????কিছু আরবি শব্দের বাংলা অর্থ : আসুন আমরা জেনে নি ????

07th January, 2024
91





 
১. #বিসমিল্লাহ (بِسْمِ اللّهِ)
বিসমিল্লাহ অর্থ: আল্লাহর নামে শুরু।
তাৎপর্য: আল্লাহর বারাকাহ ও নিরাপত্তা অর্জন।    

২. #আলহামদুলিল্লাহ (الْحَمْدُ لِلّٰهِ)
আলহামদুলিল্লাহ অর্থ: সকল প্রশংসা আল্লাহর।
তাৎপর্য: আল্লাহর প্রশংসা ও শুকরিয়া আদায় করা।        

৩. #সুবহানাল্লাহ (سُبْحَانَ اللّٰهِ)
সুবহানাল্লাহ অর্থ: আল্লাহ পবিত্র।
তাৎপর্য: মহান আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করা।       

৪. #আল্লাহু_আকবার (اللّٰهُ أَكْبَرُ) 
আল্লাহু আকবার অর্থ: আল্লাহ সবচেয়ে বড়।
তাৎপর্য: আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা ও সবকিছুর উপরে আল্লাহকে স্থান দেয়া।       

৫. #লা_ইলাহা_ইল্লাল্লাহ (لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللّٰه)
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ (মাবুদ) নেই।   
তাৎপর্য: আল্লাহর এককত্ব ঘোষণা করা এবং তার সাথে অন্য কাউকে শরীক না করা।       

৬. #জাজাকাল্লাহু_খাইরান   
(ﺟَﺰَﺍﻙَ ﺍﻟﻠّٓﻪُ ﺧَﻴْﺮًﺍ)
জাযাকাল্লাহু খাইরান অর্থ: আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন।       
তাৎপর্য: অন্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।

৭. #মাশাআল্লাহ (ما شاء الله)
মাশাআল্লাহ অর্থ: আল্লাহ যেমন চেয়েছেন।
 তাৎপর্য: আল্লাহর প্রশংসা করা। 

৮. #ইনশাআল্লাহ (ان شاء الله)
ইনশাআল্লাহ অর্থ: যদি আল্লাহ চান।
তাৎপর্য: আল্লাহর উপর ভরসা কর। 

৯. #আস্তাগফিরুল্লাহ (ﺃﺳﺘﻐﻔﺮ ﺍﻟﻠﻪ)
আস্তাগফিরুল্লাহ অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই।
তাৎপর্য: আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাওয়া ও তাওবাহ করা।  

১০.  #ফি_আমানিল্লাহ্ (في أمان الله)
ফি আমানিল্লাহ অর্থ: আল্লাহর নিরাপত্তায় সোপর্দ করলাম।
তাৎপর্য: আল্লাহর নিকট নিরাপত্তা চাওয়া, ভরসা করা।

১১. #নাউযুবিল্লাহ (نعوذ بالله)
নাউজুবিল্লাহ অর্থ: আল্লাহর কাছে এথেকে আশ্রয় চাই।
তাৎপর্য: মন্দ কিছু শুনলে কিংবা দেখলে এথেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা।

১২. #লা_হাওলা_ওয়ালা_কুওয়াতা_ইল্লা_বিল্লাহ  
(لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ)
অর্থ: আল্লাহর সাহায্য ও সহায়তা ব্যতীত আর কোন আশ্রয় ও সাহায্য নেই।
তাৎপর্য: আল্লাহর এককত্ব ও বড়ত্ব প্রকাশ।  

১৩. #ইন্নালিল্লাহি_ওয়া_ইন্না_ইলাইহি_র_জিউন 
(إِنَّا لِلّهِ وَإِنَّـا إِلَيْهِ رَاجِعونَ) 
অর্থ: নিশ্চয়ই আমরা মহান আল্লাহর জন্য এবং আমরা তার দিকেই ফিরে যাবো। 
তাৎপর্য: মৃত্যু ও পরকালের স্মরণ।

১৪. #সুবহানাল্লাহি_ওয়া_বিহামদিহি  
(سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِه)
অর্থ: মহাপবিত্র আল্লাহ এবং সকল প্রশংসা তাঁর জন্য।
তাৎপর্য: আল্লাহর পবিত্রতা ও প্রশংসা ঘোষণা করা। 

