কিছু বিষয়ের দীর্ঘস্থায়ীত্ব মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে-

11th December, 2023
308




চিন্তার বিপরীতের পরিবর্তনঃ

কিছু পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে অনেকের জীবনে। যখন বিষয়টার সাথে জড়িত যেকোনো কিছু চাইলেও কেউ তার ভেতর থেকে মুছে ফেলতে পারে না। কারণ যে বিষয়গুলো মানুষ নিজে থেকে অনুভব করতে পছন্দ করে। সেই বিষয়গুলোর মধ্যে যতোই জটিলতা থাকুক না কেন। আজীবন তারা বিষয়টার প্রতি আত্মিকভাবে জড়িত থাকে। যার জন্য বিষয়টা অপ্রকাশ্যেও সেইসব ব্যক্তির প্রকাশ্যের শক্তির কারণ হয়ে থাকে। হয়তো বিষয়গুলো অনেকের মধ্যেই অজানাভাবে থাকে। যার কারনে তারা খুঁজতে থাকা বিষয়গুলোকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গুলিয়ে ফেলে। কিন্তু মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার ভিতরে জমনো বিশেষ অনুভব। যা কাউকে যেকোনো পরিস্থিতির প্রভাব থেকে সবসময় মুক্ত রাখে।

বাস্তবতা কঠিন। তবে মানুষের থেকে বেশি নয়। কারণ যেকোনো কিছু নিয়ন্ত্রণমাফিক পরিচালিত হলেও মানুষের বেশিরভাগ বিষয় তার নিজের মতো করে পরিচালিত হয়। যার কারণে বাস্তবতা মানুষের জীবনের অংশবিশেষ। যা কাউকে সবসময় ঠিক-ভুলের পার্থক্য শেখাবে। কিন্তু সময়ের সাথে নিজের দিক দিয়ে কারোর আলাদাভাবে পথচলা শিখতে হয়। যখন সাবধানতার সাথে প্রত্যেকটা বিষয়ের মূল্যায়ন আবশ্যক হয়ে পড়ে জীবনের জন্য। তখন কঠিনের মাঝেও একান্তের জীবনগুলো পূর্ণতা অর্জনে সক্ষম হয়। কিন্তু যারা নিজেকে বুঝতে অসক্ষম রয়ে যায়। তারা কোনো কিছুর সমাপ্তিতেও নির্বোধ রয়ে যায় ভেতর থেকে। যখন সম্ভাবনার যেকোনো কিছু সেইসব ব্যক্তির জীবনে মূল্যহীনভাবে রয়ে যায়।

মানুষ শুরুর দিকে বিবেক পর্যালোচনা না করে যখন তার জীবনের জন্য বড় কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। তখন হয়তো অনেকের মাথায় এই চিন্তা আসে না যে, সেই পরিস্থিতিতে নিজেকে মানানসই করার জন্য তাকে কিসের সম্মুখীন হতে হবে। কিন্তু যখনই কেউ পরবর্তীর চিন্তা না করে ভলোলাগার মোহে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। তখন সেইসব ব্যক্তির মধ্যে সমস্তকিছুর কঠিন বাস্তব রূপ, ধীরে ধীরে তার ভুলগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে থাকে। যখন বিষয়গুলো তার চোখে কাটার মতো বিদলেও মুখ বুজে সহ্য করা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। তাই সময়ের আগে কোনো সিদ্ধান্তই গ্রহণ করা উচিত নয়। যা কাউকে তার জীবনের শেষ অবধি ভোগায়। মানুষ হিসেবে সবকিছু মেনে নেওয়া গেলেও জীবনের সাথে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ক্ষেত্রে নিজ থেকে নেওয়া ভুল সিদ্ধান্তের প্রতি অনুশোচনার অনুভব থেকে কখনো মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়। আর এই বিষয়ের জন্য যেকোনো বিকল্প রাস্তার সন্ধান সমস্যা সমাধানের জায়গায় ধীরে ধীরে সেইসব ব্যক্তির জীবন নিঃশেষ করতে থাকে। আর পরিসমাপ্তিতে গল্পের পাতায় প্রবাদের মতো করে সেইসব ব্যক্তির জীবন উল্লেখিত থাকে। যা শুনেই সবাই শান্তনা নেয়, প্রয়োগে নয়।

রিলেটেড পোস্ট


আত্মপ্রকাশের অনুভবে স্মৃতির পাতায় গাঁথা ভেজা মুহুর্তগুলো-
পড়া হয়েছে: ৩৩১ বার

উপেক্ষাকৃত চিন্তার পরিপ্রেক্ষিতে সাময়িক মূল্যায়ন পর্যালোচনা-
পড়া হয়েছে: ৭১২ বার

