একটি করুণ প্রেমের গল্প............................. একটি সম্পর্ক শুধুমাত্র ভালোবাসার ওপর না বরং এটি নির্ভর করে একে অপরের মধ্যে বিশ্বাসের উপর..✨️????????????

07th January, 2024
56




আমাদের মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। সবার কাছে আমাদের একটাই অনুরোধ। আমাদের দেহগুলো দয়া করে কাটতে দেবেন না। পাশাপাশিই আমাদের কবর দেবেন। আর সবাই আমাদের ক্ষমা করে দেবেন। আমরা একজন আরেকজনকে ছাড়া বাঁচতে পারব না। তাই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলাম।.... বেঁচে থাকতে তো কেউ আমাদের এই সম্পর্ক মেনে নেবে না। বাবা-মায়ের অবাধ্য হয়ে তাদের মনেও কষ্ট দিতে পারব না। তাই এই পথ বেঁচে নিতে বাধ্য হলাম দুজন। ইতি: রমজান + সুখী।’

 পাঠক, এটি একটি সুইসাইড নোট। দুই তরুণ-তরুণীর আত্মহননের আগে এই চিরকুট লিখে গেছেন। চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়ার চৌধুরীহাটে ১৯ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। মৃত্যুর আগে অভিভাবকেরা তাঁদের সম্পর্ক মেনে না নিলেও পাশাপাশি হয়েছে শেষ আশ্রয়। বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ে শুয়ে আছে এই জুটি। এখনো তাজা কবর। কবরে গুঁজে দেওয়া খেজুর গাছের ডাল দুটিও সতেজ।

 রমজান আলী (২০) ও সুখী আকতার (১৬)। চৌধুরীহাটের বারইপাড়া গ্রামে সামনাসামনি দুজনের বাড়ি। দূরত্ব বড়জোর ৫০ গজ। সম্পর্কে বেয়াই-বেয়াইনও (তালতো ভাই-তালতো বোন)। রমজান নোয়াপাড়া কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। সুখী নোয়াপাড়া মুসলিম উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী। পাশাপাশি থাকার সুবাদে কাছাকাছি আসে একে অপরের। একসময় দুটি তরুণ মন স্বপ্ন দেখে ঘর বাঁধার। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় দুই পরিবারের দ্বন্দ্ব। এই দ্বন্দ্বও আরেকটি প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে। তিন বছর আগে রমজানের বড় ভাই আজগর আর সুখীর বড় বোন লাকী ভালোবেসে বিয়ে করেছেন। এ সম্পর্ক এখনো মেনে নেয়নি দুই পরিবার। এই বিষয়টি বারবার ঘুরপাক খেতে থাকে দুজনের মাথায়। কী করবেন তাঁরা। পরিবার, না সম্পর্ক—এই টানাপোড়েনে মুষড়ে পড়েন রমজান ও সুখী। শেষ পর্যন্ত জীবনকে ছুটি দিয়ে দিলেন এই দুই তরুণ-তরুণী। মরণেও দুজন দুজনকে ছাড়া ভাবতে পারেননি কোনো কিছু। সেখানেও সহমরণ। সুখীদের বাড়ির পেছনের পুকুরপাড়ে একটি জামগাছের ডালে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেন দুজন একসঙ্গে। একে অপরকে কোমরে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায় তাঁদের মরদেহ। নিশ্চিত হওয়া গেছে, সুইসাইড নোটটি সুখীর হাতের লেখা।

 গত মঙ্গলবার চৌধুরীহাটে সুখীদের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, ঘরের দাওয়ায় বসে আছেন মা জোবেদা খাতুন। মুখে কথা নেই। শুধু এদিক-ওদিক তাকাচ্ছেন। মেয়ের জন্য এখনো বিলাপ করে চলেছেন বাবা মোহাম্মদ ইদ্রিস। বাড়ির ভেতরে সুখীর কক্ষে পড়ার টেবিলে থরে থরে সাজানো পাঠ্যবই রসায়ন, বাংলা...। খাতাও পড়ে আছে টেবিলের ওপর। শুধু সুখী নেই।

 তিন ভাই তিন বোনের মধ্যে সবার ছোট সুখী। ভাইদের বড় আদরের ছিল সে। বোনের মৃত্যুসংবাদ শুনে ওমানের মাসকাটে থাকা দুই ভাই ছুটে এসেছেন এক নজর শেষ দেখা দেখতে। ভাইদের জন্য মরদেহের গাড়িতে লাশ রেখে দেওয়া হয় দুদিন। তাঁরা আসার পর দাফন করা হয়।

