অমর চিত্তে স্থগিত প্রয়াসের একটি নতুন সম্ভাবনা-

25th December, 2023
510




অপ্রকাশ্যের দৃষ্টিহীনতাঃ

অতিরিক্ত আশা প্রতিনিয়ত কাউকে নিরাশ করে। কিন্তু নিজের প্রতি একটুকরো ভরসা আর সৃষ্টিকর্তার প্রতি সমস্ত দুর্বলতা রাখলে জীবন প্রয়োজনের তুলনায় অনেকটা শান্তিপূর্ণ হয়। যা হয়তো কাউকে বোঝানোর প্রয়োজন হয় না। কিন্তু তখন প্রত্যেকের দৃষ্টিতে তোমার প্রতি একটা বিরল আকৃষ্টতা অনুভব করতে পারবা। যা তোমার জন্য কাউকে ভিতর থেকে হিংসা প্রতিস্থাপন থেকে বিরত রাখবে। কারণ সাধারণ মানুষের শত্রু একটু কম হয়। যেজন্য সবকিছুর মধ্যে না পাওয়াও একটা বিশেষ অভিজ্ঞতা। যখন না বোঝা প্রত্যেকটা জিনিস সহজ হয়ে সময় সাপেক্ষে পরিচালনা হতে থাকে। পরিবর্তন সহজ। তবে প্রত্যাবর্তন নয়। তাই সবসময় সময়ের মূল্যায়ন করা উচিত। কিন্তু জীবনকে বাদ দিয়ে নয়।

পরিবর্তনশীল সবকিছুর মধ্যে মানুষের ভিতরের কিছু বিষয় সবসময় অপরিবর্তিত থাকে। যেমন - পরিস্থিতির চাপে তুমি যদি কাউকে তার ভালোর জন্য তাকে বুঝিয়ে থাকো। তবে তুমিই জানো, তাকে বোঝানো আর তোমার বোধের মধ্যকার পার্থক্য কতটুকু? কারণ যে কাউকে বোঝায়, সেই জানে যে, প্রত্যেকটা পরিস্থিতি সামলানোর জন্য নিজেকে কতটা কষ্টের মধ্যে দিয়ে পার হতে হয়। যার কারনে সে নিজের মতো করে কাউকে বোঝানোর জায়গায়, প্রত্যেকের বোধশক্তির নির্ধারিত মাত্রায় তাঁকে বুঝিয়ে থাকে। মানুষকে বোঝাতে বোঝাতে হয়তো তারা কখনোই বিরক্ত হয় না। কারণ তারা ভিতর থেকে অনেকেটা সংবেদনশীল এবং একান্ত হয়ে থাকে। যেজন্য তারা কঠিন নয়। আবার দুর্বল নয়। আর এইরকম ছোট্ট কিছু বিষয়ের কারণেই তারা নির্বিঘ্নে জীবনের দৃষ্টান্ততা অর্জন করে থাকে।

রিলেটেড পোস্ট


সময়ের সাথে বদলে যাওয়া মূহুর্তের অনুভব-
পড়া হয়েছে: ২৮৬ বার

শান্তি মানুষকে শক্তিশালী করে জীবনভোগ শেখায়-
পড়া হয়েছে: ৬৬৩ বার

পরিস্থিতি কারোর প্রকৃতি নির্ধারণ করে থাকে-
পড়া হয়েছে: ২৩৪ বার

আবছা বিষয়গুলোর প্রতি মানুষের প্রয়োজন বেশি-
পড়া হয়েছে: ৩৫২ বার

ক্ষুদ্র প্রতাপ সাময়িক সময়ে প্রভাব বিস্তার করে-
পড়া হয়েছে: ৩৬১ বার

বাহ্যিক শিষ্টতার মাঝে মানুষ নিজেকে নির্দিষ্ট করে থাকে-
পড়া হয়েছে: ৪৬১ বার

মানুষ শুদ্ধতার শেষ স্তরের অনুভব করে থাকে নিজের জন্য-
পড়া হয়েছে: ৫৭৭ বার

চার দিনের ব্যবধানে ফের কমল সোনার দাম
পড়া হয়েছে: ৯১ বার

মানুষ নির্ভীক মনোভাবে যেকোনো কিছু শক্তভাবে অনুধাবন করে-
পড়া হয়েছে: ৯১৩ বার

সৃষ্টতার আবির্ভূত মনোভাব মানুষকে উজ্জীবিত করে তোলে-
পড়া হয়েছে: ৪৭২ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



