আরো নিবন্ধন পড়ুন



স্বপ্ন Saturday, 06th January, 2024

স্বপ্ন

মরে যাওয়া শেষ স্বপ্নটার লাশ পড়েছিলো কোন এক রেলস্টেশনের অন্ধকার কোনে স্টেশনের আলো ওখানে কখনো পৌঁছায় না অদ্ভুত লাশটার চোখে কোন পাতা নেই ঠিক যেন মরা মাছের চোখ মাঝরাতের নিঝুম স্টেশন

কেউ নেই সেই মৃত স্বপ্নের চোখে একবার চোখ

রাখবে

তাতে অবশ্য কিছু আসে যায় না স্বপ্নটার সেতো মৃত, যখন জীবিত ছিল তখনই কেউ দেখেনি

তাকে

আচ্ছা, স্বপ্নটা যার ছিল, সে এখন কই কি নিয়ে বেচে আছে সে এখন

শেষ স্বপ্নটাও যে মরে গেলো তার

দাফনের পয়সাটাও হয়তো ছিলোনা তার কাছে

তাই ফেলে গেছে এই নিঝুম রেলস্টেশনের কোনায় চোখের কোনায় তারও জমে হয়তো খুব সামান্য

অশ্রু

আবার কোন নতুন স্বপ্ন দেখার সাহস তার আর হবেনা এজন্মে পরের জন্মের জন্য হয়তো কিছুটা জমা থাকবে

পরের জন্মে হয়তো সে একটা জোনাক হবে জ্বলবে নিভবে ........জ্বলবে নিভবে ...

সময়ের সাথে বদলে যাওয়া মূহুর্তের অনুভব- Sunday, 12th November, 2023

উপেক্ষাকৃত জীবনঃ

কিছু মানুষ শুরু থেকেই খুব সাধারণ হয়। যাদের সবকিছুর মাঝেও নিজের মধ্যে সরলতা কাজ করে। হয়তো কেউ শুরু থেকে দায় অনুভবের জন্য তার ব্যক্তিত্ব মজবুত হয়। কিন্তু সেইসব ব্যক্তির জীবনের প্রতি বিশেষ কোনো চাওয়া পাওয়া থাকে না। যার কারনে তারা সাধারণের মধ্যেও অসাধারন হয়ে থাকে। এককথায় পরিষ্কার চরিত্রের ব্যক্তি যাকে বলে। একটা সময়ের পর কেউ হয়তো কোনো কিছু উপেক্ষা করতে পারে না। কিন্তু তাদের কোনো কিছুর প্রতি পিছুটান একটু কম থাকে। যার কারনে তারা সবসময় একটু দুরত্ব বজায় রেখে চলতে পছন্দ করে। পর্যায়ক্রমে পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সাধারণ কিছু বৈশিষ্ট্য কোনো কিছুর ধারন ক্ষমতা বদলে দেয়। কিন্তু সময় সবকিছুকে নিয়ন্ত্রণ করে অতিবাহিত হতে থাকে।

প্রকাশ্যের কোনো কিছু অপ্রকাশ্যে রাখা যায়। কিন্তু অপ্রকাশ্যের যেকোন কিছু কখনো প্রকাশ করা যায় না। কারণ অপ্রকাশ্যের বিষয়গুলো দুর্বলের চেয়ে একটু বেশি হয়ে থাকে। যার কারনে কারোর মধ্যে সবসময় বিষয়টার সংবেদনশীলতা কাজ করতে থাকে। কোনো কিছু এড়িয়ে গেলে সাময়িকভাবে বিষয়টার চাপ কমানো যায়। কিন্তু পরবর্তীতে বিষয়টা থেকে অরিকল্পিত চাপ সৃষ্টি হতে থাকে সময়ের সাথে। যা কাউকে ভেতর থেকে ধীরে ধীরে সম্পূর্ণরূপে গ্রাস করতে থাকে। সময়ের সাথে কোনো কিছু থেকে সৃষ্ট মানসিক চাপের ভারসাম্য বজায় রাখা যায়। কিন্তু ফিরে আসা বিষয়ের চাপের সম্মুখীন হওয়া যায় না। মানুষ বদলাতে জানে। তবে ছেড়ে আসা জিনিসের বদলানো রূপ মেনে নিতে পারে না।