ফেসবুক চালাতেও প্রতি মাসে দিতে হবে টাকা!
পড়া হয়েছে: ৪৩ বার

চিরন্তন সত্য-
পড়া হয়েছে: ৩২১ বার

মানুষের স্পষ্টতা তাকে সবকিছুতে মানানসই করে তোলে-
পড়া হয়েছে: ২৯০ বার

কারোর জীবনে না চাইতেও পাওয়া কিছু বিশেষ উপহার-
পড়া হয়েছে: ২৩১ বার

মানসিক শান্তি বজায় রাখার সর্বোত্তম প্রক্রিয়া-
পড়া হয়েছে: ১৭২ বার

সমাজের বিপরীত প্রতিক্রিয়ায় নিজেকে পরিবর্তনের সময়-
পড়া হয়েছে: ১৭৯ বার

মানুষ বাকহীন মূহুর্তে তার ভেতরের কষ্টগুলো কাউকে বোঝাতে পারে না-
পড়া হয়েছে: ২২২ বার

জীবনের পরিভাষা একান্তে পথচলা.
পড়া হয়েছে: ৩৩৯ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



‌শিশুর যত্ন প্রায়ই দেখি, Thursday, 23rd November, 2023
প্রায়ই দেখি, কারো ছোট্ট বাচ্চাকে কেউ কোলে নিয়ে চুমাচুমি শুরু করে দেয়, যেটা এক ধরনের বিশ্রী রকমের অভদ্রতা। হতে পারে, চুমু দেয়া মানুষটি মুখের হাইজিন ঠিকমত মেইনটেইন করেন না, অথবা বাইরে থেকে এসে মুখটুখ না পরিষ্কার করেননি অথবা পান বিড়ি সিগারেট খান। যা থে কে বাচ্চার জন্য হতে পারে নিদারুণ ক্ষতি। আবার চুমু দিতে না দিলেও মনে হয় না জানি কি পাপ করে ফেললেন। শিশুর এমনিতেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে, এর মধ্যে এইসব হলে তার দায়ভার কি তিনি নিবেন?? না বাবা/মা পারবে তাকে ব্লেম করতে, না তিনি নিজে ব্লেম নিবেন। ভালো হয়, এইসকল চুম্মাওয়ালা মানুষের কোলেই বাচ্চাকে না দেয়া। কোলে দেয়া পর্যন্ত মেনে নেয়া গেলেও, বাকিটা নয়। সেটা বাচ্চাকে কোলে দেয়ার সময়ই তাকে বলে দেয়াটাও বাবা/মা এর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। শিশুদের যত্ন নিন ভালো থাকুন.
#প্রস্তুতি Saturday, 06th January, 2024
জীবনটি একটি অদৃশ্য যাত্রা, এবং এই যাত্রায় আমাদের সাহস, উদ্দীপনা, এবং পরিশ্রমের সাথে এগিয়ে যাওয়া দরকার। আমরা সবাই কিছুটা কাজ করতে চাই, কিছুটা অর্জন করতে চাই, এবং আমাদের জীবনের এই ছোট পান্ডুলিপির মধ্যে বড় কিছু হতে চাই। কিন্তু পথের সাথে সাথে সমস্যাও আসে, এবং তা হলো একটি স্বাভাবিক অংশ। সমস্যা আসলে মৌলে দেখতে হয়, এবং তার সমাধানের দিকে মুখ করতে হয়। একটি সমস্যা একটি সুযোগ, একটি পরীক্ষা যা আমাদের ক্ষমতা এবং ইচ্ছাশক্তি চেক করতে সাহায্য করে। সবাইকে মনে রাখতে হবে যে, "যে কোনও লক্ষ্য অর্জন করা সহজ নয়, কিন্তু সহজ লক্ষ্য প্রাপ্ত করা হতে যেটি বড় হয়, সেটি অসম্ভব নয়।" সবাই চারপাশে সৃষ্টি করা সীমার বাইরে যাওয়ার জন্য তৈরি আছি, কিন্তু সে হতে আবশ্যক হবে আমাদের সাহস এবং প্রস্তুতি। তাই, হৃদয়ে ধরে নিন আপনার স্বপ্ন, এবং সম্ভাবনার দিকে পৌঁছানোর জন্য প্রতিশ্রম করুন। জীবনটি একটি অসীম সাগর, এবং আপনি হচ্ছেন এই সাগরের অনুভূতি। কাজ করুন, উৎসাহিত থাকুন, এবং যেকোনো চুনৌতিতে মুখোমুখি হোন। আপনি সক্ষম, এবং সবাই আপনার সাথে। ???????? #মোটিভেশন #জীবনেরসফলতা #প্রস্তুতি"
স্বাভাবিক মাত্রায় যেকোনো কিছুর তারতম্য বজায় রাখা সম্ভব- Thursday, 18th January, 2024