আমাদের অজানা Friday, 05th January, 2024

হিন্দু মা ও ছেলের কিছু কথোপকথন।

????ছেলে = মা তাজমহল এতো সুন্দর তাজমহল আমরা বানিয়েছি তাই না ???

 ???? মা = জ্বী না , যিনি বানিয়েছিলেন উনার নাম শাজাহান বাদশা , উনি মুসলিম ছিলেন ।

ছেলে = ওহ । আচ্ছা তাহলে কুতুবমিনার নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ???????

মা= জ্বী না । উনিও মুসলিম ছিলেন । উনার নাম কুতুবুদ্দিন আইবক ।????

ছেলে = । তাহলে লালকেল্লা নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ??????

মা = না । ওটাও মুসলিম শাসকরা বানিয়েছে ।????

ছেলে = তাহলে পুরাতন কেল্লা আমরা বানিয়েছি ??????

মা= না। পুরাতন কেল্লা মুসলিমরা বানিয়েছে ।????

ছেলে =তাহলে চারমিনার নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি????

মা= না। চারমিনার মুসলিম শাসকরা বানিয়েছে।????

ছেলে = মা আমি শুনেছি ভারত প্রথম মিসাইল তৈরি করেছিল , মিসাইল হিন্দু শাষকরা বানিয়েছে তাই না????

মা= না । ভারতে প্রথম মিসাইল আবিষ্কার করেছিলেন টিপু সুলতান । উনিও মুসলিম।????

ছেলে= মা আমি শুনেছি ভারতের সবচেয়ে বড় ও পুরাতন রোড গ্ৰান্ড ট্রাঙ্ক রোড ।

প্রায় ৩০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত ।

আচ্ছা মা সেটা তো আমরা বানিয়েছি ??????

মা=না । গ্ৰান্ড ট্রাঙ্ক রোড আমরা বানায়নি ।

গ্ৰান্ড ট্রাঙ্ক রোড একজন মুসলিম শাসক বানিয়েছি , উনার নাম শের শাহ ????

ছেলে = তাহলে মোঙ্গলদের সাথে যুদ্ধ আমরা করেছি , তাই না ?? ????

মা = না । আলাউদ্দিন খলজি মোঙ্গলদের সাথে যুদ্ধ করেছেন । সেই যুদ্ধে আলাউদ্দিন খলজি যদি পরাজিত হতো , তাহলে আজ ভারত ধ্বংস হয়ে যেতো ।????

ছেলে = আচ্ছা তাহলে হাজারদোয়ারি পেশেস নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ??????

মা = না বেটা । ওটাও মুসলিম শাসকরা বানিয়েছে।????

ছেলে = আচ্ছা তাহলে মুঘল সাম্রাজ্য আমাদের ছিল, তাই না ???????

মা = না । মুঘল সাম্রাজ্য মুসলিমদের সাম্রাজ্য ছিল ।????

ছেলে = আচ্ছা জয় হিন্দ , এই শব্দটি আমরা প্রথম তৈরি করেছিলাম , তাই না ??????

মা = না । ওটাও একজন মুসলিম প্রথম বলেছিল ।????

ছেলে = আচ্ছা মা , সারে জাহাসে আচ্ছা হিন্দুস্তান হামারা , এই শব্দটি আমরা প্রথম বলেছিলাম , তাই না ??? ????

মা = না , ওটা একজন মুসলিম কবি লিখেছিলেন । উনার নাম ইকবাল ।????

ছেলে = আচ্ছা তাহলে ভারতের পতাকা আমরা বানিয়েছি, তাই না ???????

