উপেক্ষাকৃত চিন্তার পরিপ্রেক্ষিতে সাময়িক মূল্যায়ন পর্যালোচনা-

28th December, 2023
764




বিশিষ্টতার সাময়িকীকরণঃ

একবারে হয়তো কোনো কিছু সম্ভব না। কিন্তু ধীরে ধীরে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। প্রত্যেকবার করা যেকোনো কর্মের উপরই ঠিক ভুলের পার্থক্য বোঝা যায়। যার কারণে ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দিক দিয়ে যেকোনো কিছু যাচাই করা উচিত; সঠিক টা খুঁজে বের করার জন্য। যখনই কেউ অল্প করে সবকিছুর পার্থক্য করতে শিখবে। তার পরবর্তী মূহুর্তের শুরু থেকেই, যেকোনো কিছুর স্পষ্টতা সেইসব ব্যক্তির মধ্যে দৃষ্টান্ততা তৈরি করবে। যখন অটুট মস্তিষ্ক আর দৃঢ় মনোভাব তাকে প্রতিনিয়ত নতুনভাবে যেকোনো কিছুর মধ্যে মানানসই করে তুলবে। মানুষ নিজ থেকে সহজে ভুল করে না। পরিস্থিতির জড়তা কারোর মধ্যে চাপ সৃষ্টি করে তাকে বিভ্রান্ত অনুভবে যেকোনো কিছু গুলিয়ে ফেলায়। কিন্তু প্রত্যেকটা মূহুর্তে নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করা উচিত। যার সবচেয়ে সুন্দর সমাধান মেডিটেশন। কেউ যেকোনোভাবে মেডিটেশন করতে পারে। তবে তার জন্য সঠিক স্থান নির্বাচন নিজের দায়িত্ব। সঠিকভাবে মেডিটেশনের মাধ্যমে কেউ ধীরে ধীরে তার মধ্যে আবদ্ধ হতে থাকে। তখন যেকোনো মুহুর্তে সে ইচ্ছামতো নিজের মধ্যে পরিবর্তন আনতে পারে।

যেসব ব্যক্তি প্রচুর মানসিক চাপ নিয়ে থাকে কাজের জন্য। তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে একটু হিমসিম খেয়ে যায়। যা নিয়ন্ত্রণ করার সহজ কিছু পর্যায় আছে। যেমন- কখনো যদি এমন হয় যে, কাজের খুব চাপ সাথে পরিবারের। কিন্তু সময় নির্ধারণ করেও কাজের কারণে পরিবারের জন্য সময় বের করা অনেকটা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তখন তোমার নিজেকে নির্ধারণ করা উচিত পরিস্থিতিভেদে। কারণ কিছু মূহুর্তের সময়ের পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়ে যায় ভেতরের অনীহার কারণে। তাই সর্বপ্রথম নিজের সাথে নিজেকে মানায় নেওয়ার চেষ্টা করা উচিত। কারণ তুলনামূলকভাবে যেকোনো পরিস্থিতির সবচেয়ে বড় সমাধান তুমি নিজে। তাই কোনো মাধ্যম ছাড়া নিজের ভালোলাগা-খারাপলাগা নির্ধারণ করার চেষ্টা কর। সবসময় সুন্দর চিন্তা করো। নিজের অনুভূতিগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করো নিশ্চুপে। কিন্তু সবকিছু মধ্যের পবিত্রতা তোমার মধ্যে স্বচ্ছতা তৈরি করবে। যা তোমার বিভ্রান্তি নির্মূল করবে। যখন তুমি এই বিষয়গুলো নিজের অভ্যাসে পরিণত করতে পারবা। তখন তোমার কাছে কোনো কিছুই আর ছোট বড় মনে হবে না। যেকোনো কিছুই মানবিক অনুভবে সুন্দরভাবে মূল্যায়ন করতে পারবা নিজের স্বচ্ছতায়।

