বাহ্যিক শিষ্টতার মাঝে মানুষ নিজেকে নির্দিষ্ট করে থাকে-

07th January, 2024
386




আকৃষ্টতার অন্তরালেঃ

শিষ্টাচার কাউকে নিষ্ঠার সাথে শান্ত করে থাকে। যখন সাধারনভাবে চলতে কেউ দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে থাকে। সেখানে শিষ্টাচারের মাধ্যমে কেউ নিজেকে যেমন সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারে। তেমনি সমাজের মাঝে নিজের একটা আলাদা পরিচিতি তৈরি করতে পারে। যখন হয়তো সেইসব ব্যক্তির পারিবারিক পরিচিতির চেয়ে বাহ্যিক পরিচিতির মূল্যায়ন বেশি হয়ে থাকে। সময়ের সাথে এভাবেই হয়তো কম-বেশি করে কারোর জীবনের পরিবর্তন হতে থাকে। কিন্ত অনুধাবনের মাধ্যমেই কারোর মধ্যে স্বাভাবিকত্বতা আসতে শুরু করে। যখন ব্যক্তিগুলোর মধ্যে হঠাৎ করেই নীরবতা তৈরি হয়। যা কাউকে বাইরের মানুষের ভীড়ে আর শান্ত প্রকৃতিতে স্বাভাবিক রাখে। কারণ কোনো ব্যক্তি নিজের অজান্তেই এই দুইটা মূহুর্তেই তার মধ্যে পরিবর্তন করে থাকে। কিন্তু সমস্ত কিছুর স্বাভাবিক মাত্রাই কারোর জীবনকে অনেকটা সুন্দর করে গড়ে তোলে।

রিলেটেড পোস্ট


পরিসমাপ্তির অন্তরালে-
পড়া হয়েছে: ২৭১ বার

প্রত্যেকটা নারীর প্রকৃতির সাথে আলাদা একটা সম্পর্ক থাকে-
পড়া হয়েছে: ১৯৮ বার

নিখুঁত চিন্তার চেয়ে নিজেকে নির্ভুল রাখা উত্তম-
পড়া হয়েছে: ১৮৩ বার

মানসিক শান্তি বজায় রাখার সর্বোত্তম প্রক্রিয়া-
পড়া হয়েছে: ১৭২ বার

চার দিনের ব্যবধানে ফের কমল সোনার দাম
পড়া হয়েছে: ৫৫ বার

উপেক্ষাকৃত চিন্তার পরিপ্রেক্ষিতে সাময়িক মূল্যায়ন পর্যালোচনা-
পড়া হয়েছে: ৭১২ বার

মানুষের স্পষ্টতা তাকে সবকিছুতে মানানসই করে তোলে-
পড়া হয়েছে: ২৯০ বার

মন খুলে বাঁচো-
পড়া হয়েছে: ১৯৭ বার

অর্জিত আস্থাই মানুষের মনে বিশ্বাস তৈরি করে-
পড়া হয়েছে: ২৭৬ বার

শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক-
পড়া হয়েছে: ২৬১ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



জীবনের প্রথম জিনিস কখনই পরিবর্তন হয় না- Monday, 27th November, 2023

অনুভবে কোনো কিছু পুরাতনেও সুন্দরঃ

মানুষ যেকোনো মূহুর্ত অনুভবের মাধ্যমে নিজের বিশেষত্ব তৈরি করতে পারে। কারণ বেশিরভাগ ব্যক্তি সবকিছুর মধ্যে নতুনত্বতা খুঁজেঊ বেড়ালেও অনুভবের জন্য তা সম্ভব না। অনুভব এমন একটা জিনিস যা কখনো পুরোনো হয় না। বরং সময়ের সাথে বাড়তে থাকে। যার জন্য মানুষ পুরোনো হয়, সময় বদলায়। কিন্তু কারোর অনুভবের গাঢ়ত্ব তাকে ভিতর থেকে সবসময় একরকম রেখে যায়। যেজন্য অনুভব অপরিবর্তনশীল কিন্তু বাড়ন্ত। যার শুরু আছে কিন্তু শেষ নাই। কারণ শেষ নিঃশ্বাসেও মানুষ অনুভব করে যায়। আর পরবর্তীর নতুন কোনো শিশুর মাধ্যমে তা আবার পুনরুজ্জীবিত হয়।

