কারোর ব্যক্তিত্ব যেকোনো পরিস্থিতির প্রভাব থেকে তাকে মুক্ত রাখে-

05th December, 2023
243




ব্যক্তিত্ব মানুষের অস্তিত্বঃ

অনেকে ব্যক্তিত্ব একটা শব্দ মনে করে। যা কোনো কিছুর সাথে জোড়া দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু উপরিভাগে নিজেকে ব্যক্তিত্বের শব্দে আবদ্ধ করা জীবনের মূর্খতা। কারণ ব্যক্তিত্ব মানুষের অস্তিত্ব, কোনো শব্দ না। যখন সেইসব ব্যক্তি বোধশক্তির দুর্বলতায় যেকোনো মানুষের কাছে নিঃশব্দে তার মূল্যহীনতা প্রকাশ করে থাকে। যা সেই মূহুর্তে তার চিন্তাধারার বাইরে থাকে। যে কারণে সেইসব ব্যক্তির জীবন গঠনের শুরুর পর্যায়ের নির্বোধ মনোভাব পোষণে, যেকোনো মানুষের কাছে তাকে ব্যক্তিত্বহীনভাবে প্রকাশ করে। কারোর জীবনের ভুলগুলো সঠিকভাবে বুঝতে হয়তো বয়স ৩০+ হয়ে যায়। তখন ব্যক্তিগুলো নিজেই নিজের কাছে উপহাসের খোরাক হয়। কারণ যেই সময় কারোর নিজেকে নিজের জন্য সংশোধন করা প্রয়োজন হয়। তখন ব্যক্তিত্বহীনতায় তার ভিতরের নির্বোধ মনোভাব সবকিছু থেকে তাকে দূর করে থাকে। যেজন্য ভবিষ্যতে সেইসব ব্যক্তি নিজের কাছে বিদ্রুপ হয়ে থাকে।

বেশকিছু বিষয় কারোর ব্যক্তিত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। যেমন- জীবনের প্রতি আশার জায়গায় ভরসার মনোভাব পোষণ করা। ভালোলাগার জায়গায় ভালো কাজের মাঝে নিজেকে লিপ্ত রাখতে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া। যেকোনো বিষয়ে নিজেকে ইতিবাচকভাবে ভাবতে শেখানো। পরিপূরক জীবন পেতে সংক্ষিপ্ত রাস্তা পরিত্যাগ করা। প্রত্যেকটা মূহুর্তে সৃষ্টিকর্তার অনুদানের কথা মাথায় রেখে কোনো কিছুর প্রতি অতিরিক্ত গুরুত্ব ত্যাগ করা। কারণ জীবনের সাথে জড়িত অতিরিক্ত বিষয়গুলো ত্যাগেই মানুষ নিজের সাথে পরিচিত হয়ে থাকে। যখন কারোর মধ্যে মরীচিকার মোহ নিঃশেষ হওয়ায় অনেকেই জীবনের বাস্তবতায় নিজেকে উজ্জীবিত করতে সক্ষম হয়। তখন জীবনের সত্যতায় অনেকে নিজের ভিতরে ব্যক্তিত্বের অভিজ্ঞতা অনুভব করতে থাকে। কারণ যেকোনো মানুষের ব্যক্তিত্ব জীবনের সামঞ্জস্যতা বজায় প্রত্যেকটা বিষয়ের প্রতি প্রতিরক্ষার্থী মনোভাব তৈরি করে।

মানুষের জীবনে যেকোনো কিছু চিন্তাধারার মাধ্যমে অর্জন করতে হয়। তাই জীবনে আগাছার মতো বিষয়গুলোকে পরিত্যাগ করে কেউ যখন পরিবারের প্রতি অনুগত হতে শেখে। তখন জীবনের কোমলতায় তার বিশেষত্ব তৈরি হতে থাকে। যা প্রত্যেকের কাছে তার বিভিন্ন দিকদর্শনেও পরিবারের কর্তব্যে সবসময় তাকে নির্ধারিত রাখে। যখন কেউ পথভ্রষ্ট ব্যক্তিকে জীবনের পর্যালোচনা শেখানোর মাধ্যমে নিজের অস্তিত্বের পরিধি বৃদ্ধি করে থাকে। একটা মানুষ কখনোই কোনো কিছুর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কারণ জীবন অল্প সময়ের হলেও তার পরিধি বিশাল। তাই কেউ যদি মনে করে যে, সমাজের প্রতি তার অবদানের পরিবর্তে অপ্রকাশ্যে প্রত্যেকটা বিষয়ে মনুষ্যত্ববোধ প্রতিষ্ঠা করে যাবে। তখন পৃথিবীর শেষ অবধি মানুষ হিসেবে কিছুটা হলেও জীবনের দায়ভার কমাতে পারে। 

