জীবনের সান্নিধ্যে সবকিছুর নির্ধারিত মাত্রা বজায় রাখা উচিত-

23rd December, 2023
741




অন্তহীন পর্যালোচনাঃ

কোনো মানুষ নিজেকে সবচেয়ে সৌভাগ্যবান তখন মনে করে, যখন সে তার বিশেষ কিছুর মধ্যে নিজের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পায়। আবদার সবার মধ্যেই কম বেশি থাকে। তবে ইচ্ছা প্রকাশের শক্তি কিছু ব্যক্তির মধ্যেই থাকে। যার কারনে বর্তমান সময়ের মানুষগুলো, উপর থেকে যেমনই হোক না কেন। ভিতর থেকে অনেকেই সবকিছুর মধ্যেও নিজের খুশিতে বাঁচতে শিখে গেছে। একটা সময় যেকোনো কিছুই কোনো ব্যাপার না। যখন কেউ নিজে তার ব্যক্তিত্ব তৈরি করবে প্রত্যেকটা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে। কারণ মানুষ যেমন অবুঝ নয়। তেমনি সর্বজ্ঞ নয়। যেজন্য প্রত্যেকটা মানুষের‌‌‌ মধ্যে যেকোনো কিছুর কার্যক্ষমতা থাকলেও পরিচালনক্ষমতা সীমিত ব্যক্তির মধ্যে বিস্তারিতভাবে থাকে।

মানুষের প্রত্যেকটা মূহুর্ত তার জীবনকে উপস্থাপন করে। কার মানসিকতা কেমন? কার বিবেচনা শক্তি কেমন? সবকিছুই যে কাউকে প্রভাবিত করতে পারে। কিন্তু কারণ ছাড়া কোনো কিছু অর্থহীন! কম বেশি বিবেচনা সাধারণ। কিন্তু কোনো কিছুর বিচার ছাড়া বিশ্লেষণ মূর্খতা। কোনো কিছুর জন্য যে শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষা জরুরি, বিষয়টা এমন নয়। কিছু ক্ষেত্রে মানবিক মূল্যবোধের দরকার হয়। যা কাউকে বিবেচনার মাধ্যমে যে কোনো পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে সহায়তা করে। তখন অন্যের দোষের জায়গায় নিজের ভুলগুলো চোখে পড়ে। যখন জীবনের বেশিরভাগ সমাধান অটোমেটিকভাবে হয়।

মানুষের জীবনের প্রত্যেকটা মূহুর্ত মূল্যবান। যা ক্ষণিকের হলেও একবার চলে গেলে আর ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। তাই জীবনের প্রত্যেকটা মূহুর্তকে উপভোগ করে যাওয়া উচিত। যাতে কখনো অন্যত্র দায়ে নিজের মধ্যে অনুশোচনা তৈরি না হয়। সাবলীল জীবন-যাপনে কোনো কিছুর সংক্ষিপ্ততাও বিশ্লেষিত রূপ প্রকাশ করে যায়। যেখানে সামান্য কিছু অমূল্যভাবে নিজের জায়গা নির্ধারণ করে যায়। যা কোনো পরিস্থিতির মধ্যে স্মৃতিচারণ হিসেবেও স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রাখে। তাই অনুভব করা উচিত নিজের খুশিতে। আর বাঁচা উচিত সবার শান্তির শেষ মাধ্যম হিসেবে। যা কেউ প্রকাশ না করলেও কখনো ভুলে যায় না।

রিলেটেড পোস্ট


পরাক্রমশালী মনোভাবে তৈরিকৃত জীবন-
পড়া হয়েছে: ৪৯২ বার

কিছু বিষয়ের দীর্ঘস্থায়ীত্ব মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে-
পড়া হয়েছে: ৩০৯ বার

সুন্দর মন সবকিছু পরিবর্তন করতে পারে-
পড়া হয়েছে: ২৭ বার

পরিসমাপ্তির অন্তরালে-
পড়া হয়েছে: ২৭১ বার

উপেক্ষাকৃত চিন্তার পরিপ্রেক্ষিতে সাময়িক মূল্যায়ন পর্যালোচনা-
পড়া হয়েছে: ৭১২ বার

মানুষ বাকহীন মূহুর্তে তার ভেতরের কষ্টগুলো কাউকে বোঝাতে পারে না-
পড়া হয়েছে: ২২২ বার

