মানুষের স্পষ্টতা তাকে সবকিছুতে মানানসই করে তোলে-

06th December, 2023
290




স্পষ্টীকরণ মানসিকতাঃ

কারোর উপর কেউ নির্ভর করে না। কিন্তু প্রত্যেকের ভিত্তিতে সবাই নিজের উপর নির্ভর করে। কারণ চারপাশের প্রত্যেকটা বিষয়ের অনুভবই কাউকে প্রভাবিত করে থাকে। সময় কখনোই কাউকে কোনো কিছুর প্রতি চাপ প্রয়োগ করায় না। কিন্তু কারোর কর্মের উপর তার সমস্তটা নির্ভর করে। যার কারনে কারোর ছোট থেকে ছোট বিষয়ের অলসতায় তৈরি গুরুত্বহীনতা তাকে সবকিছু থেকে অল্প করে পিছিয়ে দেয়। তাই সবসময় কেউ অন্যের সুরক্ষার্থে নিজের জন্য নিজেকে বাধিত করলে পুরো পৃথিবী তার সাথে থাকে। সুন্দর মূহুর্ত কাউকে ছেড়ে যায় না। যার কারনে কোনো মানুষের চেয়ে অনুভবের স্থায়িত্বের নিশ্চয়তা বেশি। তাই সবসময় নিজের প্রতি প্রতিরক্ষার্থী মনোভাব বজায় রাখা উচিত। যা অন্যকে এবং তাকে শান্তিপূর্ণ জীবন-যাপনে সহয়তা করবে।

নতুন যেকোনো কিছু অনেক সময় কাউকে আকৃষ্টহীনভাবে রাখে। কারণ এই ধরনের ব্যক্তিগুলো নিজেদের প্রতি অতিরিক্তভাবে আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। আর এই মনোভাবের কারণে অন্য কিছুর প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে তারা নিজের প্রতি আকৃষ্ট হয়। হয়তো তারা মনে করে জীবনে নিজের জন্য কাউকে নিঃস্বার্থভাবে থাকার চাপ প্রয়োগ করার চেয়ে স্বাধীনভাবে নিজের মতো করে জীবনযাপন করা। কারণ স্বার্থ কাউকে আলাদা করলেও একটা জায়গায় উপনীত হয়। কিন্তু চাপ কাউকে দুর্বলভাবে নিঃশেষে বিভাজ্য করে। যখন কেউ সবকিছু মেনে নিয়ে জীবন-যাপন করলেও সময় তাকে মানবিকভাবে দুর্বল করে। একটা মানুষ সবসময় আত্মিক মনোভাবে বুঝতে শেখে। যার কারনে মেনে নেওয়া অনেক সময় তাদের জীবনের বোঝা বাঁড়ায়। এইজন্য মেনে নেওয়া ভালো। তবে অনুশোচনার জীবন-যাপনের চেয়ে অনেক সময় ত্যাগ শ্রেয়, যে কারোর প্রতিরক্ষার্থে।

 

রিলেটেড পোস্ট


শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চলতে থাকা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ-
পড়া হয়েছে: ১৫২ বার

কারোর ব্যক্তিত্ব যেকোনো পরিস্থিতির প্রভাব থেকে তাকে মুক্ত রাখে-
পড়া হয়েছে: ২৪৪ বার

পরিস্থিতি কারোর প্রকৃতি নির্ধারণ করে থাকে-
পড়া হয়েছে: ১৮৫ বার

প্রত্যেকের জীবনে সত্যতার তাৎপর্য কতটুকু-
পড়া হয়েছে: ১৯০ বার

নিজের প্রতি বিশ্বাসের আদ্রতা জীবনকে আলোকিত করে-
পড়া হয়েছে: ১২৫ বার

অর্জিত আস্থাই মানুষের মনে বিশ্বাস তৈরি করে-
পড়া হয়েছে: ২৭৬ বার

মজবুত মূল্যবোধ তৈরি করতে চিন্তাশক্তির প্রভাব-
পড়া হয়েছে: ১৮১ বার

ক্ষুদ্র প্রতাপ সাময়িক সময়ে প্রভাব বিস্তার করে-
পড়া হয়েছে: ২৭৪ বার

কিছু বিষয়ের উৎকৃষ্টতা মানুষকে অস্বাভাবিকভাবে গড়ে তোলে-
পড়া হয়েছে: ৩৭১ বার

পরাক্রমশালী শক্তির মনোভাবে তৈরিকৃত জীবন-
পড়া হয়েছে: ১০৫৫ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