 বাবা ইদ্রিস বলেন, ‘আমরা ঘুণাক্ষরেও টের পাইনি ও (সুখী) এ কাজ করবে। শান্তশিষ্ট, পড়ালেখায়ও ছিল ভালো। ছেলেটিও (রমজান) ছিল শান্ত। আমাদের মাথায় ছিল না তারা দুজন এমন করবে।’ মাসকাট থেকে আসা সুখীর ভাই মোহাম্মদ হাসান বলেন, ‘আমাদের ইচ্ছা ছিল তাঁকে ডাক্তারি পড়াব। এখন সব শেষ।’ রমজানের বাড়িতেও শোকের মাতম। ছয় ভাই একবোনের সবার ছোট রমজান। তিনি চলে গেলেন সবার আগে। বাবা সালেহ আহমেদ থাকেন সৌদি আরবে। ছেলের মৃত্যুসংবাদ শুনে তিনিও মুষড়ে পড়েছেন।

 এ ঘটনা মানতে পারছেন না সুখীর বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরাও। কথা বলার সময় শ্রেণী শিক্ষক ফণী ধর দাশের গলা ধরে আসছিল। বললেন, ‘সে ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত প্রথম অথবা দ্বিতীয় হয়ে এসেছে। কিন্তু নবম শ্রেণীর শেষ দিকে এসে সে প্রায়ই বিষণ্ন থাকত। যার প্রভাব পড়ে বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলে। রোল নম্বর হয় ১১। আমি নানাভাবে তার কাছ থেকে জানার চেষ্টা করেছি কি হয়েছে। কিন্তু কিছু বলেনি।’

 বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জিয়া উদ্দিন বলেন, ‘এ ঘটনার পর আমরা প্রতিটি শ্রেণীতে কাউন্সেলিং করেছি। শিক্ষার্থীদের বলেছি, এ ধরনের ঘটনা হলে পারিবারে বলতে না পারলেও যেন শিক্ষককে জানায়। আর অভিভাবকদেরও সচেতন হতে হবে।’ রমজানের বন্ধুরা জানান, তিনি প্রায় সময় তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে হতাশ থাকত। বলত, ‘দেখিস, একদিন সব ছেড়ে চলে যাব।’ এ যাওয়া যে শেষ যাওয়া হবে, তা বোঝেননি বন্ধুরাও।
    


আরো নিবন্ধন পড়ুন



সৃষ্টতার আবির্ভূত মনোভাব মানুষকে উজ্জীবিত করে তোলে- Thursday, 01st February, 2024

জীবনের প্রয়াসঃ

সার্বক্ষণিক কোনো কিছু এড়ানোর চিন্তায় সবকিছু ভুলে যাওয়া উচিত নয়। কিছুটা সময় হয়তো বিপরীতভাবে সবকিছু পরিচালিত হয়। কিন্তু যেকোনো পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে জানলে পরবর্তির মূহুর্তটা নিজের আয়ত্বে থাকে। যখন জীবনের শ্রেষ্ঠ কিছু মূহুর্তই মানুষকে বিপদের সম্মুখীন হওয়া শেখায়। যার কারনে একান্তের মূহুর্তগুলোতে কেউ দুর্বলভাবেও সঠিক বিবেচনায় নিজেকে মূল্যায়ন করতে পারে। মানুষের জীবনের শান্তি নির্ভর করে তার চিন্ত-ভাবনার ওপর। যে ব্যক্তি যেভাবে চিন্তা-ভাবনা করবে, তার প্রত্যেকটা মূহুর্ত সেই বিবেচনার  পরিপ্রেক্ষিতে নিয়ন্ত্রিত বা পরিচালিত হবে। তবে মানবিক সতেজতা জীবনে সবসময় নতুনত্বতা তৈরি করে। যা মানুষকে হতাশামুক্ত রাখতে সহায়তা করে। তাই সবকিছুর জন্য কারোর চিন্তা-ভাবনার সামান্য পরিবর্তন তার জীবনকে সুন্দর করে গড়ে তোলে।