মানুষ নিজের পবিত্রতায় সবকিছুর চেয়ে বেশি মূল্যবান। কিন্তু সঠিক পর্যালোচনা ছাড়া যেকোনো কিছুই মরীচিকার মতো। জীবনে সময়ের আগে আসবে আবার চলে যাবে। তাই ব্যক্তিগত সব বিষয়ের সাথে ব্যক্তিত্ব জড়িয়ে রাখা উচিত। কিন্তু ব্যক্তিগত বিষয়গুলোর মধ্যে কাউকে না জড়ানোই ভালো। কারণ মানুষের আশা সবক্ষেত্রে তাকে নিরাশ করবে। কিন্তু একমাত্র কোনো মানুষই নিজের জন্য নিজের সাফল্যের সর্বোত্তম পর্যায় হয়ে থাকবে ক্ষণস্থায়ি এবং চিরস্থায়ীভাবে। জীবনের ভুলগুলো শোধরানো সম্ভব। যদি কেউ প্রত্যেকটা মানুষকে ভেতর থেকে সম্মান করে। আর নিজের জন্য নিজের বাঁধিত করতে পারে।

রিলেটেড পোস্ট


আত্মপ্রকাশের অনুভবে স্মৃতির পাতায় গাঁথা ভেজা মুহুর্তগুলো-
পড়া হয়েছে: ৪০২ বার

পরিস্থিতি কারোর প্রকৃতি নির্ধারণ করে থাকে-
পড়া হয়েছে: ২২২ বার

স্মৃতির মাঝের বিষয়গুলো সবসময় শ্রেষ্ঠ হয়-
পড়া হয়েছে: ২৮৮ বার

কিছু বিষয়ের দীর্ঘস্থায়ীত্ব মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে-
পড়া হয়েছে: ৩৮৯ বার

প্রত্যেকটা নারীর প্রকৃতির সাথে আলাদা একটা সম্পর্ক থাকে-
পড়া হয়েছে: ২৭২ বার

প্রবর্তনের সাংক্ষেপিক রুপ কারোর জীবনকে অনেকটা বদলে দেয়-
পড়া হয়েছে: ৪৩২ বার

অবেলার সামান্য ইচ্ছা প্রকাশের আবদার-
পড়া হয়েছে: ২৫৫ বার

পরাক্রমশালী মনোভাবে তৈরিকৃত জীবন-
পড়া হয়েছে: ৫৩৭ বার

পরাক্রমশালী শক্তির মনোভাবে তৈরিকৃত জীবন-
পড়া হয়েছে: ১০৯২ বার

নিখুঁত চিন্তার চেয়ে নিজেকে নির্ভুল রাখা উত্তম-
পড়া হয়েছে: ২৪১ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



স্বামী–স্ত্রীর দাম্পত্য সম্পর্কে সবচেয়ে বড় শত্রু কে? Wednesday, 13th September, 2023

দাম্পত্য সম্পর্কে সবচেয়ে বড় শত্রু কে?

একেকজনের ক্ষেত্রে এ প্রশ্নের উত্তর একেক রকম। তবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিয়েবিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যারেজ ডটকম অনুসারে, এই প্রশ্নের সবচেয়ে যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য উত্তর হলো—তুলনা। নিজের দাম্পত্য সঙ্গীকে অন্যের সঙ্গে তুলনা করা।

স্ত্রী হয়তো অনেক সাধ করে ইলিশের পাতুরি রান্না করে স্বামীর পাতে সবচেয়ে বড় টুকরাটা তুলে দিয়ে আগ্রহ নিয়ে জানতে চাইল, ‘কেমন হয়েছে বলো তো? তোমার পছন্দ বলে ইউটিউব দেখে আজই প্রথম করলাম।’ অমনি স্বামীর বিরস উত্তর, ‘খেতে মন্দ নয়। তবে মায়ের হাতের পাতুরির কাছে টিকবে না।’

এদিকে ফ্যাশনিস্তা শায়লার (ছদ্মনাম) উদ্যোক্তা স্বামী ঘরে–বাইরে সবখানে টি–শার্ট আর প্যান্ট পরে, এমনকি বেড়াতে গেলেও সেই টি–শার্ট আর প্যান্ট। অথচ শায়লার প্রাক্তনের বিজনেস ক্যাজুয়াল লুক, বোহো বা এলিগ্যান্ট ক্ল্যাসিক ফ্যাশন নিয়ে রীতিমতো আলোচনা চলত বান্ধবীমহলে। মুছে ফেলা ছবিগুলোয় কী যে সুন্দর লাগত দুজনকে! অথচ, স্টাইলিশ না হওয়ায় স্বামীর সঙ্গে ছবিই তুলতে ইচ্ছা করে না শায়লার। এ নিয়ে মনে মনে বেশ খেদও আছে।

