বীরত্ব।

14th January, 2024
64




  কখনো না পরে যাওয়ার মাঝে বীরত্ব নেই, পরে গিয়ে আবার উঠে দাঁড়ানোর মধ্যেই আসল বীরত্ব লুকিয়ে আছে।


আরো নিবন্ধন পড়ুন



জীবনের প্রথম জিনিস কখনই পরিবর্তন হয় না- Monday, 27th November, 2023

অনুভবে কোনো কিছু পুরাতনেও সুন্দরঃ

মানুষ যেকোনো মূহুর্ত অনুভবের মাধ্যমে নিজের বিশেষত্ব তৈরি করতে পারে। কারণ বেশিরভাগ ব্যক্তি সবকিছুর মধ্যে নতুনত্বতা খুঁজেঊ বেড়ালেও অনুভবের জন্য তা সম্ভব না। অনুভব এমন একটা জিনিস যা কখনো পুরোনো হয় না। বরং সময়ের সাথে বাড়তে থাকে। যার জন্য মানুষ পুরোনো হয়, সময় বদলায়। কিন্তু কারোর অনুভবের গাঢ়ত্ব তাকে ভিতর থেকে সবসময় একরকম রেখে যায়। যেজন্য অনুভব অপরিবর্তনশীল কিন্তু বাড়ন্ত। যার শুরু আছে কিন্তু শেষ নাই। কারণ শেষ নিঃশ্বাসেও মানুষ অনুভব করে যায়। আর পরবর্তীর নতুন কোনো শিশুর মাধ্যমে তা আবার পুনরুজ্জীবিত হয়।

কিছু সংখ্যক মানুষের জীবনে কিছু বিশেষ বিষয় থাকে। যার অনুভব কারোর মধ্যে আত্মিকভাবে জড়িত থাকে। যখন বিষয়টার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি তেমন কোনো প্রভাব বিস্তার করে না। কারণ এমন বিষয়গুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অপূর্ণতার বাস্তবতা হওয়ায়, যা সেই প্রকৃতির ব্যক্তিদের ভেতরের অংশবিশেষ হয়ে থাকে। তখন বিষয়টা অনুভবের মাধ্যমে কারোর জীবনের অনেকটা জায়গা জুড়ে থাকে। যার জন্য তার সামনে বা পেছনের যেকোনো কিছুই স্বাভাবিক মাত্রায় তার জীবনে বিরাজ করে। একটা মানুষের দৈহিক শক্তির চেয়ে মানসিক শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করা উচিত ইতিবাচকভাবে।

ভোরের শুভ্রতা- Friday, 27th October, 2023

কুয়াশায় ঢাকা ভোরঃ

শীতের সকালে কুয়াশায় ঢাকা প্রকৃতি সূর্যের এক টুকরো আলোয় নিজের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে। নিস্তব্ধ প্রকৃতি শীতের ঠান্ডা হিমে তার মিষ্টি সুগন্ধ চারদিকে নতুন পরিবেশ সৃষ্টি করতে থাকে। প্রকৃতির সীমাহীন ভালোবাসা সময়ের পরিবর্তনে প্রত্যেকটা মানুষকে নতুনভাবে নিজেদের তৈরি করা শেখায়। কিন্তু যে যার ব্যক্তিত্বের মতো করে নিজেদের তৈরি করে।

কেউ কারোর উপর নির্ভর করে না। কিন্তু প্রকৃতির উপর পুরো পৃথিবীর মানুষ নির্ভর করে। প্রকৃতি এতটাই শক্তিশালী যে, পুরো মানবজাতিকে নিজের আদলে আগলে রাখে। নিঃস্বার্থ প্রকৃতির মায়া বোঝার ক্ষমতা অনেকের মধ্যে থাকে না। কিন্তু মানবজাতি হিসেবে প্রকৃতির থেকে ভোগ করে প্রত্যেকে নিজেদের অধিকার দাবি করি। কোনো কিছু বলে নিজেকে অনুপ্রাণিত রাখা যায়, অল্প সময়ের জন্য। কিন্তু কোন কিছু না বলে অনুভব করে নিজেকে সারাজীবনের জন্য অটুট রাখা যায় পবিত্র চিন্তা-ভাবনায়। ভালো কিছু করার চিন্তায় অনেক সময় সৎ অসৎ এর পার্থক্য করতে ভুলে যায় অনেকেই। এইটা সময়ের পরীক্ষা তোমার জন্য। যা বুঝে পথ চললে দেরিতে সফলতা আসলেও তোমার। কিন্তু লোভে পড়ে সাময়িকের সফলতায় ভবিষ্যতে প্রাশ্চিত্যের জীবন তোমার। যা বোঝার চেয়ে অনুভব করবা বেশি।

শীতের প্রত্যেকটা মুহুর্ত স্নীগ্ধতার। হালকাভাবে প্রত্যেকটা মুহুর্ত অনুভব করা সম্ভব। কারণ যেকোনো কিছুর প্রতি অনুভবের গাঢ়ত্ব প্রত্যেকের জীবনেই দাগ ফেলে যায়। ভালোবাসা শব্দটা সুন্দর মানে বোঝালেও এর অসৎ ব্যবহারের জন্য উচ্চারণেই প্রত্যেকটা ব্যক্তির বিস্মিত চাহনির সম্মুখীন হতে হয়। আগলে সবকিছু আপন করা যায়। সময় নিয়ে সবকিছুর সমাধান করা যায়। অতিরিক্ত চাওয়া কোন কিছুর প্রতি নিজেকে আকৃষ্ট করায়। কিন্তু প্রকৃতি বুঝে পরিবেশ পরিচালনার মাধ্যমে নিজের দায়িত্ব বোঝা সম্ভব। কোনো কিছু এড়িয়ে যাওয়া আর মুখ ফিরিয়ে নেওয়া সম্পূর্ণই আলাদা। স্বার্থে আঘাত পড়লে যে কেউ মুখ ফিরিয়ে নেয়। আর কোন কিছুর জন্য ভেতরের চাপ নিতে না পারলে সেই পরিস্থিতি থেকে যে কেউই এড়িয়ে যাবে। কারণ সেখানে চাইলেও কোন কিছু বলা যায় না।

