আত্মপ্রকাশের অনুভবে স্মৃতির পাতায় গাঁথা ভেজা মুহুর্তগুলো-

13th December, 2023
412




নির্বিশেষের অনুভবকৃত বিষয়ের আত্মপ্রকাশঃ

মানুষ সেইসব বিষয় কখনোই ভুলতে পারে না। যেই বিষয়গুলো কেউ নিজে থেকে অনুভব করে। কারণ একটা মানুষ পরিস্থিতির মায়া কাটাতে পারে। কিন্তু কিছু বিষয়ের ক্ষণস্থায়িত্ব জেনেও যদি কেউ অনুভব করতে থাকে। তখন হয়তো সেইসব ব্যক্তি তার অনুভবগুলোকে কখনোই ছাড়তে পারে না। কারণ বিষয়টাকে কেউ নিজের আরেকটা অংশ হিসেবে জীবনে জায়গা করে দেয়। যখন বিষয়টার প্রতি কারোর চাওয়া-পাওয়া থাকে না। কিন্তু বিষয়টার একটু অনুভবও তাকে শান্ত করে দেয় যেকোনো পরিস্থিতিতে। এইজন্য নিজ অনুভবকৃত বিষয়গুলো কাউকে এমনভাবে জড়িয়ে রাখে। যখন কেউ বিষয়টাকে মনে না রাখলেও সেই সম্পর্কিত যেকোনো কিছু কারোর মধ্যে পুরোনো অনুভব নতুন করে জাগায়। তখন হয়তো কেউ দায় থেকে মুক্ত থাকে। কিন্তু ভেতরের অনুভবগুলোর স্থায়িত্বে সবসময় কিছু ব্যক্তি জীবনের চাপে নিজের মধ্যে আবদ্ধ থাকে।

মানুষ বিভোর হয়ে থাকে সেইসব মূহুর্তে। যেই মূহুর্তগুলোকে ভেতরের জড়তার কারণে বদলাতে অসক্ষম রয়ে যায়। কারণ একটা ব্যক্তি তখনই থমকে যায়, যখন সবকিছু বুঝেও পরিস্থিতির দায়ভারে নিজেকে নির্বোধভাবে পরিচালনা করতে হয়। মানুষ সবকিছু পারলেও তার ভেতরের অনুভবগুলো কাউকে নিজের মতো অনুভব করাতে পারে না। যার কারনে অপ্রকাশ্যের অনুভবে কেউ নিজেকে ভাঙা গড়ার মাঝে আবদ্ধ করে রাখে। যখন সময়ের সাথে প্রত্যেকটা বিষয়ের স্পষ্টতা বাড়তে থাকে সেইসব ব্যক্তির মধ্যে। বর্তমানে মানুষ কাউকে শেখায় না। কারণ সময়ের অভাবে বেশিরভাগ মানুষ ভালো থাকার তাগিদে নিজের থেকে শিখতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। যখন কাজের মাঝেও অনেকে নিজের ভেতরকার বিষয়গুলো অপরিবর্তিতভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়। কারণ কারোর জীবনের মূল উদ্দেশ্য হয়ে থাকে সবকিছুর মাঝেও নিজেকে ভালো রাখা।

