Life সুন্দর

10th January, 2024
70




চুপ হয়ে যাও সবার থেকে সরে যাও ????৷ টাকা কামাও  মন চাইলে একলা বেরিয়ে পড়ো 
Life সুন্দর ????


আরো নিবন্ধন পড়ুন



আত্মপ্রকাশের অনুভবে স্মৃতির পাতায় গাঁথা ভেজা মুহুর্তগুলো- Wednesday, 13th December, 2023

নির্বিশেষের অনুভবকৃত বিষয়ের আত্মপ্রকাশঃ

মানুষ সেইসব বিষয় কখনোই ভুলতে পারে না। যেই বিষয়গুলো কেউ নিজে থেকে অনুভব করে। কারণ একটা মানুষ পরিস্থিতির মায়া কাটাতে পারে। কিন্তু কিছু বিষয়ের ক্ষণস্থায়িত্ব জেনেও যদি কেউ অনুভব করতে থাকে। তখন হয়তো সেইসব ব্যক্তি তার অনুভবগুলোকে কখনোই ছাড়তে পারে না। কারণ বিষয়টাকে কেউ নিজের আরেকটা অংশ হিসেবে জীবনে জায়গা করে দেয়। যখন বিষয়টার প্রতি কারোর চাওয়া-পাওয়া থাকে না। কিন্তু বিষয়টার একটু অনুভবও তাকে শান্ত করে দেয় যেকোনো পরিস্থিতিতে। এইজন্য নিজ অনুভবকৃত বিষয়গুলো কাউকে এমনভাবে জড়িয়ে রাখে। যখন কেউ বিষয়টাকে মনে না রাখলেও সেই সম্পর্কিত যেকোনো কিছু কারোর মধ্যে পুরোনো অনুভব নতুন করে জাগায়। তখন হয়তো কেউ দায় থেকে মুক্ত থাকে। কিন্তু ভেতরের অনুভবগুলোর স্থায়িত্বে সবসময় কিছু ব্যক্তি জীবনের চাপে নিজের মধ্যে আবদ্ধ থাকে।

মানুষ বিভোর হয়ে থাকে সেইসব মূহুর্তে। যেই মূহুর্তগুলোকে ভেতরের জড়তার কারণে বদলাতে অসক্ষম রয়ে যায়। কারণ একটা ব্যক্তি তখনই থমকে যায়, যখন সবকিছু বুঝেও পরিস্থিতির দায়ভারে নিজেকে নির্বোধভাবে পরিচালনা করতে হয়। মানুষ সবকিছু পারলেও তার ভেতরের অনুভবগুলো কাউকে নিজের মতো অনুভব করাতে পারে না। যার কারনে অপ্রকাশ্যের অনুভবে কেউ নিজেকে ভাঙা গড়ার মাঝে আবদ্ধ করে রাখে। যখন সময়ের সাথে প্রত্যেকটা বিষয়ের স্পষ্টতা বাড়তে থাকে সেইসব ব্যক্তির মধ্যে। বর্তমানে মানুষ কাউকে শেখায় না। কারণ সময়ের অভাবে বেশিরভাগ মানুষ ভালো থাকার তাগিদে নিজের থেকে শিখতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। যখন কাজের মাঝেও অনেকে নিজের ভেতরকার বিষয়গুলো অপরিবর্তিতভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়। কারণ কারোর জীবনের মূল উদ্দেশ্য হয়ে থাকে সবকিছুর মাঝেও নিজেকে ভালো রাখা।

ছোটবেলার হারানো সময়- Sunday, 15th October, 2023

পুরোনো স্মৃতিঃ

সময়ের সাথে হারিয়ে যাওয়া মূহুর্তের কথা হঠাৎ মনে পরলে তখন সেই সময় ফিরে যেতে না পারলেও চিন্তাশক্তি আমাদের ওই সময়ে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। আসলেই ছোটবেলার সেই পুরোনো কিছু মূহুর্ত আমাদের ভেতরের শৈশবের মুহুর্তগুলোকে নতুন করে ভাবতে শেখায়। 

ছোটবেলায় বৃষ্টিতে ভেজা, শিলা বৃষ্টি হলেই জানালার সামনে এপাশ ওপাশ থেকে একটা ওড়না নিয়ে দুইজন দাড়িয়ে থাকা ছোট শিলার জন্য। ভোর হলেই সামনের বাসায় আম গাছের নিচে আম কুড়াতে যাওয়া। বিকাল হলেই খেলতে যাওয়া। রাতে বিদ্যুৎ চলে গেলে জোনাকি পোকা খুঁজতে বেরোনো। শিতকালে স্কুলে যাওয়ার জন্য  মায়ের জোর করে ঘুম থেকে তোলা। স্কুলে বেঞ্চের কোনায় বসে ছুটির ঘন্টার কথা ভাবতে থাকা।

শিতকালে রাতের বেলায় চুলার পিঠে মায়ের পাশে বসে থাকা পিঠার জন্য। কুয়াশায় ঢাকা হালকা চাঁদের আলোয় চুলার পিঠে বসে থাকা মায়ের পাশে গরম পিঠা খাওয়া। কুয়াশার ঠান্ডা হিমের সাথে পিঠার গরম ধোঁয়ার ঘ্রাণ পিঠার অতুলনীয় স্বাদ বাড়ায়।  যা এখন আফসোসের খাতায় চলে গেছে। রাতে না খেয়ে ঘুমালে মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলে মাকে খিদার জন্য জাগিয়ে, তার ভাত মেখে খাওয়ানো। রাতে জ্বর উঠলে ঔষধ খাওয়ানো, কাপড় ভিজিয়ে গা মুছিয়ে দেওয়া, ঠান্ডা লাগলে বুকে সরিষার তেল মালিশ করা, মাথা ব্যাথা করলে পানিতে Disprin গুলিয়ে খাওয়ানো, ঘুম না আসলে মাথায় হাত বুলানো। আসলেই মায়ের সাথে কারোর তুলনা হয় না।