১৫. #সুবহানাল্লাহিল_আযীম 
(سبحان الله العظيم)
অর্থ: মহপবিত্র আল্লাহ, যিনি মহান।
তাৎপর্য: আল্লাহর পবিত্রতা ও বড়ত্ব ঘোষণা।

 Alhamdulillah


আরো নিবন্ধন পড়ুন



সমাজের বিপরীত প্রতিক্রিয়ায় নিজেকে পরিবর্তনের সময়- Thursday, 09th November, 2023

জীবনের ইতিহাসঃ

দিনের সূর্যহীন হালকা আলোয় নিস্তব্ধ প্রকৃতি তোমার পরিভাষা তৈরি করবে। যদি তুমি শান্তিপূর্ণ মানুষ হও। সমাজ মানুষকে চলতে শেখায়। আর প্রকৃতি মানুষকে বাঁচতে শেখায়। পার্থক্য হচ্ছে সমাজ মানুষকে ঠিকিয়ে শেখায়। আর প্রকৃতি মানুষকে ভালোবেসে শেখায়। প্রত্যেকের জীবনেই কিছু বিশেষ মূহুর্ত থাকে। যা তাকে অনুভব করা শেখায়। প্রত্যেকের জীবনের ভিন্নতায় অনুভবের ধরন আলাদা হলেও বিষয়টা মন থেকে আসে। যার গভীরত্ব কাউকে সবসময় রূপান্তর করতে থাকে।

কিছু মানুষের দোষে পরিস্থিতি আর সমাজকে সবাই দোষারোপ করতে থাকে। যার কারণে ক্ষণিকেই ব্যক্তিটা তার কৃতকর্মগুলো ভুলে গিয়ে, নতুন করে ভুল করতে থাকে। পরবর্তীতে তার ভুলগুলো বিস্তারিত রূপ ধারণ করতে থাকে। যার লাগাম না টানলে সে শোধরানোর জায়গায় বেশি বিগড়াতে থাকে। এইজন্য শুরু থেকেই ভুলগুলো বোঝার গুরুত্ব অনেকটা বেশি। কেউ শুরুতে হয়তো ইচ্ছা করে ভুল করে না। কিন্তু কাউকে ভুলগুলো না বোঝালে সঠিকটা সবসময় তার অজানা থেকে যায়। বর্তমানে হয়তো কেউ কাউকে বোঝায় না। সময় সাপেক্ষে সবাইকেই সবকিছু তার নিজের মতো করে বুঝে নিতে হয়। যার কারণে সবাই কাছাকাছি থেকেও দুরত্ব অনেক বেশি।

অনেক সময় কিছু পরিস্থিতি চাইলেও নিজের মতো করে গড়া যায় না। কারণ কিছু জিনিস অনুভবেই সুন্দর, বাস্তবে জটিল। এইরকম অল্প কিছু কারনে বাস্তবে চলতে পারলেও অনুভবের কোনো কিছুর বাস্তবায়ন থমকে যায়। যার কারণে বাস্তবতা বাস্তবায়নে আর অনুভূতি অনুভবেই সুন্দর। প্রিয় মুহুর্তগুলো বর্তমানে পুরোনো দিন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যা কাউকে প্রশান্তি অনুভব করানোর জায়গায় অস্বস্তি অনুভব করায়। মানুষ স্বার্থপর না। কারণ সময়ের সাথে সবাই নিজেকে গোছাতে শিখে গেছে। যার কারণে একজন আরেকজনের জন্য নয়, প্রত্যেকে নিজের জন্য বাঁচাতে চেষ্টা করে।

তোমার ভালো-খারাপ কখনো কাউকে প্রকাশ করতে যাবা না। কারণ প্রকাশ্যের চেয়ে অপ্রকাশ্যের সুবিধা অনেক। তখন চাইলে কেউ তোমার সাহায্য নিতে পারবে। কিন্তু তোমার সুযোগ নিতে পারবে না। প্রত্যেকেই সুবিধাবাদী, যার কারণে নিজেকে আড়ালে রাখা ভালো। কেউ যখন কোলাহলের চেয়ে শান্তিপূর্ণ জীবন পছন্দ করবে। তখন তার জীবনে কোলাহলের স্থায়িত্ব তাকে একসময় অন্তর্মুখী করবে। যার কারনে কোনো কিছুর পিছুটানের জায়গায় জীবনের প্রতি স্বস্তির নিঃশ্বাস তাকে অনুভব করাবে বেশি। কোনো কিছুর ভালোর জন্য নিজের আত্মত্যাগের জায়গায় বিষয়টাকেই জীবন থেকে ত্যাগ করা ভালো। কারণ তুমি তোমার জন্য। তাই একবার নিজেকে হারিয়ে ফেললে পূর্বের ন্যায় কোনো কিছু ফিরে পেলেও ভেতর থেকে অনুভব হারিয়ে যাবে। যার কারণে বেঁচে থেকেও তুমি মৃতপ্রায় অবস্থায় নিঃশেষে বিভাজ্য হতে থাকবা।

