আমাদের অজানা

05th January, 2024
87




হিন্দু মা ও ছেলের কিছু কথোপকথন।

????ছেলে = মা তাজমহল এতো সুন্দর তাজমহল আমরা বানিয়েছি তাই না ???

 ???? মা = জ্বী না , যিনি বানিয়েছিলেন উনার নাম শাজাহান বাদশা , উনি মুসলিম ছিলেন ।

ছেলে = ওহ । আচ্ছা তাহলে কুতুবমিনার নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ???????

মা= জ্বী না । উনিও মুসলিম ছিলেন । উনার নাম কুতুবুদ্দিন আইবক ।????

ছেলে = । তাহলে লালকেল্লা নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ??????

মা = না । ওটাও মুসলিম শাসকরা বানিয়েছে ।????

ছেলে = তাহলে পুরাতন কেল্লা আমরা বানিয়েছি ??????

মা= না। পুরাতন কেল্লা মুসলিমরা বানিয়েছে ।????

ছেলে =তাহলে চারমিনার নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি????

মা= না। চারমিনার মুসলিম শাসকরা বানিয়েছে।????

ছেলে = মা আমি শুনেছি ভারত প্রথম মিসাইল তৈরি করেছিল , মিসাইল হিন্দু শাষকরা বানিয়েছে তাই না????

মা= না । ভারতে প্রথম মিসাইল আবিষ্কার করেছিলেন টিপু সুলতান । উনিও মুসলিম।????

ছেলে= মা আমি শুনেছি ভারতের সবচেয়ে বড় ও পুরাতন রোড গ্ৰান্ড ট্রাঙ্ক রোড ।

প্রায় ৩০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত ।

আচ্ছা মা সেটা তো আমরা বানিয়েছি ??????

মা=না । গ্ৰান্ড ট্রাঙ্ক রোড আমরা বানায়নি ।

গ্ৰান্ড ট্রাঙ্ক রোড একজন মুসলিম শাসক বানিয়েছি , উনার নাম শের শাহ ????

ছেলে = তাহলে মোঙ্গলদের সাথে যুদ্ধ আমরা করেছি , তাই না ?? ????

মা = না । আলাউদ্দিন খলজি মোঙ্গলদের সাথে যুদ্ধ করেছেন । সেই যুদ্ধে আলাউদ্দিন খলজি যদি পরাজিত হতো , তাহলে আজ ভারত ধ্বংস হয়ে যেতো ।????

ছেলে = আচ্ছা তাহলে হাজারদোয়ারি পেশেস নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ??????

মা = না বেটা । ওটাও মুসলিম শাসকরা বানিয়েছে।????

ছেলে = আচ্ছা তাহলে মুঘল সাম্রাজ্য আমাদের ছিল, তাই না ???????

মা = না । মুঘল সাম্রাজ্য মুসলিমদের সাম্রাজ্য ছিল ।????

ছেলে = আচ্ছা জয় হিন্দ , এই শব্দটি আমরা প্রথম তৈরি করেছিলাম , তাই না ??????

মা = না । ওটাও একজন মুসলিম প্রথম বলেছিল ।????

ছেলে = আচ্ছা মা , সারে জাহাসে আচ্ছা হিন্দুস্তান হামারা , এই শব্দটি আমরা প্রথম বলেছিলাম , তাই না ??? ????

মা = না , ওটা একজন মুসলিম কবি লিখেছিলেন । উনার নাম ইকবাল ।????

ছেলে = আচ্ছা তাহলে ভারতের পতাকা আমরা বানিয়েছি, তাই না ???????

মা = হ্যাঁ , তবে বলতে গেলে না । ভারতের পতাকা পিঙ্গলি ভেনকায়া তৈরি করলেও , তো

উনার তৈরি করা পতাকাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি ।

ভারতের পতাকার Latest Update করেছিলেন একজন মুসলিম মেয়ে । উনার নাম সুরিয়া তৌওবজি , উনার বাড়ি হায়দ্রাবাদে ।????

ছেলে = তাহলে প্রথম Satellite launch করেছিলাম আমরাই,তাই না মা ???????

