আরো নিবন্ধন পড়ুন



চিঠি???? Friday, 26th April, 2024

 

প্রেম করে পালিয়ে যাওয়া মেয়ের প্রতি এক বাবার বেদনা দায়ক চিঠি???? ????????

????????

 

মা'রে,!

শুরুটা কিভাবে করবো বুজে উঠতে পারছিলাম না। 

যেদিন তুই তোর মায়ের অস্তিত্ব ছেড়ে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলি সেদিন থেকে তোকে মা বলে ডাকতে শুরু করলাম। তোকে মা ডাকতে গিয়ে আমার নিজের মা হারানোর ব্যাথাটাই ভুলে গিয়েছিলাম।

তোর মা ও তোকে মা ছাড়া 

অন্য নামে কখনো ডাকেনি।

 

বিদ্যালয়ে প্রথম দিন 

শিক্ষক তোর নাম জিজ্ঞেস করেছিলেন।

তোকে মা বলে ডাকতে ডাকতে

তোর ডাক নামটাও ভুলে গিয়েছিলাম।

আমি তোর নাম বলতে না পারায় সবাই আমাকে নিয়ে হাসতে ছিলো..

 

তাই চিঠির উপরে তোর নামের জাগায় মা লিখেছি।

 

হঠাৎ করে তুই এভাবে চলে যাবি আমি তা বুজতেই পারিনি...!

 

ছেলেটা যেদিন বাইরে ব্যাগ হাতে তোর জন্য অপেক্ষা করছিল 

যে কখন তুই দরজা খুলে

বাইরে বের হয়ে আসবি।

আমি তখন ভেতরে বসে 

রবের কাছে প্রার্থনা করছিলাম 

আর ভাবছিলাম যে

আর কতটা ভালবাসতে পারলে তুই আমাকে ছেড়ে চলে যাবি না।

অপরদিকে 

তুই ঘরে বসে ভাবছিলি আজ 

যেতে না পারলে ছেলেটার কাছে ছোট হয়ে যাবি।

আর আমি ভাবছিলাম তুই চলে গেলে সমস্ত পিতৃজাতীর কাছে কি করে মুখ দেখাব...!

 

জানিস মা তুই তোর তিন বছরের ভালবাসা খুজে পেয়েছিস।

কিন্তু আমার জীবন থেকে বিশ বছরের ভালবাসা হারিয়ে গেছে..!

 

মা'রে প্রত্যেকটা বাবা জানে রক্ত পানি করে গড়ে তোলা মেয়েটা একদিন অন্যের ঘরে চলে যাবে..!

 

তারপরও একটুও কৃপণতা থাকেনা বাবাদের ভেতরে!

বাবাদের ভালবাসা শামুকের খোলসের মতো 

মা-রে!

বাবাদের ,বাহিরটা শক্ত হলেও ভেতরটা কিন্তু খুব নরম হয়ে থাকে।

 

বাবারা সন্তানদের কতটা ভালবাসে তা বুঝাতে পারেনা,

তবে অনেকটা ভালবাসতে পারে।

 

জানি মা আমার লেখাগুলো পড়ে তোর খারাপ লাগতে পারে।

 

কি করবো বল?

তোরা তো যৌবনে পা রাখার পর চোখ, নাক, কান সবকিছুর প্রতি বিবেচনা করে প্রেম করিস।

কিন্তু যেদিন জানতে পারলাম তুই তোর মায়ের গর্ভে অবস্থান করেছিস সেদিন বুজতে পারিনি তুই কালো না ফর্সা হবি, ল্যাংড়া না বোবা হবি,কোন কিছুর অপেক্ষা না করেই 

তোর_প্রেমে_পরেছিলাম 

তাই এতকিছু লিখলাম।

 

আমি জানি মা তোদের সব সন্তানদের একটা প্রশ্ন বাবারা কেন তাদের ভাললাগাটাকে সহজে মানতে চায় না।

 

উত্তর টা তোর ঘাড়ে তোলা থাকলো, তুই যেদিন মা হবি সেদিন নিজে নিজে উত্তর টা পেয়ে যাবি..!