প্রত্যেকটা বিষয়ের ভালো-খারাপ নিয়েই জীবন। ভালো থাকতে গেলে যেকোনো বিষয়ে ত্যাগ করে মানায় নেওয়া প্রয়োজন। কারণ যেকোনো বিষয় মানায় নেওয়ার মাধ্যমে নিজেকে ধৈর্য্যশীল রাখতে পারবা। আর কোনো কিছুর ত্যাগ তোমাকে পরিবর্তন করবে। যা তোমাকে সমাজের পরিবর্তিত রূপ দেখাবে।

চিঠি???? Friday, 26th April, 2024

 

প্রেম করে পালিয়ে যাওয়া মেয়ের প্রতি এক বাবার বেদনা দায়ক চিঠি???? ????????

????????

 

মা'রে,!

শুরুটা কিভাবে করবো বুজে উঠতে পারছিলাম না। 

যেদিন তুই তোর মায়ের অস্তিত্ব ছেড়ে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলি সেদিন থেকে তোকে মা বলে ডাকতে শুরু করলাম। তোকে মা ডাকতে গিয়ে আমার নিজের মা হারানোর ব্যাথাটাই ভুলে গিয়েছিলাম।

তোর মা ও তোকে মা ছাড়া 

অন্য নামে কখনো ডাকেনি।

 

বিদ্যালয়ে প্রথম দিন 

শিক্ষক তোর নাম জিজ্ঞেস করেছিলেন।

তোকে মা বলে ডাকতে ডাকতে

তোর ডাক নামটাও ভুলে গিয়েছিলাম।

আমি তোর নাম বলতে না পারায় সবাই আমাকে নিয়ে হাসতে ছিলো..

 

তাই চিঠির উপরে তোর নামের জাগায় মা লিখেছি।

 

হঠাৎ করে তুই এভাবে চলে যাবি আমি তা বুজতেই পারিনি...!

 

ছেলেটা যেদিন বাইরে ব্যাগ হাতে তোর জন্য অপেক্ষা করছিল 

যে কখন তুই দরজা খুলে

বাইরে বের হয়ে আসবি।

আমি তখন ভেতরে বসে 

রবের কাছে প্রার্থনা করছিলাম 

আর ভাবছিলাম যে

আর কতটা ভালবাসতে পারলে তুই আমাকে ছেড়ে চলে যাবি না।

অপরদিকে 

তুই ঘরে বসে ভাবছিলি আজ 

যেতে না পারলে ছেলেটার কাছে ছোট হয়ে যাবি।

আর আমি ভাবছিলাম তুই চলে গেলে সমস্ত পিতৃজাতীর কাছে কি করে মুখ দেখাব...!

 

জানিস মা তুই তোর তিন বছরের ভালবাসা খুজে পেয়েছিস।

কিন্তু আমার জীবন থেকে বিশ বছরের ভালবাসা হারিয়ে গেছে..!

 

মা'রে প্রত্যেকটা বাবা জানে রক্ত পানি করে গড়ে তোলা মেয়েটা একদিন অন্যের ঘরে চলে যাবে..!

 

তারপরও একটুও কৃপণতা থাকেনা বাবাদের ভেতরে!

বাবাদের ভালবাসা শামুকের খোলসের মতো 

মা-রে!

বাবাদের ,বাহিরটা শক্ত হলেও ভেতরটা কিন্তু খুব নরম হয়ে থাকে।

 

বাবারা সন্তানদের কতটা ভালবাসে তা বুঝাতে পারেনা,

তবে অনেকটা ভালবাসতে পারে।

 

জানি মা আমার লেখাগুলো পড়ে তোর খারাপ লাগতে পারে।

 

কি করবো বল?