রিলেটেড পোস্ট


প্রত্যেকটা নারীর প্রকৃতির সাথে আলাদা একটা সম্পর্ক থাকে-
পড়া হয়েছে: ১৯৮ বার

ফেসবুক চালাতেও প্রতি মাসে দিতে হবে টাকা!
পড়া হয়েছে: ৪৩ বার

আবছা বিষয়গুলোর প্রতি মানুষের প্রয়োজন বেশি-
পড়া হয়েছে: ২৮৯ বার

চলমান সময়ে নিঃস্বার্থ জীবন উপভোগের মুহুর্ত-
পড়া হয়েছে: ১৭২ বার

মানুষ শুদ্ধতার শেষ স্তরের অনুভব করে থাকে নিজের জন্য-
পড়া হয়েছে: ৪৮৮ বার

ছোটবেলার হারানো সময়-
পড়া হয়েছে: ১৮৯ বার

অন্ধকারের মধ্যে ভেঙে যাওয়া জীবনগুলো পুনরুদ্ধার করার শক্তি আছে-
পড়া হয়েছে: ১৮২ বার

বিব্রতকর পরিস্থিতির অনাকাঙ্খিত চিন্তার প্রভাব-
পড়া হয়েছে: ১৭৬ বার

স্বাভাবিক মাত্রায় যেকোনো কিছুর তারতম্য বজায় রাখা সম্ভব-
পড়া হয়েছে: ৩৭৩ বার

মজবুত মূল্যবোধ তৈরি করতে চিন্তাশক্তির প্রভাব-
পড়া হয়েছে: ১৮১ বার


আরো নিবন্ধন পড়ুন



Break up ???? Wednesday, 31st January, 2024

ব্রেকাপের ভয়টাই আমরা পাই, বিচ্ছেদের

ভয়টা নয়।

বিছানার আদরটাই আমাদের জানা, একদিন বিছানার পাশের ফাঁকা জায়গাটা আমাদের মাথাতেও

আসে না।

প্রেমের পর শুধু বিয়ে না হওয়ার ভয়টাই আমরা পাই, বিয়ের পর শেষদিন জীবনের শেষ

বিয়ের সাজটার আশঙ্কা আমাদের কল্পনাতেও আসে না। সেদিনের বিয়েতেও চন্দনে সাজবে।

একে অপরকে জড়িয়ে থাকার তৃপ্তিটাই আমরা চাই, কিন্তু একে অপরকে ছেড়ে থাকার

স্বাদটা আমরা পাইনা।

বর্তমানে একে অপরে অভিমান আর ইগোয় পোড়ার যন্ত্রনাটুকুই আমরা পাই, কিন্তু একে

অপরকে ছেড়ে ভবিষ্যতে চিতার আগুনে পোড়ার যন্ত্রনাটা আমাদের মনেও থাকে না। ভুলে

যাই এটাই যে আজ দুজন পুড়ছি অন্তরে অন্তরে, সেদিন একজন পুড়বে বাহিরে অপরজন

অন্তরে।

কিছু বিষয়ের দীর্ঘস্থায়ীত্ব মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে- Monday, 11th December, 2023

চিন্তার বিপরীতের পরিবর্তনঃ

কিছু পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে অনেকের জীবনে। যখন বিষয়টার সাথে জড়িত যেকোনো কিছু চাইলেও কেউ তার ভেতর থেকে মুছে ফেলতে পারে না। কারণ যে বিষয়গুলো মানুষ নিজে থেকে অনুভব করতে পছন্দ করে। সেই বিষয়গুলোর মধ্যে যতোই জটিলতা থাকুক না কেন। আজীবন তারা বিষয়টার প্রতি আত্মিকভাবে জড়িত থাকে। যার জন্য বিষয়টা অপ্রকাশ্যেও সেইসব ব্যক্তির প্রকাশ্যের শক্তির কারণ হয়ে থাকে। হয়তো বিষয়গুলো অনেকের মধ্যেই অজানাভাবে থাকে। যার কারনে তারা খুঁজতে থাকা বিষয়গুলোকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গুলিয়ে ফেলে। কিন্তু মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার ভিতরে জমনো বিশেষ অনুভব। যা কাউকে যেকোনো পরিস্থিতির প্রভাব থেকে সবসময় মুক্ত রাখে।

