জীবন

08th January, 2024
66




 

জীবনকে এক পেয়ালা চায়ের সাথে তুলনা করা যেতে পারে, যতই তৃপ্তির সাথে আমরা তা পান করি।                        ততই।দ্রুত তলার দিকে অগ্রসর হতে থাকে।


আরো নিবন্ধন পড়ুন



মাথার পাশে ভুলেও মোবাইল চার্জে দিয়ে ঘুমাবেন না Monday, 28th August, 2023

গভীর রাত পর্যন্ত মোবাইল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা। আর তারপর তা চার্জে বসিয়ে ঠিক মাথার পাশে রেখে ঘুমিয়ে পড়া। এ স্বভাব অনেকেরই আছে। কিন্তু এই অভ্যাস অত্যন্ত ক্ষতিকর। ইউজারদের এবার এ নিয়েই সতর্ক করল অ্যাপেল। 

অ্যাপেলের তরফ থেকে এবার অনলাইন ইউজার গাইডে এ নিয়ে সতর্ক করা হবে। মার্কিন সংস্থাটির দাবি, বর্তমানে রাত জেগে মোবাইলে অনলাইন গেম খেলা কিংবা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম দেখার প্রবণতা বাড়ছে। যার জেরে মোবাইলের ব্যাটারিও দ্রুত কমতে থাকে। সমাধান হিসেবে তাই স্মার্টফোনটি চার্জ করতে করতেই হাতে ফোন ধরে থাকেন। আর অনেক সময় সেভাবেই মোবাইল হাতে ঘুমিয়ে পড়েন। যা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর।

অ্যাপেলের তরফ থেকে বলা হয়, মোবাইল চার্জে দিয়ে কোনো সমতল স্থানে রাখা উচিত। যেমন টেবিল কিংবা আলমারির মাথা। কম্বল, বালিশ কিংবা আপনার শরীরের ওপর রেখে চার্জ করা একেবারেই সঠিক পদ্ধতি নয়।

ইউজার গাইডে আরো বলা হয়েছে, আইফোন চার্জ হওয়ার সময়, তা থেকে তাপ নির্গত হয়। যে কারণে সঠিক পরিবেশ ও খোলা জায়গা না পেলে তাতে আগুন ধরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। একই কারণে ফোন চার্জে বসিয়ে বালিশের নিচে চাপা রেখে দেয়ার বিষয়টিও অত্যন্ত বিপজ্জনক।

এমনিতেই টেক কোম্পানিগুলি সতর্ক করে জানিয়ে দেয় যে পাওয়ার ব্যাংক, ওয়্যারলেস চার্জার কিংবা মোবাইলের মতো ডিভাইসের ওপর শুয়ে পড়বেন না। পাশাপাশি কম্বল, বালিশের নিচেও এই ধরনের ডিভাইস রাখবেন না। এতে শরীরের যেমন ক্ষতি হয় না, তেমনই ব্যাটারি পুড়ে যাওয়া কিংবা ডিভাইসে আগুন লাগার ঝুঁকিও এড়ানো যায়।

ফিলিস্তিনে জরুরি ওষুধ পাঠানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Wednesday, 18th October, 2023
ফিলিস্তিনের হাসপাতালে বোমা হামলায় হতাহতদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে জরুরি ওষুধ পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার বিকেলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেককে এই নির্দেশনা দেন সরকার প্রধান। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শেখ রাসেল দিবস-২০২৩ উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জরুরি ওষুধ পাঠানো নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিলিস্তিনের জনগণের কষ্ট বোঝেন, ইসরায়েলের হামলায় হতাহত নারী-শিশুদের বেদনা অনুভব করছেন তাঁর নিজের জীবনের হতাহতের ক্ষত থেকে। শিশু রাসেলের হত্যায় কী বেদনা হয়েছে, সেটি প্রধানমন্ত্রী বুঝতে পেরেছেন। এজন্যই বিশ্ব পরাশক্তিদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেও প্রধানমন্ত্রী ফিলিস্তিনের নিরীহ অসহায় মানুষের জন্য কথা বলছেন, তাদের চিকিৎসা সহায়তায় হাত বাড়িয়ে দিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সভায় উপস্থিত স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব জাহাঙ্গীর আলমকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আমরা অতি দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ফিলিস্তিনের আহত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসাসেবা দিতে চাই। এক্ষেত্রে দ্রুততম সময়ে ওষুধসামগ্রী পাঠাতে আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে সম্ভব সব চেষ্টাই করতে হবে।’ স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্যশিক্ষা বিভাগের সচিব আজিজুর রহমান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ও শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং যুগ্মসচিবেরা।
শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক- Saturday, 14th October, 2023