স্বামী–স্ত্রীর দাম্পত্য সম্পর্কে সবচেয়ে বড় শত্রু কে?
পড়া হয়েছে: ৫০ বার

প্রত্যেকটা নারীর প্রকৃতির সাথে আলাদা একটা সম্পর্ক থাকে-
পড়া হয়েছে: ১৯৮ বার

ক্ষুদ্র প্রতাপ সাময়িক সময়ে প্রভাব বিস্তার করে-
পড়া হয়েছে: ২৭৪ বার

মানুষের স্পষ্টতা তাকে সবকিছুতে মানানসই করে তোলে-
পড়া হয়েছে: ২৯০ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



অনুভবের আর্তনাদের অন্তিম পর্যায়- Friday, 13th October, 2023

অনুভবের আর্তনাদঃ

কিছু জিনিসের প্রতি আমরা অনেক সময় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেই। কিছু সময় সেই গুরুত্বটা নিজের জন্য অবশিষ্টভাবে কষ্টের ছাপ রেখে যায় জীবনে। যেটা সময়ের সাথে নিজের ভেতরের এমন একটা পরিবর্তন ঘটায় যা কারোর প্রতি নিজেকে শক্ত না করলেও, অন্যের প্রতি নিজেকে দুর্বল হতে দেয় না। জীবনের করা শত ভুল আমাদের পরবর্তী সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। 

নিজের মতো করে সঠিকভাবে নিজের ব্যক্তিত্ব তৈরি করতে পারলে কখনো কারোর অপমান, অবহেলা নিজেকে কষ্ট দেয় না। কারণ সে জানে সেই ব্যক্তিই তাকে অপমান করবে যার বিবেচনা কম অন্যের থেকে পাওয়ার আশা রাখে বেশি। যখনই তাদের তুমি দিতে ব্যর্থ হবে তখন তুমি তাদের লুকায়িত আসল ব্যক্তির সাথে পরিচিত হবা। যার হদিস তোমার কাছে আগে থেকেই ছিলো। সময় থাকতে এমন ব্যক্তিগুলোর থেকে দূরে থাকতে পারলে নিজেকে খোলা আকাশের মাঝে ছেড়ে দিতে আর কোনো বাঁধা থাকে না।

নিজের ব্যক্তিত্বের সাথে অন্যের জন্য Compromise করলে আর কখনো নিজের ব্যক্তিত্ব পূর্বের মতো করে ফিরে পাওয়া সম্ভব হয় না। তুমি নিজের সাথে নিজেকে মানায় নিতে পারলে কারোর সাথে তোমার নিজেকে মানায় নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। কারণ পরিস্থিতি যেমন সময়ের উপর নির্ভর করে তেমনি তোমার জীবনটা তোমার উপর নির্ভর করে। তুমি যখনই নিজের মতো করে অন্যের কাছে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবা। তখন যেকোনো কিছুর জন্য প্রত্যেকের কাছে তুমি সবার প্রথমে থাকবা।

কোনো কিছু পাওয়ার আশায় নয়, নিস্বার্থভাবে অন্যের পাশে থাকলে তোমার পাশে পুরো প্রকৃতি থাকবে। হয়তো একসময় তুমি যাদের পাশে নিস্বার্থভাবে থাকবা তারা তোমার প্রয়োজনে নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যস্ত মানুষ হিসেবে নিজেকে তোমার সামনে উপস্থাপন করবে। কিন্তু প্রকৃতি সেই সময়ের সাক্ষী হিসেবে তোমাকে সাহায্য করে যাবে। কিন্তু তোমার সাহায্য পাওয়া সেই স্বার্থবাদী তার অজানা সীমিত সময়ের সাফল্য হারিয়ে ২য় বার তোমার সম্মুখীন হবে না। তার হেরে যাওয়া দেখেও ২য় বার তুমি তাকে সরাসরিভাবে সাহায্য করবে না। কারণ তুমি জানো প্রকৃতি থেকে যে শাস্তি পায় তার অবশিষ্টভাবে মানুষকে ব্যবহার করার মানুষিকতা কখনো বদলায় না।

পারিবারিক আদালত কী, মামলার ধরন, মামলা করার পদ্ধতি Tuesday, 29th August, 2023

পারিবারিক আদালতঃ প্রতিটি জেলায় সহকারী জজ আদালত পারিবারিক আদালত হিসেবে গণ্য হয়। যেহেতু পারিবারিক আদালতের মামলা সিভিল বা দেওয়ানী প্রকৃতির বিধায় সকল পারিবারিক সমস্যার সমাধান এখানে পাওয়া যাবে এমনটা ভাবা সঠিক নয়। পারিবারিক আদালতে মূলত পাঁচটি পারিবারিক সমস্যার নিষ্পত্তি করা হয়।

