাই আলাদা হয়। কেউই চায় না তার পরিকল্পিত সিদ্ধান্তের পরিবর্তন করতে। কিছু সময় পরিস্থিতির চাপে সিদ্ধান্তের বদল হলেও অপূর্ণতা কাউকে পুরনের মধ্যে নতুনত্বতা আনায়। কেউ হয়তো কারোর মতো করে তাকে অনুভব করতে পারে না। কিন্তু কারোর মানবিকতা তার আন্তরিকতায় তাকে গভীরভাবে অনুভব করার শক্তি দেয়। যা তাকে কারোর প্রতি তার থেকেও বেশি অনুভব করায়।

কারোর চিন্তা-ভাবনা সবার মতো না হলেও অনুভব একটা মানুষের বিশেষ পরিবর্তন করতে পারে। যা তাকে যেকোনো কিছু নীরবে বুঝতে শেখায়। নিরবতায় মানুষ আত্মিক অনুভব করতে পারে। যা তাকে মায়ায় নয়, বাস্তবতা মানতে শেখায়। সরল হওয়ার চেয়ে সরাসরি হওয়া ভালো যদি সফল হতে চাও। কারণ দূরে থেকে সরলতা বজায় রাখার চেয়ে সরাসরি সবকিছুর সমাপ্তিও শ্রেয়। কোনো কিছুর প্রতি আলাদা করে আর কোন কিছুর জন্য ভোগান্তি পোহাতে হয় না। মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি সবকিছু জেনেও না জানার মতো আচরণ করা। এইটা তার সবকিছুর চেয়ে তাকে প্রত্যেকের কাছে অপ্রকাশ্যে রাখে বেশি। যা তার সামনের দিনগুলোকে বেশি প্রভাবিত করতে থাকে।

মানুষ যেমন এক জায়গায় তার স্থায়িত্ব বজায় রাখতে পারে না। তেমনি কোন কিছুতে প্রভাবিত হলেও সহজে সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না। কেউই চায় না স্বার্থবাদী হতে। পরিস্থতি আর পরিবেশ একটা ব্যক্তিকে বাধ্য করে স্বার্থবাদী হতে। যা তাকে সবার কাছে অপ্রকাশ্যে উটকো বোঝার মতো মনে করায়। কেউ কারোর বুদ্ধিতে চলে না। সবাই নিজের বিবেচনায় নিজেকে পরিচালনা করে। কিছু সময় কারোর বিফলতা তাকে এতটাই দুর্বল করে যে, তখন সে না চাইলেও নিজের চেয়ে অন্যের সিদ্ধান্তের উপর বেশি ভরসা করতে বাধ্য হয়। কারণ সময়টাই এমন যে, নিজের চেয়ে অন্যের প্রতি তাকে বেশি ভাবতে শেখায়। এইজন্য পরাজয়ে দুর্বল না হয়ে শান্ত হতে শেখো। বিষন্নতায় নেওয়া ভুল সিদ্ধান্ত থেকে মুক্তি পেতে।

অনুপ্রেরণার চেয়ে অনুভব মানুষকে বেশি পরিবর্তন করে। কারণ অনুভব আত্মিক। যা ঘুমের ঘোরেও তাকে প্রভাবিত করে। কোনো কিছুর আভাস কাউকে বোঝার চেয়ে তাকে দ্বিধাগ্রস্ত করে বেশি। কারণ আভাস হচ্ছে বাতাসের মতো যা সময়ের পরিবর্তনে কাউকে বিভিন্নভাবে অনুভব করায়। সময়ের পরিবর্তনে যেমন সবকিছুর পরিবর্তন হয়। তেমনি কোন কিছুর প্রতি অতীতের দায়যুক্ত মুহুর্ত তাকে একরকম ভাবেই সবসময় অনুভব করায়। যা তাকে মানসিকভাবে ক্লান্ত করতে থাকে। প্রয়োজন আর প্রিয়জনের একটা ছোট পার্থক্য থাকে সবসময়। প্রয়োজন মানুষকে তার অভাব অনুভব করায়, পরিপূর্ণ জীবনের অধিকারী করাতে। আর প্রিয়জন ততক্ষনই তার পাশে থাকবে, যতক্ষণ তার প্রয়োজন সে পূরণ করতে পারবে।

অনুভবের জীবনে অনেকেই ছোট পৃথিবীর বড় রূপের পরিচিতি লাভ করে। যা তাকে দেখানোর চেয়ে বোঝায় বেশি। কেউ যখন তার সংক্ষিপ্ত জীবনের বিস্তারিত রূপ দিতে যাবে। তখন তার অপ্রকাশ্যে সময়ের আগেই তার জীবনের সংক্ষিপ্ত রূপ প্রকাশ হবে।