বাস্তবতা কঠিন। তবে মানুষের থেকে বেশি নয়। কারণ যেকোনো কিছু নিয়ন্ত্রণমাফিক পরিচালিত হলেও মানুষের বেশিরভাগ বিষয় তার নিজের মতো করে পরিচালিত হয়। যার কারণে বাস্তবতা মানুষের জীবনের অংশবিশেষ। যা কাউকে সবসময় ঠিক-ভুলের পার্থক্য শেখাবে। কিন্তু সময়ের সাথে নিজের দিক দিয়ে কারোর আলাদাভাবে পথচলা শিখতে হয়। যখন সাবধানতার সাথে প্রত্যেকটা বিষয়ের মূল্যায়ন আবশ্যক হয়ে পড়ে জীবনের জন্য। তখন কঠিনের মাঝেও একান্তের জীবনগুলো পূর্ণতা অর্জনে সক্ষম হয়। কিন্তু যারা নিজেকে বুঝতে অসক্ষম রয়ে যায়। তারা কোনো কিছুর সমাপ্তিতেও নির্বোধ রয়ে যায় ভেতর থেকে। যখন সম্ভাবনার যেকোনো কিছু সেইসব ব্যক্তির জীবনে মূল্যহীনভাবে রয়ে যায়।

মানুষ শুরুর দিকে বিবেক পর্যালোচনা না করে যখন তার জীবনের জন্য বড় কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। তখন হয়তো অনেকের মাথায় এই চিন্তা আসে না যে, সেই পরিস্থিতিতে নিজেকে মানানসই করার জন্য তাকে কিসের সম্মুখীন হতে হবে। কিন্তু যখনই কেউ পরবর্তীর চিন্তা না করে ভলোলাগার মোহে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। তখন সেইসব ব্যক্তির মধ্যে সমস্তকিছুর কঠিন বাস্তব রূপ, ধীরে ধীরে তার ভুলগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে থাকে। যখন বিষয়গুলো তার চোখে কাটার মতো বিদলেও মুখ বুজে সহ্য করা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। তাই সময়ের আগে কোনো সিদ্ধান্তই গ্রহণ করা উচিত নয়। যা কাউকে তার জীবনের শেষ অবধি ভোগায়। মানুষ হিসেবে সবকিছু মেনে নেওয়া গেলেও জীবনের সাথে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ক্ষেত্রে নিজ থেকে নেওয়া ভুল সিদ্ধান্তের প্রতি অনুশোচনার অনুভব থেকে কখনো মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়। আর এই বিষয়ের জন্য যেকোনো বিকল্প রাস্তার সন্ধান সমস্যা সমাধানের জায়গায় ধীরে ধীরে সেইসব ব্যক্তির জীবন নিঃশেষ করতে থাকে। আর পরিসমাপ্তিতে গল্পের পাতায় প্রবাদের মতো করে সেইসব ব্যক্তির জীবন উল্লেখিত থাকে। যা শুনেই সবাই শান্তনা নেয়, প্রয়োগে নয়।

সর্বোত্তম মূহুর্তের যেকোনো বিবেচনা মন থেকে আসে- Thursday, 30th November, 2023

বিবেচনার প্রেক্ষিতেঃ

কিছু শব্দ যখন ভাবনায় আটকে থাকে। তখন পর্যায়ক্রমে মানুষের চিন্তার খুব দ্রুত পরিবর্তন হয়। কিন্তু আবেগ থমকে থাকে। যার কারনে মানুষ অনুভব করা ভুলে যায়। এখন বিষয়টা হলো যে, এমনটা কখন হয়? সত্যিকার অর্থে যেই ব্যক্তিগুলো কোনো কিছুর প্রতি নিজের চেয়েও বেশি মূল্য দিয়ে থাকে। সেই বিষয়টার সামান্য আঘাতও ওই ব্যক্তিকে ভেতর দিয়ে অনুভব করায়। যার কারণে সেই বিষয়ের সাথে কেউ মানায় নিতে গেলে, মনঃস্তাত্বিক কষ্ট তাকে বিষয়টার প্রতি অভিমানের অনীহা তৈরি করায়। যার কারনে সবকিছুর পরিবর্তনের মাত্রা বাড়লেও সেই বিষয়ের নিস্তব্ধতা ওই মূহুর্তেই সবকিছুর পরিসমাপ্তি ঘটায়। নতুন করে বিষয়টা পুনরুজ্জীবিত হলেও হয়তো পূর্বের মতো কোনো কিছুই থাকে না। যার কারনে সেই বিষয় সম্পর্কিত যেকোনো কিছুই তার জীবনের প্রতি মূল্যহীনতা প্রকাশ করতে থাকে।