প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রয়োগ সর্বোত্তমঃ

যেকোনো মানুষ শুরুতে তার প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোর মূল্যায়ন করতে পারে না। কারন মানুষের জীবনে অনুভবের পরেই অনুধাবন আসে। যেকোনো মানুষ অনুভবে আবদ্ধ থাকে। কিন্তু অনুধাবন মানুষকে শ্রেষ্ঠ করে। কেউ যখন কাউকে সাহায্য করে। তখন অপর ব্যক্তি তার মূল্যায়ন করবে। কারন লোক দেখানো সাহায্য অন্যের কাছে তার ছোট মানসিকতা প্রকাশ করবে। কিন্তু সাধারনভাবে সাহায্যের মাধ্যমে কেউ তার আন্তরিকতায় প্রত্যেকের মনে বিরাজ করে। যখন অপ্রকাশ্যে প্রত্যেকেই সেই ব্যক্তির মূল্যায়ন করবে। তাই যোকোনো কিছুর মাঝে নিজের স্বচ্ছ মানসিকতা তৈরি করা উচিত। কারোর উদগ্রীব আকাঙ্খায় নিজেকে সাবলীল রাখার জন্য।

সমর্পনের ইচ্ছাশক্তি কাউকে দায়মুক্ত প্রশান্তি প্রদান করে। মানুষ যখন তার স্বামর্থ্য অনুযায়ী বিপদগ্রস্থ ব্যক্তিদের নিঃস্বার্থভাবে সাহায্য করবে। তখন মানুষ হিসেবে সেই ব্যক্তি তার কর্তব্য মূল্যায়ন করতে পারবে। আর অপর ব্যক্তির স্বস্তির নিঃশ্বাস সেই ব্যক্তির জন্য নতুন অনুভব তৈরি করবে। যা তাদের মনকে সময়ের সাথে বৃহৎ করতে থাকবে। মানুষ হয়ে জন্ম নিলে কারোর কর্তব্য তার পরিবারে বিরাজ করলেও দায়িত্ব থাকে বিপদগ্রস্থ ব্যক্তিদের জন্য। কারন মানুষ হিসেবে কারোর মনুষ্যত্ববোধ তার কর্মের মাধ্যমে তৈরি হয়। কিন্তু কেউ যদি মনে করে, নিজের নির্বাচিত ব্যক্তিদের সহযোগিতা করার মাধ্যমে সে সফলতা অর্জন করবে। তাহলে সেইসব ব্যক্তি সময়ের সাথে পৃথিবীর কাছে হেরে যাবে। হয়তো কেউ একটা সময় বুঝবে। আবার কেউ বুঝতে পারবে না। কিন্তু সময় প্রত্যেক ব্যক্তির কর্মের ফল তাকে প্রদান করবে। তাই দায়বদ্ধতায় কোনো কিছু পার করার জায়গায় মূল্যায়ন করা উচিত। যখন কেউ সাধারনভাবেই সবকিছু থেকে দায়মুক্ত থাকে। যেজন্য নিঃস্বার্থ ব্যক্তিদের নিজের জীবনের প্রতি আশা রাখার কোনো প্রয়োজন হয় না। কারন তারা সময়ের পথযাত্রী।

মানুষ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে তুচ্ছ জিনিসের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারে। যা কারোর পূর্ববর্তী ভুলের নতুন সমাধান তৈরি করবে। যখন কেউ বলার জায়গায় শুনবে। আর রাগ দেখানোর জায়গায় শান্ত থাকবে। মানুষ যখন কোনো কিছুর প্রতি আকৃষ্ট হয়। তখন সবসময় সে কিছু না কিছু খুঁজতে থাকবে ভেতর থেকে। কারন বেশিরভাগ মানুষ তার অনুভব প্রকাশ করতে পারে না। কিছু ক্ষেত্রে আকৃষ্টতা ভালো। তবে তা চিন্তায়, প্রকাশ্যে না। কারন চিন্তার মিশ্রিত অনুভবে সবকিছু সুন্দরভাবে পরিচালনা করা যায়। যেজন্য চিন্তার মাধ্যমেও প্রত্যাহিক জীবনে নতুনত্বতা আনা যায়।

সৃষ্টির সবকিছুই পরিবর্তিত হতে থাকে। কিন্তু কেউ তার চিন্তায় অটুট থাকে। মানুষ মানুষের জন্য। তবে প্রকৃতি সবার জন্য। কারন প্রকৃতি শুধু দেওয়ার জন্য। আর মানুষ দেওয়া-নেওয়া দুইটার জন্যই। কিন্তু কিছু মানুষ দিতে জানে। আর কিছু মানুষ নিতে জানে। তাই শেষ মূহুর্তে প্রকৃতিকেই দানশীল মানা হয়।