আরো নিবন্ধন পড়ুন



স্মৃতির মাঝের বিষয়গুলো সবসময় শ্রেষ্ঠ হয়- Monday, 04th December, 2023

সময়ের স্মৃতিচারণঃ

কেউ যখন শৈশবের জীবন পার করে। সময় তখন তাকে নিজের সাথে পরিচয় করাতে থাকে। কিন্তু অনেকের কাছে শৈশবে প্রাপ্ত মায়ের ভালোবাসা সবসময় সোনার মূহুর্ত হয়ে তাদের জীবনের পাতায় বদ্ধ থাকে। শৈশবে যেকোনো শিশুর একমাত্র নিরাপদ স্থল মায়ের কোল। যেখানে প্রত্যেকটা শিশুই প্রকৃত শান্তি উপভোগ করে থাকে। হয়তো সময়ের সাথে অনেকে এই মূহুর্তগুলোকে আগের মতো করে অনুভব করে না। কিন্তু ব্যর্থতার কিছু মূহুর্তে এই অনুভবই কাউকে ভিতর থেকে পুনরুজ্জীবিত করে তোলে। কারোর জীবনে সবকিছু পরিবর্তন হলেও এই বিষয়টা সবসময় এক রকম থেকে যায়। শুধু অনুভবের মাধ্যমে বিয়টার অস্তিত্ব বজায় রাখা সম্ভব। যা সবার ক্ষেত্রে কিছু সময় বজায় রাখা সম্ভব হয় না। কিন্তু বিষয়টার স্মৃতিচারণই কারোর মধ্যে মনুষ্যত্ববোধ বজায় রেখে পথচলতে সহায়তা করে।

মানুষের জীবনে কোনো কিছুই যেমন সহজে পূর্ণতা পায় না। তেমনি অল্পেই কোনো কিছুর প্রাপ্তি তাকে দেরিতে সেই বিষয়ের প্রতি অনুগত করায়। কারণ সবকিছু দুর্লভ হওয়ায় যেকোনো বিষয়ের বোধশক্তি কারোর মধ্যে দেরিতে কাজ করে। কিন্তু অনুধাবন মাত্রই বিষয়টার স্থায়িত্ব নিশ্চিত হয় অনেকের জীবনে। যার কারনে শত ভুলের মাঝেও মানুষ পৃথিবীতে তার শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ করে যায়। সূর্য যেমন চাঁদের আলোর কারণ। তেমনি কোনো শিশুর জীবনের মূল্যবোধ তৈরিতে পরিবারের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, তার ভবিষ্যতের সফলতার কারণ। প্রত্যেকটা বিষয়ের সাথেই মানুষের জীবন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যার কারণে একটাকে বাদ দিয়ে আরেকটা চিন্তা করা সম্ভব নয়। তাই জীবনে সবকিছু নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে প্রত্যেকটা বিষয়ের প্রতি সমান গুরুত্ব বজায় রাখা উচিত।

কোনো ঘরে মানুষ না থাকলে যেমন সেই বাড়ির অস্তিত্ব ফুরায়। তেমনি পরিবার ছাড়া কোনো জীবন অস্তিত্বহীনতায় নিঃশেষ হয়। তারা হয়তো সময়ের আগে সফলতা অর্জন করে থাকে। যার কারনে ক্ষমতার জোরে হয়তো পুরো পৃথিবীকে তার পাশে পায়। তবুও আবছা মূল্যবোধে জীবনের নিঃসঙ্গতা সবসময় তাকে অস্তিত্বহীনতা অনুভব করায়। যাদের পরিবার আছে তাদের হয়তো এই বিষয়টা কখনো অনুভব হয় না। যার কারণে একটা সময়ের পর সফলতা অর্জনে কিছু ব্যক্তির মূল্যবোধ আবছা হয়। যেজন্য এই ধরনের ব্যক্তিগুলো সীমিত ক্ষমতার্জনে সবসময় পাশে থাকা পরিবারের মূল্য দিতে ভুলে যায়। তেমনি পরিবার পাশে না পাওয়া ব্যক্তিগুলো প্রয়োজনাতিরিক্ত ধন-সম্পদের মালিক হওয়া স্বত্ত্বেও চিরজীবন পরিবারের নিঃসঙ্গতায় সবকিছুর মাঝেও অস্তিত্বহীন জীবন অনুভব করে। তখন হয়তো একটা পরিবার তার জীবনকে পূর্ণতা দান করে থাকে।