মানসিক শান্তি বজায় রাখার সর্বোত্তম প্রক্রিয়া- Sunday, 05th November, 2023

জীবনের নির্বিঘ্নতাঃ

শুরু থেকে কোনো কিছুর নির্দিষ্টতা আসে না। সময়ের সাথে পরিবর্তিত জীবনের নতুনত্বতা আসে। চাওয়ার অপূর্ণতা যেমন কাউকে কষ্ট দেয়। তেমনি না পাওয়ার অনুভব মানুষকে মজবুত করে সামনের দিনের জন্য। সমস্যা নিয়েই প্রত্যেকটা জীবনের শুরু এবং শেষ হয়। কিন্তু সমস্যাভেদে সমাধান নিজেরই করতে হয়। চিন্তা প্রত্যেককে প্রভাবিত করতে থাকে বর্তমান পরিস্থিতির প্রতি। কিন্তু সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে পরিচালনা নিজের দায়িত্বে থাকে। পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন সঠিক বিবেচনায় সবকিছুর সমাধান সম্ভব। আর ভুল থেকেই সঠিক বিবেচনা তৈরি হয়।

কখনো যদি কারোর খুব কাছের কিছু তার মানসিক চাপের কারণ হয়। তখন সে ভিতর থেকে প্রাণহীনভাবে জীবন কাটাতে থাকে। চাইলেও তার অনুভূতিগুলো কাউকে অনুভব করাইতে পারে না। কারণ সবাই সুখের ভাগিদার। তাই জীবনের চাপগুলো তাকেই বহন করতে হয়। চাপ থেকে সৃষ্ট অনুভূতিগুলো তাকে পরবর্তী সময়ের মূল্য বোঝায়। যদি সে নিজের দিক দিয়ে পরিষ্কার থাকে। প্রত্যেকের জীবন তার কর্মের উপর নির্ভর করে। তাই কারোর জীবনের ভুলগুলোই একসময় তাকে সঠিক রাস্তা দেখায়। যা তাকে পরবর্তীতে যেকোনো চাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

কারণ ছাড়া যেকোনো কিছুই মূল্যহীন। যেকোনো কিছু থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য প্রত্যেকটা বিষয়ের কারন রেখে বিবেচনা করা উচিত। যেকোনো বিষয়ের জন্য নেওয়া সিদ্ধান্তই পরবর্তী মূহুর্তে প্রত্যেককে প্রভাবিত করে। তাই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যে কেউ তাদের সমস্যা উদ্ভব এবং নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এইজন্য প্রত্যেকটা বিষয়ের কারণ রেখে সঠিক বিবেচনায় নিজেকে পরিচালনা করা উচিত। প্রত্যেকের তার নিজের প্রতি সংবেদনশীল হওয়া উচিত। কারন একটা ব্যক্তির তার নিজের প্রতি গুরুত্বই তাকে যেকোনো কঠিন সময়ে সহ্য ক্ষমতা বাড়ায়।

প্রত্যেকেরই ব্যক্তিগত কিছু সমস্যা থাকে। যা অপ্রকাশ্যের অনুভবে তাকে নিরবে কাঁদতে শেখায়। সত্যিকারের অনুভবে কারোর জীবনের পূর্ণতা আসে। যা তাকে নিরবে সবকিছু ভাবতে শেখায়।

অমর চিত্তে স্থগিত প্রয়াসের একটি নতুন সম্ভাবনা- Monday, 25th December, 2023

অপ্রকাশ্যের দৃষ্টিহীনতাঃ

অতিরিক্ত আশা প্রতিনিয়ত কাউকে নিরাশ করে। কিন্তু নিজের প্রতি একটুকরো ভরসা আর সৃষ্টিকর্তার প্রতি সমস্ত দুর্বলতা রাখলে জীবন প্রয়োজনের তুলনায় অনেকটা শান্তিপূর্ণ হয়। যা হয়তো কাউকে বোঝানোর প্রয়োজন হয় না। কিন্তু তখন প্রত্যেকের দৃষ্টিতে তোমার প্রতি একটা বিরল আকৃষ্টতা অনুভব করতে পারবা। যা তোমার জন্য কাউকে ভিতর থেকে হিংসা প্রতিস্থাপন থেকে বিরত রাখবে। কারণ সাধারণ মানুষের শত্রু একটু কম হয়। যেজন্য সবকিছুর মধ্যে না পাওয়াও একটা বিশেষ অভিজ্ঞতা। যখন না বোঝা প্রত্যেকটা জিনিস সহজ হয়ে সময় সাপেক্ষে পরিচালনা হতে থাকে। পরিবর্তন সহজ। তবে প্রত্যাবর্তন নয়। তাই সবসময় সময়ের মূল্যায়ন করা উচিত। কিন্তু জীবনকে বাদ দিয়ে নয়।