সম্পর্কের সম্মানঃ

কোনো কিছুর শুরুতে সবকিছু ঠিক থাকে। আত্মিক অনুভব নিজের চারপাশে নতুন পরিবেশ সৃষ্টি করে। আশেপাশের সবকিছু নতুন আবহাওয়ায় নিজেকে নতুন করে সৃষ্টি করে। কিছুদিন পর এই সম্পর্কের প্রকৃতিটা আমাদের মধ্যে একঘেয়েমি সৃষ্টি করতে থাকে। কারণ আমরা মানুষ নতুনত্ব আমাদেরকে পরবর্তী মূহুর্তের প্রতি আকৃষ্ট করায়। ভালোলাগা এমন একটা জিনিস যেটা প্রতিটা মানুষের মধ্যে যেমন নতুনত্ব সৃষ্টি করে তেমনি তার চেয়ে একটু ভালো কিছু আমাদেরকে সেই পরিবেশের প্রতি অনিহা সৃষ্টি করায়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে ভালোলাগার বিষয়টা Short Time Relationship এর মধ্যে পরে। কারণ ভালোলাগা শুধু আমাদের কোনো কিছুর প্রতি আকৃষ্ট করায়। কিন্তু সত্যিকারের ভালোবাসা আমাদের অপ্রকাশ্যে ত্যাগ করতে শেখায়। যারা সত্যিকার অর্থে কাউকে ভালোবাসে তাদের প্রথম পর্যায় খুব কঠিন থাকে। কারণ তারা অনুভব করে। কিন্তু কিসের জন্য অনুভব করে তার কোনো কারণ খুঁজে পায়না। যা তাদের প্রথম পর্যায়ে খুবই বিরক্ত অনুভব করায় যেকোনো কিছুর প্রতি। আস্তে আস্তে সে যখন তার আত্মিক অনুভবের মানুষটাকে খুঁজে পায়। তখন তাকে সে এতটাই সম্মানের পর্যায়ে রাখে যে, তার যেকোনো পরিস্থিতিতে তার ঢাল হয়ে থাকে। আর এর কারণেই সবসময় তাকে হারানোর ভয়ে নিরবতায় তার প্রতিরক্ষার্থী হিসেবে থেকে যায়। কিন্তু তার প্রতি অনুভবের কথা কখনো সে প্রকাশ করতে পারে না।

প্রকৃত অর্থের ভালোবাসা মানুষকে ত্যাগ করতে শেখায়, নিজেকে মানায় নিতে শেখায়। এককথায় নিস্বার্থ মানুষ যাকে বলে। ভালোবাসায় অপর ব্যক্তির সুখ আমাদের বাচঁতে শেখায়। তার ভালোর জন্য তাকে সঠিক রাস্তা দেখায়। কিন্তু কোনো কিছু পাওয়ার আশায় নয়, তাকে সুখী দেখার আশায়। আর তার এই নিষ্পাপ অনুভব তার প্রতি তার পছন্দের মানুষের কাছে, তাকে তার প্রতি আকৃষ্ট করায়। যতদিন পর্যন্ত সে তার নিস্বার্থ মনোভাব বজায় রাখতে পারে।

বিশেষ কিছু মূহুর্তে আমরা নিজেদেরকে সর্বসুখী মনে করি। কারণ আমরা যেমন অল্প কিছুতে খুশি হই, তেমনি অল্প ভুল বোঝাবুঝিতেই খুব কাছের মানুষগুলো থেকে দূরে যেতে সময় নেই না। শুধু প্রকৃত অর্থের ভালোবাসা একটা সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে পারে না। যদি তাদের এই সম্পর্কটার প্রতি সম্মান আর নিজেদের প্রতি আস্থা না থাকে। জোর করে একজনের সাথে মানায় নেওয়া সম্ভব। কিন্তু বন্ধুত্বপূর্ণ ভালোবাসার সম্পর্কগুলোতে একে অপরের পাশে থেকে প্রত্যেকটা মুহূর্ত স্বর্গানুভবের জীবনযাপন সম্ভব।

বিঃদ্রঃ একজন লেখক বা লেখিকা কখনো কারোর বা ব্যক্তিগত বিষয়ে লেখালেখি করে না। তারা নিজেদের অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে বর্তমান সমাজের পরিস্থিতি বিবেচনা করে লেখালেখি করে, ধন্যবাদ।