মানুষ তার জীবনের কিছু সময়ে সবকিছুর চিন্তা ভুলে একটু শান্তির নিঃশ্বাস নিতে চায়। কিন্তু পরবর্তীর বাস্তবতার কথা চিন্তা করলেই তখন বিষয়টাকে স্বপ্নে বেঁধে ক্লান্তির নিঃশ্বাসে নতুন সময়ের পথচলা শুরু করে। যেখানে কোনো কিছুর মানে না থাকলেও প্রত্যেকটা জিনিসের কারন খুঁজে জীবন পরিচালনা করতে হয়। কিন্তু আত্মিক বিবেচনাগুলো সবসময় ভেতরে স্বপ্নের বাসা বেঁধে পূর্ণতার অপেক্ষায় থাকে। যা কাউকে অনুভবে ভালো থাকতে সহায়তা করে। তার স্বপ্নগুলো পূরণ হোক বা না হোক। তাই প্রত্যেকের উচিত সবার সাফল্যের অনুপ্রেরণা নিয়ে নিঃস্বার্থভাবে পরিশ্রমের সাথে সৎভাবে এগোতে চেষ্টা করা। তাহলে তার জন্য কোনো না কোনো সময় ভালো কিছু অবশ্যই থাকবে। যা কল্পনার বিষয়গুলো থেকে অতিরিক্ত সুন্দর হবে। তখন হয়তো তার জীবনের সরলতার জন্য বিষয়গুলোর অপব্যবহার করার চিন্তা-ভাবনা আসবে না জীবনে। যার কারনে কষ্ট হলেও আস্তে আস্তে নিজেকে বদলানোর চেষ্টা করা উচিত। যা পরিবর্তন করার ক্ষমতা একমাত্র সৃষ্টিকর্তার কাছে থাকবে।

প্রশ্ন মানুষ তখনই করে যখন কোনো বিষয়ের প্রতি সে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত না হচ্ছে। কিন্তু প্রত্যেকেটা মানুষের জানার ধরণ আর ইচ্ছাশক্তি হয়তো একরকম হয় না। অনেকে আছে, দ্বিধাবোধের মাধ্যমে প্রশ্ন করে থাকে। আবার অনেকে সবাইকে দেখে প্রশ্ন করে। আর কিছু প্রকৃতি আছে, যারা অন্যকে প্রশ্ন করার জায়গায় নিজেকে ভেতর দিয়ে সবসময় প্রশ্ন করে। আর নিজেই নিজের প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করে। প্রশ্ন/কৌতুহলের এমন অনেক ধরন আছে যা হয়তো লেখা বা বলায় সীমাবদ্ধ নয়। কিন্তু উল্লেখিত প্রশ্নের ধরনের মধ্যে বিভিন্ন পার্থক্য সময়ের সাথে ব্যক্তিগুলোকে পরিবর্তিত বা অপরিবর্তিত রাখে। যে ব্যক্তিগুলো দ্বিধাবোধে কোনো প্রশ্ন করে, সেই ব্যক্তিগুলো তার অজান্তে পরিস্থিতি আর সময়কে খুব ভয় করে। তখন তার পরিবর্তনের জন্য সময়ের সাথে নিজের দ্বিধাবোধের পরিসমাপ্তি ঘটানো শ্রেয়। আর যে ব্যক্তিগুলো সবাইকে দেখে প্রশ্ন করে, তারা অন্যের বিচার-বিশ্লেষণেও অপরিবর্তিত থাকে। যার জন্য সময়ের সাথে তাদের পরিবর্তন হলেও ব্যক্তিত্বের দুর্বলতায় বিবেচনা, চিন্তা-ভাবনা, বোধশক্তির কোনো প্রভাব থাকে না জীবনের প্রতি। আর যে প্রকৃতির ব্যক্তিগুলো নিজেই নিজেদের প্রশ্নের সমাধান করে থাকে, তারা সবসময় পরিস্থিতির চেয়ে অন্যের বিচার-বিশ্লষণকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে। কারণ বাস্তবেও তাদের ভেতরে একটা আলাদা জায়গা থাকে নিজের জন্য। যেখানে দোষ ধরে অপমান করার মতো কেউ না থাকায় সঠিকভাবে যেকোনো কিছু বিবেচনা করতে সক্ষম হয়। সেখানে ভুল হলেও সংশোধনে কোনো বিষয়ের জন্য দ্বিধাগ্রস্ততার স্বীকার হতে হয় না।