????কিছু আরবি শব্দের বাংলা অর্থ : আসুন আমরা জেনে নি ???? Sunday, 07th January, 2024


 
১. #বিসমিল্লাহ (بِسْمِ اللّهِ)
বিসমিল্লাহ অর্থ: আল্লাহর নামে শুরু।
তাৎপর্য: আল্লাহর বারাকাহ ও নিরাপত্তা অর্জন।    

২. #আলহামদুলিল্লাহ (الْحَمْدُ لِلّٰهِ)
আলহামদুলিল্লাহ অর্থ: সকল প্রশংসা আল্লাহর।
তাৎপর্য: আল্লাহর প্রশংসা ও শুকরিয়া আদায় করা।        

৩. #সুবহানাল্লাহ (سُبْحَانَ اللّٰهِ)
সুবহানাল্লাহ অর্থ: আল্লাহ পবিত্র।
তাৎপর্য: মহান আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করা।       

৪. #আল্লাহু_আকবার (اللّٰهُ أَكْبَرُ) 
আল্লাহু আকবার অর্থ: আল্লাহ সবচেয়ে বড়।
তাৎপর্য: আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা ও সবকিছুর উপরে আল্লাহকে স্থান দেয়া।       

৫. #লা_ইলাহা_ইল্লাল্লাহ (لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللّٰه)
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ (মাবুদ) নেই।   
তাৎপর্য: আল্লাহর এককত্ব ঘোষণা করা এবং তার সাথে অন্য কাউকে শরীক না করা।       

৬. #জাজাকাল্লাহু_খাইরান   
(ﺟَﺰَﺍﻙَ ﺍﻟﻠّٓﻪُ ﺧَﻴْﺮًﺍ)
জাযাকাল্লাহু খাইরান অর্থ: আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন।       
তাৎপর্য: অন্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।

৭. #মাশাআল্লাহ (ما شاء الله)
মাশাআল্লাহ অর্থ: আল্লাহ যেমন চেয়েছেন।
 তাৎপর্য: আল্লাহর প্রশংসা করা। 

৮. #ইনশাআল্লাহ (ان شاء الله)
ইনশাআল্লাহ অর্থ: যদি আল্লাহ চান।
তাৎপর্য: আল্লাহর উপর ভরসা কর। 

৯. #আস্তাগফিরুল্লাহ (ﺃﺳﺘﻐﻔﺮ ﺍﻟﻠﻪ)
আস্তাগফিরুল্লাহ অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই।
তাৎপর্য: আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাওয়া ও তাওবাহ করা।  

১০.  #ফি_আমানিল্লাহ্ (في أمان الله)
ফি আমানিল্লাহ অর্থ: আল্লাহর নিরাপত্তায় সোপর্দ করলাম।
তাৎপর্য: আল্লাহর নিকট নিরাপত্তা চাওয়া, ভরসা করা।

১১. #নাউযুবিল্লাহ (نعوذ بالله)
নাউজুবিল্লাহ অর্থ: আল্লাহর কাছে এথেকে আশ্রয় চাই।
তাৎপর্য: মন্দ কিছু শুনলে কিংবা দেখলে এথেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা।

১২. #লা_হাওলা_ওয়ালা_কুওয়াতা_ইল্লা_বিল্লাহ  
(لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ)
অর্থ: আল্লাহর সাহায্য ও সহায়তা ব্যতীত আর কোন আশ্রয় ও সাহায্য নেই।
তাৎপর্য: আল্লাহর এককত্ব ও বড়ত্ব প্রকাশ।  

১৩. #ইন্নালিল্লাহি_ওয়া_ইন্না_ইলাইহি_র_জিউন 
(إِنَّا لِلّهِ وَإِنَّـا إِلَيْهِ رَاجِعونَ) 
অর্থ: নিশ্চয়ই আমরা মহান আল্লাহর জন্য এবং আমরা তার দিকেই ফিরে যাবো। 
তাৎপর্য: মৃত্যু ও পরকালের স্মরণ।