একটা মানুষ যখন কোনো কিছু সম্পর্কে গভীরভাবে ভাবতে থাকে। তখন তার মস্তিষ্কের সাথে শরীরের মধ্যেও কিছুটা প্রতিক্রিয়া হতে থাকে। যার কারনে কেউ মানবিক বিষয়গুলো নিয়ে প্রয়োজনের তুলনায় একটু বেশি সংবেদনশীল হয়ে থাকে। মানুষ সবসময় চায় তার অনুভবের বিষয়গুলো যত্নসহকারে নিয়ন্ত্রণ করতে। কিন্তু সেই বিষয়গুলোর হালকা প্রতিক্রিয়াও তার জীবনকে অতিরিক্ত প্রভাবিত করে। যেজন্য কেউ চাইলেও বেশি সময় পর্যন্ত আত্মিক বিষয়গুলোর প্রতি সাধারণ পর্যালোচনা বজায় রাখতে পারে না। তাই মানুষ তার জীবনে যখন নিজেকে বেশি মূল্যায়িত করবে। তখন তার সব বিষয়ের একটা নির্দিষ্ট মাত্রা বজায় থাকবে। যা কাউকে প্রত্যেকটা পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করবে। কখনো জীবনের ছোট বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করতে করতে একসময় কোনো কিছু অর্জন করতে সামান্য প্রচেষ্টাই যথেষ্ট হয়ে থাকে। কারন একটা মানুষের সৃজনশীলতা ছোট বিষয়গুলো অনুধাবনের মাধ্যমে তৈরি হয়। যার মাধ্যমে কেউ প্রত্যেকটা বিষয়ের মাঝে নিজেকে সাবলীলভাবে গড়ে তোলে।

পূর্বনির্ধারিত ভাগ্যে সবার জীবন পরিচালিত হওয়ায় চাইলেও কেউ কোনো কিছু পরিবর্তন করতে পারে না। কারন আমাদের প্রত্যেকটা কর্মের সাক্ষী হিসেবে প্রকৃতি পৃথিবীবে বিদ্যমান। যা মানুষকে সময়ের সাথে তার কর্মের উপলব্ধি করায়। অনেকেই মনে করে যে, সে যা কিছুই করুক না কেন; তাকে দেখার বা বলার মতো কেউ নাই। কারন ক্ষমতা কাউকে প্রাচুর্যের মাঝে অন্ধ করে রাখে। কিন্তু একটা সময়ের পর যখন সে তার কর্মের অনুধাবন করতে পারবে। তখন চাইলেও সে আর কোনো কিছু সংশোধন বা পরিবর্তন করতে পারবে না। কারন মানুষের ভুলের অনুধাবন শেষ সময়েই আসে। যখন কারোর মধ্যে অতিরিক্ত অনুগ্রহ প্রকাশ পায়। কিন্তু সময় তার বিপরীতে থাকে। তাই সময় আর সুযোগ থাকতে যদি কেউ তার ভুলগুলোকে অনুতাপের অনুধাবন দিয়ে বিবেচনা করতে সক্ষম হয়। তখন তাদের সরলতার কাছে সাধারন ব্যক্তিত্বের মানুষও অসামান্য মূল্যায়িত মনোভাব প্রদর্শিত করবে।

কারোর জীবনের জন্য সমাজ একটা উদাহরণস্বরূপ। আর পৃথিবী সাময়িক সময়ের কঠিন সত্য। যা বুঝলে জীবন সহজ, সময় কঠিন। কারন কঠিন সময়ের বাস্তব রূপেই মানুষের জীবন। যা সীমিত তবে নির্ধারিত।

মানুষের স্পষ্টতা তাকে সবকিছুতে মানানসই করে তোলে- Wednesday, 06th December, 2023

স্পষ্টীকরণ মানসিকতাঃ

কারোর উপর কেউ নির্ভর করে না। কিন্তু প্রত্যেকের ভিত্তিতে সবাই নিজের উপর নির্ভর করে। কারণ চারপাশের প্রত্যেকটা বিষয়ের অনুভবই কাউকে প্রভাবিত করে থাকে। সময় কখনোই কাউকে কোনো কিছুর প্রতি চাপ প্রয়োগ করায় না। কিন্তু কারোর কর্মের উপর তার সমস্তটা নির্ভর করে। যার কারনে কারোর ছোট থেকে ছোট বিষয়ের অলসতায় তৈরি গুরুত্বহীনতা তাকে সবকিছু থেকে অল্প করে পিছিয়ে দেয়। তাই সবসময় কেউ অন্যের সুরক্ষার্থে নিজের জন্য নিজেকে বাধিত করলে পুরো পৃথিবী তার সাথে থাকে। সুন্দর মূহুর্ত কাউকে ছেড়ে যায় না। যার কারনে কোনো মানুষের চেয়ে অনুভবের স্থায়িত্বের নিশ্চয়তা বেশি। তাই সবসময় নিজের প্রতি প্রতিরক্ষার্থী মনোভাব বজায় রাখা উচিত। যা অন্যকে এবং তাকে শান্তিপূর্ণ জীবন-যাপনে সহয়তা করবে।