মাঝরাতে টিনে বৃষ্টির শব্দে ঠান্ডা অনুভবে ঘুমানো। খেলার সময় পড়ে গিয়ে হাত পা কেটে গেলে ধুয়ে মুছে কাটা যায়গায় মায়ের ঔষধ লাগিয়ে কাপড় বেধেঁ দেওয়া। রাতে সবার সাথে একসাথে খাবার  খাওয়া। এই দিনগুলো চাইলেও হয়তোবা পূর্বের মতো করে ফিরে পাওয়া সম্ভব না। কিন্তু এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে পরিবারের জন্য কিছু করতে পারলে হয়তো সন্তান হিসেবে মায়ের সার্থকতার অবদান হইতে পারবা। কারণ প্রকৃতি আমাদের সময়ের সাথে নিজেকে পরিবর্তন করা শেখাবে। কিন্তু এই পরিবর্তন সমাজের জন্য রেখে ভেতরের মানুষটাকে পরিবারের জন্য রাখলে ভবিষ্যৎ তোমাকে সফলতা উপহার দিবে।

সীমানা পিলার নিয়ে কিছু কথা Thursday, 30th May, 2024

বৃটিশ কর্তৃক এদেশে ম্যাগনেটিক পিলার স্থাপনের রহস্য।
ম্যাগনেটিক পিলার নিয়ে অনেক গুজব ও জনশ্রুতি আছে, এই প্রাচীন ‘ম্যাগনেটিক পিলার' স্থাপন নিয়ে। কেউ কেউ এটিকে প্রাচীন মূল্যবান ‘ম্যাগনেটিক’ পিলার বলে আখ্যায়িত করছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন এর মাধ্যমে বৃটিশরা আসলে এদেশের সব গোপন তথ্য চুরি করে নিয়ে যায়।
তবে আসল ঘটনা হচ্ছে- এদেশে বৃটিশদের শাসনের সময়কালে সীমানা পিলার গুলো ফ্রিকুয়েন্সি অনুযায়ী একটি থেকে আরেকটির দুরত্ব মেপে মাটির নীচে পুতে রাখা হয়েছিলো। যেগুলোর মধ্যে পিতল, তামা, লোহা, টাইটেনিয়াম সহ ধাতব চুম্বক সমন্বয়ে গঠিত হওয়ার কারনে বজ্রপাত হবার সময়ে ইলেকট্রিক চার্য তৈরী হয় সেটি সরাসরি এই পিলার গুলো শোষন করে আর্থিং এর কাজ করতো। এতে করে বজ্রপাত হতো কিন্তু মানুষ মারা যেতোনা।
অসাধু কিছু লোক এই পিলার গুলো অনেক দামে বিক্রি করা যায় এরকম গুজব ছড়ায়। এ কারনে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পিলারগুলো নিষ্চিন্ন হয়ে গেছে। কিছু লোক এগুলোকে মহা-মুল্যবান বলে অপপ্রচার করে খুঁজে বের করে চুরি করে নিয়ে গেছে। প্রকৃতপক্ষে কেউ ই সীমানা পিলার বিক্রি করে বহু টাকা উপার্জন করার উদাহরণ দেখাতে পারেনি ।
সীমান্ত পিলার গুলোর মধ্যে থাকা তামা, পিতল, টাইটেনিয়াম জাতীয় ধাতবের সমন্বয়ে তৈরী বলে এগুলো বিদ্যুত সু-পরিবাহি হয়ওয়াতে একে মহা মুল্যবান বলে অপপ্রচারের ফলে এসব পিলার চুরি হতে থাকে।
বৃটিশ শাসন আমলে বজ্রপাত থেকে বাঁচার জন্য এই প্রযুক্তির পিলার গুলো সারা দেশ জুড়ে মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছিল একটি নির্দিষ্ট দুরত্ব পর পর ফ্রিকুয়েন্সি মেপে মেপে।( এবং এ পিলারের রেডিও ইলেট্রনিক্স তরঙ্গের সাহায্যে ভূমি জরিপ ও ম্যাপ প্রস্তুতে করতে এবং এটি বিমান চলাচলেও সহযোগিতা করত সে সময় ) এখন যেমন মোবাইল ফোনের টাওয়ার বসানোর সময় একটা থেকে আরেকটার দুরত্ব আর ফ্রিকুয়েন্সি মেপে ম্যাপ করে বসানো হয় ।
আগেকার আমলে বজ্রপাতে নিহত হবার সংখ্যা ছিল অনেক কম যেটি এখন এতটা বেড়ে গেছে যে, মানুষ রীতিমতো চিন্তায় পড়ে গেছে । এখন নিশ্চই সবাই বুঝতে পারছেন কেন বৃটিশ আমলে এগুলো মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছিলো।
বজ্রপাতে মৃত্যু রোধকল্পে সরকারকে বৃটিশদের মতো করে পিলার স্থাপনের উদ্দোগ আবার গ্রহণ করা উচিত বলেও মতামত দিচ্ছেন অনেক বিশেষজ্ঞ।

সংগৃহীত