প্রবর্তনের সাংক্ষেপিক রুপ কারোর জীবনকে অনেকটা বদলে দেয়-

16th January, 2024
447




কিছুটা প্রত্যাবর্তনঃ

কখনো যদি কিছু বিষয় কারোর জীবনে থমকে দাড়ায়। হয়তো বেশিরভাগ মানুষ জীবনের তাগিদে সবকিছু ত্যাগ করে সামনের দিকে এগোতে বাধ্য হবে। কারণ জীবনটা ক্ষনিকের হলেও কোনো কিছু আঁকড়ে পড়ে থাকলে সবকিছু সীমাহীন মাত্রা প্রকাশ করতে থাকে। যা সময়ের সাথে কাউকে নিঃশেষ করে দেয়। তাই বোধসম্পন্ন মানুষ কখনোই কোনো বিষয়ের জন্য নিজের জীবনের সাথে পার্থক্য করবে না। পৃথিবীতে মানুষের শেখার শ্রেষ্ঠ মাধ্যম সে নিজে। কারন কোনো মানুষ নিজের জন্য কখনোই স্বার্থবাদী হয় না। প্রত্যেকেই তার নিজের মাঝে নিঃস্বার্থ, যদি জীবনের মূল্যায়ন করতে জানে! কোনো কিছুই পরিপূর্ণ নয়। যার কারণে একটা সময়ের পর সবকিছু পূর্ণতা পায়। অনেকেই সমান্য না পাওয়ায় নিজের জীবনকে দোষারোপ করতে থাকে। কিন্তু কিছু সংখ্যক মানুষই দোষের জায়গায় নিজের কর্মের হিসাব করে। কারন কর্মেই কারোর ভাগ্য নির্ধারিত বা পরিবর্তিত হয়।

জীবনের সান্নিধ্যে কেউ বিশেষ কিছু বিষয় আবদ্ধ করে রাখে। যা তাকে শেষ নিঃশ্বাস অবধি কোনো কিছুর কমতি অনুভব হতে দেয় না। যেজন্য কোনো কিছু খোঁজার জায়গায় অনুধাবন করতে পারলে সবকিছু সহজ। অনেকেই শূন্য জীবনে নিজের সৃজনশীলতায় পুরো পৃথিবীতে বিরাজ করে। যেখানে ত্যাগ করা, মানায় নেওয়া, একান্তে সবকিছু পর্যালোচনা করা সেইসব ব্যক্তির সাধারণ বৈশিষ্ট্য হয়ে থাকে। বিষয়গুলো লেখায় সাধারণ। কিন্তু এইগুলো পর্যালোচনার মাধ্যমে কারোর জীবন একবার বদলে গেলে সবসময় তা পরিবর্তিত হতে থাকে। যখন কোনো কিছুর মোহ সেইসব ব্যক্তিকে আটকাতে পারে না। কারণ ভালো মানুষ দেখতে সরল হয়। কিন্তু তাদের ব্যক্তিত্বের কারণ খুঁজলে চিন্তাশক্তির নিঃশেষেও তার পরিসমাপ্তি পাওয়া সম্ভব না।

অর্থ মানুষের সাময়িক শান্তি যা কারোর অস্তিত্ব তৈরি করে। কিন্তু চরিত্র প্রত্যেকের পরিচিতি যা কারোর মূল্যবোধ তৈরি করে। সীমিত অর্থেও জীবন পরিচালনা করা যায়। কিন্তু হালকা চরিত্রে সবকিছুর অতিরিক্ততায়ও জীবন মূল্যহীন হয়ে যায়। যা হয়তো কেউ বুঝতে পারে না। কিন্তু সেইসব ব্যক্তি কখনোই জীবনের পবিত্রতা উপভোগ করতে না। কিন্তু জীবনের পবিত্রতাই কাউকে পৃথিবীর অশেষ কষ্টের মাঝেও স্বর্গানুভব করায়। যখন কোনো কিছুর জন্য আত্মবিশ্বাস সেইসব ব্যক্তির সবচেয়ে বড় শক্তি। যা কাউকে তার জীবনে অটুট বন্ধনে আবদ্ধ করে রাখে। তাই জীবনে পাওয়ার আশায় কোনো কিছুর জন্য নিজের সাথে তুলনা করা উচিত নয়।