কিছু সংখ্যক মানুষের জীবনে কিছু বিশেষ বিষয় থাকে। যার অনুভব কারোর মধ্যে আত্মিকভাবে জড়িত থাকে। যখন বিষয়টার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি তেমন কোনো প্রভাব বিস্তার করে না। কারণ এমন বিষয়গুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অপূর্ণতার বাস্তবতা হওয়ায়, যা সেই প্রকৃতির ব্যক্তিদের ভেতরের অংশবিশেষ হয়ে থাকে। তখন বিষয়টা অনুভবের মাধ্যমে কারোর জীবনের অনেকটা জায়গা জুড়ে থাকে। যার জন্য তার সামনে বা পেছনের যেকোনো কিছুই স্বাভাবিক মাত্রায় তার জীবনে বিরাজ করে। একটা মানুষের দৈহিক শক্তির চেয়ে মানসিক শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করা উচিত ইতিবাচকভাবে।

বিবেকের স্বপ্নীল পর্যটন- Monday, 23rd October, 2023

সর্বোত্তম অনুভবের মুহূর্তঃ

নিজের প্রতিচ্ছবি প্রকৃতির মাঝে ফুটিয়ে তোলার ভালোলাগা তোমার ভিতরের প্রকৃত মানুষের পরিভাষা তৈরি করবে। প্রকৃতি তোমার ছোট হৃদয়ের সীমাহিন আকৃতি ধারণ করাবে, যদি নিজেকে ভালো রাখতে জানো। নিস্বার্থ প্রকৃতির বন্ধু হতে পারলে জীবনের মানে বুঝতে পারবা। যেকোনো কিছুর সঠিক পরিচর্যা অল্প সময়ে তোমাকে নতুন কিছুর অভিজ্ঞতা করাবে।

নিজের প্রতি সীমাহিন ভালোলাগা প্রত্যেককে সমানভাবে রেখে তাদের দিক থেকে নিজেকে বিবেচনা করা শেখাবে। কোনো পরিস্থিতিতে সঠিক বিবেচনার জন্য নিজের ভিতরে মনুষ্যত্ববোধ থাকা দরকার। বিষয়টা শিক্ষিত বা অশিক্ষিতর না। একটা মানুষের মনুষ্যত্ববোধ স্বচ্ছ কাঁচের মতো, যেখানে কেউ না বুঝে একটু আঘাত করলে তার অস্তিত্ব তোমার জীবনে গুড়ো কাঁচের মতো হয়ে যাবে। সেই কাঁচ হয়তো কখনো জোড়া লাগানো যাবে না। কিন্তু তার গলিত রূপ তোমাকে তার নতুন আকৃতির রূপ ধারণ করাতে সাহায্য করাবে।

মনুষ্যত্ববোধ সম্পন্ন মানুষ দেখতে সরল প্রকৃতির হলেও তারা কারোর অল্প পরিচিতিতেই তার বিশ্লেষিত রূপ বুঝতে পারে। তুমি যদি নিঃস্বার্থ মনুষ্যত্ববোধ সম্পন্ন মানুষ হও তাহলে তোমার সাধারণ প্রকৃতি একেক জনের কাছে একেক রকম। কারণ তুমি প্রত্যেকের কাছে তাদের মতো। তোমাকে সেই ব্যক্তিই বুঝবে, নিস্বার্থভাবে যে সবার কাছে নিজেকে প্রকাশ করতে জানে। কারণ তিনি জানেন, ক্ষণিকের পৃথিবীতে কর্ম ছাড়া সবকিছুই মরীচিকার মতো। মৃত্যুর পর প্রত্যেকে তার কর্ম ছাড়া কিছুই সাথে নিতে পারবে না।

