Actully

08th January, 2024
23




- মরা মাছ স্রোতের অনুকূলে চলে , আর জীবিত মাছ চলে স্রোতের প্রতিকূলে , নিজেকে নিজে প্রশ্ন করুন আপনি কি জীবিত না মৃত !!
- স্রোতের অনুকূলে চলার মধ্যে নেই কোন গাম্ভীর্য , আত্মমর্যাদা আত্মসম্মান, আছে শুধু চাটুকারিতা , তৈলমর্ধন , পেট পূজা , আর লোক দেখানো সম্মান ।


আরো নিবন্ধন পড়ুন



প্রত্যেকের জীবনে সত্যতার তাৎপর্য কতটুকু- Wednesday, 15th November, 2023

সত্য মিথ্যার পার্থক্যঃ

প্রত্যেকেই পূর্ব বিবেচনায় চলতে থাকে, প্রয়োজনীয় গন্ত্যব্যে না পৌঁছানো অবধি। কিন্তু সময় নির্ধারণ করে গন্তব্যে পৌঁছানোর পর তাকে কোন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে। আবার কেউ যদি সবসময় সবার সাথে মিলেমিশে থাকে। কিন্তু প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে মিথ্যার আশ্রয় নেয়। হয়তো সময়ের সাথে অনেকের কাছে অপ্রকাশ্যেই তার পরিচিতি আবছা হয়ে যাবে। এককথায় সবার মাঝেও থেকে অস্তিত্বহীন জীবনযাপন করা। মিথ্যা সাময়িকের সঙ্গী। কিন্তু সত্য পর্যায়ক্রমে কঠিন হলেও চিরস্থায়ী। মানুষ ক্ষণিকের সুখে আকৃষ্ট হয় বেশি। তাই সময়ের সাথে তারা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে থাকে। যার কারনে কখনো সত্য বলতে গেলেও তাদের ভেতরে জড়তা কাজ করতে থাকে।

জীবনের শুরু থেকে যেমন কেউ স্থির হতে পারে না। তেমনি কিছু সময়ের দুর্বলতা না চাইতেও কাউকে একসময় শান্ত করে দেয়। তখন যেকোনো কিছু অস্বাভাবিক লাগলেও আস্তে আস্তে সবকিছুই অভ্যসে পরিণত হয়। পৃথিবীতে অনুসরণকারী ব্যক্তির সংখ্যা বেশি। যেজন্য কারোর জীবনের বেশিরভাগ সময় অনুসরণ করতে গিয়েই চলে যায়। কিছু জিনিস যেমন চাইলেও কখনো পুরোনো হয় না। তেমনি নতুন কোন কিছু হয়তো আকৃষ্টহীনতার কারণে শুরু থেকেই পুরোনো অনুভব হয় কারোর কাছে। অনেক সময় কিছু জিনিসের মূল্য দেরিতে আসলেও সেটা চিরস্থায়ী। কারণ সময় বদলালেও বিষয়টা সবসময় এক রকম থেকে যায়। যার কারনে বিয়টার স্থায়িত্বের ওপর কোনো সন্দেহ থাকে না।

প্রত্যেকের জীবনেই সময়ের সাথে আড়ালের বিষয়গুলো বাড়তে থাকে। যার কারনে তারা সবকিছু বুঝেও দ্বিধার কারনে প্রত্যেকটা বিষয়কে গুলিয়ে ফেলে। কিন্তু একটা সময়ের পর তারাই নিজেকে সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন করে থাকে। জীবনে সত্যতার চেয়ে মিথ্যার প্রভাব বেশি। যার কারনে সময়ের সাথে তারা মিথ্যার আশ্রয় নিতে নিতে জীবনের সত্যতা হারিয়ে ফেলে। কখনো সত্যতা ফিরে পেলেও তার জীবনের মিথ্যার প্রভাবকে কখনো কাটিয়ে উঠতে পারে না। সময় মানুষকে কোন কিছু পরিবর্তনে সাহায্য করলেও বিষয়গুলোর পরিচালনা যার যার নিজের করতে হয়। মানুষের ভাবনার শেষ নেই। কিন্তু সীমাবদ্ধতা আছে। যার কারণে সমাপ্তিতেও নতুনের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়।