রিলেটেড পোস্ট


নিখুঁত চিন্তার চেয়ে নিজেকে নির্ভুল রাখা উত্তম-
পড়া হয়েছে: ২৪৮ বার

ছোটবেলার হারানো সময়-
পড়া হয়েছে: ২৫৫ বার

পরিসমাপ্তির অন্তরালে-
পড়া হয়েছে: ৩৫৩ বার

শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক-
পড়া হয়েছে: ৩৭৩ বার

প্রত্যেকটা নারীর প্রকৃতির সাথে আলাদা একটা সম্পর্ক থাকে-
পড়া হয়েছে: ২৯০ বার

মনঃস্তাত্বিক বিষয়গুলো যত্নের সহিত রাখা উচিত-
পড়া হয়েছে: ২৪৯ বার

মানসিক শান্তি বজায় রাখার সর্বোত্তম প্রক্রিয়া-
পড়া হয়েছে: ২৪৭ বার

মানুষ তার অনুভবের উপর নির্ভর করে-
পড়া হয়েছে: ৪৬৭ বার

মানুষের অনুভবের ভিত্তিতে তার বিবেচনার গাঢ়ত্ব বাড়ে-
পড়া হয়েছে: ২৫৪ বার

মজবুত মূল্যবোধ তৈরি করতে চিন্তাশক্তির প্রভাব-
পড়া হয়েছে: ২৪৫ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



Asad ali Monday, 08th January, 2024
Asad Ali 
     30

শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক-

 

সম্পর্কের সম্মানঃ

কোনো কিছুর শুরুতে সবকিছু ঠিক থাকে। আত্মিক অনুভব নিজের চারপাশে নতুন পরিবেশ সৃষ্টি করে। আশেপাশের সবকিছু নতুন আবহাওয়ায় নিজেকে নতুন করে সৃষ্টি করে। কিছুদিন পর এই সম্পর্কের প্রকৃতিটা আমাদের মধ্যে একঘেয়েমি সৃষ্টি করতে থাকে। কারণ আমরা মানুষ নতুনত্ব আমাদেরকে পরবর্তী মূহুর্তের প্রতি আকৃষ্ট করায়। ভালোলাগা এমন একটা জিনিস যেটা প্রতিটা মানুষের মধ্যে যেমন নতুনত্ব সৃষ্টি করে তেমনি তার চেয়ে একটু ভালো কিছু আমাদেরকে সেই পরিবেশের প্রতি অনিহা সৃষ্টি করায়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে ভালোলাগার বিষয়টা Short Time Relationship এর মধ্যে পরে। কারণ ভালোলাগা শুধু আমাদের কোনো কিছুর প্রতি আকৃষ্ট করায়। কিন্তু সত্যিকারের ভালোবাসা আমাদের অপ্রকাশ্যে ত্যাগ করতে শেখায়। যারা সত্যিকার অর্থে কাউকে ভালোবাসে তাদের প্রথম পর্যায় খুব কঠিন থাকে। কারণ তারা অনুভব করে। কিন্তু কিসের জন্য অনুভব করে তার কোনো কারণ খুঁজে পায়না। যা তাদের প্রথম পর্যায়ে খুবই বিরক্ত অনুভব করায় যেকোনো কিছুর প্রতি। আস্তে আস্তে সে যখন তার আত্মিক অনুভবের মানুষটাকে খুঁজে পায়। তখন তাকে সে এতটাই সম্মানের পর্যায়ে রাখে যে, তার যেকোনো পরিস্থিতিতে তার ঢাল হয়ে থাকে। আর এর কারণেই সবসময় তাকে হারানোর ভয়ে নিরবতায় তার প্রতিরক্ষার্থী 

পারিবারিক আদালত কী, মামলার ধরন, মামলা করার পদ্ধতি Tuesday, 29th August, 2023

পারিবারিক আদালতঃ প্রতিটি জেলায় সহকারী জজ আদালত পারিবারিক আদালত হিসেবে গণ্য হয়। যেহেতু পারিবারিক আদালতের মামলা সিভিল বা দেওয়ানী প্রকৃতির বিধায় সকল পারিবারিক সমস্যার সমাধান এখানে পাওয়া যাবে এমনটা ভাবা সঠিক নয়। পারিবারিক আদালতে মূলত পাঁচটি পারিবারিক সমস্যার নিষ্পত্তি করা হয়।