অপরিকল্পিত কোনো কিছুর ইতিবাচকতা যেমন কাউকে ভেতর থেকে আত্মবিশ্বাসী করে। তেমনি পরিকল্পিত কোনো বিষয়ের নেতিবাচকতা কাউকে ভেতর থেকে অপরিকল্পিতভাবে নির্বিশেষে বিভাজ্য করতে থাকে। যা কাউকে মেনে নেওয়া শেখালেও কোনো কিছুতে এগোনোর বিষয়ে অবিশ্বাসী করে গড়ে তোলে। যা কাউকে জীবনে এগোনোর চেয়ে বেশি পিছিয়ে রাখে। অনেকেই হয়তো সময়ের শূন্যতায় একসাথে অনেক কাজ করতে পারে। তবে কোনো কাজের মধ্যে তারা নিজের দুনিয়া তৈরি করে কাজটা সম্পাদন করে। যার কারনে সেই মূহুর্তে কাজবিহীন যেকোনো কিছুই তার বিবেচনার বাইরে থাকে। পরবর্তীতে বিষয়টার পদক্ষেপহীনতা তাকে দ্বিধাগ্রস্ত করতে থাকে। যা কাউকে কিছু মূহুর্তের জন্য অপ্রকাশ্যে রাখে। কিন্তু বিষয়টার সমাধান না হওয়া অবধি যেকোনো মূহুর্তে তার মধ্যে বিষন্নতা তৈরি হতে থাকে। যা তাকে বাজে ভাবে ধীরে ধীরে গ্রাস করে।

মানুষ যেমন কোথাও চাইলেও নিজের মতো স্থির হতে পারে না। তেমনি না চাইতেও কোনো কিছুর স্থায়িত্ব তাকে অল্প সময়ে জীবনের নতুন ধাপে অতিবাহিত করায়। যা তাকে সম্পূর্ণরূপে বদলে নতুন কিছুর জন্য তৈরি করে। তখন বিষয়টা ধীরে ধীরে তার জীবনের পুরো পরিচিতি বদলে দেয় সময়ের সাথে। কারোর ইচ্ছা পূরণ তাকে জীবনের শেষ অবধি স্বর্গীয় অনুভবে রাখে। কিন্তু জোর পূর্বক যেকোনো কিছু নীরবে মানায় নেওয়া শেখালেও জীবনের শেষ পর্যায়ে বিষয়টা তাকে মারাত্মকভাবে অনুশোচনা অনুভব করায়। মানুষ শিখতেও জানে শেখাতেও জানে। কিন্তু জীবনে কোনো কিছুর প্রয়োগ খুব কম মানুষ করে। যার কারণে কেউ সবকিছু বুঝেও দ্বিধার কারনে নিজেকে নির্বোধের মতো মনে করে। তখন যেকোনো কিছুই কারোর কাছে শুরুতে ধোয়াসার মতো অনুভব হয়।

কারোর ইচ্ছা পূরণে সাধের চেয়ে সাধ্যের গুরুত্ব বেশি। কাউকে বুঝতে ইতিবাচক মনোভাব সবকিছুর সহজ সমাধান দেবে। তাই কোনো কিছুর প্রতি ভাবনার জায়গায় বিবেচনার মূল্যায়ন করা উচিত।

জীবনের প্রথম জিনিস কখনই পরিবর্তন হয় না- Monday, 27th November, 2023

অনুভবে কোনো কিছু পুরাতনেও সুন্দরঃ

মানুষ যেকোনো মূহুর্ত অনুভবের মাধ্যমে নিজের বিশেষত্ব তৈরি করতে পারে। কারণ বেশিরভাগ ব্যক্তি সবকিছুর মধ্যে নতুনত্বতা খুঁজেঊ বেড়ালেও অনুভবের জন্য তা সম্ভব না। অনুভব এমন একটা জিনিস যা কখনো পুরোনো হয় না। বরং সময়ের সাথে বাড়তে থাকে। যার জন্য মানুষ পুরোনো হয়, সময় বদলায়। কিন্তু কারোর অনুভবের গাঢ়ত্ব তাকে ভিতর থেকে সবসময় একরকম রেখে যায়। যেজন্য অনুভব অপরিবর্তনশীল কিন্তু বাড়ন্ত। যার শুরু আছে কিন্তু শেষ নাই। কারণ শেষ নিঃশ্বাসেও মানুষ অনুভব করে যায়। আর পরবর্তীর নতুন কোনো শিশুর মাধ্যমে তা আবার পুনরুজ্জীবিত হয়।

কিছু সংখ্যক মানুষের জীবনে কিছু বিশেষ বিষয় থাকে। যার অনুভব কারোর মধ্যে আত্মিকভাবে জড়িত থাকে। যখন বিষয়টার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি তেমন কোনো প্রভাব বিস্তার করে না। কারণ এমন বিষয়গুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অপূর্ণতার বাস্তবতা হওয়ায়, যা সেই প্রকৃতির ব্যক্তিদের ভেতরের অংশবিশেষ হয়ে থাকে। তখন বিষয়টা অনুভবের মাধ্যমে কারোর জীবনের অনেকটা জায়গা জুড়ে থাকে। যার জন্য তার সামনে বা পেছনের যেকোনো কিছুই স্বাভাবিক মাত্রায় তার জীবনে বিরাজ করে। একটা মানুষের দৈহিক শক্তির চেয়ে মানসিক শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করা উচিত ইতিবাচকভাবে।