ওপরের উদাহরণ দুটিকে তুচ্ছ ভেবে অবহেলা করবেন না। তুলনা থেকে তৈরি হয় এমন সব অসন্তুষ্টি, যা একসময় সম্পর্কে বড় ফারাক ডেকে আনে। আর সেই ফাঁকে তৃতীয় পক্ষ ঢুকে পড়তেই পারে। দাম্পত্য জীবনের এমন সব মোড় থেকে দুজনের জীবন দুদিকে বেঁকে যাওয়াটা অসম্ভব নয়।

দাম্পত্য জীবনে ‘পারফেক্ট’ শব্দটা একটা মিথ

আপনি হয়তো ভাবছেন, আপনার বিবাহিত জীবনে ঝামেলার শেষ নেই। অথচ ‘অমুক’ ‘অমুক’ কত সুখী! অনেক ক্ষেত্রেই সত্যিটা হলো, ওদের চেয়ে আপনার দাম্পত্য জীবনেই বরং জটিলতা কম। কেননা, আপনার জীবনের জটিলতা আপনি জানেন, আর আপনার চোখে ভাসছে দাম্পত্য জীবনের কিছু সুখী ছবি বা সুখী চিত্র। আসলে ফেসবুকে ঝাঁ–চকচকে পারফেক্ট কাপল ফটোর মতো পারফেক্ট দাম্পত্য জীবন বলে কিছু নেই। পৃথিবীর কোনো দাম্পত্য সম্পর্কই এক শতে এক শ নয়।

সবচেয়ে সহজে অসুখী হওয়ার রেসিপি, তুলনা

অসুখী হওয়া খুবই সহজ। আর সবচেয়ে সহজ উপায় হলো, তুলনা করতে থাকা। আপনার যদি এই বদঅভ্যাস থেকেই থাকে, সেটাকে ঝেটিয়ে বিদায় করুন। নতুবা আপনি সারা জীবনে জন্য অসুখী হওয়ার দুষ্ট চক্রে পা দিয়ে খেই হারিয়ে ক্রমেই অতল গহ্বরে পড়তে থাকবেন। পৃথিবীতে প্রত্যেক মানুষের মতো প্রতিটি দাম্পত্য সম্পর্কও অনন্য। কোনোটার সঙ্গে কোনোটার তুলনা হয় না। অন্যের দিকে তাকানোর চেয়ে আপনি বরং নিজের ভেতর ডুব দিন। অন্যের সঙ্গে নিজের স্বামী বা স্ত্রীর তুলনা করে কখনো ‘সুস্থ প্রতিযোগিতা’ তৈরি করা যায় না, সবকিছু কেবলই বিষাক্ত হতে থাকে।

” আপনার সেই আবেগগুলি আপনাকে কষ্ট দেয় যেগুলি একান্তই আপনার মনে হয় ।” Monday, 12th February, 2024

আবেগি মন স্ট্যাটাস দিয়ে এই পোস্ট টি করা হয়েছে । আমাদের এই সাইটে হাজার হাজার বাংলা স্ট্যাটাস ও এসএমএস পাবেন । তবে এখানে কিছু কষ্টের স্ট্যাটাস বা আবেগি মন স্ট্যাটাস পাবেন । অনেকেই এই ধরনের স্ট্যাটাস অনেক লাইক করে । তাই আমরা এখানে কিছু সুন্দর সুন্দর স্ট্যাটাস দিয়েছি । আশাকরি আপনাদের কাছে এগুলো অনেক ভালো লাগবে । তো চলুন দেখা যাক সেই সেরা স্ট্যাটাস গুলোঃ

আবেগি মন স্ট্যাটাস :

” আপনার সেই আবেগগুলি আপনাকে কষ্ট দেয় যেগুলি একান্তই আপনার মনে হয় ।”

” প্রেম একটি শক্তিশালী আবেগ । প্রেম অন্য সব কিছুকে গুরুত্বহীন করে দেয়, কারণ অন্যসব আবেগ এত বেশী শক্তিশালী নয় ।”

” আপনি যখন কষ্ট পাবেন, তখন সেই কস্টকে প্রেরণায় রূপান্তরিত করার চেষ্টা করুন, হাল ছাড়ার কারণ হিসাবে নয়।”

” আমার ইচ্ছে হয় আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেই, কিন্তু আমার আবেগ তা করতে দেয় না, কারণ তুমি সত্যিই অনেক বেশী কষ্ট দিয়েছো আমায় ।”

” তুমি হয়তো মরতে চাও, কিন্তু বাস্তব টা হলো তুমি নিজেকে সেভ করতে চাও ।”

” মরে যাওয়া কোন সমস্যার সমাধান নয়, বরং বেঁচে থেকে সমস্যা সমাধানের লড়াই করে যাওয়াই হলো জীবন ।”

কষ্টের মাঝে রোমান্টিক গল্প............. Sunday, 07th January, 2024

উহ....