 

তোরা যখন একটা ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যাস তখন ওই ছেলে ছাড়া জীবনে কারও প্রয়োজন বোধ করিস না।

কিন্তু একটা বাবা বুঝে তার জীবনে নিজের মেয়েটার কতটা প্রয়োজন..!

 

যেদিন তোর দাদুর কাছ থেকে তোর মাকে গ্রহন করেছিলাম

সেদিন প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে,

যদি মেয়ে হয় তাহলে,

মেয়েটাকে তার স্বামীর হাতে 

নিজের হাতে তুলে দিয়ে

তবে'ই দায়িত্ব থেকে নিজেকে হালকা করবো।

তাই তোর প্রতি এত অভিমান।

 

মারে বাবার উপর রাগ করিসনা..!

 

তোরা যদি অল্প দিনের ভালবাসার জন্য ঘর ছেড়ে পালাতে পারিস,

 

তবে আমরা বিশ বছরের ভালবাসার জন্য বেপরোয়া হব না কেন??

 

বাবারা মেয়ে সন্তানের জন্মের পর চিন্তা করতে থাকে নিজের মেয়েটাকে সুপাত্রের হাতে তুলে দিতে পারবে তো।

 

তারা যৌবনে পা রাখার পর চিন্তা করে কোন প্রতারনার ফাঁদে পরে পালিয়ে যাবে না তো!

তাই মেয়েদের প্রতি প্রত্যেকটা বাবার এতটা নজরদারী থাকে।

 

যদি মন কাঁদে..... 

চলে আসিস....!

বুক পেতে দেব........!

ঠিক আগে যেভাবে ভালো বেসেছিলাম.........

সেভাবেই বাসবো........!

 

অপেক্ষায় """""" থাকলাম '''''''

 

হয়তো তোর মায়ের মতো তোকে পেটে ধরিনি, তবে"'

পিঠে ধরার যন্ত্রণাটা সহ্য করতে পারছিনা। খুব কস্ট হচ্ছে রে...

খুব কস্ট হচ্ছে.....!????????????????

 

ইতি

তোর জন্মদাতা "পিতা"

 

বিঃদ্রঃ-(এই চিঠিটা পড়ে অন্তত 

একটি মেয়ে বা ছেলেও যদি

তাদের সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসে তবে মন্দ কি?)"""""""":::,,,???

বেলা শেষে- Saturday, 28th October, 2023

সৃষ্টির নতুন রূপঃ

যেকোনো কিছুর শুরু হয় অনুতাপ থেকে। তুমি যদি কোনো কিছু বুঝতে চাও, বিষয়টার সমাপ্তিতে নিজের ভুল থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতাই তোমাকে শেখাবে। যেকোনো কিছুর পরিসমাপ্তি থেকে তোমার জীবনে নিজের পথচলা শুরু হবে। যেকোনো কিছুর প্রতি করা ছোট ছোট ভুল, অনুতাপ তোমাকে অনুভব করাবে বাস্তবতা। তোমার অনুভবের অভিজ্ঞতা জীবনভর তোমাকে মজবুত করে যাবে। যা কোনো কিছুর আকৃষ্টতা থেকে তোমাকে মুক্ত রাখবে।

শুরুর সময় থেকে সবকিছুই সাধারণ থাকে। আস্তে আস্তে যেকোনো কিছুর প্রতি অনুতাপের অনুভবই তোমার জীবনের নতুন রূপ ধারণ করাবে। নিজেকে বিশ্বাস করে ভরসা করতে শিখো। জগতের মায়া ত্যাগ করতে পারবা। নিজেকে নিঃস্বার্থ রেখে পথ চললে জটিল জীবনের সরলতা খুঁজে পাবা। কোনো কিছুই মায়া নয়, সবকিছুই মোহ যা আমাদের সীমিত সময়ের ভালোলাগার অনুভব থেকে নিজেকে সারাজীবনের একাকিত্বের অনুভব করায়। একান্তে নিজের মতো করে জীবন পরিচালনা করা যায়। কিন্তু একাকিত্বতা জীবনকে নিঃশেষে বিভাজ্য করে দেয়।

