#ছোট পদক্ষেপ

06th January, 2024
38




ছোট পদক্ষেপ, বৃদ্ধি আনে বৃদ্ধি। আমরা সবাই অপরিসীম, শক্তিশালী পরিবর্তন চাইতে থাকি, কিন্তু আমাদের জীবনের মৌলিক পরিবর্তন আসতে হলে সেটি ছোট পদক্ষেপের মাধ্যমেই হতে পারে।

 

আমরা অনেকগুলি ছোট পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিবর্তন ঘটাতে পারি, যেগুলি সম্ভবত আমরা সাধারণভাবে উপেক্ষা করি। উদাহরণস্বরূপ, দিনটি শুরু হতেই আপনি কেটে এসেছেন একটি গুলি প্লাস্টিক বোতলের বৃষ্টির জোড়ো সাথে, এটি আপনার মৌলিক পরিবর্তনের শুরু হতে পারে! আমরা সকলে এই প্রকারের ছোট পদক্ষেপগুলি নেওয়ার মাধ্যমে প্রকৃতির দিকে আমাদের অবদান বাড়িয়ে দিতে পারি।

 

এই ছোট পদক্ষেপগুলি সামাজিক পরিবর্তনেও কৌশল আসতে পারে, যেটি সমাজের মাধ্যমে একজন ব্যক্তির ভিত্তিতে শুরু হতে পারে। এই পদক্ষেপগুলি একটি সুস্থ, সহজলভ্য ও বিশ্ববাসী সমাজ সৃষ্টি করতে সাহায্য করতে পারে, যাতে আমরা সমস্ত প্রকারের পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হতে পারি।

 

আসুন সবাই মিলে ছোট পদক্ষেপ নেয়ার প্রতিশ্রুতি নেই এবং একসঙ্গে এই পৃথিবীকে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যাই।


আরো নিবন্ধন পড়ুন



স্বাভাবিক মাত্রায় যেকোনো কিছুর তারতম্য বজায় রাখা সম্ভব- Thursday, 18th January, 2024

প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রয়োগ সর্বোত্তমঃ

যেকোনো মানুষ শুরুতে তার প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোর মূল্যায়ন করতে পারে না। কারন মানুষের জীবনে অনুভবের পরেই অনুধাবন আসে। যেকোনো মানুষ অনুভবে আবদ্ধ থাকে। কিন্তু অনুধাবন মানুষকে শ্রেষ্ঠ করে। কেউ যখন কাউকে সাহায্য করে। তখন অপর ব্যক্তি তার মূল্যায়ন করবে। কারন লোক দেখানো সাহায্য অন্যের কাছে তার ছোট মানসিকতা প্রকাশ করবে। কিন্তু সাধারনভাবে সাহায্যের মাধ্যমে কেউ তার আন্তরিকতায় প্রত্যেকের মনে বিরাজ করে। যখন অপ্রকাশ্যে প্রত্যেকেই সেই ব্যক্তির মূল্যায়ন করবে। তাই যোকোনো কিছুর মাঝে নিজের স্বচ্ছ মানসিকতা তৈরি করা উচিত। কারোর উদগ্রীব আকাঙ্খায় নিজেকে সাবলীল রাখার জন্য।