 --- কিরে কিভাবে পড়ালা?

 আরে সেন্ডেলটা সিলিপ কেটে গেছে।

  -- দেখতো কত খানি কেটেছে!

 -- (চোখ বড় বড় করে) একটু হুস করে কাজ করা যায় না। বলেই জানাকে চেয়ারে বসিয়ে ওর রুমালটি দিয়ে কাঁটা জায়গায় চেপে ধরল সাফিন।

  নাহ, অনেক খানি কেটেছে, রক্ত ঝরছে।

  এক ঝাটাকায় ড্রয়ের থেকে ফার্স্ট এইড বক্সটা বের করলো সাফিন। তড়িঘড়ি করে রক্ত বন্ধ করার জেলটা ডলে দিলো পায়ে। আসতে আসতে কাঁটা জায়গার চারপাশ স্যাভলন দিয়ে পরিষ্কার করলো। ব্যেন্ডেজ করতে লাগলো আস্তে আস্তে সে।

  ... সাময়িকের জন্য পুরো ঘরে নিরবতা।

 জানার কষ্ট হচ্ছে, বুঝতে পেয়ে ওর চোখের দিকে তাকাতে সাহস করছে না সাফিন।

  খুব ইমোশনাল ছেলে সাফিন। কারো কষ্ট পাওয়া দেখলেই চোখে জল এসে যায়। আর জানা ত আপন মানুষ, ওর জীবন। ওকে কষ্ট পেতে দেখতে ওর সহ্য হয় কি করে!

  ... এই ত মাস খানেক হোল ওদের বিয়ে হয়েছে।

 ৬ বছরের প্রেম ছিলো ওদের, অনেক ঝড় ঝাঁপটা পেড়িয়ে, শেষে দুইজনের প্রবল আগ্রহ আর সবার সম্মতি ক্রমেই ফ্যামিলি গত ভাবে বিয়ে হয় ওদের। বেশ সুখেই কাটছে তাদের দিন গুলো, টোনাটুনির ছোট্ট সংসার।

  কি যে মিল ওদের বলে বুঝানো যাবে না। না দেখে মোবাইলে পরিচয়, কিছু দিনের মাঝেই বন্ধুত্ব। প্রায় টানা ১ বছর কথা বলার পর সাফিন প্রথম বুঝতে পারে, সে জানাকে ভালোবেসে ফেলেছে... এখন আর পিছনে ফিরে যাওয়ার সুযোগ নাই, যে কোন মূল্যে তাকে পেতে হবে।

  কিন্তু জানাও সাথে সাথে সাড়া দেয়নি, বাবা না থাকায় কিছুটা ফ্যামিলির জন্য পিছু টান ছিলো, অনেক বাধা বিপত্তি ছিলো। আস্তে আস্তে সাফিনের ভালোবাসার জোরেই সেও ভালোবাসতে শুরু করে সাফিনকে। পরবর্তিতে আল্লাহ ই সব কিছু ঠিক করে দিয়েছিলো।

  রক্ত পরা কমে গেছে। সাফিন ব্যান্ডেজ করতে লাগলো।

  জানাঃ জানো! তুমি ছুঁয়ে দিলে কেন জানি ব্যথা গুলো আর থাকেনা।

 -- সাফিন না, থাক অনেক হয়েছে... আর ব্যথা পাওনি ভাব করতে হবে না। আমি তুমাকে কষ্ট পেতে দেখতে চাইনা বলে, এভাবে বলার প্রয়োজন কি! যোগ করলো সাফিন।

  জানা হুহ... যাও তুমার সাথে কথা নাই।

 -- সাফিনঃ কই ও না কথা, আমার কি! মুচকি হাসি।

  হুম, কষ্টের মাঝেও রোমান্টিকতা। ভালোবাসার মানুষটি যদি হয় সারাজীবনের সঙ্গী, তাহলে ত কথা ই নাই প্রতিটা দিনকেই আলাদা আলাদা করে ভাবুন। সত্যি বলছি, বোরিং ফিল আসবে না, ভালবাসার মানুষকে পাবেন নতুনরুপে।

  জীবন হবে সুন্দর।