পরিবর্তনশীল সবকিছুর মধ্যে মানুষের ভিতরের কিছু বিষয় সবসময় অপরিবর্তিত থাকে। যেমন - পরিস্থিতির চাপে তুমি যদি কাউকে তার ভালোর জন্য তাকে বুঝিয়ে থাকো। তবে তুমিই জানো, তাকে বোঝানো আর তোমার বোধের মধ্যকার পার্থক্য কতটুকু? কারণ যে কাউকে বোঝায়, সেই জানে যে, প্রত্যেকটা পরিস্থিতি সামলানোর জন্য নিজেকে কতটা কষ্টের মধ্যে দিয়ে পার হতে হয়। যার কারনে সে নিজের মতো করে কাউকে বোঝানোর জায়গায়, প্রত্যেকের বোধশক্তির নির্ধারিত মাত্রায় তাঁকে বুঝিয়ে থাকে। মানুষকে বোঝাতে বোঝাতে হয়তো তারা কখনোই বিরক্ত হয় না। কারণ তারা ভিতর থেকে অনেকেটা সংবেদনশীল এবং একান্ত হয়ে থাকে। যেজন্য তারা কঠিন নয়। আবার দুর্বল নয়। আর এইরকম ছোট্ট কিছু বিষয়ের কারণেই তারা নির্বিঘ্নে জীবনের দৃষ্টান্ততা অর্জন করে থাকে।

Asad ali Monday, 08th January, 2024
Asad Ali 
     30

শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক-

 

সম্পর্কের সম্মানঃ

কোনো কিছুর শুরুতে সবকিছু ঠিক থাকে। আত্মিক অনুভব নিজের চারপাশে নতুন পরিবেশ সৃষ্টি করে। আশেপাশের সবকিছু নতুন আবহাওয়ায় নিজেকে নতুন করে সৃষ্টি করে। কিছুদিন পর এই সম্পর্কের প্রকৃতিটা আমাদের মধ্যে একঘেয়েমি সৃষ্টি করতে থাকে। কারণ আমরা মানুষ নতুনত্ব আমাদেরকে পরবর্তী মূহুর্তের প্রতি আকৃষ্ট করায়। ভালোলাগা এমন একটা জিনিস যেটা প্রতিটা মানুষের মধ্যে যেমন নতুনত্ব সৃষ্টি করে তেমনি তার চেয়ে একটু ভালো কিছু আমাদেরকে সেই পরিবেশের প্রতি অনিহা সৃষ্টি করায়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে ভালোলাগার বিষয়টা Short Time Relationship এর মধ্যে পরে। কারণ ভালোলাগা শুধু আমাদের কোনো কিছুর প্রতি আকৃষ্ট করায়। কিন্তু সত্যিকারের ভালোবাসা আমাদের অপ্রকাশ্যে ত্যাগ করতে শেখায়। যারা সত্যিকার অর্থে কাউকে ভালোবাসে তাদের প্রথম পর্যায় খুব কঠিন থাকে। কারণ তারা অনুভব করে। কিন্তু কিসের জন্য অনুভব করে তার কোনো কারণ খুঁজে পায়না। যা তাদের প্রথম পর্যায়ে খুবই বিরক্ত অনুভব করায় যেকোনো কিছুর প্রতি। আস্তে আস্তে সে যখন তার আত্মিক অনুভবের মানুষটাকে খুঁজে পায়। তখন তাকে সে এতটাই সম্মানের পর্যায়ে রাখে যে, তার যেকোনো পরিস্থিতিতে তার ঢাল হয়ে থাকে। আর এর কারণেই সবসময় তাকে হারানোর ভয়ে নিরবতায় তার প্রতিরক্ষার্থী 

মানবিক মূল্যবোধ মানুষের ভেতরের লক্ষণ নির্ধারণ করে থাকে- Thursday, 14th December, 2023