মা = হ্যাঁ , তবে বলতে গেলে না । ভারতের পতাকা পিঙ্গলি ভেনকায়া তৈরি করলেও , তো

উনার তৈরি করা পতাকাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি ।

ভারতের পতাকার Latest Update করেছিলেন একজন মুসলিম মেয়ে । উনার নাম সুরিয়া তৌওবজি , উনার বাড়ি হায়দ্রাবাদে ।????

ছেলে = তাহলে প্রথম Satellite launch করেছিলাম আমরাই,তাই না মা ???????

মা = জ্বী না । ভারত অনেক বার Satellite launch করেছিল , কিন্তু প্রতিবারই Failed হয়েছে ।

তারপর APJ. Abdul Kalam Azad প্রথম Successful ভাবে Satellite launch করেছিল ।????????

উনি না থাকলে আজ ভারত Satellite launch করতে পারতো না । ????

ছেলে = তাহলে Nuclear weapons নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ???????

মা = না । Nuclear weapons একজন মুসলিম আবিষ্কার করেছে । 

উনার নাম APJ Abdul Kalam Azad । ????

উনি Nuclear weapons তৈরি না করলে আজকে চীন ও পাকিস্তান মিলে আমাদের আদর করতো ।????

ছেলে = ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ভারত ছোড়ো আন্দোলন প্রথম আমরা করেছিলাম তাই না ??????

মা = না । ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে প্রথম আন্দোলন শুরু করেছিল টিপু সুলতান ।????

 

তাইলে আমরা কি করছি?? ????

 

আর ভারতের জন্য মুসলিমরা কিছুই করেনি এইসব মিথ্যা রটিয়ে বেড়িয়েছি।???? এইবার থাম,

 

 ???? অন্ধকারাচ্ছন্ন ইতিহাসের দুনিয়া থেকে বের হয়ে সত্যেকে জানুন ????

কোনো কিছু উপলব্ধি করতে ইতিবাচক চিন্তার প্রভাব- Saturday, 25th November, 2023

মানুষের উপলব্ধিঃ

কিছু ক্ষেত্রে সাধারণ জিনিসের ভিন্নতা প্রকাশ পায় মনোভাবের ভিত্তিতে। কারোর যেকোনো বিষয়ের প্রতি প্রকাশ্যে বা অপ্রকাশ্যে সংবেদনশীলতা একটু বেশি থাকে। যার কারণে একই বিষয়ের প্রতি সময়ের সাথে চিন্তার পরিবর্তন হতে থাকে। প্রত্যেকটা মানুষের আচরনের ২টা দিক থাকে। প্রথমত, ধীর চিন্তার মাধ্যমে বিবেচনা করা। দ্বিতীয়ত, কোনো সময় না নিয়েই সাথে সাথে যেকোনো সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া। দুইটা বিষয়েই সিদ্ধান্তের প্রভাব আছে। এখন পার্থক্য হচ্ছে, প্রথম বিষয়টার মধ্যে ব্যক্তির পরিচালন ক্ষমতা তার নিজের মধ্যে। আর দ্বিতীয়টায় ব্যক্তি বিভিন্ন চিন্তার মিশ্রিত অনুভবে সবকিছুর নিয়ন্ত্রণের জন্য অচিরেই নিজের পরিচালন ক্ষমতার দুর্বলতা অনুভব করলেও বুঝতে অসক্ষম রয়ে যায়। যা দ্রুত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যেমন তার সময় বাঁচায়। তেমনি সামান্য ভুলে প্রয়োজনাতিরিক্তি সময় নিয়ে বিষয়টার সিদ্ধান্তে উপনীত হলেও দ্বিধার প্রভাব তার মধ্যে অটল রাখে।