প্রিয়জনের থেকে প্রয়োজন তোমাকে উপরে উঠতে সাহায্য করবে। কারণ প্রিয়জন তোমার থেকে আশা রাখে, যা পূরণ করতে না পারলে তুমি তার সাথে চলার যোগ্যতা রাখো না। কিন্তু তুমি নিজের প্রয়োজনে অসম্ভবকেও সম্ভব করতে পারবা নিজের জন্য, যা তোমাকে স্বাধীন ভবিষ্যত গড়তে সাহায্য করবে। যেখানে কোন স্বার্থবাদী ব্যক্তির তোমার জীবনে হস্তক্ষেপ করার কোন অধিকার থাকবে না। হয়তো নিজের একান্তের পথচলায়ও অনেকের সাথে পরিচিতি রাখতে হবে সমাজে চলার জন্য। কিন্তু দিনশেষে তুমি শান্তিপূর্ণ সফল জীবনের অধিকারী।

জীবনের জন্য যখন তুমি আশা না রেখে পরিবারের ভরসায় নিজেকে তৈরি করবা। তখন তোমার জীবনে সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্তগুলো নিজের বিবেচনায় নিতে শিখে যাবা। কোনো কিছুর পথ চেয়ে থাকার চাইতে, সামনের সময়ের সাথে নিজেকে এগোনো ভালো। কেননা জীবন একটা বাঁধাযুক্ত ফাঁকা রাস্তার মতো। যেখানে বাঁধা পেরোনোর অলসতায় বসে থাকার চাইতে, যেকোনো কিছুর সম্মুখীন হয়ে মোকাবেলা করে এগিয়ে যাওয়া ভালো। হেরে গেলেও সবকিছু সামলে নতুন রাস্তায় নিজেকে পরিচালনা করতে পারবা বাঁধার অভিজ্ঞতা থেকে। তাই অলসতায় বসে থেকে নয়, নিজ পায়ে দাঁড়িয়ে চলতে শেখো।

তাড়াহুড়ার মূহুর্তে নিজেকে সামলাতে শেখো, অল্প সময়ে সবকিছুর সমাপ্তি পাবা। প্রকৃতির মায়ায় জীবনের মোহ ত্যাগ করলে শেষের পূর্ণতা পাবা।

বিব্রতকর পরিস্থিতির অনাকাঙ্খিত চিন্তার প্রভাব- Monday, 06th November, 2023

হালকা ঘাবড়ানোঃ

অনেকেই কিছু পরিস্থিতির চিন্তা করতে না চাইলেও ঘুরে ফিরে একসময় তা তাদের সামনে চলে আসে। অতিরিক্ত চিন্তা যেকোনো কিছুর গভীরত্ব থেকে পুরোনো কিছুর নতুন রূপ দেয়। যা অনেকের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। যা যেকোনো কিছু থেকে তাকে দূরে ঠেলে দেয়। আতঙ্ক মানুষকে অনুপস্থিত থাকা জিনিসের উপস্থিতি অনুভব করায়। ভয় মানুষের সাময়িক অনুভবের মধ্যে পড়ে। কিন্তু আতঙ্ক কাউকে সবসময় মানসিকভাবে বিব্রত করতে থাকে। একটা মানুষের চিন্তাশক্তিকে গ্রাস করে একসময় তাকে অমানুষে রূপান্তর করে এই আতঙ্ক। আতঙ্কের প্রভাবে একটা মানুষের জীবন দুর্বিসহ হতে থাকে। তখন সে আশেপাশের পরিস্থিতির চেয়ে নিজের সম্মুখীন হয় বেশি।

কারোর জন্য কখনো আতঙ্কের তৈরি হয় না। আতঙ্ক জমে থাকা কষ্টের গভীর অনুভব থেকে তৈরি হয়। যা কাউকে স্বাভাবিক কিছুতেও চাপ অনুভব করায়। একটা মানুষ কঠিন পরিস্থিতি থেকেও একসময় বেরিয়ে আসতে পারে। কিন্তু কেউ একবার আতঙ্কের শিকার হলে, নিজের মনুষ্যত্বের অস্তিত্ব হারিয়ে নির্বিশেষে বিভাজ্য হতে থাকে। যা তার অস্তিত্ব একসময় সমাজ থেকে মুছে দেয়। এর কারণে সমাজে একসময় আতঙ্কের সৃষ্টি হতে থাকে। এইজন্য কারোর আতঙ্ক দেখলে তাকে ছোট করে ভয় না দেখিয়ে, তার পাশে থেকে সবসময় তাকে একটা বাচ্চার মত করে মানসিকভাবে শক্তি যোগানো। কারণ এইসময় কাউকে মানসিক সাপোর্টই তাকে এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করে। কারোর ভালোর জন্য সীমা বজায় রেখে তাকে সাপোর্ট করা উচিত। না হলে এই সাপোর্ট একসময় তোমার চাপের কারণ হবে।