মানুষের লক্ষণ পর্যবেক্ষণঃ

যখন কেউ ভেতর থেকে কোনো কিছুর প্রতি আকৃষ্ট হয়। তখন সেই বিষয়ের সামান্য আবির্ভাবও তাকে সম্পূর্ণরূপে গ্রাস করে। যেই মুহুর্তে হালকা পানি পান করলে তার ভেতর দিয়ে কম্পণ অনুভূত হয় সম্পূর্ণ শরীরে। আর ততক্ষণ পর্যন্ত বিষয়টা তার মধ্যে বিরাজ করে। যতক্ষণ না সে কোনো কিছুর মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত করছে। যেকোনো কিছুই সাধারণ। কিন্তু যেকোনো কিছুর প্রতি মানুষের বিবেচনার পর্যবেক্ষণে বাড়তে থাকা মূল্যবোধ তাকে আলাদাভাবে কারোর সবকিছু নির্ধারণ করায়। যার কারণে কোন বিষয়টা তার জন্য সঠিক। আর কোন বিষয়টা তার জন্য ভুল। তা সহজেই যেকোনো মানুষ তার পর্যবেক্ষণে নির্ধারণ করে জীবনে সামান্য জায়গা দিয়ে থাকে। সময়ের সাথে অনুভবের জায়গা থেকে সেইসব বিষয়ের পরিধি বাড়ে বা নির্মূল হয়।

কিছু সময় কোনো ব্যক্তি হালকা কোনো কিছুর প্রতি এতটাই জরিয়ে যায়। যখন সামান্য অনুভবে যেকোনো কিছু থেকে তার ভাঙা-গড়ার গল্পের শুরু হয়। যা হয়তো কারোর জীবনের শেষ অবধি চলতে থাকে। একটা মানুষ শুরু থেকে কখনোই চাইবে না যে, তার জন্য কেউ সামান্য কষ্ট অনুভব করুক। কিন্তু যখন সে বুঝতে পারবে, প্রত্যেকের জন্য আত্মত্যাগে তার মূল্যবোধের বিসর্জন হতে পারে। তখন হয়তো সেইসব ব্যক্তি জীবনের কঠিন সত্যগুলোর সাথে পরিচিত হবে। যখন কারোর প্রতি মূল্যায়ন আর নিজের জন্য মূল্যবোধ কাজ করবে। মানুষ নতুনত্বে আকৃষ্ট। তবে পুরোনো কিছু ভুলে গিয়ে নয়। সবকিছুই মানুষের মধ্যে বিরাজ করে। শুধু সময় সবকিছুর পুনঃনির্ধারণ করে থাকে। যেজন্য মানুষ নিজের জায়গায় ঠিক থাকে। কিন্তু প্রত্যেকটা পরিস্থিতিতে খাপ খাওয়াতে সময়ের সাথে সবাইকেই একটু বদলাতে হয়।

অনেক সময় দেখা যায় যে, কিছু মানুষ কোনো পরিস্থিতিতে তাকে মানাতে পারবে কিনা চিন্তা না করে, তার জীবনে বিষয়টার স্থায়ীত্বের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। যেই বিষয়টা শুরুর দিকে ছোট মনে হলেও সময়ের সাথে তার কঠিনত্বতা কারোর জীবনকে দুর্বিসহ করে তোলে। যখন বিষয়টা বুঝলেও পূর্ব নির্ধারিত সিদ্ধান্তের মতো চাপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। যখন সময়ের সাথে বিষয়টার জটিলতা বাড়তে থাকে। তখন অনুভবের ভার সময়ের সাথে কারোর জীবনের চাপ বাড়িয়ে থাকে। যেজন্য ব্যক্তিগুলোর মধ্যে হালকাভাবে তিক্ততা তৈরি হয়। যখন কেউ নিজের মধ্যে থেকেও নিজেকে অনুভব করতে ভুলে যায়। তাই সময় থাকতে যেকোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজের দিকটা বিবেচনা করা উচিত। যাতে সামান্য ভুলের মাধ্যমে অন্যের আর নিজের জীবনকে অর্থহীনতায় ভোগান্তির শিকার না হতে হয়।

সিদ্ধান্ত নেওয়া ভুল নয়। তবে ভবিষ্যতে প্রতি সিদ্ধান্তের প্রভাব পূর্বেই বিবেচনা করা উচিত। যাতে সামান্য ভুলের কারণে সারা জীবনের ভোগান্তির শিকার না হতে হয়।