মানুষের ছোট জীবনেরও প্রভাব অনেক বেশি। যার কারনে প্রত্যেকেরই সময়ের সাথে বিবেচনা করে চলা উচিত। তাহলে হয়তো তার জীবনে আক্ষেপের অবশিষ্ট কোনো রূপ থাকে না। নদীর কিনার যেমন অসীমের সংক্ষিপ্ততা প্রকাশ করে। তেমনি কারোর জীবনের প্রতি বিবেচনা তার সংক্ষিপ্ত সময়ের অসীম প্রভাব বিস্তার করে পৃথিবীতে। যা কারোর জীবনের সমাপ্তিতেও তার অস্তিত্ব বজায় রাখে সময়ের প্রতি। সঠিক ভুলের মধ্যেই প্রত্যেকের জীবন অতিবাহিত হয়। কারোর জীবনের পার্থক্য থাকলেও সময়ের উপর সবকিছু নির্ভর করে। যেজন্য আত্মরক্ষার্থে মায়ার জালেও সবাইকে ছুটতে হয় মোহ কাটিয়ে। নিজেকে বাদ দিয়ে যেকোনো বিষয় মেনে নেওয়া ভালো জীবনের জন্য। কিন্তু কিছু সময় অতিবাহিত জীবনকেও নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। ভুলের প্রভাব কাটিয়ে ওঠার জন্য।

জীবন সংক্ষিপ্ত কিন্তু কারোর কর্মের প্রভাব তার জীবনের বিস্তারিত রূপ প্রকাশ করে। তেমনি কোনো কিছু পরিচালনা সহজ কিন্তু ব্যাবস্থাপনা সবকিছুর পূর্ণতা আনে। শেষের সীমাবদ্ধতায়ও অসীম কিছু অপেক্ষা করে। যা সময়ের সাথে কাউকে চাওয়ার অতিরিক্ত পেতে সাহায্য করে।

নিস্বার্থ প্রকৃতির মায়াবী রূপ- Tuesday, 17th October, 2023

নিস্বার্থ প্রকৃতিঃ

জন্মের পর তোমার মায়ের আর প্রকৃতির সাথে এমন একটা সম্পর্ক থাকবে যা তোমাকে নিস্বার্থভাবে পথ চলতে শেখাবে। প্রত্যকেই প্রকৃতি আর মায়ের সাথে আত্মিকভাবে জড়িত। যারা এই সম্পর্কটাকে বোঝে তারাই জানে নিজেকে কোথায় স্থাপন করলে জীবনের সফলতা আর শান্তি বজায় থাকে। কখনো তোমার কিছু চাইতে হবে না, যদি তুমি নিজেকে ভেতর থেকে সচ্ছ প্রকৃতির মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারো।

যখন তুমি সবকিছু থেকে হারতে থাকবে তখন ভেতর থেকে নিজেকে শক্ত রাখবা। কারন তোমার জীবনের সবকিছুই ক্ষণিকের। হয়তো এই হেরে যাওয়া তোমাকে অসম্ভব কষ্ট দেবে। কিন্তু এইটাই সেই সময় যখন নিজেকে শক্ত রাখতে পারলে জীবন সুন্দর। তোমার সবচেয়ে দুর্বল মূহূর্তগুলোতে নিজেকে নিরব প্রকৃতির মাঝে ছেড়ে দিবা। দেখবা প্রকৃতি তোমাকে ভালোবেসে আপন করে নেবে। মানুষ তোমাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য বেশি সময় নিবে না। কিন্তু প্রকৃতির মাঝে একবার নিজের ভালোবাসা বিলীন করলে, তোমাকে জীবনের শেষ অবধি প্রকৃতি নিজের মায়ায় জরিয়ে রাখবে।

মানুষ তার এক চেহারায় হাজার রূপ দেখায় যায়। কিন্তু প্রকৃতি তার হাজার রূপের মধ্যেও তোমাকে একভাবে আপন করে যাবে। যদি তুমি প্রকৃতিকে বুঝতে পারো, তাহলে কোনো কিছুর জন্য তোমার নিজেকে থামিয়ে রাখার প্রয়োজন হবে না। মানুষ তোমাকে পেঁছোতে বাধ্য করবে আর প্রকৃতি তোমাকে চলতে শেখাবে। এখন সিদ্ধান্ত তোমার। অল্প সময়ের জীবনে চাওয়ার পরিমান বেশি হওয়ায় সামান্য জিনিসটা পেতেও প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত সময় লেগে যায়। এইজন্য জীবনে নিজেকে জেতাতে নয় অর্জন করতে শেখাও। তাহলে না পাওয়া জিনিসটাও একসময় তোমার হয়ে যাবে।

তুমি তোমার জন্য নিজেকে রাখো, পুরো পৃথিবী তখন তোমার। যেকোনো মোহকে একবার ত্যাগ করে দেখো বাস্তবতা তোমার। অল্প সময়ের পৃথিবীতে একবার সৎ হয়ে দেখো পুরো পরিস্থিতি তোমার। নিজে নিজের ভরসা হও, হেরে গেলেও উঠে দাঁড়ানোর শক্তি পাবা। না পাওয়ার শব্দটা জীবন থেকে মুছে দেখো, তখন পাওয়ার অভাব হবে না। পেতে শুরু করলে নিজেকে স্বাভাবিক রেখো কোনো কিছু হারিয়ে যাবে না।