রিলেটেড পোস্ট


মানবিক মূল্যবোধ মানুষের ভেতরের লক্ষণ নির্ধারণ করে থাকে-
পড়া হয়েছে: ৪০৮ বার

চার দিনের ব্যবধানে ফের কমল সোনার দাম
পড়া হয়েছে: ৯১ বার

সুন্দর মন সবকিছু পরিবর্তন করতে পারে-
পড়া হয়েছে: ৬১ বার

মানুষ নির্ভীক মনোভাবে যেকোনো কিছু শক্তভাবে অনুধাবন করে-
পড়া হয়েছে: ৯১৩ বার

নিখুঁত চিন্তার চেয়ে নিজেকে নির্ভুল রাখা উত্তম-
পড়া হয়েছে: ২৪৮ বার

মানুষের অনুভবের ভিত্তিতে তার বিবেচনার গাঢ়ত্ব বাড়ে-
পড়া হয়েছে: ২৫৪ বার

অনুভবের আর্তনাদের অন্তিম পর্যায়-
পড়া হয়েছে: ২৯২ বার

প্রত্যেকটা নারীর প্রকৃতির সাথে আলাদা একটা সম্পর্ক থাকে-
পড়া হয়েছে: ২৯০ বার

মানুষের প্রকৃত স্বচ্ছতা তার জীবনের তিক্ততায়-
পড়া হয়েছে: ২৭৮ বার

আবছা বিষয়গুলোর প্রতি মানুষের প্রয়োজন বেশি-
পড়া হয়েছে: ৩৫২ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ ব্যক্তি ছিঁড়ছে সম্পর্কের পাতা- Friday, 08th December, 2023

সম্প্রদায়ের শক্তিঃ

​​​​​​মানুষের তাগিদের অতিরিক্ততায় কেউ অনেক সময় রক্তের সম্পর্ককে অস্বীকার করে ফেলে। যখন কেউ সেই ব্যক্তির পরিস্থিতি বোঝার জায়গায় সবসময় তাকে দোষারোপ করে থাকে। মানুষ নিজের তাগিদে করতে পারে না, এমন কিছু নাই। কিন্তু যখন মানুষ পরিবারের তাগিদে কোনো কিছু অস্বিকার করে। তখন সেই ব্যক্তিকে তার পরিবারের সদস্যরাই অতিরিক্ত ভুল বোঝে। যখন তার পাশে সবথেকে বেশি দরকার ছিল তার পরিবারের। কিন্তু মাঝে মাঝে পরিবারের জন্য পরিবারের কিছু ত্যাগই তাকে সবথেকে বেশি দুর্বল করে থাকে। যার কারনে এই ধরনের ব্যক্তিগুলো কখনোই নিজের দায় কমাতে পারে না। কিন্তু সামনে থেকে সবার সামনে সে স্বার্থবাদী ব্যক্তি হিসেবে উপস্থিত হয়। কিন্তু তার জীবনে মানুষের ভালোর জন্য ত্যাগের পরিমাণ বেশি হয়ে থাকে। হয়তো এই কারণে সমাজে তার মূল্য থাকলেও পরিবারের কাছে থেকেও সম্পর্কের দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হয়।

সমাজে যে তোমাকে বেশি আপন মনে করাবে। বুঝে নিও সেই ব্যক্তি না চাইতেও তোমার হালকা কষ্টের কারণ হবে। কারণ বেশি মূল্যায়িত ব্যক্তিগুলোর সামান্য কিছু বিষয়ও অতিরিক্ত অনুভবের কারণ হয়। যখন সেই বিষয়ে কিছু প্রকাশ না করতে পারার পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগুলোর কষ্ট একটু বেশি হয়। তখন বিষয়টার প্রতি অপ্রকাশ্যে হয়তো কেউ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জড়িত থাকে। যার কারনে অপ্রকাশ্যে অনুভবকৃত মানুষগুলো সাধারনের মাঝেও নিজেদের ব্যক্ত করে যায়। কিন্তু বাস্তবতা সবসময় মানুষকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ শেখায়। যার কারণে মানুষ ত্যাগেও তাদের শান্তি খুঁজে নেয়। তাই কোনো কিছু হয়তো মানুষকে দুর্বল করে। কিন্তু সেই মূহুর্তের দুর্বলতাগুলোই একসময়ে কারোর ভিতরের চিরস্থায়ী শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। যখন ব্যর্থাতায়ও কেউ নিজেকে মানসিকভাবে শক্ত রাখতে পারে।

