ওয়েব সাইট এবং অ্যাপ ডেভলপমেন্ট

17th September, 2023
69




সেলফডিপেন্ড একটি সতন্ত্র ওয়েব এবং অ্যাপ ডেভলপমেন্ট প্রতিষ্ঠান। আমরা গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী শর্ত সাপেক্ষে ওয়েব/অ্যাপ ডেভলপ করে থাকি এবং পরবর্তী আপডেট নিয়ে কাজ করি। আমাদের পরিসেবাগুলোর মধ্যে রয়েছে- 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েব সাইট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েব সাইট, নিউজ পোর্টাল জন্য ওয়েব সাইটমিডিয়া/অনলাইন টিভি, ই-কমার্স জন্য ওয়েব সাইটল্যান্ডিং ওয়েব সাইট, পার্সোনাল ওয়েব সাইট।


আরো নিবন্ধন পড়ুন



কারোর ব্যক্তিত্ব যেকোনো পরিস্থিতির প্রভাব থেকে তাকে মুক্ত রাখে- Tuesday, 05th December, 2023

ব্যক্তিত্ব মানুষের অস্তিত্বঃ

অনেকে ব্যক্তিত্ব একটা শব্দ মনে করে। যা কোনো কিছুর সাথে জোড়া দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু উপরিভাগে নিজেকে ব্যক্তিত্বের শব্দে আবদ্ধ করা জীবনের মূর্খতা। কারণ ব্যক্তিত্ব মানুষের অস্তিত্ব, কোনো শব্দ না। যখন সেইসব ব্যক্তি বোধশক্তির দুর্বলতায় যেকোনো মানুষের কাছে নিঃশব্দে তার মূল্যহীনতা প্রকাশ করে থাকে। যা সেই মূহুর্তে তার চিন্তাধারার বাইরে থাকে। যে কারণে সেইসব ব্যক্তির জীবন গঠনের শুরুর পর্যায়ের নির্বোধ মনোভাব পোষণে, যেকোনো মানুষের কাছে তাকে ব্যক্তিত্বহীনভাবে প্রকাশ করে। কারোর জীবনের ভুলগুলো সঠিকভাবে বুঝতে হয়তো বয়স ৩০+ হয়ে যায়। তখন ব্যক্তিগুলো নিজেই নিজের কাছে উপহাসের খোরাক হয়। কারণ যেই সময় কারোর নিজেকে নিজের জন্য সংশোধন করা প্রয়োজন হয়। তখন ব্যক্তিত্বহীনতায় তার ভিতরের নির্বোধ মনোভাব সবকিছু থেকে তাকে দূর করে থাকে। যেজন্য ভবিষ্যতে সেইসব ব্যক্তি নিজের কাছে বিদ্রুপ হয়ে থাকে।

বেশকিছু বিষয় কারোর ব্যক্তিত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। যেমন- জীবনের প্রতি আশার জায়গায় ভরসার মনোভাব পোষণ করা। ভালোলাগার জায়গায় ভালো কাজের মাঝে নিজেকে লিপ্ত রাখতে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া। যেকোনো বিষয়ে নিজেকে ইতিবাচকভাবে ভাবতে শেখানো। পরিপূরক জীবন পেতে সংক্ষিপ্ত রাস্তা পরিত্যাগ করা। প্রত্যেকটা মূহুর্তে সৃষ্টিকর্তার অনুদানের কথা মাথায় রেখে কোনো কিছুর প্রতি অতিরিক্ত গুরুত্ব ত্যাগ করা। কারণ জীবনের সাথে জড়িত অতিরিক্ত বিষয়গুলো ত্যাগেই মানুষ নিজের সাথে পরিচিত হয়ে থাকে। যখন কারোর মধ্যে মরীচিকার মোহ নিঃশেষ হওয়ায় অনেকেই জীবনের বাস্তবতায় নিজেকে উজ্জীবিত করতে সক্ষম হয়। তখন জীবনের সত্যতায় অনেকে নিজের ভিতরে ব্যক্তিত্বের অভিজ্ঞতা অনুভব করতে থাকে। কারণ যেকোনো মানুষের ব্যক্তিত্ব জীবনের সামঞ্জস্যতা বজায় প্রত্যেকটা বিষয়ের প্রতি প্রতিরক্ষার্থী মনোভাব তৈরি করে।

মানুষের জীবনে যেকোনো কিছু চিন্তাধারার মাধ্যমে অর্জন করতে হয়। তাই জীবনে আগাছার মতো বিষয়গুলোকে পরিত্যাগ করে কেউ যখন পরিবারের প্রতি অনুগত হতে শেখে। তখন জীবনের কোমলতায় তার বিশেষত্ব তৈরি হতে থাকে। যা প্রত্যেকের কাছে তার বিভিন্ন দিকদর্শনেও পরিবারের কর্তব্যে সবসময় তাকে নির্ধারিত রাখে। যখন কেউ পথভ্রষ্ট ব্যক্তিকে জীবনের পর্যালোচনা শেখানোর মাধ্যমে নিজের অস্তিত্বের পরিধি বৃদ্ধি করে থাকে। একটা মানুষ কখনোই কোনো কিছুর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কারণ জীবন অল্প সময়ের হলেও তার পরিধি বিশাল। তাই কেউ যদি মনে করে যে, সমাজের প্রতি তার অবদানের পরিবর্তে অপ্রকাশ্যে প্রত্যেকটা বিষয়ে মনুষ্যত্ববোধ প্রতিষ্ঠা করে যাবে। তখন পৃথিবীর শেষ অবধি মানুষ হিসেবে কিছুটা হলেও জীবনের দায়ভার কমাতে পারে। 