১৪. #সুবহানাল্লাহি_ওয়া_বিহামদিহি  
(سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِه)
অর্থ: মহাপবিত্র আল্লাহ এবং সকল প্রশংসা তাঁর জন্য।
তাৎপর্য: আল্লাহর পবিত্রতা ও প্রশংসা ঘোষণা করা। 

১৫. #সুবহানাল্লাহিল_আযীম 
(سبحان الله العظيم)
অর্থ: মহপবিত্র আল্লাহ, যিনি মহান।
তাৎপর্য: আল্লাহর পবিত্রতা ও বড়ত্ব ঘোষণা।

 Alhamdulillah

মানসিক শান্তি বজায় রাখার সর্বোত্তম প্রক্রিয়া- Sunday, 05th November, 2023

জীবনের নির্বিঘ্নতাঃ

শুরু থেকে কোনো কিছুর নির্দিষ্টতা আসে না। সময়ের সাথে পরিবর্তিত জীবনের নতুনত্বতা আসে। চাওয়ার অপূর্ণতা যেমন কাউকে কষ্ট দেয়। তেমনি না পাওয়ার অনুভব মানুষকে মজবুত করে সামনের দিনের জন্য। সমস্যা নিয়েই প্রত্যেকটা জীবনের শুরু এবং শেষ হয়। কিন্তু সমস্যাভেদে সমাধান নিজেরই করতে হয়। চিন্তা প্রত্যেককে প্রভাবিত করতে থাকে বর্তমান পরিস্থিতির প্রতি। কিন্তু সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে পরিচালনা নিজের দায়িত্বে থাকে। পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন সঠিক বিবেচনায় সবকিছুর সমাধান সম্ভব। আর ভুল থেকেই সঠিক বিবেচনা তৈরি হয়।

কখনো যদি কারোর খুব কাছের কিছু তার মানসিক চাপের কারণ হয়। তখন সে ভিতর থেকে প্রাণহীনভাবে জীবন কাটাতে থাকে। চাইলেও তার অনুভূতিগুলো কাউকে অনুভব করাইতে পারে না। কারণ সবাই সুখের ভাগিদার। তাই জীবনের চাপগুলো তাকেই বহন করতে হয়। চাপ থেকে সৃষ্ট অনুভূতিগুলো তাকে পরবর্তী সময়ের মূল্য বোঝায়। যদি সে নিজের দিক দিয়ে পরিষ্কার থাকে। প্রত্যেকের জীবন তার কর্মের উপর নির্ভর করে। তাই কারোর জীবনের ভুলগুলোই একসময় তাকে সঠিক রাস্তা দেখায়। যা তাকে পরবর্তীতে যেকোনো চাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

কারণ ছাড়া যেকোনো কিছুই মূল্যহীন। যেকোনো কিছু থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য প্রত্যেকটা বিষয়ের কারন রেখে বিবেচনা করা উচিত। যেকোনো বিষয়ের জন্য নেওয়া সিদ্ধান্তই পরবর্তী মূহুর্তে প্রত্যেককে প্রভাবিত করে। তাই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যে কেউ তাদের সমস্যা উদ্ভব এবং নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এইজন্য প্রত্যেকটা বিষয়ের কারণ রেখে সঠিক বিবেচনায় নিজেকে পরিচালনা করা উচিত। প্রত্যেকের তার নিজের প্রতি সংবেদনশীল হওয়া উচিত। কারন একটা ব্যক্তির তার নিজের প্রতি গুরুত্বই তাকে যেকোনো কঠিন সময়ে সহ্য ক্ষমতা বাড়ায়।

প্রত্যেকেরই ব্যক্তিগত কিছু সমস্যা থাকে। যা অপ্রকাশ্যের অনুভবে তাকে নিরবে কাঁদতে শেখায়। সত্যিকারের অনুভবে কারোর জীবনের পূর্ণতা আসে। যা তাকে নিরবে সবকিছু ভাবতে শেখায়।

মানবিক মূল্যবোধ মানুষের ভেতরের লক্ষণ নির্ধারণ করে থাকে- Thursday, 14th December, 2023