প্রত্যেকের জীবনে সত্যতার তাৎপর্য কতটুকু- Wednesday, 15th November, 2023

সত্য মিথ্যার পার্থক্যঃ

প্রত্যেকেই পূর্ব বিবেচনায় চলতে থাকে, প্রয়োজনীয় গন্ত্যব্যে না পৌঁছানো অবধি। কিন্তু সময় নির্ধারণ করে গন্তব্যে পৌঁছানোর পর তাকে কোন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে। আবার কেউ যদি সবসময় সবার সাথে মিলেমিশে থাকে। কিন্তু প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে মিথ্যার আশ্রয় নেয়। হয়তো সময়ের সাথে অনেকের কাছে অপ্রকাশ্যেই তার পরিচিতি আবছা হয়ে যাবে। এককথায় সবার মাঝেও থেকে অস্তিত্বহীন জীবনযাপন করা। মিথ্যা সাময়িকের সঙ্গী। কিন্তু সত্য পর্যায়ক্রমে কঠিন হলেও চিরস্থায়ী। মানুষ ক্ষণিকের সুখে আকৃষ্ট হয় বেশি। তাই সময়ের সাথে তারা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে থাকে। যার কারনে কখনো সত্য বলতে গেলেও তাদের ভেতরে জড়তা কাজ করতে থাকে।

জীবনের শুরু থেকে যেমন কেউ স্থির হতে পারে না। তেমনি কিছু সময়ের দুর্বলতা না চাইতেও কাউকে একসময় শান্ত করে দেয়। তখন যেকোনো কিছু অস্বাভাবিক লাগলেও আস্তে আস্তে সবকিছুই অভ্যসে পরিণত হয়। পৃথিবীতে অনুসরণকারী ব্যক্তির সংখ্যা বেশি। যেজন্য কারোর জীবনের বেশিরভাগ সময় অনুসরণ করতে গিয়েই চলে যায়। কিছু জিনিস যেমন চাইলেও কখনো পুরোনো হয় না। তেমনি নতুন কোন কিছু হয়তো আকৃষ্টহীনতার কারণে শুরু থেকেই পুরোনো অনুভব হয় কারোর কাছে। অনেক সময় কিছু জিনিসের মূল্য দেরিতে আসলেও সেটা চিরস্থায়ী। কারণ সময় বদলালেও বিষয়টা সবসময় এক রকম থেকে যায়। যার কারনে বিয়টার স্থায়িত্বের ওপর কোনো সন্দেহ থাকে না।

প্রত্যেকের জীবনেই সময়ের সাথে আড়ালের বিষয়গুলো বাড়তে থাকে। যার কারনে তারা সবকিছু বুঝেও দ্বিধার কারনে প্রত্যেকটা বিষয়কে গুলিয়ে ফেলে। কিন্তু একটা সময়ের পর তারাই নিজেকে সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন করে থাকে। জীবনে সত্যতার চেয়ে মিথ্যার প্রভাব বেশি। যার কারনে সময়ের সাথে তারা মিথ্যার আশ্রয় নিতে নিতে জীবনের সত্যতা হারিয়ে ফেলে। কখনো সত্যতা ফিরে পেলেও তার জীবনের মিথ্যার প্রভাবকে কখনো কাটিয়ে উঠতে পারে না। সময় মানুষকে কোন কিছু পরিবর্তনে সাহায্য করলেও বিষয়গুলোর পরিচালনা যার যার নিজের করতে হয়। মানুষের ভাবনার শেষ নেই। কিন্তু সীমাবদ্ধতা আছে। যার কারণে সমাপ্তিতেও নতুনের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়।