মানসিক শান্তি বজায় রাখার সর্বোত্তম প্রক্রিয়া- Sunday, 05th November, 2023

জীবনের নির্বিঘ্নতাঃ

শুরু থেকে কোনো কিছুর নির্দিষ্টতা আসে না। সময়ের সাথে পরিবর্তিত জীবনের নতুনত্বতা আসে। চাওয়ার অপূর্ণতা যেমন কাউকে কষ্ট দেয়। তেমনি না পাওয়ার অনুভব মানুষকে মজবুত করে সামনের দিনের জন্য। সমস্যা নিয়েই প্রত্যেকটা জীবনের শুরু এবং শেষ হয়। কিন্তু সমস্যাভেদে সমাধান নিজেরই করতে হয়। চিন্তা প্রত্যেককে প্রভাবিত করতে থাকে বর্তমান পরিস্থিতির প্রতি। কিন্তু সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে পরিচালনা নিজের দায়িত্বে থাকে। পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন সঠিক বিবেচনায় সবকিছুর সমাধান সম্ভব। আর ভুল থেকেই সঠিক বিবেচনা তৈরি হয়।

কখনো যদি কারোর খুব কাছের কিছু তার মানসিক চাপের কারণ হয়। তখন সে ভিতর থেকে প্রাণহীনভাবে জীবন কাটাতে থাকে। চাইলেও তার অনুভূতিগুলো কাউকে অনুভব করাইতে পারে না। কারণ সবাই সুখের ভাগিদার। তাই জীবনের চাপগুলো তাকেই বহন করতে হয়। চাপ থেকে সৃষ্ট অনুভূতিগুলো তাকে পরবর্তী সময়ের মূল্য বোঝায়। যদি সে নিজের দিক দিয়ে পরিষ্কার থাকে। প্রত্যেকের জীবন তার কর্মের উপর নির্ভর করে। তাই কারোর জীবনের ভুলগুলোই একসময় তাকে সঠিক রাস্তা দেখায়। যা তাকে পরবর্তীতে যেকোনো চাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

কারণ ছাড়া যেকোনো কিছুই মূল্যহীন। যেকোনো কিছু থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য প্রত্যেকটা বিষয়ের কারন রেখে বিবেচনা করা উচিত। যেকোনো বিষয়ের জন্য নেওয়া সিদ্ধান্তই পরবর্তী মূহুর্তে প্রত্যেককে প্রভাবিত করে। তাই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যে কেউ তাদের সমস্যা উদ্ভব এবং নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এইজন্য প্রত্যেকটা বিষয়ের কারণ রেখে সঠিক বিবেচনায় নিজেকে পরিচালনা করা উচিত। প্রত্যেকের তার নিজের প্রতি সংবেদনশীল হওয়া উচিত। কারন একটা ব্যক্তির তার নিজের প্রতি গুরুত্বই তাকে যেকোনো কঠিন সময়ে সহ্য ক্ষমতা বাড়ায়।

প্রত্যেকেরই ব্যক্তিগত কিছু সমস্যা থাকে। যা অপ্রকাশ্যের অনুভবে তাকে নিরবে কাঁদতে শেখায়। সত্যিকারের অনুভবে কারোর জীবনের পূর্ণতা আসে। যা তাকে নিরবে সবকিছু ভাবতে শেখায়।

#ছোট পদক্ষেপ Saturday, 06th January, 2024

ছোট পদক্ষেপ, বৃদ্ধি আনে বৃদ্ধি। আমরা সবাই অপরিসীম, শক্তিশালী পরিবর্তন চাইতে থাকি, কিন্তু আমাদের জীবনের মৌলিক পরিবর্তন আসতে হলে সেটি ছোট পদক্ষেপের মাধ্যমেই হতে পারে।

 

আমরা অনেকগুলি ছোট পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিবর্তন ঘটাতে পারি, যেগুলি সম্ভবত আমরা সাধারণভাবে উপেক্ষা করি। উদাহরণস্বরূপ, দিনটি শুরু হতেই আপনি কেটে এসেছেন একটি গুলি প্লাস্টিক বোতলের বৃষ্টির জোড়ো সাথে, এটি আপনার মৌলিক পরিবর্তনের শুরু হতে পারে! আমরা সকলে এই প্রকারের ছোট পদক্ষেপগুলি নেওয়ার মাধ্যমে প্রকৃতির দিকে আমাদের অবদান বাড়িয়ে দিতে পারি।

 

এই ছোট পদক্ষেপগুলি সামাজিক পরিবর্তনেও কৌশল আসতে পারে, যেটি সমাজের মাধ্যমে একজন ব্যক্তির ভিত্তিতে শুরু হতে পারে। এই পদক্ষেপগুলি একটি সুস্থ, সহজলভ্য ও বিশ্ববাসী সমাজ সৃষ্টি করতে সাহায্য করতে পারে, যাতে আমরা সমস্ত প্রকারের পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হতে পারি।

 

আসুন সবাই মিলে ছোট পদক্ষেপ নেয়ার প্রতিশ্রুতি নেই এবং একসঙ্গে এই পৃথিবীকে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যাই।