মানুষের লক্ষণ পর্যবেক্ষণঃ

যখন কেউ ভেতর থেকে কোনো কিছুর প্রতি আকৃষ্ট হয়। তখন সেই বিষয়ের সামান্য আবির্ভাবও তাকে সম্পূর্ণরূপে গ্রাস করে। যেই মুহুর্তে হালকা পানি পান করলে তার ভেতর দিয়ে কম্পণ অনুভূত হয় সম্পূর্ণ শরীরে। আর ততক্ষণ পর্যন্ত বিষয়টা তার মধ্যে বিরাজ করে। যতক্ষণ না সে কোনো কিছুর মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত করছে। যেকোনো কিছুই সাধারণ। কিন্তু যেকোনো কিছুর প্রতি মানুষের বিবেচনার পর্যবেক্ষণে বাড়তে থাকা মূল্যবোধ তাকে আলাদাভাবে কারোর সবকিছু নির্ধারণ করায়। যার কারণে কোন বিষয়টা তার জন্য সঠিক। আর কোন বিষয়টা তার জন্য ভুল। তা সহজেই যেকোনো মানুষ তার পর্যবেক্ষণে নির্ধারণ করে জীবনে সামান্য জায়গা দিয়ে থাকে। সময়ের সাথে অনুভবের জায়গা থেকে সেইসব বিষয়ের পরিধি বাড়ে বা নির্মূল হয়।

কিছু সময় কোনো ব্যক্তি হালকা কোনো কিছুর প্রতি এতটাই জরিয়ে যায়। যখন সামান্য অনুভবে যেকোনো কিছু থেকে তার ভাঙা-গড়ার গল্পের শুরু হয়। যা হয়তো কারোর জীবনের শেষ অবধি চলতে থাকে। একটা মানুষ শুরু থেকে কখনোই চাইবে না যে, তার জন্য কেউ সামান্য কষ্ট অনুভব করুক। কিন্তু যখন সে বুঝতে পারবে, প্রত্যেকের জন্য আত্মত্যাগে তার মূল্যবোধের বিসর্জন হতে পারে। তখন হয়তো সেইসব ব্যক্তি জীবনের কঠিন সত্যগুলোর সাথে পরিচিত হবে। যখন কারোর প্রতি মূল্যায়ন আর নিজের জন্য মূল্যবোধ কাজ করবে। মানুষ নতুনত্বে আকৃষ্ট। তবে পুরোনো কিছু ভুলে গিয়ে নয়। সবকিছুই মানুষের মধ্যে বিরাজ করে। শুধু সময় সবকিছুর পুনঃনির্ধারণ করে থাকে। যেজন্য মানুষ নিজের জায়গায় ঠিক থাকে। কিন্তু প্রত্যেকটা পরিস্থিতিতে খাপ খাওয়াতে সময়ের সাথে সবাইকেই একটু বদলাতে হয়।

অনেক সময় দেখা যায় যে, কিছু মানুষ কোনো পরিস্থিতিতে তাকে মানাতে পারবে কিনা চিন্তা না করে, তার জীবনে বিষয়টার স্থায়ীত্বের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। যেই বিষয়টা শুরুর দিকে ছোট মনে হলেও সময়ের সাথে তার কঠিনত্বতা কারোর জীবনকে দুর্বিসহ করে তোলে। যখন বিষয়টা বুঝলেও পূর্ব নির্ধারিত সিদ্ধান্তের মতো চাপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। যখন সময়ের সাথে বিষয়টার জটিলতা বাড়তে থাকে। তখন অনুভবের ভার সময়ের সাথে কারোর জীবনের চাপ বাড়িয়ে থাকে। যেজন্য ব্যক্তিগুলোর মধ্যে হালকাভাবে তিক্ততা তৈরি হয়। যখন কেউ নিজের মধ্যে থেকেও নিজেকে অনুভব করতে ভুলে যায়। তাই সময় থাকতে যেকোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজের দিকটা বিবেচনা করা উচিত। যাতে সামান্য ভুলের মাধ্যমে অন্যের আর নিজের জীবনকে অর্থহীনতায় ভোগান্তির শিকার না হতে হয়।

সিদ্ধান্ত নেওয়া ভুল নয়। তবে ভবিষ্যতে প্রতি সিদ্ধান্তের প্রভাব পূর্বেই বিবেচনা করা উচিত। যাতে সামান্য ভুলের কারণে সারা জীবনের ভোগান্তির শিকার না হতে হয়।