মানুষের ছোট জীবনেরও প্রভাব অনেক বেশি। যার কারনে প্রত্যেকেরই সময়ের সাথে বিবেচনা করে চলা উচিত। তাহলে হয়তো তার জীবনে আক্ষেপের অবশিষ্ট কোনো রূপ থাকে না। নদীর কিনার যেমন অসীমের সংক্ষিপ্ততা প্রকাশ করে। তেমনি কারোর জীবনের প্রতি বিবেচনা তার সংক্ষিপ্ত সময়ের অসীম প্রভাব বিস্তার করে পৃথিবীতে। যা কারোর জীবনের সমাপ্তিতেও তার অস্তিত্ব বজায় রাখে সময়ের প্রতি। সঠিক ভুলের মধ্যেই প্রত্যেকের জীবন অতিবাহিত হয়। কারোর জীবনের পার্থক্য থাকলেও সময়ের উপর সবকিছু নির্ভর করে। যেজন্য আত্মরক্ষার্থে মায়ার জালেও সবাইকে ছুটতে হয় মোহ কাটিয়ে। নিজেকে বাদ দিয়ে যেকোনো বিষয় মেনে নেওয়া ভালো জীবনের জন্য। কিন্তু কিছু সময় অতিবাহিত জীবনকেও নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। ভুলের প্রভাব কাটিয়ে ওঠার জন্য।

জীবন সংক্ষিপ্ত কিন্তু কারোর কর্মের প্রভাব তার জীবনের বিস্তারিত রূপ প্রকাশ করে। তেমনি কোনো কিছু পরিচালনা সহজ কিন্তু ব্যাবস্থাপনা সবকিছুর পূর্ণতা আনে। শেষের সীমাবদ্ধতায়ও অসীম কিছু অপেক্ষা করে। যা সময়ের সাথে কাউকে চাওয়ার অতিরিক্ত পেতে সাহায্য করে।

পারিবারিক আদালত কী, মামলার ধরন, মামলা করার পদ্ধতি Tuesday, 29th August, 2023

পারিবারিক আদালতঃ প্রতিটি জেলায় সহকারী জজ আদালত পারিবারিক আদালত হিসেবে গণ্য হয়। যেহেতু পারিবারিক আদালতের মামলা সিভিল বা দেওয়ানী প্রকৃতির বিধায় সকল পারিবারিক সমস্যার সমাধান এখানে পাওয়া যাবে এমনটা ভাবা সঠিক নয়। পারিবারিক আদালতে মূলত পাঁচটি পারিবারিক সমস্যার নিষ্পত্তি করা হয়।

  1. বিবাহ বিচ্ছেদ
  2. দাম্পত্য সর্ম্পক পুনরুদ্ধার
  3. মোহরানা
  4. ভরণপোষণ
  5. সন্তানের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান

বিবাহবিচ্ছেদঃ বিবাহবিচ্ছেদের জন্য সব সময় আদালতে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কাবিননামার ১৮ নম্বর ঘরে স্ত্রীকে তালাক দেয়ার ক্ষমতা না থাকলে কেবল স্ত্রী আদালতে যেতে পারেন। এছাড়া স্ত্রী যদি স্বামীকে ‘খোলা’ বা ‘মোবারাত’ বিচ্ছেদে সম্মত করাতে পারেন, সে ক্ষেত্রেও আদালতে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। কাবিননামায় স্ত্রীর তালাক দেয়ার ক্ষমতা না থাকলেই কেবল আদালতে যেতে হবে। ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ আইন অনুযায়ী ৯টি কারণের মধ্যে যেকোনো একটি কারণে স্ত্রী তালাক প্রার্থনা করতে পারেন।

  •  স্বামী চার বছরের বেশি সময় নিরুদ্দেশ থাকলে।
  • স্বামী দুই বছর খোরপোশ দিতে ব্যর্থ হলে।
  • বিনা অনুমতিতে অতিরিক্ত স্ত্রী গ্রহণ করলে।
  • স্বামী সাত বছর বা এর বেশি কারাদণ্ড ভোগ করলে।
  • বিনা কারণে স্বামী তিন বছর দায়িত্ব পালনে ব্যার্থ হলে।
  • স্বামী পুরুষত্বহীন হলে।
  • স্বামী কুষ্ঠব্যাধি বা মারাত্মক যৌনব্যাধিতে ভুগলে।
  • স্ত্রীর নাবালিকা অবস্থায় বিবাহ হলে এবং যৌন সম্পর্ক স্থাপন না হলে সাবালিকা হওয়ার পর স্ত্রী তা অস্বীকার করলে।

দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারঃ কোনো কারণে দাম্পত্য জীবন ব্যাহত হলে এবং সংসারে ফেরত না আসতে পারলে স্বামী বা স্ত্রী যে কেউ পারিবারিক আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন। মোহরানা/দেনমোহর : স্বামীর পরিশোধ না করা দেনমোহরের জন্য স্ত্রী মামলা করতে পারেন। তাৎক্ষণিক মোহরানার জন্য যে তারিখে তা দাবি করা হয় এবং অগ্রাহ্য করা হয়, সে তারিখ থেকে তিন বছরের মধ্যে এবং বিলম্বে মোহরানার জন্য বিচ্ছেদ ঘটার তারিখ থেকে তিন বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে। ভরণপোষণ : স্বামী যদি স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ইচ্ছাকৃত অপারগ থাকেন, তাহলে স্ত্রী যেদিন থেকে ভরণপোষণের টাকা দাবি করবেন, সেদিন থেকে তিন বছরের মধ্যে পারিবারিক আদালতে মামলা করতে হবে। সন্তানের অভিভাবকত্ব : সন্তানের অভিভাবকত্ব এবং হেফাজত নিয়ে কোনো বিরোধ হলে পারিবারিক আদালতে যাওয়া যেতে পারে। আইনগত বিবাহবিচ্ছেদের পর ছেলের সাত বছর বয়স এবং মেয়ের বয়োসন্ধি পর্যন্ত মা-ই সন্তানকে পালন করতে পারেন। উপযুক্ত বয়সসীমার নিচে যদি সন্তানের বয়স হয় এবং বাবা যদি মায়ের কাছে সন্তানকে না রাখতে দেন, তবে মা পারিবারিক আদালতে মামলা করতে পারেন। এ পাঁচটি বিষয়ে পারিবারিক বিরোধ দেখা দিলে আপনি পারিবারিক আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন। পারিবারিক এসকল বিরোধ নিষ্পত্তির জন্যই দেশে পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

আদালতের আশ্রয় নেয়ার পদ্ধতিঃ উভয় পক্ষ যেখানে বসবাস করে বা সর্বশেষ বসবাস করেছে এবং যে পারিবারিক আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে সমস্যা উদ্বৃত্ত হয়েছে, সেই আদালতে মামলা করতে হবে। তবে বিবাহবিচ্ছেদ, মোহরানা ও ভরণপোষণের ক্ষেত্রে যেখানে স্ত্রী বসবাস করেন, সেই এলাকায় বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে পারবেন। দেনমোহর বা ভরণপোষণের পরিমাণ যতই হোক, মামলা করা যাবে। পারিবারিক মামলার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য প্রয়োজনীয় যে কাগজ-পত্র দরকার -

  1. কাবিন নামা
  2. তালাক নামা (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে)
  3. ভোটার আইডি কার্ড/ জন্ম নিবন্ধন সনদ
  4. বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন কার্ড (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে)
  5. ২য় বিবাহের কাবিন নামা

(প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে) মামলার ধাপসমূহঃ 

  1. মামলা দায়ের
  2. সমন ফেরত
  3. জবাব দাখিল
  4. আপোষ মিমাংসা/বিচার্য বিষয় গঠন
  5. শুনানির তারিখ নির্ধারণ/প্রাথমিক শুনানি
  6. চূড়ান্ত শুনানি
  7. যুক্তি-তর্ক
  8. রায় ও ডিগ্রী মামলার ধাপগুলো দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

অন্য সকল মামলার তুলনায় পারিবারিক আদালতের মামলার কার্যক্রম অগ্রাধিকার দিয়ে খুব কম সময়ের মধ্যে সমাধান করার চেষ্টা করা হয়ে থাকে।