প্রবর্তনের সাংক্ষেপিক রুপ কারোর জীবনকে অনেকটা বদলে দেয়- Tuesday, 16th January, 2024

কিছুটা প্রত্যাবর্তনঃ

কখনো যদি কিছু বিষয় কারোর জীবনে থমকে দাড়ায়। হয়তো বেশিরভাগ মানুষ জীবনের তাগিদে সবকিছু ত্যাগ করে সামনের দিকে এগোতে বাধ্য হবে। কারণ জীবনটা ক্ষনিকের হলেও কোনো কিছু আঁকড়ে পড়ে থাকলে সবকিছু সীমাহীন মাত্রা প্রকাশ করতে থাকে। যা সময়ের সাথে কাউকে নিঃশেষ করে দেয়। তাই বোধসম্পন্ন মানুষ কখনোই কোনো বিষয়ের জন্য নিজের জীবনের সাথে পার্থক্য করবে না। পৃথিবীতে মানুষের শেখার শ্রেষ্ঠ মাধ্যম সে নিজে। কারন কোনো মানুষ নিজের জন্য কখনোই স্বার্থবাদী হয় না। প্রত্যেকেই তার নিজের মাঝে নিঃস্বার্থ, যদি জীবনের মূল্যায়ন করতে জানে! কোনো কিছুই পরিপূর্ণ নয়। যার কারণে একটা সময়ের পর সবকিছু পূর্ণতা পায়। অনেকেই সমান্য না পাওয়ায় নিজের জীবনকে দোষারোপ করতে থাকে। কিন্তু কিছু সংখ্যক মানুষই দোষের জায়গায় নিজের কর্মের হিসাব করে। কারন কর্মেই কারোর ভাগ্য নির্ধারিত বা পরিবর্তিত হয়।

জীবনের সান্নিধ্যে কেউ বিশেষ কিছু বিষয় আবদ্ধ করে রাখে। যা তাকে শেষ নিঃশ্বাস অবধি কোনো কিছুর কমতি অনুভব হতে দেয় না। যেজন্য কোনো কিছু খোঁজার জায়গায় অনুধাবন করতে পারলে সবকিছু সহজ। অনেকেই শূন্য জীবনে নিজের সৃজনশীলতায় পুরো পৃথিবীতে বিরাজ করে। যেখানে ত্যাগ করা, মানায় নেওয়া, একান্তে সবকিছু পর্যালোচনা করা সেইসব ব্যক্তির সাধারণ বৈশিষ্ট্য হয়ে থাকে। বিষয়গুলো লেখায় সাধারণ। কিন্তু এইগুলো পর্যালোচনার মাধ্যমে কারোর জীবন একবার বদলে গেলে সবসময় তা পরিবর্তিত হতে থাকে। যখন কোনো কিছুর মোহ সেইসব ব্যক্তিকে আটকাতে পারে না। কারণ ভালো মানুষ দেখতে সরল হয়। কিন্তু তাদের ব্যক্তিত্বের কারণ খুঁজলে চিন্তাশক্তির নিঃশেষেও তার পরিসমাপ্তি পাওয়া সম্ভব না।

অর্থ মানুষের সাময়িক শান্তি যা কারোর অস্তিত্ব তৈরি করে। কিন্তু চরিত্র প্রত্যেকের পরিচিতি যা কারোর মূল্যবোধ তৈরি করে। সীমিত অর্থেও জীবন পরিচালনা করা যায়। কিন্তু হালকা চরিত্রে সবকিছুর অতিরিক্ততায়ও জীবন মূল্যহীন হয়ে যায়। যা হয়তো কেউ বুঝতে পারে না। কিন্তু সেইসব ব্যক্তি কখনোই জীবনের পবিত্রতা উপভোগ করতে না। কিন্তু জীবনের পবিত্রতাই কাউকে পৃথিবীর অশেষ কষ্টের মাঝেও স্বর্গানুভব করায়। যখন কোনো কিছুর জন্য আত্মবিশ্বাস সেইসব ব্যক্তির সবচেয়ে বড় শক্তি। যা কাউকে তার জীবনে অটুট বন্ধনে আবদ্ধ করে রাখে। তাই জীবনে পাওয়ার আশায় কোনো কিছুর জন্য নিজের সাথে তুলনা করা উচিত নয়।