নতুন যেকোনো কিছু অনেক সময় কাউকে আকৃষ্টহীনভাবে রাখে। কারণ এই ধরনের ব্যক্তিগুলো নিজেদের প্রতি অতিরিক্তভাবে আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। আর এই মনোভাবের কারণে অন্য কিছুর প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে তারা নিজের প্রতি আকৃষ্ট হয়। হয়তো তারা মনে করে জীবনে নিজের জন্য কাউকে নিঃস্বার্থভাবে থাকার চাপ প্রয়োগ করার চেয়ে স্বাধীনভাবে নিজের মতো করে জীবনযাপন করা। কারণ স্বার্থ কাউকে আলাদা করলেও একটা জায়গায় উপনীত হয়। কিন্তু চাপ কাউকে দুর্বলভাবে নিঃশেষে বিভাজ্য করে। যখন কেউ সবকিছু মেনে নিয়ে জীবন-যাপন করলেও সময় তাকে মানবিকভাবে দুর্বল করে। একটা মানুষ সবসময় আত্মিক মনোভাবে বুঝতে শেখে। যার কারনে মেনে নেওয়া অনেক সময় তাদের জীবনের বোঝা বাঁড়ায়। এইজন্য মেনে নেওয়া ভালো। তবে অনুশোচনার জীবন-যাপনের চেয়ে অনেক সময় ত্যাগ শ্রেয়, যে কারোর প্রতিরক্ষার্থে।

 

বাবা Saturday, 06th January, 2024

বাবার মৃ'তদে'হ সামনে রেখে বললাম " বাবার ঋণদার যারা আছেন,আপনাদের পাওনা টাকা আমাকে জানাবেন।বাবার ঋণ আমি শোধ করবো "

 

ছোট বোন আমার হাত চেপে ধরে বললো " ভাইয়া,তুই শোধ করবি কিভাবে? তুই নিজেই তো ৫ বছর ধরে কোনো চাকরি পাচ্ছিস না।বেকারত্বের শিকার হয়ে টাকা শোধ করবি কিভাবে? "

 

বোনকে অভয় দিয়ে বললাম " শত কষ্ট হলেও শোধ করবো বোন "

 

সারারাত আমার ঘুম হলো না।বোনের বিয়ের বয়স হয়ে গেছে।পরিবারের খরচ নাহয় কোনোরকম চালাবো,কিন্তু বোনের বিয়ে কিভাবে দিবো? 

 

পরেরদিনই ঋণদাতারা এসে বাড়িতে হাজির।বাইরে বেড় হয়ে এতো লোককে দেখে ঘামে আমার কপাল ভিজে উঠলো।মৃদু স্বরে বললাম 

 

" আপনারা বাবার কাছে কত টাকা পান বলুন।আমি চেষ্টা করবো শোধ করার "

 

ওদের মধ্যে থেকে একজন এগিয়ে এসে বললো " আমরা ব্যাংক থেকে এসছি।উনি তার ছেলে মেয়ের নামে ৭ লাখ টাকা সঞ্চয় করে রেখে গেছেন।কাইন্ডলি ব্যাংকে যোগাযোগ করুন "

 

একথা বলে তিনি চলে গেলেন।বাকি লোকগুলিও ছোট ছোট সমিতি থেকে এসছেন। ওরা জানালেন বাবা ওদের সমিতিতে প্রতিদিন ২০ টাকা করে সঞ্চয় রাখতেন।

 

রাতে সব মিলিয়ে হিসেব করে দেখলাম বাবা আমাদের জন্য মোট ১১ লাখ টাকা সঞ্চয় করে রেখে গেছেন।মনে পড়ে গেলো সেদিন রাতের কথা।যে রাতে আমি বাবাকে বলেছিলাম

 

" আপনি কেমন বাবা?আমার ভবিষ্যতের নিয়ে আপনার কোনো চিন্তা আছে?দরকার নেই আমার এমন বাবার "

 

বাবা তখন মৃদু হেসে বলেছিলেন " আমার সাধ্য মতো চেষ্টা করছি।সময় হলেই পেয়ে যাবে "

 

হ্যা সে সময়টা এখন এসে গেছে।কিন্তু বাবা চলে গেছে দূরে,ওই তারাদের কাছে।আমি আকাশের দিকে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম 

 

" বাবা,আজ পর্যন্ত তোমায় কখনো বুঝতে পারলাম না।এখন বুঝতে পারছি,কেন তুমি এক শার্ট পড়েই একটা বছর কাটিয়ে দিতে "

 

#বাবা ❤️

জয়ন্ত কুমার জয়