সমর্পনের ইচ্ছাশক্তি কাউকে দায়মুক্ত প্রশান্তি প্রদান করে। মানুষ যখন তার স্বামর্থ্য অনুযায়ী বিপদগ্রস্থ ব্যক্তিদের নিঃস্বার্থভাবে সাহায্য করবে। তখন মানুষ হিসেবে সেই ব্যক্তি তার কর্তব্য মূল্যায়ন করতে পারবে। আর অপর ব্যক্তির স্বস্তির নিঃশ্বাস সেই ব্যক্তির জন্য নতুন অনুভব তৈরি করবে। যা তাদের মনকে সময়ের সাথে বৃহৎ করতে থাকবে। মানুষ হয়ে জন্ম নিলে কারোর কর্তব্য তার পরিবারে বিরাজ করলেও দায়িত্ব থাকে বিপদগ্রস্থ ব্যক্তিদের জন্য। কারন মানুষ হিসেবে কারোর মনুষ্যত্ববোধ তার কর্মের মাধ্যমে তৈরি হয়। কিন্তু কেউ যদি মনে করে, নিজের নির্বাচিত ব্যক্তিদের সহযোগিতা করার মাধ্যমে সে সফলতা অর্জন করবে। তাহলে সেইসব ব্যক্তি সময়ের সাথে পৃথিবীর কাছে হেরে যাবে। হয়তো কেউ একটা সময় বুঝবে। আবার কেউ বুঝতে পারবে না। কিন্তু সময় প্রত্যেক ব্যক্তির কর্মের ফল তাকে প্রদান করবে। তাই দায়বদ্ধতায় কোনো কিছু পার করার জায়গায় মূল্যায়ন করা উচিত। যখন কেউ সাধারনভাবেই সবকিছু থেকে দায়মুক্ত থাকে। যেজন্য নিঃস্বার্থ ব্যক্তিদের নিজের জীবনের প্রতি আশা রাখার কোনো প্রয়োজন হয় না। কারন তারা সময়ের পথযাত্রী।

মানুষ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে তুচ্ছ জিনিসের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারে। যা কারোর পূর্ববর্তী ভুলের নতুন সমাধান তৈরি করবে। যখন কেউ বলার জায়গায় শুনবে। আর রাগ দেখানোর জায়গায় শান্ত থাকবে। মানুষ যখন কোনো কিছুর প্রতি আকৃষ্ট হয়। তখন সবসময় সে কিছু না কিছু খুঁজতে থাকবে ভেতর থেকে। কারন বেশিরভাগ মানুষ তার অনুভব প্রকাশ করতে পারে না। কিছু ক্ষেত্রে আকৃষ্টতা ভালো। তবে তা চিন্তায়, প্রকাশ্যে না। কারন চিন্তার মিশ্রিত অনুভবে সবকিছু সুন্দরভাবে পরিচালনা করা যায়। যেজন্য চিন্তার মাধ্যমেও প্রত্যাহিক জীবনে নতুনত্বতা আনা যায়।

সৃষ্টির সবকিছুই পরিবর্তিত হতে থাকে। কিন্তু কেউ তার চিন্তায় অটুট থাকে। মানুষ মানুষের জন্য। তবে প্রকৃতি সবার জন্য। কারন প্রকৃতি শুধু দেওয়ার জন্য। আর মানুষ দেওয়া-নেওয়া দুইটার জন্যই। কিন্তু কিছু মানুষ দিতে জানে। আর কিছু মানুষ নিতে জানে। তাই শেষ মূহুর্তে প্রকৃতিকেই দানশীল মানা হয়।

আবছা বিষয়গুলোর প্রতি মানুষের প্রয়োজন বেশি- Saturday, 02nd December, 2023

স্থিতিশীলতাঃ

গুরুত্ব কাউকে আবছা বিষয়ের প্রতি সহজে অনুভব করায়। যা কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেও নির্মূল করতে পারে না। ভালোলাগা ভোলা যায়। কারণ জন্ম থেকেই মানুষের মধ্যে ভালোলাগা খারাপ লাগার অনুভূতি কাজ করতে থাকে। কিন্তু যোগ্যতা আর মানবিকতার ওপরে মানুষের গুরুত্ব নির্ভর করে। যেজন্য একজনের প্রতি কারোর হালকা গুরুত্বও তাকে আত্মবিশ্বাসী অনুভব করায়। যখন পর্যায়ক্রমে তার জীবনের দ্রুত পরিবর্তন হয়। কিন্তু সময়ের সাথে বিষয়টা নিঃসৃত হয়ে গেলেও সেই বিষয়ের অনুভূতির মনোভাব কখনো বদলায় না। কারণ অনুপ্রেরণায় মানুষ তার জীবনের প্রতি উদগ্রীব হয়।