মা = জ্বী না । ভারত অনেক বার Satellite launch করেছিল , কিন্তু প্রতিবারই Failed হয়েছে ।

তারপর APJ. Abdul Kalam Azad প্রথম Successful ভাবে Satellite launch করেছিল ।????????

উনি না থাকলে আজ ভারত Satellite launch করতে পারতো না । ????

ছেলে = তাহলে Nuclear weapons নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ???????

মা = না । Nuclear weapons একজন মুসলিম আবিষ্কার করেছে । 

উনার নাম APJ Abdul Kalam Azad । ????

উনি Nuclear weapons তৈরি না করলে আজকে চীন ও পাকিস্তান মিলে আমাদের আদর করতো ।????

ছেলে = ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ভারত ছোড়ো আন্দোলন প্রথম আমরা করেছিলাম তাই না ??????

মা = না । ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে প্রথম আন্দোলন শুরু করেছিল টিপু সুলতান ।????

 

তাইলে আমরা কি করছি?? ????

 

আর ভারতের জন্য মুসলিমরা কিছুই করেনি এইসব মিথ্যা রটিয়ে বেড়িয়েছি।???? এইবার থাম,

 

 ???? অন্ধকারাচ্ছন্ন ইতিহাসের দুনিয়া থেকে বের হয়ে সত্যেকে জানুন ????


আরো নিবন্ধন পড়ুন



#ছোট পদক্ষেপ Saturday, 06th January, 2024

ছোট পদক্ষেপ, বৃদ্ধি আনে বৃদ্ধি। আমরা সবাই অপরিসীম, শক্তিশালী পরিবর্তন চাইতে থাকি, কিন্তু আমাদের জীবনের মৌলিক পরিবর্তন আসতে হলে সেটি ছোট পদক্ষেপের মাধ্যমেই হতে পারে।

 

আমরা অনেকগুলি ছোট পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিবর্তন ঘটাতে পারি, যেগুলি সম্ভবত আমরা সাধারণভাবে উপেক্ষা করি। উদাহরণস্বরূপ, দিনটি শুরু হতেই আপনি কেটে এসেছেন একটি গুলি প্লাস্টিক বোতলের বৃষ্টির জোড়ো সাথে, এটি আপনার মৌলিক পরিবর্তনের শুরু হতে পারে! আমরা সকলে এই প্রকারের ছোট পদক্ষেপগুলি নেওয়ার মাধ্যমে প্রকৃতির দিকে আমাদের অবদান বাড়িয়ে দিতে পারি।

 

এই ছোট পদক্ষেপগুলি সামাজিক পরিবর্তনেও কৌশল আসতে পারে, যেটি সমাজের মাধ্যমে একজন ব্যক্তির ভিত্তিতে শুরু হতে পারে। এই পদক্ষেপগুলি একটি সুস্থ, সহজলভ্য ও বিশ্ববাসী সমাজ সৃষ্টি করতে সাহায্য করতে পারে, যাতে আমরা সমস্ত প্রকারের পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হতে পারি।

 

আসুন সবাই মিলে ছোট পদক্ষেপ নেয়ার প্রতিশ্রুতি নেই এবং একসঙ্গে এই পৃথিবীকে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যাই।

চার দিনের ব্যবধানে ফের কমল সোনার দাম Thursday, 05th October, 2023

চার দিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে ফের কমেছে সোনার দাম। সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনার দাম ভরিপ্রতি ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৭ হাজার ৪৫ টাকা।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ বুধবার এই তথ্য জানিয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম কমায় এ দাম সমন্বয় করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হবে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম হবে ৯৭ হাজার ৪৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯২ হাজার ৬১২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৭৯ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ৬৬ হাজার ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সবচেয়ে ভালো মানের সোনার দাম ভরিপ্রতি ১ হাজার ৭৪৯ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ৯৮ হাজার ২১১ টাকা।