শীতের সময়টা মানুষকে যেমন অনুভব করায় বেশি। তেমনি ভোরের কুয়াশায় প্রকৃতির রূপ প্রকাশে সূর্যের আলোর প্রাদূর্ভাব মানুষের জীবনকে এককথায় প্রকাশ করে যায়। যেমন- তুমি যদি মনে যদি মনে করো তোমার জীবনটা শূণ্যতায় পূর্ণ, সেটা ভুল। কারণ শূন্য থেকেই বিষাক্ত অনুভবের মাধ্যমেই একসময় জীবনের অর্জন শুরু হতে থাকে। যার অবদান মৃত্যুর পরেও তোমার ছাপ রেখে যায় পৃথিবীর বুকে। কিছু সময় এই পাওয়াটা শেষ সময়ের সফলতার কারণ হওয়ায় হালকা বিষন্নতায় পরিণত হয়। কারণ সবাই সফলতা চায় ভোগের জন্য। এইজন্য শেষ সময়ের পাওয়াটায় হালকা বিষন্নতা স্বাভাবিক। কিন্তু উপভোগ করতে জানলে অল্প সময়েও পুরো জীবনের ভোগ করে নেওয়া সম্ভব।

প্রত্যেকটা মুহুর্তের মূল্য বুঝলে জীবনে সাধারণ কিছুরও অসাধারণ পরিচর্যা সম্ভব। পরিবারের জন্য আত্মত্যাগ করলে সহজে জীবনের পরিবর্তন আনা সম্ভব।

জীবনের সান্নিধ্যে সবকিছুর নির্ধারিত মাত্রা বজায় রাখা উচিত- Saturday, 23rd December, 2023

অন্তহীন পর্যালোচনাঃ

কোনো মানুষ নিজেকে সবচেয়ে সৌভাগ্যবান তখন মনে করে, যখন সে তার বিশেষ কিছুর মধ্যে নিজের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পায়। আবদার সবার মধ্যেই কম বেশি থাকে। তবে ইচ্ছা প্রকাশের শক্তি কিছু ব্যক্তির মধ্যেই থাকে। যার কারনে বর্তমান সময়ের মানুষগুলো, উপর থেকে যেমনই হোক না কেন। ভিতর থেকে অনেকেই সবকিছুর মধ্যেও নিজের খুশিতে বাঁচতে শিখে গেছে। একটা সময় যেকোনো কিছুই কোনো ব্যাপার না। যখন কেউ নিজে তার ব্যক্তিত্ব তৈরি করবে প্রত্যেকটা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে। কারণ মানুষ যেমন অবুঝ নয়। তেমনি সর্বজ্ঞ নয়। যেজন্য প্রত্যেকটা মানুষের‌‌‌ মধ্যে যেকোনো কিছুর কার্যক্ষমতা থাকলেও পরিচালনক্ষমতা সীমিত ব্যক্তির মধ্যে বিস্তারিতভাবে থাকে।

মানুষের প্রত্যেকটা মূহুর্ত তার জীবনকে উপস্থাপন করে। কার মানসিকতা কেমন? কার বিবেচনা শক্তি কেমন? সবকিছুই যে কাউকে প্রভাবিত করতে পারে। কিন্তু কারণ ছাড়া কোনো কিছু অর্থহীন! কম বেশি বিবেচনা সাধারণ। কিন্তু কোনো কিছুর বিচার ছাড়া বিশ্লেষণ মূর্খতা। কোনো কিছুর জন্য যে শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষা জরুরি, বিষয়টা এমন নয়। কিছু ক্ষেত্রে মানবিক মূল্যবোধের দরকার হয়। যা কাউকে বিবেচনার মাধ্যমে যে কোনো পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে সহায়তা করে। তখন অন্যের দোষের জায়গায় নিজের ভুলগুলো চোখে পড়ে। যখন জীবনের বেশিরভাগ সমাধান অটোমেটিকভাবে হয়।

মানুষের জীবনের প্রত্যেকটা মূহুর্ত মূল্যবান। যা ক্ষণিকের হলেও একবার চলে গেলে আর ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। তাই জীবনের প্রত্যেকটা মূহুর্তকে উপভোগ করে যাওয়া উচিত। যাতে কখনো অন্যত্র দায়ে নিজের মধ্যে অনুশোচনা তৈরি না হয়। সাবলীল জীবন-যাপনে কোনো কিছুর সংক্ষিপ্ততাও বিশ্লেষিত রূপ প্রকাশ করে যায়। যেখানে সামান্য কিছু অমূল্যভাবে নিজের জায়গা নির্ধারণ করে যায়। যা কোনো পরিস্থিতির মধ্যে স্মৃতিচারণ হিসেবেও স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রাখে। তাই অনুভব করা উচিত নিজের খুশিতে। আর বাঁচা উচিত সবার শান্তির শেষ মাধ্যম হিসেবে। যা কেউ প্রকাশ না করলেও কখনো ভুলে যায় না।