  1. বিবাহ বিচ্ছেদ
  2. দাম্পত্য সর্ম্পক পুনরুদ্ধার
  3. মোহরানা
  4. ভরণপোষণ
  5. সন্তানের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান

বিবাহবিচ্ছেদঃ বিবাহবিচ্ছেদের জন্য সব সময় আদালতে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কাবিননামার ১৮ নম্বর ঘরে স্ত্রীকে তালাক দেয়ার ক্ষমতা না থাকলে কেবল স্ত্রী আদালতে যেতে পারেন। এছাড়া স্ত্রী যদি স্বামীকে ‘খোলা’ বা ‘মোবারাত’ বিচ্ছেদে সম্মত করাতে পারেন, সে ক্ষেত্রেও আদালতে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। কাবিননামায় স্ত্রীর তালাক দেয়ার ক্ষমতা না থাকলেই কেবল আদালতে যেতে হবে। ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ আইন অনুযায়ী ৯টি কারণের মধ্যে যেকোনো একটি কারণে স্ত্রী তালাক প্রার্থনা করতে পারেন।

  •  স্বামী চার বছরের বেশি সময় নিরুদ্দেশ থাকলে।
  • স্বামী দুই বছর খোরপোশ দিতে ব্যর্থ হলে।
  • বিনা অনুমতিতে অতিরিক্ত স্ত্রী গ্রহণ করলে।
  • স্বামী সাত বছর বা এর বেশি কারাদণ্ড ভোগ করলে।
  • বিনা কারণে স্বামী তিন বছর দায়িত্ব পালনে ব্যার্থ হলে।
  • স্বামী পুরুষত্বহীন হলে।
  • স্বামী কুষ্ঠব্যাধি বা মারাত্মক যৌনব্যাধিতে ভুগলে।
  • স্ত্রীর নাবালিকা অবস্থায় বিবাহ হলে এবং যৌন সম্পর্ক স্থাপন না হলে সাবালিকা হওয়ার পর স্ত্রী তা অস্বীকার করলে।

দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারঃ কোনো কারণে দাম্পত্য জীবন ব্যাহত হলে এবং সংসারে ফেরত না আসতে পারলে স্বামী বা স্ত্রী যে কেউ পারিবারিক আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন। মোহরানা/দেনমোহর : স্বামীর পরিশোধ না করা দেনমোহরের জন্য স্ত্রী মামলা করতে পারেন। তাৎক্ষণিক মোহরানার জন্য যে তারিখে তা দাবি করা হয় এবং অগ্রাহ্য করা হয়, সে তারিখ থেকে তিন বছরের মধ্যে এবং বিলম্বে মোহরানার জন্য বিচ্ছেদ ঘটার তারিখ থেকে তিন বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে। ভরণপোষণ : স্বামী যদি স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ইচ্ছাকৃত অপারগ থাকেন, তাহলে স্ত্রী যেদিন থেকে ভরণপোষণের টাকা দাবি করবেন, সেদিন থেকে তিন বছরের মধ্যে পারিবারিক আদালতে মামলা করতে হবে। সন্তানের অভিভাবকত্ব : সন্তানের অভিভাবকত্ব এবং হেফাজত নিয়ে কোনো বিরোধ হলে পারিবারিক আদালতে যাওয়া যেতে পারে। আইনগত বিবাহবিচ্ছেদের পর ছেলের সাত বছর বয়স এবং মেয়ের বয়োসন্ধি পর্যন্ত মা-ই সন্তানকে পালন করতে পারেন। উপযুক্ত বয়সসীমার নিচে যদি সন্তানের বয়স হয় এবং বাবা যদি মায়ের কাছে সন্তানকে না রাখতে দেন, তবে মা পারিবারিক আদালতে মামলা করতে পারেন। এ পাঁচটি বিষয়ে পারিবারিক বিরোধ দেখা দিলে আপনি পারিবারিক আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন। পারিবারিক এসকল বিরোধ নিষ্পত্তির জন্যই দেশে পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