প্রত্যেকের মধ্যেই আবেগ আর বিবেক থাকে। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই আবেগকে শুরুতে খুঁজে পায়। আবেগ থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতাই একটা সময় তার বিবেককে জাগায়। শুরু থেকে খুব অল্প মানুষের জীবনে বিবেক কাজ করে। যারা সময়ের আগেই জীবনের পরিপূর্ণতা অর্জন করে। সবকিছুই বলা সহজ করা কঠিন বিষয়টা এইরকম না। যেকোনো কিছুর প্রতি অনুভবকে সামলাতে জানলে সবকিছুই সাধারণ। সর্বোত্তম হওয়া সম্ভব না। কারণ প্রত্যেকেই কিছু কমতি নিয়েই পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হয়। কিন্তু নিজের সঠিক পরিচালনা তাকে পূর্ণতা দেয়।

কোনো কিছুর জন্য নিজেকে দোষ নয় সময় দাও। জীবনকে বুঝতে মোহ ত্যাগ করো মনুষ্যত্ববোধ নয়। 

ফেসবুক চালাতেও প্রতি মাসে দিতে হবে টাকা! Friday, 06th October, 2023

বিভিন্ন আইনি জটিলতার কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) ব্যবসা করা কঠিন হয়ে পড়েছে মেটার। এ সমস্যার সমাধানে নতুন এক উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ইইউর দেশগুলোতে দুই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে পেইড সিস্টেম চালু করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে মেটা। এই দুটি অ্যাপ চালাতে হলে মাসে দিতে হবে ১৩ ডলার (প্রায় দেড় হাজার টাকা)। 

এক প্রতিবেদনে এমন তথ্যই জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিবিসি। বিজ্ঞাপনের কারণে অনেকেই ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম চালাতে গিয়ে বিরক্ত হন। এ কথা ভেবে অনেক আগেই পেইড সিস্টেম চালু করেছিল ইউটিউব। এমনকি বাংলাদেশেও এই ফিচার যুক্ত হয়েছে। এ ছাড়া এক্সেও (টুইটারের নতুন নাম) এই সিস্টেম চালুর ঘোষণা দিয়েছেন মালিক ইলন মাস্ক। এবার ইইউর দেশগুলোতে একই পথে হাঁটতে যাচ্ছে মেটা। 

মেটার তিনজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস বলেছে, সরকারি বিভিন্ন নীতির কারণে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন উপায়ে ব্যবসা করতে হচ্ছে। আমেরিকায় যে নিয়মে সহজেই ব্যবসা করা যাচ্ছে, ইউরোপে তেমনভাবে করা যাচ্ছে না। 

মেটার এই পরিকল্পনার কথা প্রথম জানায় সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ইউটিউব প্রিমিয়ামের মতো আয় করতে চাচ্ছে মেটা। ক্রমেই বিশ্বের অন্যান্য দেশেও এই ফিচার চালুর পরিকল্পনা রয়েছে মেটার। নাম হবে ফেসবুক প্রিমিয়াম।

এই ফিচার আনা হলে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে মেটায়। নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করে এই ফিচার নিলে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীরা অ্যাপে আর কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন দেখতে পাবেন না। 

এই বিজ্ঞাপনের কারণেই ইউরোপে একের পর এক মামলা হচ্ছে মেটার নামে। গচ্চা যাচ্ছে কোটি কোটি ডলার। 

পেইড সিস্টেম চালু থাকলেও ফ্রি ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম চালানোর ব্যবস্থাও রাখবে মেটা। এ ব্যাপারে মেটার এই তিন কর্মকর্তা তেমন কিছুই জানাননি। মেটার মুখপাত্রের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।