  1. বিবাহ বিচ্ছেদ
  2. দাম্পত্য সর্ম্পক পুনরুদ্ধার
  3. মোহরানা
  4. ভরণপোষণ
  5. সন্তানের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান

বিবাহবিচ্ছেদঃ বিবাহবিচ্ছেদের জন্য সব সময় আদালতে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কাবিননামার ১৮ নম্বর ঘরে স্ত্রীকে তালাক দেয়ার ক্ষমতা না থাকলে কেবল স্ত্রী আদালতে যেতে পারেন। এছাড়া স্ত্রী যদি স্বামীকে ‘খোলা’ বা ‘মোবারাত’ বিচ্ছেদে সম্মত করাতে পারেন, সে ক্ষেত্রেও আদালতে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। কাবিননামায় স্ত্রীর তালাক দেয়ার ক্ষমতা না থাকলেই কেবল আদালতে যেতে হবে। ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ আইন অনুযায়ী ৯টি কারণের মধ্যে যেকোনো একটি কারণে স্ত্রী তালাক প্রার্থনা করতে পারেন।

  •  স্বামী চার বছরের বেশি সময় নিরুদ্দেশ থাকলে।
  • স্বামী দুই বছর খোরপোশ দিতে ব্যর্থ হলে।
  • বিনা অনুমতিতে অতিরিক্ত স্ত্রী গ্রহণ করলে।
  • স্বামী সাত বছর বা এর বেশি কারাদণ্ড ভোগ করলে।
  • বিনা কারণে স্বামী তিন বছর দায়িত্ব পালনে ব্যার্থ হলে।
  • স্বামী পুরুষত্বহীন হলে।
  • স্বামী কুষ্ঠব্যাধি বা মারাত্মক যৌনব্যাধিতে ভুগলে।
  • স্ত্রীর নাবালিকা অবস্থায় বিবাহ হলে এবং যৌন সম্পর্ক স্থাপন না হলে সাবালিকা হওয়ার পর স্ত্রী তা অস্বীকার করলে।

দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারঃ কোনো কারণে দাম্পত্য জীবন ব্যাহত হলে এবং সংসারে ফেরত না আসতে পারলে স্বামী বা স্ত্রী যে কেউ পারিবারিক আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন। মোহরানা/দেনমোহর : স্বামীর পরিশোধ না করা দেনমোহরের জন্য স্ত্রী মামলা করতে পারেন। তাৎক্ষণিক মোহরানার জন্য যে তারিখে তা দাবি করা হয় এবং অগ্রাহ্য করা হয়, সে তারিখ থেকে তিন বছরের মধ্যে এবং বিলম্বে মোহরানার জন্য বিচ্ছেদ ঘটার তারিখ থেকে তিন বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে। ভরণপোষণ : স্বামী যদি স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ইচ্ছাকৃত অপারগ থাকেন, তাহলে স্ত্রী যেদিন থেকে ভরণপোষণের টাকা দাবি করবেন, সেদিন থেকে তিন বছরের মধ্যে পারিবারিক আদালতে মামলা করতে হবে। সন্তানের অভিভাবকত্ব : সন্তানের অভিভাবকত্ব এবং হেফাজত নিয়ে কোনো বিরোধ হলে পারিবারিক আদালতে যাওয়া যেতে পারে। আইনগত বিবাহবিচ্ছেদের পর ছেলের সাত বছর বয়স এবং মেয়ের বয়োসন্ধি পর্যন্ত মা-ই সন্তানকে পালন করতে পারেন। উপযুক্ত বয়সসীমার নিচে যদি সন্তানের বয়স হয় এবং বাবা যদি মায়ের কাছে সন্তানকে না রাখতে দেন, তবে মা পারিবারিক আদালতে মামলা করতে পারেন। এ পাঁচটি বিষয়ে পারিবারিক বিরোধ দেখা দিলে আপনি পারিবারিক আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন। পারিবারিক এসকল বিরোধ নিষ্পত্তির জন্যই দেশে পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