মজবুত মূল্যবোধ তৈরি করতে চিন্তাশক্তির প্রভাব- Wednesday, 08th November, 2023

শান্তিপূর্ণ জীবনের আত্মপ্রকাশঃ

শুরু থেকে কাউকে কোনো কিছু প্রভাবিত করে না। সময়ের সাথে তৈরি হওয়া অভিজ্ঞতার উপর কারোর কর্মের ভিত্তিতে সবকিছুর প্রভাব বাস্তবায়িত হয় তার জীবনে। শুরুতে সবকিছু সহজ মনে হলেও সময়ের সাথে সবকিছু কঠিন হতে থাকে। সময়ের অভিজ্ঞতা একটা সময়ের পর হয়তো প্রত্যেকের  জীবনের পরিবর্তন আনে। কিন্তু চিন্তা-ভাবনার সাথে বাস্তবের রূপ অনেকটাই আলাদা হয়। কেউই চায় না তার পরিকল্পিত সিদ্ধান্তের পরিবর্তন করতে। কিছু সময় পরিস্থিতির চাপে সিদ্ধান্তের বদল হলেও অপূর্ণতা কাউকে পুরনের মধ্যে নতুনত্বতা আনায়। কেউ হয়তো কারোর মতো করে তাকে অনুভব করতে পারে না। কিন্তু কারোর মানবিকতা তার আন্তরিকতায় তাকে গভীরভাবে অনুভব করার শক্তি দেয়। যা তাকে কারোর প্রতি তার থেকেও বেশি অনুভব করায়।

কারোর চিন্তা-ভাবনা সবার মতো না হলেও অনুভব একটা মানুষের বিশেষ পরিবর্তন করতে পারে। যা তাকে যেকোনো কিছু নীরবে বুঝতে শেখায়। নিরবতায় মানুষ আত্মিক অনুভব করতে পারে। যা তাকে মায়ায় নয়, বাস্তবতা মানতে শেখায়। সরল হওয়ার চেয়ে সরাসরি হওয়া ভালো যদি সফল হতে চাও। কারণ দূরে থেকে সরলতা বজায় রাখার চেয়ে সরাসরি সবকিছুর সমাপ্তিও শ্রেয়। কোনো কিছুর প্রতি আলাদা করে আর কোন কিছুর জন্য ভোগান্তি পোহাতে হয় না। মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি সবকিছু জেনেও না জানার মতো আচরণ করা। এইটা তার সবকিছুর চেয়ে তাকে প্রত্যেকের কাছে অপ্রকাশ্যে রাখে বেশি। যা তার সামনের দিনগুলোকে বেশি প্রভাবিত করতে থাকে।

মানুষ যেমন এক জায়গায় তার স্থায়িত্ব বজায় রাখতে পারে না। তেমনি কোন কিছুতে প্রভাবিত হলেও সহজে সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না। কেউই চায় না স্বার্থবাদী হতে। পরিস্থতি আর পরিবেশ একটা ব্যক্তিকে বাধ্য করে স্বার্থবাদী হতে। যা তাকে সবার কাছে অপ্রকাশ্যে উটকো বোঝার মতো মনে করায়। কেউ কারোর বুদ্ধিতে চলে না। সবাই নিজের বিবেচনায় নিজেকে পরিচালনা করে। কিছু সময় কারোর বিফলতা তাকে এতটাই দুর্বল করে যে, তখন সে না চাইলেও নিজের চেয়ে অন্যের সিদ্ধান্তের উপর বেশি ভরসা করতে বাধ্য হয়। কারণ সময়টাই এমন যে, নিজের চেয়ে অন্যের প্রতি তাকে বেশি ভাবতে শেখায়। এইজন্য পরাজয়ে দুর্বল না হয়ে শান্ত হতে শেখো। বিষন্নতায় নেওয়া ভুল সিদ্ধান্ত থেকে মুক্তি পেতে।