আদালতের আশ্রয় নেয়ার পদ্ধতিঃ উভয় পক্ষ যেখানে বসবাস করে বা সর্বশেষ বসবাস করেছে এবং যে পারিবারিক আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে সমস্যা উদ্বৃত্ত হয়েছে, সেই আদালতে মামলা করতে হবে। তবে বিবাহবিচ্ছেদ, মোহরানা ও ভরণপোষণের ক্ষেত্রে যেখানে স্ত্রী বসবাস করেন, সেই এলাকায় বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে পারবেন। দেনমোহর বা ভরণপোষণের পরিমাণ যতই হোক, মামলা করা যাবে। পারিবারিক মামলার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য প্রয়োজনীয় যে কাগজ-পত্র দরকার -

  1. কাবিন নামা
  2. তালাক নামা (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে)
  3. ভোটার আইডি কার্ড/ জন্ম নিবন্ধন সনদ
  4. বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন কার্ড (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে)
  5. ২য় বিবাহের কাবিন নামা

(প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে) মামলার ধাপসমূহঃ 

  1. মামলা দায়ের
  2. সমন ফেরত
  3. জবাব দাখিল
  4. আপোষ মিমাংসা/বিচার্য বিষয় গঠন
  5. শুনানির তারিখ নির্ধারণ/প্রাথমিক শুনানি
  6. চূড়ান্ত শুনানি
  7. যুক্তি-তর্ক
  8. রায় ও ডিগ্রী মামলার ধাপগুলো দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

অন্য সকল মামলার তুলনায় পারিবারিক আদালতের মামলার কার্যক্রম অগ্রাধিকার দিয়ে খুব কম সময়ের মধ্যে সমাধান করার চেষ্টা করা হয়ে থাকে।

AI is coming for you with a new dimension Thursday, 14th December, 2023

ভবিষ্যতে Artificial Intelligence (AI) ক্ষেত্রে অনেক পরিবর্তন আনা যাচ্ছে, এবং এটি বিভিন্ন শাখার মাধ্যমে আমাদের দৈর্ঘ্যবাদী পরিবর্তনের সৃষ্টি করতে সক্ষম। কিছু মৌলিক পরিবর্তনের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে:

1. **ভাষা সাবলীলতা এবং সেমান্টিক অ্যানালাইসিস:** AI সাবলীলতা এবং সেমান্টিক অ্যানালাইসিসের ক্ষেত্রে অনেক উন্নতি হতে চলেছে, যাতে একটি সিস্টেম ভাষা বুঝতে এবং তার সাথে সাংকর্ষণ করতে পারে। এটি ভাষার বুঝতে, পূর্বাভাস তৈরি করতে এবং সম্প্রচার করতে আরও কার্যকর হতে পারে।

2. **কম্পিউটার ভিশন:** AI এবং মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে কম্পিউটার ভিশনে বৃদ্ধি হচ্ছে, যাতে কম্পিউটার ছবি বা ভিডিও সম্পর্কে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বুঝতে পারে এবং তার সাথে সংকর্ষণ করতে পারে।

3. **স্বাধীনভাবে কাজ করতে সক্ষম সিস্টেম:** স্বাধীনভাবে কাজ করতে সক্ষম AI সিস্টেমের উন্নতি হতে চলেছে, যাতে এই সিস্টেমগুলি নতুন পরিস্থিতিতে নতুন পর্যায়ে সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম হতে পারে।

4. **রোবোটিক্স এবং অটোনমাস সিস্টেম:** রোবোটিক্স এবং অটোনমাস সিস্টেমগুলি আরও বৃদ্ধি হবে, যাতে তারা মানুষের সাথে কার্যকরভাবে সহযোগিতা করতে পারে।

5. **কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:** কোয়ান্টাম কম্পিউটিং প্রযুক্তি আসছে, যা অত্যন্ত শক্তিশালী হতে সক্ষম এবং কিছু ক্রিয়াকলাপগুলির জন্য দ্রুততা এবং সহজে সম্ভাবনা প্রদান করতে সক্ষম।

এগুলি মতো পরিবর্তনের অনুমান করা হচ্ছে, কিন্তু ভবিষ্যতে আরও অনেক প্রযুক্তি এবং প্রকল্পগুলি বাজারে আসতে পারে যা আমরা এখনো আগামীতে জানি নি।