তোরা তো যৌবনে পা রাখার পর চোখ, নাক, কান সবকিছুর প্রতি বিবেচনা করে প্রেম করিস।

কিন্তু যেদিন জানতে পারলাম তুই তোর মায়ের গর্ভে অবস্থান করেছিস সেদিন বুজতে পারিনি তুই কালো না ফর্সা হবি, ল্যাংড়া না বোবা হবি,কোন কিছুর অপেক্ষা না করেই 

তোর_প্রেমে_পরেছিলাম 

তাই এতকিছু লিখলাম।

 

আমি জানি মা তোদের সব সন্তানদের একটা প্রশ্ন বাবারা কেন তাদের ভাললাগাটাকে সহজে মানতে চায় না।

 

উত্তর টা তোর ঘাড়ে তোলা থাকলো, তুই যেদিন মা হবি সেদিন নিজে নিজে উত্তর টা পেয়ে যাবি..!

 

তোরা যখন একটা ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যাস তখন ওই ছেলে ছাড়া জীবনে কারও প্রয়োজন বোধ করিস না।

কিন্তু একটা বাবা বুঝে তার জীবনে নিজের মেয়েটার কতটা প্রয়োজন..!

 

যেদিন তোর দাদুর কাছ থেকে তোর মাকে গ্রহন করেছিলাম

সেদিন প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে,

যদি মেয়ে হয় তাহলে,

মেয়েটাকে তার স্বামীর হাতে 

নিজের হাতে তুলে দিয়ে

তবে'ই দায়িত্ব থেকে নিজেকে হালকা করবো।

তাই তোর প্রতি এত অভিমান।

 

মারে বাবার উপর রাগ করিসনা..!

 

তোরা যদি অল্প দিনের ভালবাসার জন্য ঘর ছেড়ে পালাতে পারিস,

 

তবে আমরা বিশ বছরের ভালবাসার জন্য বেপরোয়া হব না কেন??

 

বাবারা মেয়ে সন্তানের জন্মের পর চিন্তা করতে থাকে নিজের মেয়েটাকে সুপাত্রের হাতে তুলে দিতে পারবে তো।

 

তারা যৌবনে পা রাখার পর চিন্তা করে কোন প্রতারনার ফাঁদে পরে পালিয়ে যাবে না তো!

তাই মেয়েদের প্রতি প্রত্যেকটা বাবার এতটা নজরদারী থাকে।

 

যদি মন কাঁদে..... 

চলে আসিস....!

বুক পেতে দেব........!

ঠিক আগে যেভাবে ভালো বেসেছিলাম.........

সেভাবেই বাসবো........!

 

অপেক্ষায় """""" থাকলাম '''''''

 

হয়তো তোর মায়ের মতো তোকে পেটে ধরিনি, তবে"'

পিঠে ধরার যন্ত্রণাটা সহ্য করতে পারছিনা। খুব কস্ট হচ্ছে রে...

খুব কস্ট হচ্ছে.....!????????????????

 

ইতি

তোর জন্মদাতা "পিতা"

 

বিঃদ্রঃ-(এই চিঠিটা পড়ে অন্তত 

একটি মেয়ে বা ছেলেও যদি

তাদের সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসে তবে মন্দ কি?)"""""""":::,,,???

রেফার করে আনলিমিটেড ইনকাম করুন Sunday, 15th October, 2023

সেল্ফ ডিপেন্ড প্লাটফরমে আপনার বন্ধুকে রেফার করে প্রতিবার জিতে নিন ১০ টাকা রেফার বোনাস। এই বোনস পেতে হলে আপনাকে যা করতে হবে-

  • প্রথমে আপনার রেফার লিংকটি কপি করুন।
  • লিংকটি আপনার বন্ধু বা অন্যান্যদের মাঝে শেয়ার করুন।
  • লিংকে ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন করতে বলুন।
  • রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেলে আপনি পেয়ে যাবেন নগদ ১০ টাকা রেফার বোনাস।
  • যত খুশি ততবার রেফার করুন।

এছাড়া এখান থেকে আপনি নিয়মিত কন্টেন লেখা পড়ার মাধ্যমে উপার্জন করতে পারবেন।

সতর্কতাঃ একই ‍ডিভাইস থেকে একাধিক রেজিস্ট্রেশন গ্রহনযোগ্য নয়। এতে আপনার আইডি ব্যান্ড হতে পারে। মনে রাখবেন আমরা সবসময় গ্রাহকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তাদের ভুল বা অসাদু অ্যাক্টিভিটি পর্যালোচনা করে থাকি।