অনুপ্রেরণার চেয়ে অনুভব মানুষকে বেশি পরিবর্তন করে। কারণ অনুভব আত্মিক। যা ঘুমের ঘোরেও তাকে প্রভাবিত করে। কোনো কিছুর আভাস কাউকে বোঝার চেয়ে তাকে দ্বিধাগ্রস্ত করে বেশি। কারণ আভাস হচ্ছে বাতাসের মতো যা সময়ের পরিবর্তনে কাউকে বিভিন্নভাবে অনুভব করায়। সময়ের পরিবর্তনে যেমন সবকিছুর পরিবর্তন হয়। তেমনি কোন কিছুর প্রতি অতীতের দায়যুক্ত মুহুর্ত তাকে একরকম ভাবেই সবসময় অনুভব করায়। যা তাকে মানসিকভাবে ক্লান্ত করতে থাকে। প্রয়োজন আর প্রিয়জনের একটা ছোট পার্থক্য থাকে সবসময়। প্রয়োজন মানুষকে তার অভাব অনুভব করায়, পরিপূর্ণ জীবনের অধিকারী করাতে। আর প্রিয়জন ততক্ষনই তার পাশে থাকবে, যতক্ষণ তার প্রয়োজন সে পূরণ করতে পারবে।

অনুভবের জীবনে অনেকেই ছোট পৃথিবীর বড় রূপের পরিচিতি লাভ করে। যা তাকে দেখানোর চেয়ে বোঝায় বেশি। কেউ যখন তার সংক্ষিপ্ত জীবনের বিস্তারিত রূপ দিতে যাবে। তখন তার অপ্রকাশ্যে সময়ের আগেই তার জীবনের সংক্ষিপ্ত রূপ প্রকাশ হবে।

ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ ব্যক্তি ছিঁড়ছে সম্পর্কের পাতা- Friday, 08th December, 2023

সম্প্রদায়ের শক্তিঃ

​​​​​​মানুষের তাগিদের অতিরিক্ততায় কেউ অনেক সময় রক্তের সম্পর্ককে অস্বীকার করে ফেলে। যখন কেউ সেই ব্যক্তির পরিস্থিতি বোঝার জায়গায় সবসময় তাকে দোষারোপ করে থাকে। মানুষ নিজের তাগিদে করতে পারে না, এমন কিছু নাই। কিন্তু যখন মানুষ পরিবারের তাগিদে কোনো কিছু অস্বিকার করে। তখন সেই ব্যক্তিকে তার পরিবারের সদস্যরাই অতিরিক্ত ভুল বোঝে। যখন তার পাশে সবথেকে বেশি দরকার ছিল তার পরিবারের। কিন্তু মাঝে মাঝে পরিবারের জন্য পরিবারের কিছু ত্যাগই তাকে সবথেকে বেশি দুর্বল করে থাকে। যার কারনে এই ধরনের ব্যক্তিগুলো কখনোই নিজের দায় কমাতে পারে না। কিন্তু সামনে থেকে সবার সামনে সে স্বার্থবাদী ব্যক্তি হিসেবে উপস্থিত হয়। কিন্তু তার জীবনে মানুষের ভালোর জন্য ত্যাগের পরিমাণ বেশি হয়ে থাকে। হয়তো এই কারণে সমাজে তার মূল্য থাকলেও পরিবারের কাছে থেকেও সম্পর্কের দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হয়।

সমাজে যে তোমাকে বেশি আপন মনে করাবে। বুঝে নিও সেই ব্যক্তি না চাইতেও তোমার হালকা কষ্টের কারণ হবে। কারণ বেশি মূল্যায়িত ব্যক্তিগুলোর সামান্য কিছু বিষয়ও অতিরিক্ত অনুভবের কারণ হয়। যখন সেই বিষয়ে কিছু প্রকাশ না করতে পারার পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগুলোর কষ্ট একটু বেশি হয়। তখন বিষয়টার প্রতি অপ্রকাশ্যে হয়তো কেউ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জড়িত থাকে। যার কারনে অপ্রকাশ্যে অনুভবকৃত মানুষগুলো সাধারনের মাঝেও নিজেদের ব্যক্ত করে যায়। কিন্তু বাস্তবতা সবসময় মানুষকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ শেখায়। যার কারণে মানুষ ত্যাগেও তাদের শান্তি খুঁজে নেয়। তাই কোনো কিছু হয়তো মানুষকে দুর্বল করে। কিন্তু সেই মূহুর্তের দুর্বলতাগুলোই একসময়ে কারোর ভিতরের চিরস্থায়ী শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। যখন ব্যর্থাতায়ও কেউ নিজেকে মানসিকভাবে শক্ত রাখতে পারে।