কোনো কিছুতে ভুল হলে সহজে বিষয়টাকে বাদ দিয়ে নতুন কিছু তৈরি করা সম্ভব হয় না। তবে সময় নিয়ে অল্প পরিবর্তনে বিষয়টা সংশোধন করা সম্ভব। কোনো কিছু বাদ দেওয়ার আগে মূল্যায়ন করা উচিত। কারন ভালো কিছু শুরুতে সমস্যা নিয়ে আসে। কিন্তু পরবর্তীতে বিষয়টা প্রয়োজন অনুপাতে ফল দিতে থাকে। স্থিতিশীলতা অনেকের রাগের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। যা কাউকে শান্ত মস্তিষ্কে ভাবতে শেখায়। তখন কেউ তার কথা আর কাজের মাধ্যমে সমাজে মূল্যায়িত হয়ে থাকে। স্থিতিশীলতায় কোনো ব্যক্তি নিজেকে পরিবর্তনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে। যেকোনো কিছুর স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রেখে। তাই ব্যক্তিভেদে নিজের জীবনের স্থিতিশীলতা বজায় রেখে চলার চেষ্টা করা উচিত।

বেশিরভাগ মানুষের জীবনে এমন সময় সফলতা আসে। যখন সেই সফলতা হয়তো জীবনের প্রতি অর্থহীনতা প্রকাশ করে। ব্যক্তিগুলো জীবনের একটা সময়ে প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত পরিশ্রম করে থাকে। যার কারনে পরবর্তীর অর্জনে সেইসব ব্যক্তি ব্যর্থতা অনুভব করে। কিন্তু তখন প্রত্যেকেই একজন সফল ব্যক্তি। হয়তো জীবনের ব্যর্থতায় কারোর সফলতা লুকিয়ে থাকে। কিন্তু তা অর্জনের পরও জীবনের স্বল্পতায় অনেকে ব্যর্থতার অনুভবে আবদ্ধ থাকে। যার কারনে মানুষ কোনো কিছুর অভাবে যেমন আফসোস করে। তেমনি শেষ মূহুর্তের অর্জিত সফলতায় তার থেকেও বেশি অনুশোচনা অনুভব করে। যেজন্য সময় থাকতে অল্পের মধ্যে নিজেকে সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করা উচিত। যা কাউকে হয়তো যেকোনো সময়ের অর্জিত সফলতায় আর অনুশোচনা অনুভব করায় না।​​​​​

‌শিশুর যত্ন প্রায়ই দেখি, Thursday, 23rd November, 2023
প্রায়ই দেখি, কারো ছোট্ট বাচ্চাকে কেউ কোলে নিয়ে চুমাচুমি শুরু করে দেয়, যেটা এক ধরনের বিশ্রী রকমের অভদ্রতা। হতে পারে, চুমু দেয়া মানুষটি মুখের হাইজিন ঠিকমত মেইনটেইন করেন না, অথবা বাইরে থেকে এসে মুখটুখ না পরিষ্কার করেননি অথবা পান বিড়ি সিগারেট খান। যা থে কে বাচ্চার জন্য হতে পারে নিদারুণ ক্ষতি। আবার চুমু দিতে না দিলেও মনে হয় না জানি কি পাপ করে ফেললেন। শিশুর এমনিতেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে, এর মধ্যে এইসব হলে তার দায়ভার কি তিনি নিবেন?? না বাবা/মা পারবে তাকে ব্লেম করতে, না তিনি নিজে ব্লেম নিবেন। ভালো হয়, এইসকল চুম্মাওয়ালা মানুষের কোলেই বাচ্চাকে না দেয়া। কোলে দেয়া পর্যন্ত মেনে নেয়া গেলেও, বাকিটা নয়। সেটা বাচ্চাকে কোলে দেয়ার সময়ই তাকে বলে দেয়াটাও বাবা/মা এর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। শিশুদের যত্ন নিন ভালো থাকুন.