মানুষ তার যেকোনো বিষয়ের বিবেচনার সাথে জীবনের উপলব্ধি করতে শেখে। প্রত্যেকের উপলব্ধি যার যার ব্যক্তিত্ব আর চিন্তাধারার মাধ্যমে অপ্রকাশ্যের রূপ ধারণ করে তার জীবনকে পূর্ণতা অর্জন করাতে থাকে। সময় মানুষের পরিবর্তন করে। আর উপলব্ধি মানুষকে বুঝতে শেখায়। দুইটা বিষয়ই চলমান। কিন্তু সময় নিজের গতিতে অতিবাহিত হয়। আর উপলব্ধি অনুভবের মাধ্যমে যেকোনো বিষয়ের উপর প্রভাব বিস্তার করে থাকে সময়ের সাথে। মানুষ কখনোই একভাবে পরিচালিত হয় না। সময়ের সাথে যে কারোর পরিচালনের ধরণ পরিবর্তিত হতে থাকে। কারোর মধ্যে যেকোনো কিছুর চেয়ে কোনো বিষয় তাকে বেশি প্রভাবিত করে থাকে। যা কারোর অনুভবে প্রকাশ না পেলেও তাকে কিছু ক্ষেত্রে প্রভাবিত করে থাকে সাময়িকের জন্য। পরবর্তিতে এর উদ্ভব না হলেও হালকা প্রতিচ্ছবি রেখে যায় জীবনে। যা বসন্তে ঝরে যাওয়া শুকনো পাতার মতো হয়ে থাকে। কিছুটা শিখিয়ে যায় অবাস্তবে, নিঃশেষে বিভাজ্য হওয়ার পর।

শুরু থেকেই কারোর সমস্তটা তার মধ্যেই থাকে। কিন্তু পারিপার্শ্বিকতার প্রভাবে তার চিন্তাধারা গঠিত এবং পরিবর্তিত হয়। যার কারনে জীবনের বাড়ন্ত সময়ে অস্বস্তিতা, দ্বিধাবোধ ইত্যাদি তৈরি হতে থাকে। কিন্তু জীবনের ক্ষেত্রে এই দুইটা বিষয়ের প্রভাব অনেক বেশি। যেজন্য কারোর অপ্রকাশ্যে সবকিছুর প্রকাশিত রূপ বিদ্যমান। কারণ বিষয়টার বাস্তবায়িত রূপ স্বপ্নেই মানানসই। মানুষের কাছে কোনো কিছুই অসম্ভব না। কিন্তু কিছু বিষয়ের জড়তা তা অসম্পূর্ণ রেখে যায়। যা কারোর সহ্যক্ষমতা বাড়ায়। কোনো কিছুর প্রতি অতিরিক্ত চাপ বা দুর্বলতা কারোর ভিতরে বিরক্তি তৈরি করতে থাকে। যা কারোর মধ্যে যেকোনো কিছুর জন্য বিষন্নতা তৈরি করে। তখন সে নিজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিলেও অপ্রস্তুতিতে যেকোনো কিছু সম্পাদন করে থাকে। যা অনেকের কাছে তার আবছা ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে অচিরেই নিজের জীবনের মূল্য কমাতে থাকে। তখন সেই ব্যক্তির পাশে কারোর সমর্থন তাকে হয়তো সেই পরিস্থিতি থেকে উঠে আসতে সহায়তা করবে। কিন্তু সেই মূহুর্তে সে যদি নিজের বিবেচনাকে কাজে লাগাতে পারে। তাহলে পরবর্তীর কঠিন পরিস্থিতিগুলো তাকে জীবনের সহজলভ্যতা অর্জন করাবে।

মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে কোনো কিছুর প্রতি ইতিবাচক উপলব্ধি করা। কারণ বিষয়টা একটা ব্যক্তিকে সাধারণভাবে যেকোনো কিছুর মূল্য বোঝালেও সবসময় তার কাছে যেকোনো কিছুর গুরুত্ব বজায় রাখে। যা তার ভিতরে মূল্যবোধ তৈরি করে, তাকে ইতিবাচকভাবে যেকোনো কিছু উপলব্ধি করতে শেখায়। যেজন্য কেউ তার সাধারণ জীবনের বিশেষত্বতা অনুভব করে থাকে সময়ের সাথে। যা তার ব্যক্তিত্ব মজবুত করে সামনে এগোতে সহায়তা করে।