প্রত্যেকের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান জিনিসের প্রভাব- Thursday, 16th November, 2023

অনুতাপের অনুভবঃ

জীবনের একটা সময়ে যখন কেউ কোনো কিছু অনুভব করতে পারে। তখন সে বুঝতে শুরু করে। হঠাৎ করে কোনো কিছুই হয় না। সময়ের সাথে সবকিছু নিজের গতিতে পরিবর্তিত হয়। মানুষ চাইলেও যেমন জীবনের দায় কমাতে পারে না। তেমনি কারোর অনুভবে তৈরি বিবেচনা হেরে যাওয়া মূহুর্তের মাধ্যমে কাউকে সবসময় মজবুত করতে থাকে। যা ভবিষ্যতে কাজে আসে। প্রত্যেকে চাইলেও যেমন সম্পূর্ণভাবে নিজের অনুভবের ভিত্তিতে চলতে পারে না। তেমনি কিছু বিষয় কাউকে তার চাওয়ার অতিরিক্ত অনুভব করায়। যা তার অপ্রকাশ্যে ভালো থাকার কারন হয়। কিছু সময় এমন কিছু বিষয়ই কাউকে সময়ের সাথে বিশেষ পরিবর্তন করে থাকে। যার কারনে তাদের আলাদা একটা বিশেষত্ব তৈরি হয়। যা সময়ের সাথে বেশিরভাগ মানুষের কাছে তাকে আকৃষ্ট করায়।

কারোর অতিরিক্ত অনুভবের মূহুর্তে বৃষ্টি যখন সঙ্গী হয়। তখন কারোর অনুভবের পরিবর্তন তাকে নতুন অনুভবের অভিজ্ঞতা করায়। যা কাউকে ভিতর থেকে মানবিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। পৃথিবীতে অনেকের মধ্যেই মানবিকতার অভাবের কারণে তারা জীবনের অনুভব করতে ভুলে গেছে। যার কারণে সময়ের সাথে যে যার কথা স্বার্থবাদীর মতো করে ভাবতে থাকে। যা কাউকে প্রকাশ্যের সফলতায়ও জীবনকে মূল্য হীন করে দেয়। যা কাউকে সবকিছুর মধ্যেও অসন্তুষ্ট রাখে। কিন্তু তার না পাওয়ার বিষয়গুলো কখনোই অনুধাবন করতে পারে না। তাই সবকিছুর শুরুতে জীবনের পর্যবেক্ষণ করতে পারলে, সময়ের সাথে যেকোনো বিষয়ই সবসময় তাকে সুখ অনুভব করায়। যা কারোর জীবনের মূল্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

কোনো বিষয়ের পরিবর্তন যেমন নিজে থেকে আসে না। তেমনি কোনো কিছুর জন্য ভেতর থেকে নিজেকে প্রভাবিত করা উচিত না। কারণ সঠিক সিদ্ধান্তে কখনো নিজেকে প্রভাবিত করতে হয় না। সবকিছুই নিজের গতিতে চলতে থাকে। শুধু মূল্যায়ন নিজের করতে হয়। যা পুরোনো যেকোনো কিছুতেও কাউকে নতুনত্বতা আনতে সক্ষম করে। আর এভাবেই কেউ সময়ের সাথে জীবনের মূল্যায়নে সফল হয়। কেউ প্রভাবিত তখনই হয়, যখন কেউ না চাইতেও কিছু বিষয়ের পর্যবেক্ষণের চেষ্টায় থাকে। তাই কোনো কিছুর প্রভাবের চেয়ে মানুষের প্রভাব কারোর জীবনেকে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত পরিবর্তন করে থাকে। সময় থেকে শেখা ভালো। কিন্তু কারোর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নয়।