আদালতের আশ্রয় নেয়ার পদ্ধতিঃ উভয় পক্ষ যেখানে বসবাস করে বা সর্বশেষ বসবাস করেছে এবং যে পারিবারিক আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে সমস্যা উদ্বৃত্ত হয়েছে, সেই আদালতে মামলা করতে হবে। তবে বিবাহবিচ্ছেদ, মোহরানা ও ভরণপোষণের ক্ষেত্রে যেখানে স্ত্রী বসবাস করেন, সেই এলাকায় বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে পারবেন। দেনমোহর বা ভরণপোষণের পরিমাণ যতই হোক, মামলা করা যাবে। পারিবারিক মামলার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য প্রয়োজনীয় যে কাগজ-পত্র দরকার -

  1. কাবিন নামা
  2. তালাক নামা (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে)
  3. ভোটার আইডি কার্ড/ জন্ম নিবন্ধন সনদ
  4. বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন কার্ড (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে)
  5. ২য় বিবাহের কাবিন নামা

(প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে) মামলার ধাপসমূহঃ 

  1. মামলা দায়ের
  2. সমন ফেরত
  3. জবাব দাখিল
  4. আপোষ মিমাংসা/বিচার্য বিষয় গঠন
  5. শুনানির তারিখ নির্ধারণ/প্রাথমিক শুনানি
  6. চূড়ান্ত শুনানি
  7. যুক্তি-তর্ক
  8. রায় ও ডিগ্রী মামলার ধাপগুলো দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

অন্য সকল মামলার তুলনায় পারিবারিক আদালতের মামলার কার্যক্রম অগ্রাধিকার দিয়ে খুব কম সময়ের মধ্যে সমাধান করার চেষ্টা করা হয়ে থাকে।

ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ ব্যক্তি ছিঁড়ছে সম্পর্কের পাতা- Friday, 08th December, 2023

সম্প্রদায়ের শক্তিঃ

​​​​​​মানুষের তাগিদের অতিরিক্ততায় কেউ অনেক সময় রক্তের সম্পর্ককে অস্বীকার করে ফেলে। যখন কেউ সেই ব্যক্তির পরিস্থিতি বোঝার জায়গায় সবসময় তাকে দোষারোপ করে থাকে। মানুষ নিজের তাগিদে করতে পারে না, এমন কিছু নাই। কিন্তু যখন মানুষ পরিবারের তাগিদে কোনো কিছু অস্বিকার করে। তখন সেই ব্যক্তিকে তার পরিবারের সদস্যরাই অতিরিক্ত ভুল বোঝে। যখন তার পাশে সবথেকে বেশি দরকার ছিল তার পরিবারের। কিন্তু মাঝে মাঝে পরিবারের জন্য পরিবারের কিছু ত্যাগই তাকে সবথেকে বেশি দুর্বল করে থাকে। যার কারনে এই ধরনের ব্যক্তিগুলো কখনোই নিজের দায় কমাতে পারে না। কিন্তু সামনে থেকে সবার সামনে সে স্বার্থবাদী ব্যক্তি হিসেবে উপস্থিত হয়। কিন্তু তার জীবনে মানুষের ভালোর জন্য ত্যাগের পরিমাণ বেশি হয়ে থাকে। হয়তো এই কারণে সমাজে তার মূল্য থাকলেও পরিবারের কাছে থেকেও সম্পর্কের দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হয়।

সমাজে যে তোমাকে বেশি আপন মনে করাবে। বুঝে নিও সেই ব্যক্তি না চাইতেও তোমার হালকা কষ্টের কারণ হবে। কারণ বেশি মূল্যায়িত ব্যক্তিগুলোর সামান্য কিছু বিষয়ও অতিরিক্ত অনুভবের কারণ হয়। যখন সেই বিষয়ে কিছু প্রকাশ না করতে পারার পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগুলোর কষ্ট একটু বেশি হয়। তখন বিষয়টার প্রতি অপ্রকাশ্যে হয়তো কেউ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জড়িত থাকে। যার কারনে অপ্রকাশ্যে অনুভবকৃত মানুষগুলো সাধারনের মাঝেও নিজেদের ব্যক্ত করে যায়। কিন্তু বাস্তবতা সবসময় মানুষকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ শেখায়। যার কারণে মানুষ ত্যাগেও তাদের শান্তি খুঁজে নেয়। তাই কোনো কিছু হয়তো মানুষকে দুর্বল করে। কিন্তু সেই মূহুর্তের দুর্বলতাগুলোই একসময়ে কারোর ভিতরের চিরস্থায়ী শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। যখন ব্যর্থাতায়ও কেউ নিজেকে মানসিকভাবে শক্ত রাখতে পারে।