কাউকে না বুঝে কষ্ট দেওয়া সহজ। কিন্তু কারোর অনুভূতি বুঝে তার পাশে থাকা ততটাই কঠিন। কারণ কষ্ট যেমন চোখে দেখা যায় না। তেমনি কেউ নিজের কষ্ট প্রকাশ করে না। যার কারণে সবকিছুই জটিল হতে থাকে। প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে যেকোনো কিছুর সমাধান সম্ভব। কিন্তু পার্থক্য বুঝে সমাধান নিজের করতে হয়। প্রয়োজনের তাড়ায় সবাই মরীচিকার পিছনে ছুটে বেড়ায়। যার কারণে শেষ মুহুর্তের অনুতাপ কাউকে অপ্রকাশ্যের দায় বহন করায়। যা তাকে শেষ মুহুর্তেও জীবনের ভার অনুভব করায়।

কেউ যেমন কারোর জন্য অপেক্ষা করে না। সময়ও তেমনি কারোর জন্য অপেক্ষা করে না। সময় অপেক্ষা না করলেও সামনের জন্য বড় কিছু তৈরি করে রাখে। যা নির্ভর করে তোমার কর্মের উপর। এইজন্য সবসময় ভেতর থেকে নিজের মধ্যে একটু হলেও সরলতা রাখা উচিত। যাতে যেকোনো কিছুর মানবিকতা বজায় রেখে চলতে পারো। দুর্বলতা আর মানবিকতা একটা আরেকটার সাথে জড়িত। দুর্বলতাই কাউকে মানবিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু এর সুযোগ সন্ধানী সবসময় নিজের অস্তিত্ব হারায় অসীম পাওয়ার চাওয়ায়। লোভ মানুষকে অন্ধ করে রাখে। কিন্তু ত্যাগ ‌কারোর বিশেষত্ব তৈরি করে।

মানুষ যেই জিনিসটা বেশি এড়াতে চেষ্টা করবে। সেই বিষয়টা তাকে ততটাই আঁকড়ে রাখবে। কিন্তু যখন এই আঁকড়ে রাখার প্রতি অনুভব হতে শুরু করবে, তখন বিষয়টা তোমাকে এড়িয়ে যাবে। কারণ সময় থাকতে মূল্য না দেওয়া ভবিষ্যতের ভোগান্তির কারণ। এইটাই সময়ের নীতি। জীবন মানে ভুল থেকে শুরু করে, সময়ের সাথে পথচলা। কিন্তু ভুল থেকে নেওয়া শিক্ষাই তোমাকে জীবনের পূর্ণতা দেবে। অসীম চাওয়ার মাঝে ছোট না পাওয়াগুলো গুছিয়ে একসময় জীবনের সঠিক মূল্যায়ন করা যায়। না পাওয়া মানুষের অনুভবের সাথে জড়িত। যা সবসময় তাকে সঠিক রাস্তা দেখায়।

কাউকে কোনো কিছু দিয়ে কখনো তা নিয়ে তাকে ছোট করা উচিত নয়। কিছু দেওয়ার আগে তুমি শতবার ভেবে নাও। কিন্তু ভুলেও কাউকে ছোট করলে তার দুর্বলতার আঘাত তোমার প্রতি তাকে ক্ষোভ সৃষ্টি করাবে। যা আজীবন ভুল বুঝে তোমাকে তার থেকে দূরে রাখবে। এইজন্য কাউকে এড়িয়ে যাওয়ার চাইতে তাকে অসম্মান করা ছেড়ে দিলে সবকিছু সহজ হয় বেশি। যদি কেউ তোমাকে সবসময় বিদ্রুপ করতে থাকে। তাহলে ওই সময়ের জন্য নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করো।